Category: হবিগঞ্জ

  • সাবেক ফুটবলার হাজী মোক্তার হোসেনর ইন্তেকাল

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়ার হাজী মোক্তার হোসেন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    বৃহস্পতিবার ভোর ৫ টার সময় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর গ্রামে নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

    হাজী মোক্তার হোসেন শুধু খেলোয়ারই ছিলেন না। তিনি ছিলেন সংগঠন, রাজনৈতিক নেতা ও এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বি।

    মোক্তার হোসেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগে সহসভাপতি ছিলেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসর প্রাপ্ত একজন সৈনিক।

    মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে রেখে গেছেন। ছোট ছেলে নাজমুল হোসেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়ার।

    মরহুমের পরিবার সূত্র জানায়- তিনি দীর্ঘদিন যাবর লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মরহুমমের জানাযা আজ বিকাল ৫টায় নুরপুর হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

  • অছাত্রদের হাতে ছাত্রদলের নেতৃত্ব দাবি ছাত্রলীগ সভাপতির

    অছাত্রদের হাতে ছাত্রদলের নেতৃত্ব রয়েছে বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। ছাত্রদের হাতে দলের নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ছাত্রদল নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সম্মেলন করে ছাত্রদের হাতে সংগঠনের নেতৃত্ব তুলে দেন। তা না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবেন না। তারা আপনাদের বয়কট করবে। বিএনপি ও জামায়াতের মতো ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরও অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। তাদের আলাদা করে শনাক্ত করা যায় না।’

    বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে সেখানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ছাত্রদলের উদ্দেশে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ক্যাম্পাসে শিবিরের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। কিন্তু আমরা এখন দেখতে পাই, শিবির ছাত্রদলের ব্যানার ব্যবহার করে রাজনীতি করছে। এটা  সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য খুব ভয়ংকর একটি পরিবেশ তৈরি করছে।’

    তিনি ছাত্রদলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, ‘আমি তাদের কাছে আহ্বান জানাবো, তারা যেন ক্যাম্পাসের পরিবেশ সুষ্ঠু রেখে ডাকসু নির্বাচন করে। ক্যাম্পাসে আজ থেকে দশ বছর ধরে কোনও বিশৃঙ্খলা নেই, কোনও গুলির আওয়াজ নেই, কোনও বোমার আওয়াজ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আপনার কোনোধরনের বিশৃঙ্খলা করবেন না। ছাত্রদল ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখলে ছাত্রলীগ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

  • ৩ দিনব্যাপী লোক উৎসবের উদ্বোধন আজ

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ আসছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুবু আলী এমপি। তিনি আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘লোক উৎসব’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

    হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের জালাল স্টেডিয়ামে ৩ দিনব্যাপী এ ‘লোক উৎসব’ অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান ও হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বিপিএম-সেবা পিপিএম।

    এদিকে, ‘লোক উৎসব’ সফল করতে সকল প্রস্ততি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন। উৎসবে আগত সাধারণ লোকজনদের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি মোতায়েন থাকবে বিপুল সংখ্যক আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ।

    ২য় দিন ১৫ ফেব্রুয়ারী লোক উৎসব বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কুদ্দুছ আলী সরকার ও হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী।

    উৎসবের ৩য় দিন সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোঃ শাহনেওয়াজ ও প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী সুবীর নন্দী।

    ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রতিদিন বিকেলে স্থানীয় শিল্পী ও সন্ধ্যায় দেশবরেণ্য লোকসংগীত শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করবেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন, রিংকু, লায়লা, চিশতি বাউল, ফকির শাহাব উদ্দিন, সেলিম চৌধুরী, শাহনাজ বেলী, কাজী শুভ, বাউলা আশিক, গামছা পলাশ, কামরুজ্জামান রাব্বী, রুমা সরকার ও জালালী সালমা।

  • চুনারুঘাটের দুটি ইটভাটাকে জরিমানা

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটের ২টি অবৈধ ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১টায় উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের দুটি ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মঈন উদ্দিন ইকবাল এ জরিমানা আদায় করেন।

  • হবিগঞ্জের ২৯ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার ৮ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভিন্ন উপজেলায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন। সব উপজেলায়ই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ না নেয়ায় নির্বাচনের আমেজও খুব একটা জমে উঠছেনা। তবে কয়েকটি উপজেলায় বিএনপি নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমদুল হক (স্বতন্ত্র), আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাচ্ছিরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)। এখানে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির কোন নেতা অংশ নিচ্ছেন না।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আওয়াল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুক, প্রফেসর আবিদুর রহমান।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফৌরদৌসি আরা বেগম, আওয়ামী লীগ সমর্থক নূরুন্নাহার।

