Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

    হবিগঞ্জে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

    সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে গতকাল থেকে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহে শীত জেঁকে বসেছে হবিগঞ্জ জেলায় । জেলার চুনারুঘাট, নবীগঞ্জ, বাহুবল ও মাধবপুর উপজেলার বিশাল অংশজুড়ে পাহাড়ি এলাকা। এ পাহাড়ে বসবাস করছে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মানুষ, চা, শ্রমিকসহ নিম্ন আয়ের মানুষেরা। শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে  তাদের জনজীবন।

    দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবীরা। দিন ও রাতে কন কনে শীতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। বিশেষ কোন প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাহিরে বের হন না। এতে রাস্তায় মানুষ জনের চলাচল কম,  এর প্রভাব পড়ে  রিক্সা চালকের দৈনিক আয়ে।

    ঠান্ডা বাড়তে থাকায় শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে বেড়েছে  বেচাকেনা। অনেক মার্কেট গুলোতে ভীড় জমান ক্রেতাগণ।

    আবার দেখা গেছে  অনেক পরিবারে শীতের পিঠা বানাতে ব্যস্ত।  পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন পিঠা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

    সকালে গ্রাম বাংলার মানুষেরা আগুন ঝালিয়ে শীত নিবারণের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয় সারাদেশে আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে এই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

  • আসুন অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়াই

    আসুন অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়াই

    আল-আমিন আহমেদ’ জীবনঃ পথশিশু হলো সেসব শিশু, যারা দারিদ্র্য, গৃহহীনতা বা উভয়ের কারণে শহর, নগর বা গ্রামের রাস্তায় বসবাস করছে। আমাদের দেশে এ পথশিশুদের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মূলে রয়েছে অজ্ঞতা, দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও সচেতনতার অভাব।

    আমাদের দেশে একশ্রেণির অশিক্ষিত ও দরিদ্র মানুষ রয়েছে, যারা অপরিকল্পিতভাবে শিশুদের জন্ম দিয়ে থাকে। একটা নির্দিষ্ট সময় পরে তাদের পরিত্যাগ করে, ভরণপোষণ দেয় না। সেই শিশুরাই আবার অনেক সময় টোকাই বা পিচ্চি নামে পরিচিত হয়। খালি গায়ে, খালি পায়ে কিংবা ছেঁড়া জামাকাপড় পরে রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও শহরের অলিগলি এলাকায়ই এদের বিচরণ।

    আবার রাতের বেলায়ও যেখানে-সেখানে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। অর্থাৎ এদের জীবনটা হচ্ছে, “যেখানে রাত, সেখানেই কাতের মতো।” কোনো ট্রেন ছাড়ার আগে ছোট-বড় ব্যাগ নিয়ে ছুটতে দেখা যায় তাদের। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বোতল, পলিথিন, কাগজসহ মানুষের ব্যবহৃত ফেলে দেওয়া জিনিসপত্র কুড়ানো ও ভিক্ষার মাধ্যমেই চলে তাদের দৈনন্দিন জীবন।

    তাছাড়া রাস্তার পাশে জেগে ওঠা আবর্জনার স্তূপ, বাস টার্মিনাল-রেলস্টেশন এখানে-সেখানে নোংরা-অপরিচ্ছন্ন স্থানটুকুই আশ্রয়স্থল হিসেবে বেছে নেয় ওরা। ওরা যেন সমাজের সর্বোচ্চ অবহেলিত মানুষ। কিন্তু এদের কেন এ অবহেলিত জীবন আর এর দায়ভারই বা কার?

    জাতিসংঘের শিশু সনদ ও আমাদের দেশের আইন ২০১৩ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সিদের শিশু বলা হয়েছে। বিভিন্ন তথ্য মতে, বাংলাদেশে জনসংখ্যার প্রায় শতকরা ৪৫ ভাগ শিশু। যার ৪০ শতাংশ শিশু বাস করে দারিদ্র্যসীমার নিচে।

    বাংলাদেশে এখন শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ৭৯ লাখেরও বেশি। তাদের কর্মস্থল হচ্ছে বাসস্ট্যান্ড, ফেরিঘাট বা রেলস্টেশন।

