Category: হবিগঞ্জ

  • ভিক্ষাই শেষ অবলম্বন ১১৩ বছর বয়স্ক মরিয়ম বিবির

    মীর মোঃ আব্দুল কাদিরঃ তিনি একশত তের বছরের বৃদ্ধা মহিলা। নাম মরিয়ম বিবি, নেই স্বামী-সন্তান, নিজের বাড়ি বা জমি কিছুই নেই তার। পরকোলে আশ্রয় নিয়ে ৩০ বছরেরও বেশি সময় বসবাস করেছেন হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জসখাই গ্রামের আয়েশা খাতুন নাম্মীয় এক মহিলার নিকট।

    আয়েশা তিনযুগ যাবত হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্নস্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে ঝিয়ের কাজ করে অতিকষ্টে বর্তমানে হবিগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের অনন্ত পুর এলাকার এডভোকেট সামছু মিয়ার বাসায় বসবাস করছেন।

    ভোরের আজানের সাথে-সাথেই কোকিলে ডাকার আগেই শুনা যায় হায় আল্লাহ, হায় আল্লাহ। ভিক্ষা দেনগ মাই, আল্লাহরস্তে ভিক্ষা দেন। ও বাবা ভিক্ষা দেন, বলে একটি লাঠি হাতে একটি ব্যগ নিয়ে বাসা থেকে পায়ে হেঁটে লাঠি ভর করে প্রায় এক কিলোমাইল দূরত্ব হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল ও শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ এর গেইটের সামনের রাস্তার পাশে বসে ভিক্ষার জন্য আহাজারী করছেন মরিয়ম বিবি। অনেক সময় দেখা যায়, মরিয়ম বিবিকে আয়েশা বা তার নাতি হাতে ধরে ধরে নিয়ে যায়।

    মরিয়ম বিবির সাথে আলাপের ফলে জানান, আমার স্বামী-সন্তান, বাড়ি-ঘর কিছু নাই। আমার বাবা বাড়ি শহরের শায়েস্তানগর, আমার কেউ নাই, স্বামীর বাড়ি জসখাই গ্রামে, আমি ওই গ্রামের আয়েশা খাতুন নামের একজন মহিলার নিকট ৩০ বছরের উর্ধে একজন আশ্রীতা হিসাবে জীবন কাটাচ্ছি। টাকা-পয়সার অভাবে খেতে পরতে পারিনা। রোগ-দূঃখে ঔষধ কিনে খেতে পারি না। অনেক সময় উপাস থাকতে হয়। অসুস্থ থেকেও ভিক্ষায় বের হতে হয়, না হলে মাস শেষ হতে না হতেই ঘর বাড়া মালিককে দিতে হয়, না হলে কোথায় থাকব। থাকার তো আর জায়গা নেই।

    অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেলেন আসিয়া বিবি

    এব্যাপারে আশ্রীতা আয়েশা জানান, আমি প্রায় ৩০ বছরের উপরে মরিয়ম বিবিকে লালন-পালন করছি। ম্যাচে বাসা বাড়িতে আমি ঝিয়ের কাজ করে পালছি। মরিয়ম বিবি ভিক্ষা করে যে টাকা–পয়সা পায়, পেটে ভাতই হয়না অনেক সময়। এর ভিতরে ঘর ভাড়া, ঔষধ, কাপড়চোপড় কিনা, খুবই কষ্টকর অবস্থায় জীবন-যাপন করছি। তিনি সরকারি ভাবে শুধু বয়স্ক ভাতা ছাড়া আর কোন সুযোগ সুবিধা পাননি। যদি কোন দয়াবান লোক আমাদের একটি মাতা গোজার ঠাঁই করে দিতেন হয়ত, কষ্ট করে জীবন নির্বাহ করে বেঁচে যেতাম।

  • মাধবপুরে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এলাকা থেকে পাভেল মিয়া (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।

    এসময় তার দেহ তল্লাসী করে ১শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চান্দমারা গ্রামের খুরশেদ আলীর পুত্র। মঙ্গলবার রাত ১০টায় তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাড়ির এসআই রকিবুল হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করার সময় পাভেল মিয়াকে আটক করা হয়।

    হবিগঞ্জে টমটম ছিনতাইকালে চালককে শ্বাসরোধে হত্যা

    পুলিশ জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবত ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • পৌর এলাকার টমটম চালক হত্যা মামলার অভিযুক্ত গ্রেফতার

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ পৌর এলাকার আনোয়াপুরের টমটম চালক তৌহিদুর রহমান সাবাজ (২৫) হত্যা মামলার অভিযুক্ত বিলাল মিয়া (১৮)কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লুকড়া গ্রামের জজ মিয়ার পুত্র বিলালকে গতকাল সকাল ৯ টার দিকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    এদিকে বুধবারই সে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জুয়েল সরকার বুধবার সকাল ৯ টার লুকড়া গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় তার বাড়ি থেকে বিলালকে আটক করতে সক্ষম হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে সাবাজ হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা বিলাল স্বীকার করে।

    পরে তাকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয়।

    রাশেদ হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি

    সেখানে সে ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সাবাজ হত্যার দায় স্বীকার করে প্রায় আড়াই ঘন্টাব্যাপী হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাসহ পুরো ঘটনার বর্ণনা দেয়। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

  • বানিয়াচঙ্গে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেতাসহ আহত ১৫

    বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা সদরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৫ জন আহত হয়েছে।

