Category: হবিগঞ্জ

  • শীঘ্রই সরকার পতনের কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে নামবে বিএনপি ॥ জি কে গউছ

    শীঘ্রই সরকার পতনের কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে নামবে বিএনপি ॥ জি কে গউছ

    বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন-মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের রাজপথ থেকে সড়ানো যাবে না। এই ভয়কে উপেক্ষা করেই আমরা বিএনপি করি, এতে আমরা গর্ববোধ করি।

    তিনি বলেন- বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন হয়েছিল। এই দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল। ইনশাআল্লাহ, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই আবারো দেশের গণতন্ত্র পুণরুদ্ধার করা হবে। মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা হবে। তিনি গতকাল রবিবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সস বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তি এক সমাবেশে এসব কথা বলেন।

    জি কে গউছ বলেন- বিএনপি আওয়ামীলীগের পাতানো ফাদে পা দেয়নি। আওয়ামীলীগ চেয়েছিল, বেগম খালেদা জিয়ার জামিন না হলে বিএনপি কঠিন কর্মসূচি দিবে, আর আওয়ামীলীগ সেই সুযোগে গাড়ী ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে অতিতের ন্যায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিবে। কিন্তু বিএনপি সেই সুযোগ দেয়নি। বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাস করে। তবে এর মানে এই নয় যে বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশ আর মানববন্ধনে সীমাবদ্ধ থাকবে। শীঘ্রই বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সরকার পতনের একদফা কর্মসূচী নিয়ে রাজপথে নামবে বিএনপি। দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেই ঘরে ফিরবে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোস্তফা রফিক, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এস এম বজলুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সদস্য মহিবুল ইসলাম শাহীন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, জেলা মৎস্যজীবিদলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জহিরুল হক শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুশফিক আহমেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান সিতু, জেলা জাসাসের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী, জেলা মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফাতেমা ইয়াসমিন, জেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল এ চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এমদাদুল হক ইমরান, সহ সভাপতি জিল্লুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি কে ঝলক, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক শাহ ফারুক আহমেদ, এডভোকেট ইলিয়াছ আহমেদ, এডভোকেট গুলজার খান, আশরাফুল আলম সবুজ প্রমুখ।

  • নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচন ২২ই ডিসেম্বর

    নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচন ২২ই ডিসেম্বর

    অবশেষে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান হয়েছে। নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের বিরোধ মীমাংসা ও নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা পরিষদের নবীগঞ্জ ডাক বাংলোতে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উক্ত সাধারণ সভায় নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব বার্ষিক নির্বাচন উপলক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে তফসিল ঘোষণা করা হয়। ২০১৩ইং সালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। বর্তমানে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে কর্মরত সাংবাদিকদের মতামতের প্রেক্ষিতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

    উক্ত কমিটির সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন, আনোয়ার হোসেন মিঠু, সাইফুল জাহান চৌধুরী, এটিএম সালাম ও এম এ আহমদ আজাদ।

    উক্ত কমিটির সদস্যরা একাধিক সভায় মিলিত হয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করে ঐক্যবদ্ধ নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব গঠনের লক্ষ্যে এবং ঐক্য স্থায়ীভাবে ধরে রাখতে একটি অঙ্গীকারনামা তৈরি করে।

    ৯টি শর্ত বিশিষ্ট ওই অঙ্গীকারনামা গতকাল সাংবাদিকদের সাধারণ সভায় পেশ করা হলে আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত শর্তগুলো ৫শ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত আকারে লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়।

    পরে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের আহবায়ক ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেন।

    তফসিল মোতাবেক মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ১৬ ডিসেম্বর, মনোনয়ন পত্র দাখিল ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত, মনোনয়ন পত্র যাছাই বাচাই ও প্রত্যাহার ১৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই দিন বিকেল ৫ ঘটিকায় প্রতীক বরাদ্দ। নির্বাচন ২২ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

    নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক এর সভাপতিত্বে ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ আহমদ আজাদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ।

    বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সাংবাদিক ফখরুল আহসান চৌধুরী, তোফাজ্জল হোসেন, আনোয়ার হোসেন মিঠু, সাইফুল জাহান চৌধুরী, এটিএম সালাম, ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, মো. আলাউদ্দিন, এমএ বাছিত, উত্তম কুমার পাল হিমেল, মো. সরওয়ার শিকদার, এম এ মুজিবুর রহমান, শাহ সুলতান আহমেদ, কিবরিয়া চৌধুরী, মো. আলমগীর মিয়া, সেলিম তালুকদার, অলিউর রহমান অলি, আকিকুর রহমান সেলিম, মুরাদ আহমদ, নুরুজ্জামান ফারুকী, এটিএম জাকিরুল ইসলাম, এম এ মুহিত, মহিবুর রহমান, মতিউর রহমান মুন্না, ছনি চৌধুরী, শওকত আলী, হাবিবুর রহমান চৌধুরী শামীম, মুজাহিদ আলম চৌধুরী, আলী হাছান লিটন, তৌহিদ চৌধুরী ও নাবিদ মিয়া।

