Category: হবিগঞ্জ

  • আজমিরীগঞ্জে নৌ চলাচলে প্রশাসনের নির্দেশনা

    আজমিরীগঞ্জে নৌ চলাচলে প্রশাসনের নির্দেশনা

    হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ লঞ্চঘাট ও টার্মিনাল নৌকা ঘাটের ইজারাদার ও মাঝিদের নৌ চলাচলে প্রয়োজনীয় সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা, অধিক পরিমানে মালামাল বা যাত্রী পরিবহন না করা ও আবহাওয়া প্রতিকূল হলে মাঝনদী বা হাওরে অবস্থান না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৬ই আগস্ট) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মতিউর রহমান খান আজমিরীগঞ্জ নৌ-ঘাট সরজমিন পরিদর্শন করে ইজারাদার ও নৌকার মাঝিদের এ নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এদিকে, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারী করা হয়েছে। সেটা মেনে চলার জন্য সবাইকে আহবান জানানো হয়েছে।

  • শায়েস্তাগঞ্জে বাস চাপায় নিহত ২

    শায়েস্তাগঞ্জে বাস চাপায় নিহত ২

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ নতুনব্রীজ এলাকায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় ঘটনাস্থলেই দুই জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৪ জন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১ টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুনব্রীজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    শায়েস্তাগঞ্জে বাসের ধাক্কায় ২ পথচারী নিহত
    মুখোমুখি দুইটি বাসের সংঘর্ষ।

    জানা যায়, সিলেট থেকে কুমিল্লাগামী কুমিল্লা ট্রান্সপোর্ট এর একটি গাড়ি (ঢাকা
    মেট্রো-ব ১১-০৭৭১) নতুনব্রীজ এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকা এক্সপ্রেস নামে
    সেখানে দাঁড়ানো আরেকটি যাত্রীবাহী গাড়িকে (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-১৫৬৯) সজোরে পিছন
    দিকে ধাক্কা দেয়। এতে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়।

    নিহত একজন দাঁড়িয়ে থাকা আদনান এন্ড আরিদা পরিবহনের হেলপার ও অপর জন আউয়াল মিয়া (৪৫) শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নিজগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ।

    এসময় আরও চার জন গুরুতর আহত হয়েছে। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌফিকুল ইসলাম তৌফিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আহতদেরকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • সন্তোষপুরের প্রায় ৬০০ গৃহহীন লোক কোথায় করেছে ইদুল ফিতর? কোথায় করবে ঈদুল আযহা?

    সন্তোষপুরের প্রায় ৬০০ গৃহহীন লোক কোথায় করেছে ইদুল ফিতর? কোথায় করবে ঈদুল আযহা?

    হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার নিভৃত পল্লী সন্তোষপুর এখন যেন এক যুদ্ধ বিধ্বস্ত জনপদ। যেন মৃত্যু উপত্যকা। সাবেক ও বর্তমান মেম্বারের আদিপত্য বিস্তারের মরন খেলায় তছনছ হয়ে গেছে বলভদ্র পাড়ের সাজানো গোছানো গ্রামটি।

    ২০১৭ সালে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত হন ছুরত আলীর পুত্র আনোয়ার আলী। ২০১৯ সালে আবারও মারামারি। আবারও খুন। এবার খুন হলেন সিরাজ মিয়া নামে এক বৃদ্ধ।

    তারপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ আবারও দাঙ্গা। আবারও হত্যা। এবার একজন নয়, দুই জন। একজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন, নাম নজরুল ইসলাম। অন্যজন চিকিৎসাধীন অবস্থায়; নাম তার বেনু মিয়া।

    এই দুই খুনের ঘটনায় মামলা হওয়ার আগেই শুরু হয় প্রতিপক্ষের বাড়ি ঘরে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট। অন্ততঃ ১৫০ টি ঘরের কোন অস্তিত্ব নেই। আছে শুধু শূন্য ভিটা।

    ১২০ টি বাড়িতে নেই কোন ঘরের চিহ্ন, নেই কোন গাছ পালা। গরু, ছাগল, হাস, মুরগী, কবুতর, পুকুরের মাছ; কোন কিছুই বাদ যায়নি বাদী পক্ষের লুটপাট থেকে।