    গুরুর আহত উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সাইদুল হক সুয়েবকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    আহত অন্যান্যদেরকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসাপতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আহত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার যাত্রাপাশা মহল্লার সাইদুল ও রাসেল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। এরই জের ধরে বুধবার দুপুরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পক্ষের ১৫ জন আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    বাহুবলে কথা-কাটাকাটি জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার ওসি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  • চুনারুঘাট উপজেলার এলজিইডির পাকা রাস্তার বেহাল দশা

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ৫ নং শানখলা ইউনিয়নের মির্জাপুর-ডেউয়াতলীর এলজিইডির পাকা রাস্তাটির বেহাল দশা। পুরো রাস্তাটি ভেঙ্গে যান চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে।

    এলাকাবাসী জানান- চার পাঁচ বছর যাবত এ রাস্তাটির এমন অবস্থা। জনসাধারণের সুবিধার কথা চিন্তা করে স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সর্বশেষ মন্ত্রী মহোদয়ের কাছেও রাস্তাটি সম্পর্কে অবগত করা হয়েছে।

    অটোরিকশা (সিএনজি) চালক জুয়েল মিয়া, সুজন মিয়া জানান- এ রাস্তা দিয়ে কমপক্ষে দশ গ্রামের মানুষ প্রতিদিন সিএনজি, টমটম যোগে যাতায়াত করেন। ভাঙ্গা রাস্তার কারণে সময় মত গন্তব্যে পৌছা সম্ভব হয় না। তাছাড়া রোগীর গাড়ী হলেতো আর কথাই নেই।

    চুনারুঘাট উপজেলায় পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

    মহিমাউড়া গ্রামে শাহ আব্দাল একাডেমীর প্রধান শিক্ষক এম এ কে সুমন জানান- রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ থাকায় এলাকার হাজার হাজার মানুষ অনেক কষ্টে শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ, চুনারুঘাট যাতায়াত করছে।

    এলাকাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে কবে এই রাস্তাটি পুণঃসংষ্করণ করা হবে। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিষয়টি নজরে আনার জন্য জোরদাবী করেছে।

  • মাধবপুরে অবৈধ দখলদার হতে পুকুর উদ্ধার

    মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে অবৈধ দখলদারের হাত হতে প্রায় ১শ শতকের পুকুর উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রসাশন।

    উপজেলা সদর বাজারে মধ্যে বিদ্যামন পুকুরটির আশপাশের বাসিন্দারা দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে ভরাট করে ভোগ করে আসছিল। কোন ধরনের হস্তক্ষেপ না থাকায় সরকারী পুকুরটি অবৈধভাবে ভরাট করে ঘর নির্মান করে দখলে রেখেছিল চর্তুদিকের বাসিন্দাগন।

    বয়োজ্যোষ্ঠ সুখলাল দেব নাথ জানান, এই পুকুরটির সাথে মাধবপুরের ইতিহাস জড়িত। দেশে একাধিক মাধবপুর রয়েছে। এই পুকুর থেকে মাটিকেটে মাধবপুর বাজারটি সৃষ্টি করা হয়েছিল বলেই হবিগঞ্জের এই মাধবপুরকে মাটিকাটা মাধবপুর নামে ছিনে।

    নবযোগদানকৃত মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনূভা নাশতারান ও সহাকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ মতিউর রহমান খাঁন গতকাল থেকে সরকারী এই পুকুরটি উদ্ধার এক্সেভেটর মেশিনদ্বারা অভিযান পরিচালনা করছেন।

    সহাকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ মতিউর রহমান খাঁন বলেন, আমরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেছি। প্রায় ১শ শতাংশের এই পুকুরটি সম্পূর্ণভাবে উদ্ধার করতে বেশ কয়েকদিন লাগতে পারে।

    দুই প্রশ্নের জবাব পেলে আমি আদালতে যাব – রেজা কিবরিয়া

    উদ্ধারের পর বৃহৎ এ পুকুরের জায়গাটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উন্নয়ন করা হবে বলেন তিনি জানান।

  • দুই প্রশ্নের জবাব পেলে আমি আদালতে যাব – রেজা কিবরিয়া

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার একমাত্র ছেলে ও গণফোরামের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া।

    আদালতে মামলার তিনদফা চার্জশিট দেয়া হলেও তাতে গ্রেনেড হামলার নেপথ্যের কুশীলবদের সামনে আনা হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। সেই ক্ষোভ থেকেই পিতা হত্যার বিচার চেয়ে আদালতে যাওয়া থেকে বিরত রয়েছেন রেজা কিবরিয়া।

    মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ড. রেজা কিবরিয়া তার এমন ক্ষোভের কথা জানান।

    তিনি বলেন, ‘তিনবার চার্জশিট দেয়া হলেও আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে তা প্রত্যাখান করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা ছিল এবং হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেডের উৎস কী ছিল এই প্রশ্নগুলোর জবাব সব তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের প্রতিবেদনে এড়িয়ে গেছেন। আমরা এ দুই প্রশ্নের জবাব চাই।

    এ দুই প্রশ্নের জবাব পেলে আমি আদালতে যাব। বাবা হত্যার বিচার চাইবো। ’

    সেই প্রশ্নগুলোর জবাব কী এখন আর পাওয়ার সুযোগ আছে- এমন প্রশ্নের জবাবে রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই এর জবাব মিলবে। তখন আমি আদালতে দাঁড়াবো, বিচারও পাবো।’

    হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে মনোনয়ন বৈধ ৭ প্রাথীর

    মামলার বাদী হবিগঞ্জের সাংসদ আবদুল মজিদের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘প্রতিবার চার্জশিটের পর আবদুল মজিদ আমার মাকে ধমক দিতেন। চার্জশিট মেনে নেয়ার জন্য চাপ দিতেন।