Category: হবিগঞ্জ

  • বিদায়ী জেলা প্রশাসককে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে পুলিশ সুপার

    বিদায়ী জেলা প্রশাসককে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে পুলিশ সুপার

    পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে হবিগঞ্জের বিদায়ী জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবির মুরাদকে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গতকাল রাত ৯টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।
    পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী, জেলা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এমদাদুল ইসলাম সোহেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম রাজু আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত হোসেন রুবেল। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক, সদর থানার ওসি তদন্ত জিয়াউর রহমান, কোর্ট ইন্সপেক্টর আল-আমিন সহ বিভিন্ন থানার ওসিগণ। সাংবাদিকদের উপস্থিত ছিলেন, মোহনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি মোঃ ছানু মিয়া, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি এসএম সুরুজ আলী, দৈনিক খোয়াইর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার জুয়েল চৌধুরী, লোকালয় বার্তা চীফ রির্পোটার তারেক হাবিব প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে পুলিশ সুপার জেলা প্রশাসকের হাতে সম্মাননা উপহার তুলে দেন।

  • চলমান উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনে বাপা প্রতিনিধি দল

    চলমান উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনে বাপা প্রতিনিধি দল

    সাম্প্রতিক সময়ে হবিগঞ্জে পুরাতন খোয়াই নদী পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে চলা উচ্ছেদ তৎপরতা পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র একটি প্রতিনিধিদল। বাপা’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়কারী শরীফ জামিল এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন বাপা হবিগঞ্জ শাখার সভাপতি অধ্যাপক মোঃ ইকরামুল ওয়াদুদ, সহ-সভাপতি তাহমিনা বেগম গিনি, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী মোমিন, বাপা সিলেটের সাধারণ সম্পাদক ও সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার আব্দুল করিম কিম, বাপা হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক ও খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন, বাপা হবিগঞ্জের সদস্য এডঃ বিজন বিহারী দাস, আসমা খানম হ্যাপি, এডঃ শায়লা পারভীন, বিশিষ্ট দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আলী আহসান চৌধুরী পিন্টু, আবিদুর রহমান রাকিব, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
    পরিদর্শন শেষে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে প্রতিনিধি দল তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় উচ্ছেদ অভিযান আরো বেগবান করার ব্যাপারে সকল মহলের মনোযোগ আকর্ষণ করে প্রতিনিধি দলের পক্ষে শরীফ জামিল বলেন, হবিগঞ্জ শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও খোয়াই পুনরুদ্ধারে দীর্ঘদিনের নাগরিক আন্দোলন থাকলেও ইতিপূর্বে পুনরুদ্ধারের এমন জোরালো প্রচেষ্টা দেখা যায়নি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বর্তমান জেলা প্রশাসনকে বাপা’র পক্ষ থেকে উচ্ছেদ তৎপরতা শুরু করার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়। তবে এই উচ্ছেদ তৎপরতা উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন বাঞ্চনীয়। তাই মাছুলিয়া থেকে গরুর বাজার পর্যন্ত সম্পূর্ণ পুরাতন খোয়াই নদীর সীমানা চিহ্নিত করে নদী অভ্যন্তরে থাকা সকল স্থাপনা নির্মোহ ও ব্যতিক্রমহীনভাবে উচ্ছেদ করে নদীর জায়গা নদীকে ফিরিয়ে দিতে হবে। একি সাথে নদী সংরক্ষণে গৃহিত প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব নকশা প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়। পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধিদল সদস্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ এর সাথে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতকালে প্রতিনিধিদল পুরাতন খোয়াই উচ্ছেদ অভিযান দৃঢ়তার সাথে পরিচালনা করায় জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান, একি সাথে ভবিষ্যতে খোয়াই নদী পুনরুদ্ধার, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার সকল পর্যায়ে নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

  • সাংবাদিক হাছান আলীর ভাইয়ের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ

    সাংবাদিক হাছান আলীর ভাইয়ের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও ২৫ বছর ক্লাবের সাবেক সাধরণ সম্পাদক, শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ হাছান আলীর বড় ভাই মোঃ নুর আলী মিয়া গত ২৬ অক্টোবর শনিবার বিকাল ৫টায় উপজেলা উবাহাটা ইউনিয়নের কেউন্দা গ্রামের সরকার বাড়ির নিজ বাস ভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না …….. রাজিউন)।

    মৃত্যু কালে তিনির বয়স ছিল ৯০ বছর। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২ছেলে, ২ মেয়ে, নাত-নাতনী সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    ২৭ অক্টোবর রবিবার দুপুর ২টায় ঐতিহ্যবাহী কেউন্দা জামে মসজিদ ঈদগাহ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কেউন্দা গ্রামে মরহুমের পারিবারিক কবর স্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