    সভায় নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচন  কমিশন গঠন  করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিককে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার যথাক্রমে দৈনিক হবিগঞ্জ জনতার এক্সপ্রেসের সম্পাদক ফজলুর রহমান, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুনুর রশীদ চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক নির্মল ভট্টাচার্য রিংকু।

    এছাড়া তাদের অনুপস্থিতিতে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচনের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিঠু ও এম এ আহমদ আজাদ।

  • জাতিকে মেধাশূন্য করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়-এমপি আবু জাহির

    জাতিকে মেধাশূন্য করতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়-এমপি আবু জাহির

    শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় দলীয় কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী, আরব আলী, মোহাম্মদ আলী টিপু, অ্যাডভোকেট আবুল ফজল, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান তালুকদার, মর্তুজা হাসান,

    অ্যাডভোকেট সালেহ আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মর্তুজ আলী, সাবেক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর চৌধুরী সৈকত, অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান, সাবেক উপ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মোছাব্বির বকুল, অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান,

    জেলা যুবলীগের সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আফজাল আলী দুদু, অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, হুমায়ুন কবীর রেজা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান,

    চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এম আকবর হোসেইন জিতু, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, সরকারি বৃন্দাবন কলেজের সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট রুকন উদ্দিন তালুকদার, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহী, পৌর যুবলীগের আহবায়ক ডা. ইশতিয়াক রাজ চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান আহাদ মিয়া প্রমুখ।

    সভাপতির বক্তব্যে এমপি আবু জাহির বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর স্বাধীনতার মাত্র দুইদিন পূর্বে পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পন করবে জেনেও বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে বুদ্ধিজীবীদেরকে হত্যা করে। দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীরা এর সাথে জড়িত ছিল। এখনও এই ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে।

    সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকে মোকাবেলা করেই আওয়ামী লীগকে গতিশীল এবং সুসংগঠিত করতে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, অতীতকে মনে করতে না পারলে বর্তমান অন্ধকার। যারা রাজনীতি করবেন তাদেরকে মুনাফিকি বাদ দিয়ে কর্মের মাধ্যমেই অবস্থান গড়ে তুলতে হবে। আমি যেহেতু নতুন করে সভাপতি হয়েছে তাই সকলকে সাথে নিয়ে জীবন দিয়ে হলেও এই দায়িত্ব অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চাই।

    তিনি দলের মাঝে নতুন প্রাণ সঞ্চার করার জন্য আগামী ৬ মাসের মধ্যে সকল উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন করার ঘোষণা দেন।
    সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। দেশের সূচনা লগ্ন থেকেই ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য আমরা বাধাগ্রস্ত হয়েছি। এখনও ষড়যন্ত্র শেষ নয়। বহমান এই ষড়যন্ত্রকে রুখার জন্য ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

  • বানিয়াচংয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    বানিয়াচংয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস -২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা এগারটায় উপজেলা হলরুমে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন খন্দকারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মাষ্টার,সাবেক উপজেলা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা আক্তার।

    আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আমবাগান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক বিপুল ভুষণ রায়,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবুল হাদি মোহাম্মদ শাহপরাণ,সহকারি কমিশনার (ভূমি) মতিউর রহমান চৌধুরী,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া ও রায়ের পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান।

    সভায় বানিয়াচংয়ের নিহত বুদ্ধিজীবি সৈয়দ সায়েদুল হাসানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ ও তার নামে একটি রাস্তা নামকরণের দাবি তুলা হয় আলোচনা সভায়। আলোচনা সভায় শিক্ষক,সাংবাদিক,জনপ্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • শায়েস্তাগঞ্জে অবৈধ করাত কলের ছড়াছড়ি

    শায়েস্তাগঞ্জে অবৈধ করাত কলের ছড়াছড়ি

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে অবৈধ করাত কলের (স’মিল) ছাড়াছড়ি। এসব করাত কলে সংরক্ষিত বন বিভাগের গাছও চিড়ানো (কাটা) হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    মাঝে মধ্যে হবিগঞ্জ বন বিভাগ ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালানা করলে ও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার পর সপ্তাহ খানেক এসব করাত কল বন্ধ থাকলেও অদৃশ্য শক্তির বলে তা আবার চালু হয়ে যায়।