    আওয়ামী লীগ প্রার্থী মশিউর রহমান শামীম জানান, আওয়ামী লীগের অনেকেই প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, তারা আমার চেয়ে কোন অংশেই কম যোগ্য নন। কিন্তু দল যেহেতু একজনকেই মনোনয় দেবে সে বিবেচনা থেকে আমি পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি তারা যদি আওয়ামী লীগের আদর্শ বুকে লালন করেন তাহলে তারা নির্বাচন থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাবেন।

    আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, পৌর আওয়ামী লীগসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। ব্যবসায়ী নেতারাও আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। আমি সর্বস্তরের মানুষের ইচ্ছা সত্বেই আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আমার বিজয় ইনশাআল্লাহ সুনিশ্চিত।

    মাধবপুর উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক (আওয়ামী লীগ), প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এহতেশামুল বার চৌধুরী লিপু (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এসএসএএম শাহজাহান (স্বতন্ত্র)।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মুজিব উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য সৃধাম দাশ গুপ্ত, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ (স্বতন্ত্র), শাহজাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন খান (স্বতন্ত্র)।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থক নাজমা পাঠান (স্বতন্ত্র), বিএনপি সমর্থক মরিয়ম রহমান বাবুনী (স্বতন্ত্র), বিএনপি নেত্রী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলেন, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছা. রোকেয়া আক্তার, আওয়ামী লীগ সমর্থক জাহানারা বেগম।

    লাখাই উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিউল আলম আজাদ (আওয়ামী লীগ), উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহফুজুল আলম মাহফুজ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক আহমেদ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)। এ উপজেলায় বিএনপির কোন নেতা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুর্শেদ কামাল চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম আলম, সাবেক সেনা সদস্য আশরাফুল ইসলাম শের আলম।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. ফয়েজুন্নেছা আক্তার, আলেয়া বেগম, আয়েশা সিদ্দীকা।

    চুনারুঘাট উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির লস্কর (আওয়ামী লীগ), বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ লিয়াকত হাসান (স্বতন্ত্র), খেলাফত মজলিশ নেতা প্রভাষক আব্দুল করিম।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান মহলদার (স্বতন্ত্র), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি জামাল হোসেন লিটন।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবিদা খাতুন, বিএনপি সমর্থক কাজী সাফিয়া খাতুন।

    বাহুবল উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই (আওয়ামী লীগ), জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির চৌধুরী (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লন্ডন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা নাছিরুজ্জামান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), সৈয়দ খলিলুর রহমান (স্বতন্ত্র)।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে যুবলীগ আহ্বায়ক তারা মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ কুটি, আওয়ামী লীগ সমর্থক শশাংক দত্ত, শফিকুল ইসলাম, নিহার রঞ্জন দেব, খন্দকার ইদ্রিছ, ইয়াকুত মিয়া এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ফারুকুর রশিদ ফারুক।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিএনপি সমর্থক বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাদিরা খানম, আওয়ামী লীগ সমর্থক জ্যোৎস্না আক্তার, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন।

    নবীগঞ্জ উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, বিএনপি সমর্থক আব্দুল হাই চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাদী গাজীর স্ত্রী গাজী খালেদা সারোয়ার, জাপা নেতা হায়দর মিয়া।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মুকিত, পৌর জাপা সাধারণ সম্পাদক মুরাদ আহমদ।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেত্রী সইফা রহমান কাকলী ও দিলারা হোসেন, নাজমা আক্তার (স্বতন্ত্র)।

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মর্তুজা হাসান (আওয়ামী লীগ), আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), উপজেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক খালেদুর রশিদ ঝলক (স্বতন্ত্র) ও মিয়া হোসেন (স্বতন্ত্র)।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক মনিরুজ্জামান মনু, অসীম চৌধুরী সাগর, হিরেন্দ্র পুরকায়স্থ, নাজমুল হাসান, আব্দুল জলিল, মমিনুর রহমান সজিব, স্বতন্ত্র রথিন্দ্র দাশ, জামায়াত সমর্থক আব্দুল হাই।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুখসানা আক্তার শিখা, আওয়ামী লীগ নেত্রী সুজলা আক্তার, স্বতন্ত্র মাহমুদা আক্তার ও আলেমা খাতুন।

    বানিয়াচং উপজেলাঃ এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন যুবলীগ নেতা আবুল কাশেম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন খান (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীন (স্বতন্ত্র)।

    ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি স্মৃতি চ্যাটার্য্যি কাজল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ বাবু, জামায়ত নেতা বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার খান, আওয়ামী লীগ নেতা আবিদুর রহমান ও ফারুক আমিন।

    মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মহিলা দল সভানেত্রী তানিয়া খানম (স্বতন্ত্র), মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বিউটি আক্তার, সাধারণ সম্পাদক হাসিনা আক্তার, ফেরদৌসী বেগম।

  • চুনারুঘাটে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমাদেন আবু তাহের

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদস্য বিদায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাকে জনগনের মনোনীত প্রার্থী আখ্যা দিয়ে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন চুনারুঘাটের আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন।

    চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের দলীয় মনোনয়ন চেয়েও পাননি। যদিও তার নাম তৃণমুলের তালিকায় প্রথম পাঠানো হয়েছিল। এ উপজেলায় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আব্দুল কাদির লস্করকে। এ বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি চুনারুঘাটের তুণমুল আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন। দলীয় নেতাকর্মীদের চাপে পড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান মিস্টার তাহের।

    সোমবার সকালে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর পুর্বে সকাল থেকে শহরের দক্ষিন বাজারে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী জড়ো হতে থাকে।

    বক্তারা বলেন, চুনারুঘাটের আওয়ামীলীগের প্রাণ আবু তাহেরকে বাচিয়ে রাখলে চুনারুঘাট আওয়ামীলীগ বাচবে। তাই আমরা দলের স্বার্থে তাকে সমর্থন দিয়েছি এবং তার পক্ষে কাজ করে তাকে বিজয়ী করবো।

    উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দাশ বলেন, নৌকার প্রার্থী মনোনয়নে ভুল করা হয়েছে। যিনি নৌকার র্প্রাথী তিনিি কখনোই আমাদের সাথে ছিলেন না। আমাদের এবং দলের দুর্দিনে আবু তাহের ছিল এবং থাকবে।

    সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ আলী মাষ্টার বলেন, দল মনোনয়ন দিতে ভুল করলেও আমরা ভুল করবো না। আমাদের দলের কান্ডারী মোঃ আবু তাহের। তাই আগামী নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাকে নির্বাচ করার জন্য আমরা সমর্থন দিয়েছি। যিনি নৌকা পেয়েছেন তিনি বহু বছর ধরে দলের সাথে নেই। তাকে দিয়ে নৌকা বিজয়ী করা যাবে না। তাই আমরা আবু তাহেরকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী করতে চাই্।

    সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান রজব আলী বলেন, আমরা ভুল করতে চাইনা। আমাদের নৌকা চলে গেলেও আমরা দলের স্বার্থে এবং আওয়ামীলীগের স্বার্থে আমাদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু তাহেরকে বিজয়ী করতে চাই। কারণ তিনি দলের দুর্দিনের কান্ডারী। তিনি দলকে বাচিয়ে রেখেছেন। বার বার জেল জুুলুম খেটেছেন। তাকে মনোনয়ণ না দেওয়ায় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন হতাশ হয়েছে। চুনারুঘাটবাসী এবার আবু তাহেরকে বিজয়ী করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবে। আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল রশিদ বলেন, চুনারুঘাট আওয়ামীলীগ ঠিকে আছে আবু তাহের এর কারনে। আবু তাহের দলীয় মনোনয়ন না পেলেও আমরা তার সাথে আছি। তাকে বাচিয়ে রাখলে চুনারুঘাটের আওয়ামীলীগ ঠিকে থাকবে।

    একই ভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানিয়ে শ্রমিকরীগের সভাপতি, সেক্রেটারি, তাতীলীগের সভাপতি সেক্রেটারি, কৃষকলীগের সভাপতি সেক্রেটারি ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বক্তব্যে একই কথা বলেন। তারা বলেন, আবু তাহের গিত ৫ বছরে চুনারুঘাটের আনাচে কানাছে উন্নয়ন করেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মন্দিরসহ রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করেছেন। চুনারুঘাটের আপমর মানুষ তাকে চায়। তাই চুনারুঘাটের আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন একাট্টা হয়ে আবু তাহের এর পক্ষে মাঠে নামছে।