    গত দশক থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার বিস্ময়কর উন্নতি সাধিত হয়েছে, শিক্ষার হার বেড়েছে, রিজার্ভ ব্যাংক ফুলে উঠেছে। জাতীয় প্রবৃদ্ধি নামক পাখিও তর তর করে বেড়ে চলেছে। কিন্তু এত সব অর্জন কোনো কাজে আসেনি সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের।

    দিন দিন বেড়েই চলছে এ সংখ্যা। যে শিশুরা শৈশব আর কৈশোরের অবাধ স্বাধীন জীবনকে বিসর্জন দিয়ে দুমুঠো ভাতের জন্য পথে পথে ঘুরছে, স্বল্প মজুরিতে অমানুষিক ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম দিচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ কাজের কারণে অল্প বয়সেই শরীরে নানারকম রোগের জন্ম দিচ্ছে, অনেকেই অকালে প্রাণও দিচ্ছে। তাদের কাছে রিজার্ভ ব্যাংক আর প্রবৃদ্ধি ফাঁকা বুলি ছাড়া আর কিছুই নয়।

    বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ৩৪ ও ৩৫ অনুযায়ী, ১৪ বছরের কোনো শিশুকে কাজে নিয়োগ করা যাবে না। সেখানে আরও বলা হয়েছে, শিশুর বাবা-মা কিংবা অভিভাবক শিশুকে দিয়ে কাজ করানোর জন্য কারও সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে পারবে না। কিন্তু এসব নীতিকে পাশ কাটিয়েই শিশুদের নিযুক্ত করা হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে।

    আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শিশুদের অভিভাবকরাই শিশুদের পড়ালেখা বাদ দিয়ে কাজ করতে পাঠাচ্ছেন। যে বয়সে এ শিশুদের যাওয়ার কথা ছিল স্কুলে, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে খেলার মাঠে উৎসবে মেতে ওঠার কথা, সেই বয়সে তাদের নামতে হচ্ছে জীবনযুদ্ধে। আমরা সবাই জানি অভাবের তাড়নায় আর পেটের দায়ে এরা সবাই জড়িয়ে পড়ছে অপরাধ জগতে, মাদকের জগতে।

    বাংলাদেশে যত ছিনতাইয়ের ঘটনা বা রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটে তার মূলে এদের রয়েছে প্রত্যক্ষ ভূমিকা। গাড়িতে আগুন দেওয়া, বোমা মারা বা ভাঙচুর করার মতো কাজগুলো একশ্রেণির রাজনৈতিক নেতা এদের দিয়েই করিয়ে থাকেন।

    ৪০০ বা ৫০০ টাকার জন্য এরা মানুষ খুন করতে পারে অবলীলায়। শৈশব থেকেই অন্ধকার অনিশ্চিত একটা পৃথিবীর দিকে তাদের যাত্রা শুরু হয়, আর সেই অবহেলিত অন্ধকার জীবন তথা এমন দুর্বলতার সুযোগ নেয় নষ্ট-ভ্রষ্ট রাজনৈতিক নেতারা।

    এত বিপুলসংখ্যক একটা জনগোষ্ঠীকে খাদ্য, শিক্ষা, বাসস্থানসহ নিরাপদ একটা শৈশববঞ্চিত করে কি আলোকিত একটা বাংলাদেশ হবে? এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে কোনো দল বা সরকারের কোনো কালে এতটুকু মাথাব্যথা দেখিনি।

    কানাডাসহ অন্যান্য উন্নত রাষ্ট্রে বাবা-মায়ের চেয়ে সন্তানদের দেখভাল করার দায়িত্ব বেশি সরকারের। সেখানে সন্তান জন্মের পরই তার ভরণপোষণ বা লালন-পালনে কোনো অবহেলা করা হচ্ছে কি না তার জবাবদিহি বাবা-মাকে সরকারের কাছে করতে হয়।

    আর আমাদের দেশে দেখা যায় তার উল্টো চিত্র। তারা যে মৌলিক অধিকারগুলো পাওয়ার কথা, সেগুলোর শতকরা ৯০ ভাগ থেকেই বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ একটু পরিকল্পনা মাফিক আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে কয়েক বছরের মাঝেই এ পথশিশু শূন্যের কোটায় আনা সম্ভব।