    এ ঘটনায় বাদী পক্ষের ২ জনের প্রাণ হানী যেমনি মর্মান্তিক; হামলা মামলায় অন্ততঃ ৬০০ লোক গৃহহীন হওয়াটাও অমানবিক।

    খুন হয়েছে, মামলা হয়েছে। আসামী ৬২ জন, অজ্ঞাতনামা আরও ১৫/২০ জন। মামলা তদন্ত হচ্ছে, বিচার হবে। ঘটনা প্রমাণ হলে বিচারে দোষী সাব্যস্থদের সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসি হবে।

    কিন্তু বিচারের আগেই আসামী পক্ষকে ও তাদের আত্মীয় স্বজনকে ভিটাচ্যুত করে, গৃহহীন করে, গ্রাম ছাড়া করে খুনের প্রতিশোধ নেওয়া রীতিমত বেআইনী কাজ। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে আসামীদের বাড়ি ঘর ভাংচুর, তাদের সর্বস্ব লুটপাট করাও আইনতঃ অপরাধ। কিন্তু এসকল কিছুই হচ্ছে।

    ভূক্তভোগীদের একজন মাহবুব হবিগঞ্জের মানবিক পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক বরাবরে উল্লেখিত ব্যাপক লুটপাটের প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছে। তার আবেদন হতে জানা যায় উল্লেখিত দুই খুনের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বাদী পক্ষ কর্তৃক আসামীপক্ষের অনুমান দশ কোটি পাঁচ লক্ষ টাকার সম্পদ হানী হয়েছে; পরবর্তীতে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ইরি ধানও কেটে নিয়েছে বাদী পক্ষ, দাবী উক্ত মাহবুবের।

    গৃহহীন অনুমান ৬০০ লোক। এই করোনা মহামারিতে তারা কোথায় থাকে, কোথায় খায় কেউ জানে না, কেউ খবরও রাখে না। গত ইদুল ফিতর তারা কোথায় উদযাপন করেছে, এই খবর নেওয়ারও কেউ নেই।

    এই গৃহহীন, সহায় সম্বলহীন লোকগুলো আগামী ঈদুল আযহা কোথায় পালন করবে সেটাও কেউ জানেনা। কারো জানার গরজও নেই? বাধ্য হয়ে তাদের ২৯ জন লোক, যারা হত্যা মামলারা আসামী, নিম্ন আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে জেল হাজতে গেছে।

    তাদের কাউকে চিন্তিত কিংবা দুঃখিত হতে দেখা যায়নি। কারন জিজ্ঞাসা করলে জানায়, এতদিন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছে, রোদে শুকিয়েছে, বৃষ্টিতে ভিজেছে। অনাহারে অর্ধাহারে থেকেছে। এখন সরকারী মেহমানখানায় (জেলে) থাকা খাওয়ারতো ব্যবস্থা হলো! এটাইবা কম কিসে!

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবীতে লাখাইয়ে মানববন্ধন

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবীতে লাখাইয়ে মানববন্ধন

    মাছরাঙ্গা টেলিভিশন এর জেলা প্রতিনিধি চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ ও বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর জেলা প্রতিনিধি বদরুল আলম এর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয়রানী মুলক মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার এর দাবীতে মানব বন্ধন করেছে লাখাইয়ে কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিক ফোরাম লাখাই শাখার উদ্দ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচী উপজেলার স্থানীয় বুল্লাবাজারে সাংবাদিক ফোরাম লাখাই শাখার সভাপতি সুশীল চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল আহমেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত হয়।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবীতে লাখাইয়ে মানববন্ধন

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাব সভাপতি এডঃ আলী নোয়াজ, লাখাই রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ বাহার উদ্দিন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মাসুকুর রহমান মাসুক, ব্যবসায়ী মারুফ আহমেদ বাবুল, সাংবাদিক ফোরাম লাখাই শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ রিপন, সাদামনের মানুষ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী শাহজাহান চিশতী প্রমুখ, দৈনিক সংবাদের জেলা প্রতিনিধি শাহ-আলম, আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি শাহাউর রহমান বেলাল প্রমুখ ।

