Category: হবিগঞ্জ

  • এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা

    হবিগঞ্জ নিউজঃ এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এর হার নির্ধারণ করা হয়।

    জাতীয় ফিতরা কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয় ইমাম মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এ বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, আর সর্বোচ্চ জনপ্রতি ফিতরা ১ হাজার ৯৮০ টাকা।

    গত বছর ফিতরার হার সর্বনিম্ন ৭০ টাকাই ছিল তবে সর্বোচ্চ ছিল ২ হাজার ৩১০ টাকা।

    মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামি শরিয়ত মতে সামর্থ্য অনুযায়ী আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

    আটার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের (এক সা) মাধ্যমে সাদকাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করতে হয়।

    এসব পণ্যের বাজার মূল্য হিসাব করে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান।

  • চুনারুঘাটে লাইসেন্স না থাকায় স’ মিল মালিককে জরিমানা

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে লাইসেন্স না থাকায় ৩টি করাত কল (স’ মিল) এর মালিককে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

    বুধবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসনা শারমিন মিথি ও জান্নাত আরা লিসার নেতৃত্বে উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

    জরিমানাপ্রাপ্ত করাত কলগুলো হল, ফজল মিয়া, ইসমাইল মিয়া ও সরাজ মিয়ার পরিচালিত করাত কল।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসনা শারমিন মিথি জানান, ওই করাত কলগুলো লাইসেন্স না নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত তাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এছাড়াও বন থেকে চোরাইকৃত কাঠ এনে করাতগুলোর মাধ্যমে ছিড়ানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    তাবে ওই করাত কলগুলো লাইসেন্স না থাকায় তাদেরকে ৭ হাজার টাকা করে মোট ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগীতা করেন চুনারুঘাট থানার একদল পুলিশ।

  • মাধবপুরে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে র‌্যাব ৯ অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

    আটককৃতরা হল পাশ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার কামাল মুড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হাই ছেলে সোহেল মিয়া (৩৯) একই উপজেলার নজরপুর গ্রামের হুরন আলীর ছেলে সিরাজুল (৩৮)।

    বুধবার (১৫ মে) সকালে আদালতের মাধ্যমে গ্রেফতার ২ মাদক ব্যবসায়ীকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    মাধবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে শ্রীমঙ্গল র‌্যাব ৯ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাধবপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে মাদক পাচারের সময় উল্লেখিত ২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।

    মাধবপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    এ ব্যাপারে র‌্যাব ৯ এর এস আই আছানুজ্জামান বাদি হয়ে মাধবপুর থানায় একটি মামলা দিয়েছেন।

  • শায়েস্তাগঞ্জে মার্কেটে আগুন, পুড়ে ছাই ৮টি দোকান

    শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাধীন শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরের দাউদনগর বাজার হাজী কমপ্লেক্সে অগ্নিকান্ডে ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পৌর শহরের হাজী কমপ্লেক্সে এ অগ্নিকান্ডের এঘটনাটি ঘটে। শায়েস্তাগঞ্জ ও হবিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের মোট ৫টি ইউনিট ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ওই মাকের্টের নৈশ প্রহরী আব্দুল মজিদ বলেন, অগ্নিকান্ডের বিকট শব্দে তাকিয়ে দেখি মার্কেটের শামীম টেলিকম দোকান থেকে আগুন বের হচ্ছে। সাথে-সাথে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকান বেবি চয়েজ, আফিল ক্লথ ষ্টোর, সিকদার পয়েন্ট, আল আমিন ওয়াচ ও শাপলা ইলেক্টনিক্সে।