    সূত্র মারফত জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের উলুহর গ্রামের মৃত হাজী সামছুদ্দিন আহম্মদের পুত্র মোঃ মহিউদ্দিন একই এলাকায় মৃত মোঃ মহিউদ্দিনের পুত্র মোঃ রকিব মিয়া, নুরপুর ইউনিয়নে নোয়াগাঁও গ্রামের হাজী সুরুজ আলী পুত্র মোঃ আব্দুল কাদির একই ইউনিয়নে চানপুর গ্রামের মৃত মঞ্জব উল্লা পুত্র মোঃ নবীর হোসেন, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার পুরান বাজার এলাকায় মৃত হাজী মোঃ আঃ খালেক চৌধুরী পুত্র সিরাজুল হক চৌধুরী, মহলুল সুনাম গ্রামের হাসেম আলী পুত্র মোঃ আব্দুল আলী সেন্টু, শায়েস্তাগঞ্জ ইউ/পি’র কলিমনগর গ্রামের মৃত মামদ হোসেনের পুত্র মোঃ আঃ ছামেদ এসব অবৈধ করাত কলের (স’মিল) মালিক।

    কারো লাইসেন্স না থাকার জন্যে, কারো নামে ভ্রাম্যমান আদালতে মামলা চলছে, আবার কেউ করাত কলের লাইসেন্স নবায়নের সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবৈধ রয়েছে।

    সরজমীনে উপজেলায় ঘুরে দেখা যায়, ব্রাহ্মণডোরা, সুতাং বাজার, সাবাসপুর, দেউন্দি সড়ক চৌমুহনা, জগতপুর, এলাকায় অবৈধ করাত কলের ছড়াছড়ি।

    এসব করাত কল অবৈধ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং অবৈধ ভাবে কাটা হচ্ছে বন বিভাগের গাছ। এতে সরকার হারাচ্ছে লক্ষাধিক টাকার রাজস্ব।

    এ ব্যাপারে (নাম প্রকাশ করার শর্তে) বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এসব হচ্ছে। তারা পড়ছেন বিপাকে। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন বরে মনের করছেন তিনি।”

  • শায়েস্তাগঞ্জে বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    শায়েস্তাগঞ্জে বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শনিবার (১৪ই ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে সম্মুহে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রদান করা হয়।

    এরপর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, থানা পুলিশ প্রশাসন বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমী আক্তার।

    এতে বক্তব্য রাখেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আ’লীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, ভাইস চেয়ারম্যান গাজীউর রহমান ইমরান, সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তা বেগম, শায়েস্তাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হোসেন, দাউদনগর বাজার ব্যকস সাধারণ সম্পাদক ও ৫ গ্রাম সভাপতি আতাউর রহমান মাসুক, শায়েস্তাগঞ্জ ব্যকস সভাপতি আবুল কাশেম শিবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শায়েস্তাগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মনজুরুল হক, মুক্তিযোদ্ধ রনবীর পাল চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা শফিক মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলী, মুক্তিযোদ্ধা প্রাণেশ চন্দ্র দত্ত, মুক্তিযোদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজ, মুক্তিযোদ্ধা আকবর আলী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক আলী, শায়েস্তাগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, যুগ্ন সম্পাদক অপু দাশ, কোষাধ্যক্ষ মীর আব্দুল কাইয়ুম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আলী হায়দার সেলিম, রিপোটারর্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ মামুন চৌধুরী, আ’লীগ নেতা মোঃ ইলিয়াস মিয়া, মোঃ আছকির মিয়া প্রমুখ।

    আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

    বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলীর সময় বিভিন্ন পেশার অসংখ্য জনতা, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

    মুক্তিযোদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বিসর্জন অনেক। এখনো এখানে জীবিত আছেন অর্ধ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা। অসংখ্য শহিদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিস্থল বধ্যভূমিগুলো এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। রক্ষার অভাবে নষ্ট যাচ্ছে যুদ্ধের নানা স্মৃতি বিজড়িত স্থান।

    এ নিয়ে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের আক্ষেপ অনেক দিনের। কিন্তু সঠিক বধ্যভূমি নির্ধারণ করতে না পেরে সকল মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সমজোতার মধ্য দিয়ে সিনাক্ত করতে অনুরোধ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমি আক্তার।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমি আক্তার বলেন, “নির্ধারিত স্থানে বধ্যভূমি নির্মাণ ও সংস্করণ করা হবে।”

  • আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

    আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

    আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। জাতি যখন বিজয়ের খুব কাছে সেই সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে হত্যা করে। ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন। দিবসটি স্মরণে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন।

    যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০১৯ পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ৭টা ৫ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করবে।