    মানববন্ধনে আরো অংশ নেন সাংবাদিক ফোরাম লাখাই এর সহ-সভাপতি মোঃ ছায়েদুর রহমান, নির্বাহী সদস্য আলী আহমেদ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক তাফাজ্জুল হক, ছাত্রনেতা ফজলে রাব্বি। মানবন্ধনে বক্তাগন মৎস্য কর্মকর্তা আলম কর্তৃক মাছরাঙ্গা টেলিভিশন এর জেলা প্রতিনিধি চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ ও বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর জেলা প্রতিনিধি বদরুল আলম এর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের কৃত মিথ্যা ও হয়রানি মুলক মামলার তীব্র নিন্দা ও অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবী জানান।

  • বাহুবলে বাস-কার সংঘর্ষে দুই নারীসহ নিহত ৩

    বাহুবলে বাস-কার সংঘর্ষে দুই নারীসহ নিহত ৩

    হবিগঞ্জের বাহুবলে বাস ও কারের সংঘর্ষে দুই নারীসহ কারের ৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন।

    আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই) ভোর ৬ ঘটিকার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পুটিজুরী এলাকার আব্দানারায়ন কালিবাড়ি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    নিহতরা হলেন- সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দশঘর গ্রামের রুহেলের স্ত্রী শাহিদা (৩৫), পিরোজ মিয়ার মেয়ে মালেহা (৩৫) ও নিহত প্রাইভেটকার চালকের পরিচয় জানা যায়নি।

    পুলিশ জানায়, ঢাকা গাজীপুর থেকে ঈদুল আজহার ছুটিতে গার্মেন্টস শ্রমিক শাহিদা স্বামীসহ একই এলাকার তিন সহকর্মীকে নিয়ে শুক্রবার ভোর রাতে প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-১৪-১৬১২) করে গ্রামের বাড়িতে ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী এলাকার আব্দানারায়ন কালিবাড়ি নামক স্থানে এসে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা মনোহরদী পরিবহনের ( ঢাকা মেট্রো-ব-১৪৭৬১৯) একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের  চালক ও গার্মেন্টস কর্মী মালেহা নিহত হন এবং চার জন গুরুতর আহত হন।

    আহতরা হলেন-সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দশঘর গ্রামের রাহুলের স্ত্রী গার্মেন্টস কর্মী শহিদা (৩৫), পিরোজ মিয়ার ছেলে আমিনুল ইসলাম (৩৫), শুকুর আলীর ছেলে রুহুল (৩০) ও শহিদ মিয়ার মেয়ে নাজমা (৩০)। বাহুবল হাসপাতালে নেওয়ার পর গার্মেন্টস কর্মী শাহিদা মৃত্যুবরণ করেন।

    খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ ও শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেন এবং  প্রাইভেট কারটি রাস্তা থেকে সরিয়ে  নেন এতে আধা ঘন্টা পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে দেন।

  • বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পাঁচ শিক্ষকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি

    বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পাঁচ শিক্ষকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি

    হবিগঞ্জ জেলার সর্বোচ্ছ বিদ্যাপিঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পাচ শিক্ষক অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েব সাইটে সারাদেশে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির নোটিস দেয়া হয়।

    প্রকাশিত নোটিসে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের চার বিভাগের ৫ জন শিক্ষককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। এর মধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২ জন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ২ জন, দর্শন বিভাগের ১ জন ও বাংলা বিভাগের ১ জন কে পদোন্নতি দেয়া হয়।

    অধাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকগন হলেনঃ
    ১. অধ্যাপক মোঃ ইলিয়াস বখত চৌধুরি, বিভাগীয় প্রধান, ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
    ২. অধ্যাপক মো আব্দুল হাকিম, বিভাগীয় প্রধান, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ।
    ৩. অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম মল্লিক, বিভাগীয় প্রধান, দর্শন বিভাগ।
    ৪. অধ্যাপক মোঃ মকুব আলী, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ।
    ৫. অধ্যাপক পান্না বসু, বাংলা বিভাগ।

    অধাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকগনের পরিচয়ঃ

    ১. অধ্যাপক মোঃ ইলিয়াস বখত চৌধুরি। তিনি ২০০২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে আছেন। বর্তমানে তিনি ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে পালন করছেন।

    ইলিয়াস বখত চৌধুরি ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে শিক্ষকতা শুরু করেন। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও তিনি নেত্রকোনা সরকারি কলেজ ও সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    অধ্যাপক-মো-আব্দুল-হাকিম
    অধ্যাপক মো আব্দুল হাকিম