    এসময় এক সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীলীগের সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামছুন্নাহার চৌধুরী, ইউপি সভাপতি ও চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির খান, যুবলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান তরফদার, ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল মোমিন চৌধুরী ফারুক, সাবেক চেয়ারম্যান ও সহ-সভাপতি আব্দুল লতিব, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রজব আলী, সাবেক চেয়ারম্যান ও সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ আলী মাষ্ঠার, আওয়ামীলীগের সাংগটনিক সম্পাদক সজল দাশ, সহ-সভাপতি মদরিছ আলী মহালদার, যুগ্ন সম্পাদক আনোয়ার আলী, সুজিত কুমার দেব, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল খয়ের, গাজীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, আহমদাবাদ ইউপি সেক্রেটারি প্রফেসর আবু নাসের, দেওরগাছ ইউনিয়ন সভাপতি মহরম আলী, সেক্রেটারি সত্যেন্দ্র দেব, পাইকপাড়া ইউপি সভাপতি ময়না মিয়া তালুকদার, সেক্রেটারি আব্দুল কদ্দুছ তালুকদার, শানখলা ইউপি সভাপতি শফিক মিয়া তরফদার, সেক্রেটারি আবুল কালাম চৌধূরী এখলাছ, উবাহাটা ইউপি সভাপতি হাজী আকবর আলী, সেক্রেটারি প্রভাষক আব্দুর রউফ, সাটিয়াজুরী ইউপি সভাপতি ডাঃ আব্দালুর রহমান, সেক্রেটারি মোঃ ফরিদ মিয়া, রানীগাও ইউপি সভাপতি আব্দুল জলিল, মিরাশী ইউপি সভাপতি ইদ্রিছ আলী আলতা, সাবেক ছাত্রলীগ সেক্রেটারি সাইফুল আলম রুবেল, উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি শাহজাহান চৌধূরী, সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান,উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি খালেদ তরফদার, সেক্রেটারি আব্দুল কাদির সুমন, উপজেলা তাতীলীগের সভাপতি কবির মিয়া খন্দকার, সেক্রেটারি মিজানুর রহমান বাবুল, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সল চৌধুরী, ছাত্রলীগ যুগ্ন আহবায়ক ইফতেখার রিপন, মোঃ বিল্লাল মিয়া প্রমুখ।

  • উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে নিজের দায়বদ্ধতা থেকে দায়িত্ব পালন করুন – এমপি আবু জাহির

    স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা এডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, হবিগঞ্জ এখন সারাদেশে মডেল জেলায় পরিণত হয়েছে। এখানে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের রিসোর্ট, শিল্প এলাকাসহ পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা।

    হবিগঞ্জের আধুনিক স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। কিন্তু ময়লা-আবর্জনার কারণে আমরা সেই উদ্যোগ নিতে পারছি না। অচিরেই দৃষ্টিনন্দন এই স্টেডিয়ামের আশপাশের ময়লা-আবর্জনা সড়িয়ে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকেই যে যার জায়গায় থেকে আন্তরিক থাকতে হবে।

    বিশেষ করে সরকারি স্থাপনাগুলোতে যেন রাতের বেলা মাদক অথবা বাজে আড্ডা না বসে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন। তাই সকলেরই উচিত আন্তরিকতার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করা। হবিগঞ্জ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির বলেন, হবিগঞ্জকে আমরা উন্নয়নের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। ইতোমধ্যে নিজের শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনসহ উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। অনার্স মাস্টার্স কোর্স এখন আমাদের ছেলে মেয়েরা নিজের বাড়িতে বসে সম্পন্ন করতে পারছে। যে কারণে শিক্ষার হার বেড়েছে। শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় তরুণ সমাজের একাংশ বেকার রয়েছে। তারা যে কোনও অপরাধের সাথে জড়িয়ে যেতে পারে। তাই হবিগঞ্জের ইন্ডাস্ট্রিগুলোর সাথে সমন্বয় করে একটি জব ফেয়ার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।

    তিনি বলেন, মাদক হচ্ছে সমাজের জন্য অভিশাপ। এই মাদক সেবনের কারণেই যুব সমাজ জড়িয়ে যায় বিভিন্ন অপরাধের সাথে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে থেকে কাজ করতে হবিগঞ্জের পুলিশদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।

    স্বাস্থ্য বিভাগ সম্পর্কে সভার বিভিন্ন সদস্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এমপি আবু জাহির বলেন, চিকিৎসকরা হচ্ছেন সমাজের শিক্ষিত এবং সম্মানী লোক। সরকারও তাদেরকে ব্যাপক সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ইদানিং দেখা যাচ্ছে কিছু সংখ্যক অসাধু লোকের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তদন্ত করতে হচ্ছে। এটা তাদের জন্য সম্মানজনক নয়। তাই দেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে নিজের দায়বদ্ধতা থেকেই সকলকে  পালন করতে হবে।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় হবিগঞ্জে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, বিজিবি-৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনাযক লে. কর্ণেল এম জাহিদুর রশিদ, হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. সুচিন্ত চৌধুরী, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাকের মো. সিকান্দার, অতিরক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্র্টে তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরীসহ সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভিন্ন এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রতিনিধি, র‌্যাবের প্রতিনিধি, আনসার, বন বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।