    ডিসেম্বর ১২, ১৯৭১। আর্মি সদর দফতর। প্রাদেশিক সরকারের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী বসে আছেন। তার ডাকে উপস্থিত হয়েছেন আলবদর ও আলশামসের কেন্দ্রীয় অধিনায়করা। তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় গোপন শলা-পরামর্শ। এই বৈঠকে চূড়ান্ত তালিকা তুলে দেওয়া হয়। প্রণয়ন করা হয় বুদ্ধিজীবী হত্যার মূল পরিকল্পনা। এই হত্যাকাণ্ড যে সংঘটিত হবে অনেক আগে থেকেই তার নীলনকশা চলছিল। পরাজয় নিশ্চিত জেনে এদিনই চূড়ান্ত আঘাত হানার পরিকল্পনা করে পাকবাহিনী। তাদের অস্ত্র নিয়ে সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠে নামে আলবদর, আলশামস বাহিনী।

    যদিও এর আগেই সারা দেশেই শুরু হয়ে গেছে বুদ্ধিজীবী নিধনযজ্ঞ। ১০ ডিসেম্বর এই আলবদর বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে যায় দৈনিক ইত্তেফাকের কার্যনির্বাহী সম্পাদক সিরাজুদ্দীন হোসেন ও পিপিআই-এর চিফ রিপোর্টার সৈয়দ নাজমুল হককে।

    ১৪ ডিসেম্বর পৃথিবীর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশনা ও মদতে একশ্রেণির দালালরা এই হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করে। পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করার এই নীলনকশা প্রণয়ন করে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। পাকবাহিনীর অস্ত্র সহায়তা নিয়ে তাদেরই ছত্রছায়ায় আধাসামরিক বাহিনী আলবদরের ক্যাডাররা এই বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করে।

    বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত সংখ্যা আজ পর্যন্ত গণনা করা হয়নি। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ’ শীর্ষক গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এদের মধ্যে ৯৯১ জন ছিলেন শিক্ষাবিদ, ৪৯ জন চিকিত্সক, ৪২ জন আইনজীবী এবং ১৬ জন সাহিত্যিক, শিল্পী ও প্রকৌশলী। বুদ্ধিজীবী নিধনের এ তালিকায় ঢাকা বিভাগে ২০২ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয় । চট্টগ্রাম বিভাগে ২২৪ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। খুলনা বিভাগে ২৮০ জন শিক্ষক ও ছয়জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। রাজশাহী বিভাগে ২৬২ জন শিক্ষক ও ১৫ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। তবে এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম ছিল না।

    যাদের হত্যা করা হয়েছিল তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ড. আবুল কালাম আজাদ। সাংবাদিক ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী, সেলিনা পারভীন। এছাড়া শিল্পী আলতাফ মাহমুদ, সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার, মেহেরুন্নেসা, দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরো অসংখ্য নাম।

    বছর ঘুরে আবারও এসেছে ১৪ ডিসেম্বর—শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জাতি আজ স্মরণ করবে একাত্তরে অকালে প্রাণ হারানো জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।

    দিবসটির কর্মসূচি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধারা সকাল ৭টা ২২ মিনিটে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল সাড়ে আটটায় রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সকাল সাড়ে আটটায় সর্বস্তরের জনগণ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

    শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন উপলক্ষ্যে দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিবসের তাত্পর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

    দিবসের পবিত্রতা রক্ষায় শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় মাইক বা লাউডস্পিকার ব্যবহার না করার জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    জাতীয় পার্টি-জেপির বিবৃতি জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি এবং দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর ভালোবাসা জ্ঞাপন করেছেন। এই শহিদেরা দেশ ও জাতির জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করে আমাদের জন্য দেশপ্রেমের চেতনার এক উজ্জ্বল উদাহরণ রেখে গেছেন।

    এক বিবৃতিতে জেপির নেতৃদ্বয় বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের উষালগ্নে জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর, আলবদর, আলশামস, রাজাকার বাহিনী যে বর্বরতা ও নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, শহিদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে তা সারা বিশ্বের সামনে সুস্পষ্ট হয়েছিল। এই ঘৃণ্য তত্পরতায় শাহাদতবরণ করেছিলেন সাংবাদিক, সাহিত্যিক, প্রকৌশলী, সাংস্কৃতিক কর্মী, ক্রীড়াবিদসহ বরেণ্য পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীগণ। এবারের বুদ্ধিজীবী দিবসে আমাদের শপথ গ্রহণ করতে হবে, যেন আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা, শোষণমুক্ত সমাজ এবং উন্নত দেশ গড়ে তুলতে পারি। শহিদের আরাধ্য এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শানিত হতে হবে। আমরা তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি এবং বুদ্ধিজীবীদের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে তাদের পুণ্যস্মৃতির প্রতি প্রকৃতি শপথ গ্রহণ করছি।

    জেপির কর্মসূচি ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস সকাল সাড়ে ৬টায় জাতীয় পার্টি-জেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সকল কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্থনমিতকরণ এবং সকাল সাড়ে ৭টায় মিরপুরস্থ জাতীয় বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল সাড়ে ৮টায় রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে নেতৃবৃন্দ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।