    ২. অধ্যাপক মো আব্দুল হাকিম। তিনি ২০১৩ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক মো আব্দুল হাকিম ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও তিনি জকিগঞ্জ সরকারি কলেজ, শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ এবং আকবর আলী সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    অধ্যাপক-মোঃ-রফিকুল-ইসলাম-মল্লিক
    অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম মল্লিক

    ৩. অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম মল্লিক। তিনি ২০১৭ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম মল্লিক ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও তিনি গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ এবং বিয়ানিবাজার সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ৪. অধ্যাপক মোঃ মকুব আলী। ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাওশি সংযুক্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক মোঃ মকুব আলী বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও নাজিম উদ্দিন সরকারি কলেজ, মাদারীপুর সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ৫. অধ্যাপক পান্না বসু। তিনি ২০১৪ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগে দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক পান্না বসু ১৬ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে এমসি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও তিনি এমসি কলেজ ও সিলেট সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    অধ্যাপক পান্না বসুর স্বামী অধ্যাপক ডাক্তার সব্য সাচী। তিনি পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটের এনেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের একমাত্র মেয়ে কানাডায় নিউরোসাইন্স নিয়ে উচ্চ শিক্ষা নিচ্ছেন।

    এছাড়াও হবিগঞ্জ জেলার আরেক কৃতি সন্তান অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি বৃন্দাবন কলেজের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ হারুন মিয়া। তার গ্রামের বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার পইলা খান্দি ইউনিয়নের বিজয়পুরে। তার বর্তমান বাসা শহরের পুরাতন হাসপাতাল রোডে অবস্থিত।

    অধ্যাপক মোঃ হারুন মিয়া ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক মোঃ হারুন মিয়া বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজ, চুনারুঘাট সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ এবং বিয়ানিবাজার সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেওয়ান জামাল উদ্দিন চৌধুরি হবিগঞ্জ নিউজকে বলেন, “অনেক দিন পর এই পদোন্নতি এসেছে। আমার কলেজের ৫ জন শিক্ষক পদোন্নতি পেয়েছেন। এজন্য বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই পদোন্নতিতে কলেজের শিক্ষার মান আরো বৃদ্ধিপাবে বলে আশাকরি।”

    উল্লেখ্য প্রকাশিত নোটিসে সমগ্র দেশের মধ্যে অর্থনীতি বিভাগের ৪৪ জন, আরবিতে ৫ জন, উসলাম শিক্ষায় ১৭ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ৩ জন, ইংরেজিতে ৪৩ জন ইতিহাসে ৪৫ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৪৬ জন, গণিতে ৩৪ জন, দর্শনে ৫০ জন, পদার্থবিদ্যা ২৯ জন,পরিংখ্যানে ১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ৩৬ জন, বাংলায় ২১ জন, ব্যবস্থাপনায় ৩৯ জন, ভূগোলে ৪ জন, মৃত্তিকাবিজ্ঞানে ১ জন, মনোবিজ্ঞানে ৩ জন, রসায়নে ২২ জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৪৬ জন, সমাজকল্যানে ১৬ জন, সমাজবিজ্ঞানে ৬ জন, সংস্কৃতে ১ জন, হিসাববিজ্ঞানে ৩৩ জনে এবং শিক্ষা বিভাগে  ৫ জন সহ মোট ৫৫০ জন কে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

  • হবিগঞ্জে ডিসির সাথে জেলার ইউএনও দের চুক্তি স্বাক্ষর

    হবিগঞ্জে ডিসির সাথে জেলার ইউএনও দের চুক্তি স্বাক্ষর

    হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) এর সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বৃন্দের  চলতি অর্থবছরের ২০২০-২১  বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে  জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান সভাপতিত্বে এই  অনুষ্ঠানটি হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক নূরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মর্জিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) উম্মে ইসরাত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিজেন ব্যানার্জী, জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ, জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং হবিগঞ্জ জেলার সাংবাদিকবৃন্দ।

    এই চুক্তিতে যা থাকছেঃ- পাহাড়কাটা ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে বিশেষ উদ্যোগ, ছাদকৃষি, পতিত জমি চাষের আওতায় আনয়ন, ব্যাপক হারে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী, শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ, ডিজিটাল ক্লাসরুম স্টুডিও স্থাপন, ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ব্যাপক হারে বৃদ্ধিসহ কিছু অনন্য লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।