Category: হবিগঞ্জ

  • জামাতা হত্যা মামলার মূল আসামী আটক

    হবিগঞ্জ সদর প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ সদর উপজেলার টঙ্গীরঘাট গ্রামে জামাতা হত্যা মামলার মূল আসামী মর্তুজ আলী (৫০) কে আটক করেছে পুলিশ। সে ওই গ্রামের মৃত সুলতান মিয়ার পুত্র।

    গতকাল ভোররাতে তাকে গ্রেফতার করতে হবিগঞ্জ সদর থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি অপারেশন প্রজিৎ কুমার দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তার বসবাড়ীতে অভিযান চালায়। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসার সময় আসামী মর্তুজ আলী পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। এতে ২ পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের রাতেই হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কাউছার আহমেদ
    আহত ২ পুলিশ সদস্য

    উল্লেখ্য, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার টঙ্গিরঘাট গ্রামে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিখোঁজের ৫ দিন পর কাউছার আহমেদ (২৮) নামে এক জামাতার গলাকাটা লাশ গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহত কাউছার উমেদনগর গ্রামের মৃত আকল মিয়ার ছেলে। এ ঘটনা নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে নিহত কাউছারের স্ত্রী, শ্বশুর, শ্বাশুড়ীসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাত নামা আসামী করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলার প্রেক্ষিতেই গতকাল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন।

  • বাহুবলে ২ মাদকসেবীকে ৬ মাসের কারাদন্ড

    বাহুবল প্রতিনিধিঃ বাহুবলে গাঁজা সেবনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমান আদালত তাদের এ সাজা প্রদান করেন।

    সাজাপ্রাপ্তরা হল-উপজেলার আব্দাপটিয়া প্রকাশিত চারগাঁও গ্রামের ইনছান মিয়ার পুত্র আবাস আলী (২১) ও একই উপজেলার বানিয়াগাঁও গ্রামের কাছুম আলীর পুত্র আবেদ আলী (৩০)। এদিকে ভবানীপুর গ্রামের ওয়াছুরুল্লাহর পুত্র নুরাজ মিয়া (৩০) কে সরকারি আদেশ অমান্য করার দায়ে একই আদালতে ১০ দিনের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

    পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহুবল মডেল থানার এসআই জহিরুল ইসলাম ও এএসআই মোস্তফা মাজেদ বিন রশিদের যৌথ নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার মিরপুর বাজার সংলগ্ন মন্দিরের পাশে গাঁজা সেবন করার সময় আবাস আলী ও আবেদ আলীকে গ্রেফতার করে।

    আটকের বিষয়টি স্বীকার করে বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আলমগীর কবির বলেন, গাঁজা সেবনকারী আবাস আলী ও আবেদ আলীকে হাতেনাতে আটক করে নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির করলে তাদেরকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • নবীগঞ্জে নকআউট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ উপজেলা ক্রিকেট খেলোয়ার কল্যাণ সমিতি এর উদ্যোগে ভাষা শহীদদের স্মরণে নকআউট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০১৯ এর শুভ উদ্বোধন করেছেন নবীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ ও আওয়ামীলীগ নেতা এটিএম সালাম।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নবীগঞ্জ জেকে হাইস্কুল মাঠে উক্ত উদ্বোধনী খেলা অনুষ্টিত হয়। উদ্বোধনী খেলায় অংশ গ্রহন করে ব্রাদার্স ইউনিয়ন চরগাঁও এবং জয়নগর ক্রিকেট ক্লাব।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ থানার ওসি (অপারেশন) নুরুল ইসলাম, কাউন্সিলর জায়েদ চৌধুরী, উপজেলা ক্রিকেট খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সভাপতি নুরুল আমীন চৌধুরী জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক ওহি দেওয়ান চৌধুরী, নুরুল হক, সদরুল আমীন পাভেল, আমিনুল ইসলাম, লিংকন আহমেদ, তুহেল আমীন প্রমূখ।

  • ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মিরপুর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার ৩১ জানুয়ারি সকালে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে কোন এক সময় সড়ক দূর্ঘটনায় ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বিকৃত মরদেহটির চেনার কোন উপায় নেই।

    স্থানীয় লোকজনের ধারণা, ওই এলাকায় একজন পাগল লোক ছিল তাকে ওই দিন থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। ময়না তদন্ত শেষে লাশটি হবিগঞ্জ আনজুমানে মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

  • চুনারুঘাট শুকদেবপুর গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ফাইনাল সম্পন্ন

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হয়েছে শুকদেবপুর গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট’র ফাইনাল খেলা। আলিফ চৌধুরী একাদশ বনাম গঙ্গানগর স্পোটিং ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত এ খেলায় প্রথম ব্যাট করে গঙ্গানগর স্পোটিং ক্লাব।

    তাদের দেয়া ১০২ রানের টার্গেট নিয়ে মাঠে নামে আলিফ চৌধুরী একাদশের খেলোয়াড়রা। ১০ ওভারের খেলায় তারা খুব সহজেই ৫ উইকেট হাতে রেখে বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে।

    ২০১৮ সালের টুর্ণামেন্টেও আলিফ চৌধুরী একাদশ রানার্স আপ অর্জন করেছিলো।

    (৩১ জানুয়ারী) বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার শুকদেবপুর মাঠে এ ক্রিকেট টুর্ণামেন্টেটির ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। খেলা উদ্বোধন করেছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান। মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত এ টুর্নামেন্টে ১৬টি দল অংশগ্রহণ করেছিলো। টুর্নামেন্টটি অত্যান্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেন, মাহফুজ আহমেদ চৌধুরী সাকিল ও রাসেল মাহমুদ।

    ফাইনাল খেলায় ম্যান অব দা ম্যাচ নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের হেলাল ও ম্যান অব দা টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের শামছুল (অল রাউন্ড নৈপণ্যে)। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্স আপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। উক্ত খেলায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সোহেল কালাম আজাদ চৌধুরী। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহম্মদাবাদ ইউপির সুনামধন্য চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন কামরুল হাসান শামীম, সুমন কান্তি দেবরায় ও হুসাইন মোহাম্মদ আল আমিন প্রমূখ। উল্লেখ্য, এ টুর্নামেন্টের ডুনার ছিলেন অষ্টিয়া প্রবাসী আবু নাছির চৌধুরী টিপু ও আয়োজনে শুকদেবপুর স্পোটিং ক্লাব।

  • হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বনভোজন ও বাজেট সভা অনুষ্টিত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নেই কোন সাপ্তাহিক বন্ধ। আবার দিন রাত সব সময় ব্যস্ত থাকতে হয় সংবাদ সংগ্রহের পিছনে। এমনই একটি পেশা হলো সাংবাদিকতা। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজ জেলার বিখ্যাত স্থানগুলোতে ব্যাক্তিগতভাবে ঘোরাঘুরি করার সুযোগ আসলেও জেলার বাইরে বিখ্যাত কোন স্থানে যাওয়ার সময় খুব একটা হয়ে উঠে না। সেখানে পরিবার নিয়ে যাওয়ার চিন্তা করাটাও কঠিন। তবে এবার হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের পিকনিক সুযোগ এনে দিয়েছিল পরিবারের সবাইকে নিয়ে সুন্দর একটি পিকনিক স্পট দেখার।

    মৌলভীবাজার জেলা শহরের বাইরে কুলাউড়া সড়কে অবস্থিত রাঙাউটি রিসোর্টে এটি শুধু পিকনিক ছিল না, এই সুযোগে প্রেসক্লাবের সদস্যদের পরিবারের সাথে মেলবন্দন ঘটে সবার। আর এবারের পিকনিকে রেকর্ড সংখ্যক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। দেড়শতাধিক লোকজনের অংশগ্রহণে তিনটি বাস ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