    শিক্ষাবঞ্চিত, সমাজ সভ্যতার তিমিরে নিমজ্জিত এসব ছিন্নমূল টোকাই-পিচ্চিদের সামাজিকভাবে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে ওদের মেধা ও শ্রমের সুষ্ঠু বিকাশ ঘটিয়ে দেশের সম্পদে পরিণত করা সম্ভব।

    এজন্য প্রথমেই প্রতিটি জেলায় না হোক অন্তত বিভাগীয় শহরগুলোতে সরকারি ও বিত্তবানদের অর্থায়নে মোটামুটি মৌলিক অধিকারগুলো অর্থাৎ খাদ্য, শিক্ষা, বস্ত্র, চিকিৎসা ইত্যাদি নিশ্চিত করে একটি করে পথশিশু সেন্টার গড়ে তুলতে হবে, আর মেগা সিটিগুলোতে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম) একের অধিক সেন্টার গড়ে তুলতে হবে।

    শুনেছি রিজিকের মালিক মহান আল্লাহ্‌। আমি বিশ্বাস করি রিজিকের মালিক মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন। তাই বলে সন্তান একটি হলে অনেক ভালো আর দুটি সন্তানের অধিক আর সন্তান নয় এরকম মনোভাব নিয়ে সবাই যদি এগোয় তাহলে বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকতো। আসুন সবাই মিলে ‘পথশিশুর’ পাসে দাঁড়াই তাহলে আমাদের দেশে আর আর অসহায় শিশু থাকবে না।

    সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাড়াই হয়তো ভবিষ্যতে এইসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাবে। যখন দেখি ধনী ঘরের কোন শিশু ৩ বেলা ভালো ভালো খাবার মুখের সামনে পেয়েও সেই খাবার খেতে আপত্তি করে আবার যখন দেখি দরিদ্র পিতা-মাতার কোন শিশু একবেলা খাবারের খোঁজে পথে পথে ঘুরে বেড়ায় তখন মনটা ব্যথায় ভঁরে উঠে।

    পথশিশুদের আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে উঠলে ঠিকানাহীন নিরাশ্রয় এসব শিশু মানুষ হবে। উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমৃদ্ধিশালী দেশ গড়াতে এরাও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। দেশে নতুন করে আর কোনো আলোচিত টোকাই সাগর, পিচ্চি হান্নানের মতো সন্ত্রাসী সৃষ্টি হবে না।

    লেখক: সাবেক ছাত্র, হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ
  • মাধবপুর প্রেস ক্লাব নির্বাচন ২৬ ডিসেম্বর

    মাধবপুর প্রেস ক্লাব নির্বাচন ২৬ ডিসেম্বর

    হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা প্রেস ক্লাবের নির্বাচন আগামী ২৬ শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার (১৮ ই ডিসেম্বর) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।

    আগামী ২২শে ডিসেম্বর রবিবার বেলা ১১ :০০ হতে বিকেল ০৩:০০ ঘটিকা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা যাবে।

    মাধবপুর প্রেস ক্লাব নির্বাচন ২৬ ডিসেম্বর

    সোমবার (২৩ শে ডিসেম্বর) বেলা ১১:০০ থেকে ০৩:০০ ঘটিকার মধ্যে মনেনয়নপত্র জমা দিতে হবে।মঙ্গলবার (২৪শে ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র বাছাই, প্রত্যাহার ও চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং বৃহস্পতিবার ( ২৬শে ডিসেম্বর) সকাল দশটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।

    মোহাম্মদ রুকন উদ্দিন লস্কর  প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কাওসার আহমেদ ও নাহিদুল ইসলাম নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

  • হবিগঞ্জের রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ

    হবিগঞ্জের রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ

    ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের নামের তালিকা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। গত রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক নামের তালিকা প্রকাশের ঘোষণা দেন। পরে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করা হয়।

    এই  তালিকায় হবিগঞ্জের ১২ জন রাজাকারের নাম পাওয়া গেছে। রাজাকারের তালিকার মধ্যে রয়েছে- হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট স্টেশনরোড এলাকার বাসিন্ধা মোঃ আব্দুল বারি, ননোহরগঞ্জ এলাকার মোঃ সৈয়দ ইমরুল আসান,  পৌর শহরের মো. আব্দুল্লাহ, সদর উপজেলার বাতাসর গ্রামের এডভোকেট মোঃ ফজলুল হক, সুলতানসী এলাকার রজব আলী, মাধবপুর উপজেলা দেবনগর গ্রামের হিরা মিয়া, ইনুস মিয়া, বানিয়াচং উপজেলার খাগুড়া গ্রামের মৌলভী আব্দুর রহমান, মুসলিম উদ্দিন, চুনারুঘাট উপজেলার মানিকাবাদ গ্রামের কাজী আব্দুল গফফুর, বানিয়াচংয়ের মোঃ ফজলুল হক, আজরিমীগঞ্জ উপজেলার মোঃ রফিক আহমেদ।

