Author: Habiganj News

  • হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে ইসলামী ব্যাংক ম্যানেজার’র মতবিনিময়

    নিজস্ব প্রতিনিধি:  হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন ইসলামী ব্যাংক হবিগঞ্জ শাখার ম্যানেজার শেখ মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

    ক্লাব সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক হারুনুর রশিদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান ও চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন হবিগঞ্জের সভাপতি প্রদীপ দাশ সাগর। সভায় ক্লাব নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মতবিনিময়কালে শেখ মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ সুখে দুঃখে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দে পাশে থাকার এবং হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক কল্যাণ তহবিলে ইসলামী ব্যাংক থেকে আর্থিক অনুদান পেতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    পাশাপাশি তিনি সমাজ উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন অবদান লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান। শেষে তিনি উপস্থিত সবাইকে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার উপহার দেন।

  • শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের কুতুব আলী স্যার আর নেই

    শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের ঐত্যবাহি শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র শিক্ষক মোঃ কুতুব আলী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি………রাজিউন)।

    বুধবার (৯ জানুয়ারী) দুপুর ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সুলতানশি সাহেব বাড়ি মাঠে মরহুমের জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। পরে গ্রামের বাড়ি শরিফপুরে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হবে।

    এর আগে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে অসুস্থ্যতা জনিত কারণে সিলেট হাসপাতালে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

    শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ মহিবুর রহমান বলেন- কুতুব আলী স্যার ১৯৮৭ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে গণিত শিক্ষক হিসেবে এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। দীর্ঘ ৩২ বছর একই বিদ্যালয়ে সততা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    তিনি আরো জানান- ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর এই বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

  • সরকারি কাজে দেশীয় আইটি প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে: মোস্তাফা জব্বার

    করাঙ্গী নিউজ : সরকারের নানা ধরনের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কাজে দেশীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কাজ করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন নতুন মন্ত্রিসভায় পুনরায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। সোমবার (৭ জানুয়ারি) শপথ গ্রহণ শেষে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকায় সফটওয়্যার খাতের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এই সংবর্ধনার আয়োজন করে।

    মোস্তাফা জব্বার উল্লেখ করেন, অভ্যন্তরীণ বাজারের কাজই যদি আমরা তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে করতে পারি, তাহলেও অনেক কাজ হবে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতির লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি আমরা। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বেসিস দীর্ঘদিন ধরেই তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি উন্নয়নের এ ধারা আমাদের সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আরও বেগবান হবে।’

    অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে মোস্তাফা জব্বারকে স্বাগত জানান বেসিস কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা। বক্তব্য দেন বেসিসের সাবেক সভাপতি এ তৌহিদ, এস এম কামাল, সারোয়ার আলম, রফিকুল ইসলাম রাউলি, প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য আব্দুল আজিজ, আব্দুল্লাহ এইচ কাফি, বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান, সহ-সভাপতি শোয়েব আহমেদ মাসুদ ও মুশফিকুর রহমান, পরিচালক তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দন, দিদারুল আলম সানি ও মোস্তফা রফিকুল ইসলাম ডিউক।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর।

  • বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইউনুছ আলী পবিত্র হজ্ব পালনে সৌদি গমন

    বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ছালমা ক্লথ ষ্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ ইউনুছ আলী পবিত্র উমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্য সৌদি যাচ্ছেন। তিনি আগামীকাল বুধবার বিকাল ২টা ৩০ মিনিটের সময় হযরত শাহ জালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি যাবেন। ইউনুছ আলী মামদনগর (তিতারকোনা) গ্রামের হাজী খুরশেদ আলীর পুত্র। তিনি সময় স্বল্পতার কারণে বন্ধু-বান্দব, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খীদের সাথে দেখা করতে পারেননি। তাই তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তিনি পবিত্র হজ্ব পালন শেষে সহিসালামতে ফিরতে পারেন সে জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।

  • সুনামগঞ্জে দুজনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় সুনামগঞ্জে আপন ও মাসুদ মিয়া নামে ২ জনকে ১৪ বছরে কারাদণ্ড, একইসাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

    দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আপন ধর্মপাশা উপজেলার চকিয়াচাপুর গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে ও অপর আসামি মাসুদ মিয়াকে একই গ্রামের বাদুর আলীর ছেলে।

    মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (দায়রা জজ) এর বিচারক মো. জাকির হোসেন।

    এই মামলা অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর নান্টু রায় এই রায়ের সত্যতা নিশ্চত করেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৬ মার্চ সন্ধ্যায় ধর্মপাশা থানাধীন চকিয়াচাপুর গ্রামস্থ এক কৃষকের মেয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘর থেকে বের হলে সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা মেয়েটিকে অপহরণ করে। এই ঘটনায় ভোক্তভোগী মেয়ে বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে সংশ্লিষ্ট থানায় এজহার দাখিল করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষ ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষগ্রহণ শেষে দুই জনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত এই রায় প্রদান করেন।

  • বড়াব্দা ফকির বাড়ি দরবার শরীফের ইতিহাস

    মোঃ ফারুক মিয়া: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের বড়াব্দা গ্রামের শাহ সৈয়দ মধু শাহ’র পুত্র পীরে তরিকত শাহ সৈয়দ সেলিম উদ্দিন। তিনি আল্লাহর প্রেমে জীবদ্দশায় বহুদিন যাবত পীরে তরিকত হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার জন্য  জীবনদশায় দেওয়ানা হয়ে মানুষের মাঝে তিনি ঘুরাফেরা করে  তরিকতের কাজ করে বিলিয়ে দিয়েছেন।

    শাহ সৈয়দ সেলিম উদ্দিন সাহেবের জীবন নিয়ে কিছু কথা।

    তিনি ভাল সাদা সরল মনের মানুষ হিসেবে সকলের কাছে একনামে পরিচিত। তাহাকে যাচাই-বাছাই করলে দেখতে পাওয়া যায়।

    তিনি বলেন- মানুষকে ভালবাসলে আল্লাহকে পাওয়া যায়।

    সেলিম শাহকে সারা দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় আনাচে কানাচে  দেখা যায়। একমাত্র আমল করিলে সেই কঠিন জগত পার পাওয়া যাবে।

    সেলিম শাহর জন্ম ৭০ কি ৭২ ইংরেজী সনে বড়াব্দা কালা শাহ ফকির বাড়িতে।

    শতশত ভক্ত আশেকান জাকেরান ভিড় জমায় এ দরবার শরীফে। সাধারন মানুষের মুখে সরেজমিনে যাহা শুনি ও দেখি, এ জগতে ভাল মনের মানুষ পাওয়া কঠিন বটে। নিজের চোখে দেখিলাম শাহ সৈয়দ সেলিম শাহ সকল মানুষের ধর্ম বর্ণের মাঝে তাহার চলাফেরা। তাহার মাঝে কোন দ্বিধাবোধ নেই। বাল্যকাল থেকেই আধ্যাত্মিকতার সাধকতায় মনোযোগী ছিলেন।

    কালা শাহ, কলিম শাহ, ফেরাই শাহ, ছিদ্দিক শাহ, কালা পিরানী ওরফে আমেনা বিবি দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লীর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন পীরজাদা শাহ সৈয়দ সেলিম শাহ।

    সেলিম শাহকে তাহার পিতা-মাতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, পিতা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মধু শাহ এবং মাতা জমিলা খাতুন।

    শাহ সৈয়দ সেলিম শাহ যে বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন পূর্ব পুরুষ থেকে ঐ বাড়িটি বড়াব্দা কালাশাহ ফকির বাড়ি নামকরণ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে হযরত শাহ সৈয়দ কালা শাহ ফকির বাড়ি।

    প্রায় ২ শত বছর পূর্বে ওই বাড়িটির নামকরণ হয়েছিল তা আমরা আজও বেশি বেশি করে কালাশাহ বসতবাড়িতে মিলাদ-মাহফিল দরুদ শরীফ সহ ওই দরবার শরীফে শত শত ভক্ত আশেকানরা দোয়া ও মোনাজাত করে শেষে যার যার কর্মস্থলে ফিরে যায়।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হযরত শাহ সৈয়দ কালাশাহ ফকির এর অনেক কেরামতি ও আস্তানা সারা দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় তিনি রেখে গেছেন। ওই জায়গার নাম ছিল ত্রিপুরা রাজ্য।

    ব্রিটিশের যখন শাসন ছাড়িয়ে যায় তখন নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান। সেই সময় থেকেই এই বাড়িতে গান-বাজনা, চামা, মিলাদ মাহফিল হত। এই বাড়ির পূর্বে অনেক ইতিহাস সারা দেশজুড়ে বিখ্যাত হয়েছে। আগের সরকারের আমলেই এই বাড়ির কোন খাজনা নেওয়া হত না। খাজনা মাফ ছিল।

    প্রশ্ন: কেন মাফ ছিল এ বাড়িতে? যাহা আমরা জানি অনেক পীর ফকিরের জন্ম হয় এ বাড়িতে। আগরতলা মহারাজা হযরত শাহ সৈয়দ কালা শাহ’র কেরামতি দেখে ১৬ গুণ জমি তাহাকে দান করেছিলেন।

    কালাশাহ ফকির রাজার বাজারের নেরাতুংগের বিলে এসব জমি মানুষের মাঝে তিনি বিলিয়ে দিয়েছেন। সেটা আজও ইতিহাসে রেখে গেছেন স্মৃতি। সেই জায়গাটিতে তাহার ওইসব বংশের কামেল পুরুষ পীরজাদা শাহ সৈয়দ সেলিম উদ্দিন শাহ। শাহ সৈয়দ সেলিম উদ্দিন বর্তমানে যুক্তরাজ্য (লন্ডন) এ অবস্থান করছেন। সকল ভক্ত আশেকানদের নিকট দোয়া কামনা করেন শাহ সৈয়দ সেলিম উদ্দিন।

    আগামী ১৩, ১৪ ও ১৫ জানুয়ারী ২০১৯ ইং রোজ রবিবার, সোমবার ও মঙ্গলবার হযরত নাসির উদ্দিন সিপাহসালার (রঃ) সহ ১২০ আউলিয়ার মাজার মুড়ারবন্দে শাহ সৈয়দ সেলিম উদ্দিন সাহেবের আসনীয় স্থানে পবিত্র বাৎসরিক ওরস মোবারক উপলক্ষে সকল ভক্তবৃন্দ, আশেকান, জাকেরানদেরকে দাওয়াত করা হইল।

    হযরত নাসির উদ্দিন সিপাহসালার (রঃ) মাজারের উত্তর দিকে শাহ সৈয়দ সেলিম উদ্দিন সাহেবের আসনীয় স্থান।

    ( তথ্য সংগ্রহ: লেখক )

  • নবীগঞ্জে বিষপানে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি: নবীগঞ্জ উপজেলার খাগাউড়া গ্রামে বিষপানে কানু রায় (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন।

    মঙ্গলবার দুপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে বিষপান করে ছটফট করতে থাকলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুর রহমান সোহাগ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহত কানু রায় ওই গ্রামের মৃত অবিরন রায়ের ছেলে।

    হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুর রহমান সোহাগ জানান, তাকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। তবে কি ধরণের বিষপান করেছে তা জানা যায়নি। এদিকে এ খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা একদল পুলিশ হাসপাতালে এসে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী শেষে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।