    বৃহস্পতিবার সকালে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে তিনটি বাস এসে অপেক্ষা করে। সেগুলোতে ব্যানার এবং মাইক লাগানোর কাজ শেষ হতে না হতেই ক্লাবের সদস্যরা সপরিবারে উপস্থিত হতে থাকেন ক্লাবে। পরে সকাল ৯টার পর তিনটি বাস একত্রে যাত্রা শুরু করে। এমনিতেই সকাল বেলা রওয়ানা হতে হবে বলে রাতের বেলা ঘুম হয়েছে কম। শীতের আমেঝে বাসের মাঝে সবাই যখন একটু ঝিমুনির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন হঠাৎ করে সব কয়টি বাস সরগরম করে ফেলেন ৭/৮ জন সদস্য। তারা রং বেরঙ্গের টিকেট নিয়ে সবার কাছে ছুটে যান ‘যদি লাইগা যায়’ শ্লোগান নিয়ে র‌্যাফেল ড্র এর টিকেট বিক্রির জন্য। কে কত বেশি এবং কার কাছে বেশী বিক্রি করবেন এ নিয়ে রীতিমত প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। এভাবেই টিকিট বিক্রির মধ্য দিয়ে বাসগুলো চলে যায় রাঙাউটি রিসোর্টের কাছে। কিন্তু সেখানে রাস্তার কাজ শুরু হওয়ায় বেশ কিছু জায়গা পায়ে হেটে যেতে হয়। হাতের কাছেই সাজানো গোছানো রিসোর্টের হাতছানি থাকায় কেউ সেটিকে আর পরিশ্রম মনে করেননি। অল্প সময়ের মাঝেই সবাই চলে যান রিসোর্টে।

    রাঙাউটি রিসোর্টের ফুলেল চত্বর আর শিশুদের জন্য থাকা বিভিন্ন রাইডে দৌঁড়ে চলে যায় শিশুরা। ছন দিয়ে তৈরি রিজার্ভেশন করা কটেজে চলে যান মহিলারা। মনোরম লেকের পাড়ে থাকা চেয়ারে বসে পুরুষরা মেতে উঠেন আড্ডায়। তবে ছবি তেলা এবং সেলফিতে ব্যস্ত থাকেন সবাই। কেউ কেউ চলে যান সুইমিং পুলে। আবার ২ কিলোমিটর লম্বা লেকে স্পিডবোড নিয়ে বেড়িয়ে যান অনেকেই। এমনিভাবে দুপুর ঘনিয়ে আসলে বুফে সিস্টেমে খাবার গ্রহণ করেন সবাই। এর পর ক্লাব প্রেসিডেন্ট হারুনুর রশিদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হয় ক্লাবের বাজেট অধিবেশন।

    রাঙাউটি রিসোর্টের সবুজ চত্বরে সাজানো চেয়ারে এই অধিবেশনে শুরুতেই ২০১৯ সালের বাজেট উপস্থাপনা করেন ক্লাব সেক্রেটারী সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন। বাজেটে তিনি বিভিন্ন উৎস থেকে ২৮ লাখ টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন। ব্যয় হবে ২৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা। ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৪টাকা থাকবে উদ্বৃত্ত।

    বাজেটের আকার হল ৩২ লাখ ৪৬ হাজার ৭৬৪টাকা।

    এবারের বাজেটে স্মরণিকা প্রকাশ, খেলাধুলার আয়োজন এবং মিলাদ মাহফিল কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি কল্যাণ তহবিল জোরদার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও ক্লাবের উন্নয়নে যারা অবদান রাখবেন তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাংবাদিকতার পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক রিপোর্টিং এ পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত এই সভায়। দীর্ঘ আলোচনায় অংশ নেন এবং বিভিন্ন প্রস্তাব দেন অধিকাংশ ক্লাব সদস্য।

    সভা শেষে আয়োজন করা হয় খেলাধুলা। ৫টি ইভেন্টে ক্লাব সদস্য, তাদের স্ত্রী-সন্তান এবং আত্মীয়-স্বজন অংশ নেন। সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল মহিলাদের মিউজিক্যাল পিলো। খেলা শেষেই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ক্লাবের সদস্যদের স্ত্রী, সন্তান এবং অতিথি শিল্পীরা অংশ নেন এতে।

    যাওয়ার সময় যাত্রাপথে যে টিকিট বিক্রি হয়েছিল তার সমাপ্তি পর্ব র‌্যাফেল ড্র দিয়েই শেষ হয় আনন্দঘন এই অনুষ্ঠানমালা। যদি লাইগা যায় শ্লোগানের স্বার্থকতা মেলে এইখানে। ৬০টির মত পুরস্কার থাকায় বিজয়ের আনন্দ পান সিংহভাগ টিকেট ক্রেতা। তবে কেউ পুরস্কার না পেলেও খালি হাতে ফিরেননি। ফিরতি পথে বাসে উঠার পরই ক্লাব সদস্যদের হাতে চলে যায় একটি করে উপহার। সন্ধ্যার পর বাস তিনটি যখন ছাড়ে তখন সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কমলা দেয়া হয় সবার হাতে। কমলালেবুর খোসা ছড়ানোর মাঝেই ঘুরতে থাকে গাড়ীর চাকা। আর এভাবেই শেষ হয় আনন্দঘন পিকনিকের।

    বাজেট সভায় অংশগ্রহণ ও বক্তৃতা করেন মনসুর উদ্দিন ইকবাল, সফিকুর রহমান চৌধুরী, শামীম আহছান, এডভোকেট আব্দুল হাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, ইসমাইল হোসেন, মোঃ ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ নাহিজ, শোয়েব চৌধুরী, চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, টিপু চৌধুরী, এডভোকেট নির্মল ভট্টাচার্য্য রিংকু, এডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, রাসেল চৌধুরী, শরীফ চৌধুরী, আব্দুল হালীম, নুরুজ্জামান ভূইয়া মামুন, এসএম সুরুজ আলী, মোহাম্মদ নূর উদ্দিন, শাকীল চৌধুরী, এমদাদুর রহমান সোহেল, পাভেল খান চৌধুরী, নূরুল হক কবির, আশরাফুল ইসলাম কোহিনুর, মুজিবুর রহমান, ফয়সল চৌধুরী, মোঃ ছানু মিয়া, আব্দুর রউফ সেলিম, বদরুল আলম, জাকারিয়া চৌধুরী প্রমুখ।

    এছাড়া ক্লাবের সহযোগী সদস্য হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এবং বাদল কুমার রায় সপরবারে পিকনিকে অংশ নেন। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন আব্দুর রউফ সেলিম।

  • বাহুবলে ম্যাফ মেধা বৃত্তি পরীক্ষা ও পুরস্কার বিতরণ

    বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা ফতেহপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে মিউচুয়াল এইড কর্তৃক আয়োজিত ম্যাফ মেধা বৃত্তি পরীক্ষা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্টিত হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার (৩১ শে জানুয়ারী) এ মেধা বৃত্তি পরীক্ষা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্টিত হয়। ১নং স্নানঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ফতেহপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হরমুজ মিয়ার সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সমন্বয়ক এইচএম সাইফুল ইসলাম ছোটনের পরিচালনায় বিকাল ১২ ঘটিকায় অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাই। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং স্নানঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ফেরদৌস আলম, বাহুবল ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আজিজ সিদ্দীকি। উপস্থিত ছিলেন ১নং স্নানঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সুফি মিয়া খান, ফতেহপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদির তালুকদার, বাহুবল উপজেলা আওমীলীগের শিক্ষা ও মানব কল্যান সম্পাদক মিনহাজ উদ্দীন চৌধুরী ও ১নং স্নানঘাট ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আলী আমিনী।

    উক্ত মেধা বৃত্তি পরিক্ষায় ১৬ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে দুইটি ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেয়া হয়। সাধারন এবং ট্যালেন্টফুল বৃত্তি। বৃত্তিপ্রাপ্তদের নগদ টাকা, সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।