  • হবিগঞ্জে পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস।

    হবিগঞ্জে পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস।

    যথাযোগ্য মর্যাদায় হবিগঞ্জে পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস।

    মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য হবিগঞ্জের দুর্জয়ে পুস্পস্তবক অর্পন করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, পৌর প্রশাসন, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ হবিগঞ্জের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন।

    সকালে হবিগঞ্জের জালাল ষ্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় কুচকাওয়াজ। কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

    হবিগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পুলিশ প্রশাসন, আনসার ও ডিভিপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলো মার্চ-পাষ্টে অংশগ্রহন করে। মার্চ-পাষ্টের পর শুরু হয় শরীর চর্চা।

    শরীর চর্চা ও নানা ডিসপ্লের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা মহান মুক্তিযুদ্ধকে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করে।

  • জাতীয় পতাকা টানাতে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

    জাতীয় পতাকা টানাতে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

    মহান বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা টানানোর সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হবিগঞ্জ শহরের বগলা বাজার এলাকার প্রদীপ বণিক নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন।

    সিসি টিভি ফুটেজে তার মৃত্যুর ভিডিও রেকর্ড হওয়ায় তা দেখতে আসেন এলাকার পাড়া-প্রতিবেশীরা। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮ টায় বগলা বজারে যতীন্দ্র ভবনে এই ঘটনা ঘটে।

    মৃত ব্যক্তি প্রদীপ বনিক জীবদ্দশায় প্রায় ২০ বছর যাবত বগলা বাজারের শ্রী গুরু শিল্পালয়ে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

    ঘটনার দিন সকালে মহান বিজয় দিবসের পতাকা উড়ানোর জন্য তিনি প্রস্ততি নিচ্ছিলেন। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায় একটি বাশের দন্ডে পতাকা বাধার সময় তিনি চিৎ হয়ে বারান্দার ফ্লোরে পড়ে যান।

    প্রদীপ বনিকের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তার মৃত্যুতে বগলা বজার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শমীপুর গ্রামের মৃত নানু বনিকের ছেলে প্রদীপ বনিক।

  • ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস

    ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস

    “এক নদী রক্ত পেরিয়ে
    বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা,
    আমরা তোমাদের ভুলবো না”

    দীর্ঘ নয় মাস মুক্তিকামী বাঙ্গালী জনতা রক্তের বিনিময় অর্জন করে স্বাধীনতা। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার বিজয়ে দিন আজ ১৬ ডিসেম্বর। বাঁধভাঙা আনন্দের দিন। বাঙালি জাতির জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনের দিনটি আজ। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণের দিন।

    আজ মহান বিজয় দিবস। এ দিনটি হচ্ছে বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিবস। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের নাম জানান দেওয়ার দিন।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃতে নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে বিকেলে রেসকোর্স ময়দানে  (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে)  হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।

    এবারের বিজয় দিবস পালিত হবে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। শোক আর রক্তের ঋণ শোধ করার গর্ব নিয়ে উজ্জীবিত জাতি দিবসটি পালন করবে অন্যরকম অনুভূতি নিয়ে। অফুরন্ত আত্মত্যাগ এবং রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই মহান বিজয়ের ৪৬ বছর পূর্ণ হবে আজ এই দিনটি আসলে আমার মনে।

    পরে যায় পুরনো দিনের ইতিহাস অনেক ভালোবাসি আমি সেই দিনটি সব মানুষের কথা মনে পরে যায় আজ এক আনন্দের দিন। এমনি এক দিনের প্রতীক্ষায় কেটেছে বাঙালির অনেক বছর। বহু কাক্সিক্ষত সেই দিনটির দেখা মিলেছিল দীর্ঘ নয় মাসের এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।

    লেখক: আল-আমিন আহমেদ জীবন, সাবেক ছাত্র, হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ।