Category: হবিগঞ্জ

  • গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

    গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

    বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন- ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কলঙ্কজনক একটি দিন।

    এই দিনে ভোট চুরির মাধ্যমে আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। দেশে আজ আইনের শাসন নেই, বাক-স্বাধীনতা নেই, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই। এই অবস্থা থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়। কিন্তু গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া এ দেশের গণতন্ত্র ফিরে আসবে না। মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হলে খালেদা জিয়ার মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

    তিনি সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় “৩০ ডিসেম্বর গণতন্ত্র হত্যা দিবস” উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন।

    জি কে গউছ বলেন- দেশের মানুষ এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের কুটনৈতিকরা বলতেন বিএনপি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে না গিয়ে ভুল করেছে। এই বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য এবং মানুষের ভোটাধিকার ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনের অংশ হিসেবেই ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছিল বিএনপি।

    গণভবনে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদেরকে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্র“তি দিয়েছিলেন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিবেন। কিন্তু নির্বাচনের নামে আওয়ামীলীগ জাতির সাথে যে তামাশা করেছে তাতে দেশবাসী হতবাক হয়েছিল। ওই নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের কোন প্রার্থীকে নির্বাচনী প্রচারণা করতে দেয়া হয়নি। ভোটের পূর্বেই বিএনপির সকল নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।

    ২৯ ডিসেম্বর রাতেই রাষ্ট্রীয় মদদে দেশের আইন শৃংখলা বাহিনী আওয়ামীলীগের বিজয় নিশ্চিত করে দেয়। ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মানুষ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস দেখেছে। ওই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কবর রচনা করে আওয়ামীলীগ। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে, শেখ হাসিনার অধীনে কোন নির্বাচন সুষ্ঠ হয় না এবং হবেও না।

    শীঘ্রই একটি গণআন্দোলনের মাধ্যমেই আওয়ামীলীগ সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।

    জেলা বিএনপি নেতা এডভোকেট শামছু মিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন শাহিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম, এমজি মুহিত, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এস এম বজলুর রহমান, নুরুল ইসলাম নানু, আজিজুর রহমান কাজল, মহিবুল ইসলাম শাহীন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ,

    মিয়া মোঃ ইলিয়াছ, জহিরুল হক শরীফ, সৈয়দ মুশফিক আহমেদ, এডভোকেট ফাতেমা ইয়াসমিন, সফিকুর রহমান সিতু, এমদাদুল হক ইমরান, রুবেল আহমেদ চৌধুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, শাহ ফারুক আহমেদ, ফারুক আহমেদ, জিল্লুর রহমান, শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, গোলাম মাহবুব, সৈয়দা লাভলী সুলতানা, মুর্শেদ আলম সাজন, শেখ মামুন, তানিয়া খানম, সুরাইয়া আক্তার রাখি, তাজুল ইসলাম, আশরাফুল আলম সবুজ প্রমুখ।

    আরও পড়ুন:

    রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির শীতবস্ত্র বিতরণ

    হবিগঞ্জে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে চলমান শিল্প দূষণে

  • হবিগঞ্জের সেরা সাংবাদিক এসএম সুরুজ আলী

    হবিগঞ্জের সেরা সাংবাদিক এসএম সুরুজ আলী

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সেরা প্রতিবেদক (সেরা সাংবাদিক) নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক হবিগঞ্জের মুখ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার এসএম সুরুজ আলী।

    তিনি হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব আয়োজিত সেরা প্রতিবেদক ২০১৯ প্রতিযোগিতায় স্থানীয় পত্রিকা বিভাগে হবিগঞ্জের মুখ পত্রিকায় গত ৩০ জুলাই প্রকাশিত ‘টিউশনি করে নিজের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে দরিদ্র ছেলেমেয়েদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সোনিয়া’ শিরোনামে একটি বিশেষ প্রতিবেদন জমা দেন। এই বিশেষ প্রতিবেদনটি বাছাইয়ে প্রেসক্লাবের ৩য় সেরা প্রতিবেদকের পুরস্কার লাভ করে। এ ছাড়াও সাংবাদিক এসএম সুরুজ আলী এশিয়ান টেলিভিশনে তার প্রচারিত একটি বিশেষ প্রতিবেদন সেরা প্রতিবেদক প্রতিযোগীতার বাছাই কমিটির কাছে জমা দেন। সেই প্রতিবেদনটিও ভাল হয়েছে বলে কমিটির আহ্বায়ক হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রুহুল হাসান শরীফ প্রশাংসা করেন। গতকাল শুক্রবার হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিক ভাবে তার হাতে সেরা প্রতিবেদকের সার্টিফিকেট ও সম্মানী হিসেবে নগদ অর্থ তুলে দেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, সাবেক সভাপতি সফিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সভাপতি ও সেরা প্রতিবেদক প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রুহুল হাসান শরীফ, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজ, সাবেক সভাপতি শোয়েব চৌধুরী, সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা রফিক, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাবান মিয়া, সাবেক সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ ফখরুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি রাসেল চৌধুরী, প্রেসক্লাবের সহযোগি সদস্য বাদল কুমার রায় প্রমূখ।
    উল্লেখ্য, সাংবাদিক এসএম সুরুজ আলী বানিয়াচং উপজেলার আতুকুড়া গ্রামের বাসিন্দা মরহুম মোঃ আজাদ আলী ও মরহুমা জমিলা বেগমের পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন এশিয়ান টিভির হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক হবিগঞ্জের মুখ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ও জাতীয় অনলাইন পোর্টাল দেশ সংবাদ, সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন টিভি সিলটিভির জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন । এছাড়াও তিনি হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।

  • রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির শীতবস্ত্র বিতরণ

    রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির শীতবস্ত্র বিতরণ

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দরিদ্রদের কথা ভাবেন বলে, সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় বিভিন্ন বিষয়ে ভাতা দিচ্ছেন। শীত আসার সাথে সাথেই সারাদেশে অস্বচ্ছলদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সবসময়ই মেহনতি মানুষের পাশে থাকি। এতেই প্রমাণ হয় আওয়ামী লীগ জনবান্ধব এবং তৃণমূল মানুষের সরকার।

    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি হবিগঞ্জ ইউনিটের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এমপি আবু জাহির আরো বলেন, রেড ক্রিসেন্ট প্রতিবছরই ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ায়। সরকারের পাশাপাশি এভাবে সকলেই আন্তরিকভাবে অস্বচ্ছল মানুষদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সংলগ্ন সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি হবিগঞ্জ ইউনিটের সেক্রেটারী আতাউর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল বারী আউয়াল, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কার্যনির্বাহী সদস্য, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সমাচারের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রাসেল চৌধুরী, শফিকুজ্জামান হিরাজ, অ্যাডভোকেট মোল্লা আবু নাইম মোহাম্মদ শিবলী খায়ের, সাবেক কাউন্সিলর মুকুল আচার্য্য,

    সাবেক তথ্য কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ শিবলী, রেড ক্রিসেন্টের জুনিয়র সহকারী পরিচালক শফিউল আলম খন্দকার, সাবেক যুব প্রধান পংকজ কান্তি দাস পল্লব, যুব প্রধান আশিষ কুমার কুরি, যুব সদস্য সারওয়ার হোসেন, খলিলুর রহমান রুবেল, মৌসুমী দাস, তোফা আক্তার, ফারহানা আক্তার ববি, হাফিজ, ওয়াসিফ চৌধুরী ও স্বর্ণা দাস প্রমুখ।

    কয়েকজন নারী-পুরুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দিয়ে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি।

    আয়োজকরা জানান, গত কয়েকদিনে হবিগঞ্জ শহরের অস্বচ্ছল ৩ শতাধিক মানুষ খুঁজে প্রত্যেককে একটি করে কার্ড প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে সকলকে একত্রিত করে তাদেরকে শীতবস্ত্র হিসেবে একটি করে কম্বল প্রদান করা হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে চলমান শিল্প দূষণে

    হবিগঞ্জে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে চলমান শিল্প দূষণে

    বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)র একটি প্রতিনিধি দল আজ ২৬ই রোজ বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা শিল্প কারখানা থেকে স্থানীয় খাল নদী জলাশয় দূষণের চিত্র পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন।
    বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)র সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাপা হবিগঞ্জের  সাধারণ সম্পাদক খোয়াই রিভার ওয়াটার কিপার তোফাজ্জল সোহেল, অধ্যাপক নাসরিন হক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল ইসলাম মনু, ডা: আলী আহসান চৌধুরী পিন্টু, আব্দুল কাইয়ুম প্রমূখ।
    পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল দেখতে পান মার লি:, সায়হাম কম্পোজিট নীট লি:সহ অন্যান্য ফ্যাক্টরির অপরিশোধিত বর্জ্য পার্শ্ববর্তী খালে ফেলছে।এই খালসমূহ অন্যান্য নদী ও জলাশয় মেঘনা নদী পর্যন্ত দূষণ ছড়াচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে চলা এই শিল্প দূষণ বিপর্যস্ত স্থানীয় গ্রামবাসী ও সংশ্লিষ্ট পরিবেশ দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি কোনো রকম তোয়াক্কা না করেই এই সমস্ত শিল্প কারখানা প্রশাসনসহ সবার নাকের ডগার উপর চালিয়ে আসছে। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) দীর্ঘদিন থেকে এই অঞ্চলের শিল্প দূষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছে।
    কিন্তু বাস্তবিক অর্থে এই দূষণ নিয়ন্ত্রণে কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।এই এলাকার শিল্প দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আরো কঠোর এবং সক্ষমতা সম্পন্ন দূষণ বিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করা জরুরি। এতে সাধারণ মানুষ ও সামাজিক আন্দোলন সমূহের নেতৃবৃন্দকে যুক্ত করা আবশ্যক।
    প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা এই চলমান শিল্পদূষণের প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে যেকোনো শিল্পদূষণের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রশাসন ও অন্যান্য দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের সচেতনতা ও সততার সাথে দূষণ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানাই।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি এমপি আবু জাহিরের কৃতজ্ঞতা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি এমপি আবু জাহিরের কৃতজ্ঞতা

    ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ নিউফিল্ডে বিশাল জনসভায় জেলাবাসীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নিকট তিনটি বড় দাবি উপস্থাপন করেছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি। দাবিগুলো হলো-হবিগঞ্জে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ এবং শায়েস্তাগঞ্জকে উপজেলায় ঘোষণা। বারবার নৌকার বিজয়ের কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হবিগঞ্জের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি থাকায় নিজের বক্তৃতার সময় সকল দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলে নিউফিল্ডে অবস্থিত লাখো জনতার মাঝে সৃষ্টি হয় উল্লাস।

    সোমবার মন্ত্রী পরিষদ এর সভা শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে মন্ত্রী পরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চলতি বছর ১ এপ্রিল মন্ত্রী পরিষদের সভায়  হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন এর খসড় কতিপয় পর্যবেক্ষণসহ নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছিল। গত ৭ নভেম্বর লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ভেটিং গ্রহণ করা হয়। এই আইনে ৫৪টি ধারা ও ২৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

    হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন চুড়ান্ত অনুমোদনের খবরে হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা হবিগঞ্জকে গোপালগঞ্জ মনে করেন বলেই আমাদের সকল দাবী আজ পূরণ হয়েছে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন চুড়ান্ত হওয়ায় হবিগঞ্জবাসী আজ আনন্দিত। এর মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হবিগঞ্জবাসীর প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি হবিগঞ্জবাসীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সোমবার মন্ত্রী পরিষদে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন নীতিগতভাবে অনুুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়লে হবিগঞ্জে সবার মাঝে আনন্দ উল্লাশ বিরাজ করে।

     

  • হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন

    হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ও নীতিগত সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৯ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরের ১ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে কতিপয় পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৯’ এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। গত ৭ নভেম্বর লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ভেটিং গ্রহণ করা হয়।

    খসড়া আইনে ৫৪টি ধারা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ধারাগুলোর মধ্যে চ্যান্সেলর, ভাইস চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চান্সেলর, ট্রেজারার, সিন্ডিকেট, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল, অর্থ কমিটি সম্পর্কিত বিধান সন্নিবেশিত আছে। এছাড়া এই আইনের আলোকে ২৩টি অনুচ্ছেদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির খসড়া আইনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    এদিকে বিশ্ববদ্যালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের খবর পেয়ে আনন্দের বন্যায় ভাসছে পুরো হবিগঞ্জ। অনেকেই মিষ্টি বিতরণ করেছেন। আয়োজন চলছে আনন্দ র‌্যালির।

     

  • ওবায়দুল কাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

    ওবায়দুল কাদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

    বাংলাদশে আওয়ামী লীগের পুণরায় নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী।

    গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় সেতুমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তারা এই শুভেচ্ছা জানান। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    আরো পড়ুনঃ হবিগঞ্জের রাজাকার

    এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলকে আরো সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করতে এমপি আবু জাহিরকে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।