    শায়েস্তাগঞ্জে মার্কেটে আগুন, পুড়ে ছাই ৮টি দোকান 2

    মার্কেটের মালিক হাজী জিতু মিয়া ও মালিকের পুত্র হাবিবুর রহমান সৌরভ জানান, আগুনে মার্কেটের সার্টার, ছাদ, আসবাবপত্রসহ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, মার্কেটের তৈরী কাপড়ের দোকানগুলোতে ঈদ উপলক্ষ্যে লক্ষ লক্ষ টাকার কাপড় মওজুদ তরা হয়েছিল। এ অগ্নিকান্ডে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সিকদার পয়েন্টের ৭০ লক্ষ টাকা, আলিফ ক্লথ ষ্টোরের ৬০ লক্ষ টাকা, বেবি চয়েজের ৩০ লক্ষ টাকা, শামীম টেলিকমে ৫ লক্ষ টাকা, আল-আমিন ওয়াচে ৫০ হাজার ও শাপলা ইলেক্ট্রনিক্সে ১ লক্ষ টাকা।
    বেবি চয়েজ নামক দোকানের মালিক হারুন মিয়া ও শাপলা ক্লথ ষ্টোরের সেল্সম্যান রুস্তম আলী জানান, ঈদকে সামনে রেখে গত কয়েক দিনে ৩০ লক্ষ টাকার মাল কেনা হয়েছে। আগুনে সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    বানিয়াচং উপজেলার আগুয়া গ্রামে বসত ঘরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

    এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও বলেন, শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার স্টেশন থেকে দুইটি ও হবিগঞ্জ থেকে তিনটি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করেছে। আগুনে কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়েছে এবং প্রায় ৫ কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

  • নবীগঞ্জের দিন দুপুরে ফিল্মি স্টাইলে ১২ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা ছিনতাই

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: এশিয়ার বৃহত্তম নবীগঞ্জের বিবিয়ানা বিদ্যুৎ পাওয়ার প্লান্টের নির্মান কাজে নিয়োজিত দি বেঙ্গল ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানী লিমিটেড এর অফিস থেকে দিন দুপুরে ফিল্মি স্টাইলে ১২ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ মে) দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে।

    ছিনতাইয়ের ৬ ঘন্টার মধ্যে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭লক্ষ টাকা সহ ২ ছিনতাইকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় নবীগঞ্জের সর্বত্র তুলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

    পুলিশের হাতে ধৃত ছিনতাইকারীরা হলো নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের পারকুল গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র সাজু আহমেদ (২৫), তার সহযোগী একই গ্রামের রাহাত উল্লার পুত্র সাঈদ আহমেদ (২৬)।

    পুলিশ ও এলাকাবাসীর সুত্রে জানা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম বিবিয়ানা বিদ্যুৎ পাওয়ার প্লান্টের নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দি বেঙ্গল ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানী লিমিটেড এর সিকিউরিটি ইনচার্জ ইমন আহমেদ ও সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার ও কম্পিউটার অপারেটর সুমন মিয়া উক্ত কোম্পানীর হেড অফিসের কর্মকর্তা রবিউল আজিম সহ ৪ জন মিলে উক্ত কোম্পানীতে নিয়োজিত শ্রমিকদের মাসিক বেতনের টাকা প্রদান করছিলেন।

    বেঙ্গলের কর্মকর্তা ইমন আহমেদ বলেন, বুধবার দুপুর প্রায় আড়াইটার দিকে যখন আমরা শ্রমিকদের বেতন বিলি করছিলাম এই সময়ে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের অফিসে বীরদর্পে প্রবেশ করে সাজু ও সাঈদ। তারা ফিল্মি স্টাইলে আমাদের জিম্মি করে আমরা ৪ জনের কাছ থেকে ১২ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

    তাৎক্ষনিক এ খবর আমি আমার হেড অফিস ও থানা পুলিশকে অবহিত করি।

    এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নবীগঞ্জ থানার সাব ইন্সপেক্টর কাওসার আহমেদ।

    তিনি বলেন, আমি ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিক একদল পুলিশ নিয়ে এলাকায় অবস্থান করি এবং প্রায় ৬ ঘন্টার মধ্যেই উল্লেখিত দুই ছিনতাইকারীকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ লক্ষ টাকা সহকারে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার হাজী দুলাল মিয়ার বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।