    নুর আলী মিয়া মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা হলেন – হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক খোয়াই এর সম্পাদক ও প্রকাশক শামীম আহছান, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক প্রতিদিনের বানী এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ শাবান মিয়া, প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা সংবাদিক ফোরাম এর সাবেক সভাপতি ও দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রাসেল চৌধুরী, চুনারুঘাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ কামরুল হাছান, সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল মুহিত চৌধুরী, রিপোর্টাস ইউনিটি সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদকি ফোরাম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোঃ আলাউদ্দিন, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মনজুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, কোষাধ্যক্ষ মীর আব্দুল কাইয়ূম, মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব সৈয়দ শফিক আহমেদ চিশ্তী শফি, উবাহাটা ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ এজাজ ঠাকুর প্রমুখ। বিবৃতি দাতারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সম্ভপ্ত পরিবার বর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    এছাড়াও পৃথক এক শোক বার্তায় “হবিগঞ্জ নিউজ” এর সম্পাদক আবুল খায়ের ও “হবিগঞ্জ নিউজ পরিবার” গভীর শোক প্রকাশ করেন।

  • স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাসী স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

    স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাসী স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মাকে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন ইতালী প্রবাসী স্বামী। রোববার দুপুরে প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন শহরের শ্যামলী এলাকার বাসিন্দা মৃত সামছু মিয়ার ছেলে ইতালি প্রবাসী মাহবুবুর রশিদ সুমন মিয়া।

    এ সময় পুত্রবধূর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তার মা খায়রুন্নেছা।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রায় ৮ বছর পূর্বে শহরতলীর সুলতান মাহমুদপুর এলাকার গোলাম হোসেনের মেয়ে শেফালী খাতুনকে বিয়ে করেন মাহবুবুর রশিদ সুমন মিয়া। এরপর থেকেই শেফালী সন্দেহজনক চলাফেরা করতে থাকেন।

    মোবাইল ফোনে সব সময় বন্ধুবান্ধব নিয়ে ব্যস্ত থাকেন শেফালী খাতুন। একপর্যায়ে একাধিক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। একবার নিজের খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে পালিয়েও যান। খোঁজাখুঁজি করে ১ সপ্তাহ পর তার সন্ধান পাওয়া যায়।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইতিমধ্যে তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। তিনি ইতালী থাকার সুযোগে শেফালী তার মামা উমেদনগর গ্রামের আবদুল মান্নানকে বাসায় এনে ভাড়া দেন। আবদুল মান্নান ভাগ্নিকে প্ররোচণা দিতে থাকলে শেফালী স্বামীর অনুপস্থিতিতে শাশুড়ি খায়রুন্নেছাকে অত্যাচার-নির্যাতন করতে থাকেন।

    তিনি জানান, আহত অবস্থায় তাকে বিভিন্ন সময় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনায় খায়রুন্নেছা বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। শাশুড়ির অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেফালীকে থানা হাজতেও একদিন আটক থাকতে হয়। পরবর্তী সময়ে কৌশলে শাশুড়িকে ম্যানেজ করে অভিযোগ তুলে নিলে তাকে থানা থেকে ছাড়া হয়।

    পরে মামা-ভাগ্নি মিলে তাদের বাড়ির একটি জাল দলিল তৈরি করে বাসা দখলে নেয়ার ষড়যন্ত্র শুরু করে। বিষয়টি মামলা-মোকদ্দমা পর্যন্ত গড়ায়। শাশুড়িকে আবারও নির্যাতন শুরু করেন। এ সব ঘটনার প্রেক্ষিতে শেফালীকে তালাক দেন সুমন মিয়া।

    আরো পড়ুনঃ বিশ্ব গণমাধ্যমে এমপি বুবলী

    তার পর আবদুল মান্নান ও তার ভাগ্নি শেফালীর বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের করেন। ওই মামলায় তারা হাজত খেটে আদালতে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। পরে শেফালী আদালতে স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে একটি নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে নিজের পুত্রবধূর নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শাশুড়ি খায়রুন্নেছা।

  • মাধবপুরে নারী গার্মেন্টস শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

    মাধবপুরে নারী গার্মেন্টস শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

    মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ইটাখোলা গ্রাম থেকে তানজিনা আক্তার (১৯) নামে নারী গার্মেন্টস শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে।

    রোববার সকালে থানার এসআই জহিরুল ইসলাম লাশ উদ্ধা করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

    মাধবপুর থানার পরিদর্শক(তদন্ত) গোলাম দস্তগীর জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার হরষপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে তানজিনা আক্তার মাধবপুর উপজেলার সায়হাম কটন মিলে চাকুরি করতেন।

    চাকরি করার সুবিধার্থে তানজিনা তার বান্ধবি কে নিয়ে ইটাখোলা গ্রামের আকছির মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

    শনিবার রাতে তানজিনার রুমমেট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাড়ঘড়িয়া গ্রামের তানজিনা নাইট ডিউটিতে যান। রোববার সকালে তানজিনা এসে দরজা ধাক্কা দিলে দরজা বন্ধ পায়।

    পরে স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে ঘরের জানালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে দেখে ঘরের তীরের সঙ্গে তানজিনার লাশ ঝুলছে।

    আরো পড়ুনঃ এক ক্লিকেই ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে হ্যাকারদের কবলে!

    মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেএম আজমিরুজ্জামান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। কি কারনে আত্মহত্যা করেছে তা এখনো পরিষ্কার নয়।

  • শায়েস্তাগঞ্জ পৌর কার্যালয়ে বহিরাগতদের হামলায় সচিবসহ আহত ৪

    শায়েস্তাগঞ্জ পৌর কার্যালয়ে বহিরাগতদের হামলায় সচিবসহ আহত ৪

    শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় জন্ম নিবন্ধন সনদ দেয়াকে কেন্দ্র করে পৌর কাউন্সিলর ও বহিরাগতদের হামলায় পৌর সচিব মাহবুব আলম পাটোয়ারীসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। রবিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় পৌর কার্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে।

    পৌরসভার টিকাদান সহকারী প্রণতি রানী বলেন, “একটি জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান ফরমে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশ থাকলেও মেয়রের স্বাক্ষর না থাকায় আমি ঐ ব্যক্তিকে মেয়রের স্বাক্ষর আনতে বলি। এতে ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জলিল ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং কেন মেয়রের স্বাক্ষর লাগবে প্রশ্ন করেন।”

    প্রণতি রানী আরো বলেন, “কাউন্সিলর জালাল উদ্দিন মোহন উত্তেজিত হয়ে আমাকে সহ অন্যান্য কর্মচারীকে রুম থেকে বের করে দেন।”

    পৌরসভার অফিস সহকারী আতাউর রহমান বলেন, “আমার পাশের রুমে হৈ চৈ শুনে আমি সেখানে গিয়ে কাউন্সিলরদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করি। কিন্তু তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং আমাকে রুম থেকে বের করে দেন।”

    উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলী আকবর বলেন, “কাউন্সিলর আব্দুল জলিল, জালাল উদ্দিন মোহন, আবু তাহের, খায়রুল আলম, নওয়াব আলীর নেতৃত্বে একদল বহিরাগত অতর্কিতভাবে পৌরসভার অফিসে হামলা চালিয়ে কর্মচারীদেরকে অফিস থেকে বের করে দেন। এসময় সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা তাদেরকে ও আক্রমণ করে।

    মিস্টার আকবর বলেন, “আক্রমণে পৌর সচিব মাহবুব আলম পাটোয়ারী গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। এছাড়াও নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, কর আদায়কারী সুজিত দত্ত ও নওরুজ মিয়া আহত হয়েছেন।”

    তাৎক্ষনিকভাবে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনার স্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।

    শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছালেক মিয়া বলেন, “পৌর সভার ৭ জন কাউন্সিলর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমার সাথে মত বিরোধ রয়েছে। তারা একটি গোলাটে পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি এই ঘটনার নিন্দা জানাই।”

    এ ঘটনায় বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগ নিন্দা জানিয়েছেন এবং কাল সোমবার সিলেট বিভাগের ১৯ টি পৌরসভায় এক দিনের কর্মবিরতি ঘোষণা করেন। এচাড়াও আগামী ২ নভেম্বর শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় এক প্রতিবাদ সমাবেশের আহ্বান করেন।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তি কামনায় হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    খালেদা জিয়ার মুক্তি কামনায় হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    যুবদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি কামনায় হবিগঞ্জে খতমে কোরআন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বাদ এশা শায়েস্তানগরস্থ বিএনপির কার্যালয়ে জেলা যুবদলের উদ্যোগে এই খতমে কোরআন অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পতদ্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম ও হাজী এনামুল হক, জেলা যুবদলের সভাপতি মিয়া মোঃ ইলিয়াছ, সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সফিকুর রহমান সিতু, বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম নানু, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, নাজমুল হোসেন বাচ্চু, মহসিন সিকদার, রুবেল আহমেদ চৌধুরী, জিল্লুর রহমান, আরিফে রাব্বানী টিটু, হাফিজুল ইসলাম, মহিবুর রহমান শাওন, শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন,

    সালাহকে দেখে ইসলাম কবুল করলেন মুসলিম বিদ্বেষী যুবক

    মাহবুবুর রহমান মাহবুব, আবুল কাশেম জুয়েল, এডভোকেট কুতুব উদ্দিন জুযেল, হেলাল আহমেদ টিপু, জয়নাল আবেদীন, এডভোকেট জসিম উদ্দিন, মালেক শাহ, নজরুল ইসলাম, শেখ মামুন, মিজানুর রহমান সুমন, আরব আলী, শারফিন চৌধুরী রিয়াজ, নাসির উদ্দিন মাহিন, তৌফিকুল ইসলাম রুবেল, নজরুল ইসলাম কাওছার, আব্দুল করিম, শাহানুর রহমান আকাশ, আব্দুল কাইয়ুম, লিটন আহমেদ, আনোয়ার হোসেন বাদল, এমদাদুল্লাহ খান, সাইদুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন, সৈয়দ নাইম, শামীম আহমেদ, আমিন শাহ, গোলাপ খান প্রমুখ।