    এদিকে ছিনতাইকৃত ১২ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার মধ্যে ৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার হলেও বাকী ৫ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা উদ্ধারে জন্য এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছেন বলেও জানা গেছে।

    অপর দিকে উক্ত ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে যেন খেচু খুড়তে সাপ বেড়িয়ে এসেছে।

    একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, উক্ত ইউনিয়নের বহুল বির্তকিত চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন বিদ্যুৎ পাওয়ার প্লান্টে নিয়োজিত দি বেঙ্গল ইলেক্ট্রনিক্স কোম্পানী লিমিটেড এর কাছ থেকে প্রতি মাসেই কোন কাজকর্ম ছাড়াই মাসিক চাঁদা হিসাবে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকা উৎখোচ বানিজ্য করছেন।

    এর সত্যতা জানতে চাইলে উক্ত কোম্পানীর সিকিউরিটি ইনর্চাজ ইমন আহমদ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এই টাকা আমাদের অফিস দেয়, ইহা আমাদের কিছু করার নেই!

    চেয়ারম্যান হাজী মুহিবুর রহমান হারুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কোম্পানী আমার ইউনিয়নে কাজ করবে আর আমরা কি বসে বসে আঙ্গুল চুষবো? তবে, দেড় লক্ষ টাকা মাসিক চাঁদাবাজীর অভিযোগ তিনি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

    এ নিয়ে সচেতন মহলের প্রশ্ন- চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন। একটি ইউনিয়নের কর্তা হয়ে তিনি কিভাবে দেড় লক্ষ টাকা প্রতি মাসে উৎখোচ বানিজ্য করেন? তবে, উনি কি আইনের উর্ধ্বে?

    উল্লেখিত বিষয়ে নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র তুলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। রাত ৮টা এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

  • বাহুবলে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

    বাহুবল  (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবলে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা।

    বুধবার (১৫ মে) রাত ৮টায় উপজেলার ডুবাঐ ও পুটিজুরী এলাকার বিভিন্ন গ্রামের জনসাধারণ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

    এ সময় সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধের ফলে মহাসড়কের উপজেলার প্রায় দশ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে আটকা পড়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।

    বিক্ষোভকারীরা জানায়, প্রতিদিন পুটিজুরী বাজার ও ডুবাঐ বাজার এলাকায় বিদ্যুৎ নিয়ে যায়। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৫ ঘন্টাও বিদুৎ থাকেনা। এমনি ইফতারে বসলেও বিদ্যুৎ নিয়ে যায়। আজও সারাদিন বিদ্যুৎ ছিল না, এখানে বিদ্যুৎ যায় না মূলত আসে।

    নরসিংদীর মনোহরদীতে ৪ বছরের শিশু অগ্নিদগ্ধ

    যাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা টিপু জানান, সারা দিনে অন্তত ২০ বার বিদ্যুৎ দেয় নেয়। এতে করে আমাদের ইলেকট্রিক জিনিষপত্র তো নস্ট হচ্ছেই এ রমজানে গরমে তারাবীর নামাজ পড়ার সময়ও বিদ্যুৎ থাকে না।

    প্রায় রাত ৯টায় বাহুবল মডেল থানার ওসি মোঃ মাসুক আলী উত্তেজিত জনতাকে শান্তনা দিয়ে মহাসড়ক থেকে তাদের তুলে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

  • বানিয়াচংয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যু

    বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে লকুজ মিয়া (৩০) নামে এক ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।

    নিহত লকুজ মিয়া উপজেলার বাঁশিয়া গ্রামের বাসিন্দা। বিভিন্ন স্থানে সে ইলেকক্ট্রিশিয়ানের কাজ কর জীবিকা নির্বাহ করত।

    বানিয়াচং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেখাছ মিয়া জানান, বুধবার বিকেলে সে তার এক প্রতিবেশির বাড়িতে বিদ্যুতের কাজ করতে যায়। কাজ করার এক পর্যায়ে অসাবধানতারবশত বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়।

    বানিয়াচং উপজেলায় গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা

    স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।