Category: হবিগঞ্জ

  • আল্লামা তাফাজ্জুল হক হুজুর আর নেই

    আল্লামা তাফাজ্জুল হক হুজুর আর নেই

    জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী হুজুর ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    আজ রোববার বিকাল ৪ টা ৩৫ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি ইন্তেকাল করেন।

    শায়খুল হাদিস আল্লামা তাফাজ্জুল হক “উমেদনগরের মুহাদ্দিস সাহেব” হিসাবে সমধিক পরিচিত।

    ১৯৪৪ সালে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কাটাখালি গ্রামে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা মাওলানা আব্দুন নুর ছিলেন বড় মাপের আলেম।

    ৫ ভাইয়ের মধ্যে তিনিই বড়। লেখাপড়ার শুরুটা বাবার হাত ধরেই। তারপর রায়ধর মাদ্রাসা। ইসলামের মৌলিক শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেন চট্ট্গ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায়।

    বাংলাদেশের প্রখ্যাত পীর ও আলেমে দ্বীন চট্টগ্রাম হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক শায়খুল হাদীস আল্লামা আহমদ শফি আল্লামা তাফাজ্জুল হকের শিক্ষক।

    আহমদ শফিকে ঘিরেও চট্টগ্রামে লক্ষ লক্ষ মানুষের আবেগ অনুভূতি জড়িত। তার উস্তাদদের মধ্যে আল্লামা শফি সাহেবই বর্তমানে জীবিত।

    MAWLANA-TAFAZZUL-HAQUE

    চট্টগ্রাম থেকে আল্লামা তাফাজ্জুল হক চলে যান পাকিস্তানে। পাকিস্তানের লাহোর জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় তিনি লেখাপড়া করেন।

    সেখানকার তার উস্তাদ শায়খুল হাদিস আল্লামা রসুল খান ছিলেন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় আলেমে দ্বীন। লাহোর থেকে জ্ঞান আহরনের উদ্দেশ্যে আল্লামা তাফাজ্জুল হক চলে যান ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসায়।

    সেখানে তিনি উস্তাদ শায়খুল হাদিস ফখরুদ্দিন (র) এর সান্নিধ্য লাভ করেন। আল্লামা ফখরুদ্দিন (র) ছিলেন একাধারে পীর ও বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা।

    ভারত পাকিস্তানের বিভিন্ন ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান আহরনের পর তিনি চলে আসেন বাংলাদেশে। শিক্ষকতার পেশা দিয়ে তার জ্ঞান বিতরণ কার্যক্রম শুরু।

    শিক্ষা গ্রহণটা যেহেতু বাড়ি থেকে শুরু, শিক্ষা প্রদানটাও প্রায় একই স্থান থেকেই শুরু। রায়ধর মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হিসাবে তিনি প্রথম শিক্ষকতার পেশা শুরু করেন।

    একবছর তিনি সেখানে ছিলেন। পরে চলে যান কুমিল্লার বরুরায়। সেখানেও তিনি শিক্ষকতা করেন।

    ময়মনসিংহের জামেয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসাসহ ময়মনসিংহ জেলায় তিনি বেশ কয়েক বছর শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। স্বাধীনতার পর পর তার উস্তাদরা তাকে পাঠিয়ে দেন নিজ জেলা হবিগঞ্জে।

    প্রথমে তাকে মুহাদ্দিস হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় উমেদনগর মাদ্রাসায়। ১৯৫৭ সালে শায়খুল হাদিস মিছবাহুজ্জামানের প্রতিষ্ঠিত উমেদনগর মাদ্রাসায় তখনও দাওরায়ে হাদিস বিভাগ ছিল না।

    আল্লামা তাফাজ্জুল হক এসে দাওরায়ে হাদিস বিভাগ চালু করেন। এরপর নিরন্তরভাবে হাদিস শিক্ষায় মনোনিবেশ করেন তিনি। ৭১ থেকে ২০১৩ সাল।

    এই দীর্ঘ সময়ে তিনি হাদিস শাস্ত্র পড়িয়ে অন্তত এক হাজার মুহাদ্দিস তৈরী করেন। যারা এখন দেশ বিদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

    শুধুই কি পুরুষরা হাদিস শিক্ষা অর্জন করবে? মহিলারা বাদ যাবে কেন? শুধু এই চিন্তায় তিনি ১৯৯৭ সালে হবিগঞ্জের তেতৈয়া গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন মাদানী নগর মহিলা মাদ্রাসা।

    এই পর্যন্ত মহিলা মাদ্রাসা থেকে প্রায় ৩৬৫ জনেরও বেশি মহিলা মুহাদ্দিস সনদ নিয়ে বের হয়েছেন। তারা এখন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটি পরিবারে হাদিস শিক্ষা প্রদান করছেন।

    শায়খুল হাদিস তাফাজ্জুল হক বিয়ে করেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ এর বড় হুজুর হিসাবে খ্যাত বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রবক্তা এবং বৃটিশদের কালো পতাকা প্রদর্শনকারী মাওলানা আরিফে রাব্বানীর কন্যাকে।

    তার শ্যালক খালেদ সাইফুল্লাহ এখন ময়মনসিংহের জনপ্রিয় আলেম। তাফাজ্জুল হকের ৫ ছেলের মধ্যে ৫জনই প্রখ্যাত মাওলানা। তাদের মাঝে ৪জন কোরআানে হাফেজ।

    শায়খুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল হক

    ৪ কন্যার মধ্যে সবাই টাইটেল পাশ আলেমা। নাতী নাতনীদের প্রায় সবাই কোরআনে হাফেজ ও মাওলানা। বড় ছেলে-হাফেজ মাসরুরুল হক উমেদনগর মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক।

    ২য় ছেলে-হাফেজ তাসনিমুল হক মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের পরিচালক, ৩য় ছেলে- হাফেজ তাফহিমুল হক একজন মুহাদ্দিস, ৪র্থ ছেলে মাওলানা মামনুনুল হক মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক, ৫ম ছেলে মাবরুরুল হক একজন মাওলানা।

    ৪ কন্যার সবাই মাদ্রাসার শিক্ষিকা। ৫ ভাইয়ের মধ্যে তাফাজ্জুল হক সবার বড়। ২য় ভাই লন্ডন প্রবাসী ইমদাদুল হক একজন শায়খুল হাদিস। ৩য় ভাই হাফেজ শামসুল হক সাদী একজন প্রখ্যাত মাওলানা।

    শামসুল হক সাদীর ২ ছেলে কোরআনে হাফেজ। ৪র্থ ভাই ডাক্তার সিরাজুল হক, আমেরিকা প্রবাসী, ৫ম ভাই হাফেজ মাওলানা আহমদুল হক ওআইসি ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর।

    mawlana tafazzul haque

    বিভিন্ন প্রয়োজনে আল্লামা তাফাজ্জুল হক লন্ডন আমেরিকা কানাডাসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ সফর করেন। তিনি জীবনে ৩৮ বার পবিত্র হজ্জব্রত পালন করেন।

    তার উল্লেখযোগ্য ছাত্রদের মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি নুর হোসাইন কাসেমী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা নেজাম উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন আলেম এখন দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

    নুরুল হেরা জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠাসহ একাধিক ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি। গরীব দুঃখীদের সাহায্যার্থে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন খুদ্দামুদ্দিন সমিতি।

    এই সমিতি থেকে বিভিন্ন প্রকাশনাও বের করা হয়। তার ওয়াজ শুনার জন্য হাজার হাজার মানুষ এখনও নির্ঘুম রাত কাটান। জুমার খুৎবা শুনতে নুরুল হেরা মসজিদে প্রতি জুমাবারই প্রচুর মুসল্লীর সমাগম ঘটে।

    দেশে বিদেশে লক্ষাধিক ভক্তের এক বিশাল পরিবার নিয়ে তার সংসার।

    সপেদ লুঙ্গি আর পাঞ্জাবী, টুপি-ই তার প্রিয় পোষাক। সাধারণ মানুষের মতো চলতে ভালবাসতেন আল্লামা তাফাজ্জুল হক। রাগ একটুকু বেশি ছিল তবে বদমেজাজী ছিলেন না। রাগান্বিত চেহারায়ও তার ঠোটে লেগে থাকত হাসির ঝিলিক।

  • লাখাইয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

    লাখাইয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

    লাখাই উপজেলার সুনেশর গ্রামে পূর্ব বিরোধের কারণে দুই-পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ ৫ জন আহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এই ঘটনাটি ঘটে।

    গুরুতর আহত অবস্থায় কাউছার মিয়া, জয় ফুল বানু, আরজান মিয়া, নয়ন মিয়াকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আহতরা জানায়, ওই গ্রামের মৃত ইদন মিয়ার পুত্র আলী রাজার সাথে কাজল মিয়ার পুত্র কাউছার মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

    এই বিরোধের কারণে গতকাল দুপুরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। লাখাই থানার ওসি সাইদুর রহমান জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • হবিগঞ্জে বই উৎসব উদযাপন

    হবিগঞ্জে বই উৎসব উদযাপন

    সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জে ও বই উৎসব উদযাপন করা হলো। সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রতিটি স্কুলের মাঠে। চোখে-মুখে সবার আনন্দ। কখন পাবে নতুন বই!

    অপেক্ষার প্রহর যেন শেষ হচ্ছিল না। বেলা একটু বাড়ার সাথে সাথে সকাল ১০ ঘটিকায় হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলেন বই উৎসবের প্রধান অতিথি এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। এবং সভার সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানও। শিক্ষার্থীদের অপেক্ষার পালা শেষ করার উদ্দেশ্যে বক্তৃতা পর্বের সময় কমিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন প্রধান অতিথি।

    বই উৎসব ২০২০
    হবিগঞ্জ দারুস সুন্নাৎ কামিল মাদ্রাসায় বই বিতরণে এমপি আবু জাহির।

    দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত একে একে হবিগঞ্জ শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসায় বই উৎসবে উপস্থিত হয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দেন এমপি আবু জাহির।

    পৃথক বই বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি আলেয়া আক্তার, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকীল, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আমিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলফাজ উদ্দিন, বিকেজিসি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধাংশু কর্মকার, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও প্রতিটি স্কুল এবং মাদ্রাসা গভর্নিং বডির সভাপতি, প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত উপস্থিত থাকা ও কোচিং সেন্টারে না যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান এমপি আবু জাহির। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে অত্যন্ত সচেতন । প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকদের সাথে শিক্ষকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
    শিক্ষা বিভাগ জানিয়েছে- এ বছর হবিগঞ্জ জেলার ৯টি উপজেলায় ১ হাজার ৪’শ টি প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ লাখ ৭৬ হাজার শিক্ষার্থীর নিকটে ৩৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮টি নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে।

  • হবিগঞ্জের পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল

    হবিগঞ্জের পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল

    জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডের দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে অনেক সাফল্য অর্জন করে হবিগঞ্জ।   

    হবিগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাশের হার ৯২.০৬ শতাংশ এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাশের হার ৯১.৪৩ শতাংশ এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৯২.৭৭ শতাংশ।

    এই বছর জেলা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৭ হাজার ১১১ জন। পরিক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলে ১৫ হাজার ৭২৩ জন ও মেয়ে ২১ হাজার ৩৮৮ জন। পাস করেছে ৩২ হাজার ২৫৩ জন। ছেলে ১৩ হাজার ৬২৩ জন ও মেয়ে ১৮ হাজার ৬৩০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮৬৪ জন।  ছেলে ৭৪২ এবং মেয়ে ১ হাজার ১২২ জন।

    জেলায় প্রাথমিক সমাপনীতে মোট পাসের হার ৯২.০৬ শতাংশ। ছেলে ৯২.৪৪ শতাংশ এবং মেয়ে ৯১.৭৮ শতাংশ।

    ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২ হাজার ৯০১ জন। যার মধ্যে ছেলে ১ হাজার ৬৪৩ জন এবং মেয়ে ১ হাজার ২৫৮ জন। পাস করেছে মোট ২ হাজার ২২৯ জন। এদের মধ্যে ছেলে ১ হাজার ২৫৭ জন এবং মেয়ে ৯৭২ জন। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে ৩ জন ও মেয়ে ১১ জন। পাসের হার ৯১.৪৩ শতাংশ। এরমধ্যে ছেলে ৯২.০২ শতাংশ ও মেয়ে ৩০.৬৭ শতাংশ।

    জেলায় ৩২ হাজার ৩৭৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৩০ হাজার ৩২ জন। পাসের হার ৯২.৭৭ শতাংশ। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৯৫ শিক্ষার্থী। ছেলে ২৭৮ জন ও মেয়ে ৪১৭ জন।

  • সাংবাদিক শরিফ চৌধুরী ৩য় বারের মতো হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ

    সাংবাদিক শরিফ চৌধুরী ৩য় বারের মতো হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ

    দৈনিক বাংলা সময় পত্রিকার হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক শরিফ চৌধুরী ৩য় বারের মতো হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন৷

    গতকাল মঙ্গলবার হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও সদর আসনের এমপি আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ২০২০ ও ২০২১ সালের টি কমিটি ঘোষণা করেন৷

    শরিফ চৌধুরী ইতিপূর্বে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ২০১৭ ও ২০১৮ সালের কমিটিতেও কোষাধ্যক্ষ ছিলেন৷

    পেশাগতভাবে তিনি দৈনিক বিজয়ের প্রতিধ্বনি পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও দৈনিক হবিগঞ্জের জননী পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন৷

    তিনি দীর্ঘদিন ইসলামীক টেলিভিশনের হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন৷ বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিক বাংলা সময়ের জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন৷

  • হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

    ঐতিহ্যবাহী হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে দুই সেশনের কমিটি ঘোষণা গঠন করা হয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে এ ২টি কমিটি ঘোষণা করেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    ২০২০-২১ সালের কমিটির সভাপতি দৈনিক স্বদেশ বার্তা সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ও আরটিভির জেলা প্রতিনিধি সায়েদুজ্জামান জাহির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    ওই কমিটিতে এশিয়ান টিভির হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি এস এম সরুজ আলী দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক ও শরীফ চৌধুরী কোষাধ্যক্ষ মনোনীত হয়েছেন।

    ২০২১-২০২২ সালে কমিটিতে চ্যানেল আইয়ের হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ সভাপতি ও মাছ রাঙ্গা টেলিভিশনের চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    দৈনিক স্বদেশ বার্তা সম্পাদক ইসমাইল হোসেন
    দৈনিক স্বদেশ বার্তা সম্পাদক ইসমাইল হোসেন।

    এশিয়ান টিভির হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি এস এম সরুজ আলীকে দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

    আরটিভির জেলা প্রতিনিধি সায়েদুজ্জামান জাহির
    আরটিভির জেলা প্রতিনিধি সায়েদুজ্জামান জাহির।

    উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজসহ অন্যান্য শক্তিবর্গ।

  • হবিগঞ্জে আজ থেকে বই মেলা ও জাতীয় নজরুল সম্মেলন

    হবিগঞ্জে আজ থেকে বই মেলা ও জাতীয় নজরুল সম্মেলন

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেছেন, ২০২০ সাল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ হতে ১শ’ বছর পূর্বে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। কবি নজরুল ইনস্টিটিউট, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ‘নজরুলের অপ্রচলিত গানের সুর সংগ্রহ, স্বরলিপি প্রণয়ন, সংরক্ষণ, প্রচার এবং নবীন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জ জেলায় ৩দিন ব্যাপী ‘জাতীয় নজরুল সম্মেলন’ এবং হবিগঞ্জ জেলা বইমেলা ২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সারা দেশে ১২টি স্থানে বইমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর ৮টি বিভাগীয় শহরে আর ৪টি জেলা শহরে। যার মধ্যে হবিগঞ্জ জেলা শহর একটি। ওরস এবং মেলায় লোকের অভাব হয় না। কিন্তু বই মেলায় লোকজন আসতে চায় না। এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার আহবান জানান তিনি। তিনি আরও জানান, ৭দিন ব্যাপী বইমেলায় ঢাকা থেকে বাংলাদেশের বিখ্যাত ৩৫টি স্টল তাদের প্রকাশনা নিয়ে আসবে। বইমেলায় মিডিয়া কর্নার থাকবে। আজ মঙ্গলবার থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত নিমতলা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বইমেলা প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উদ্যোগে ও হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বইমেলা আজ বেলা আড়াইটায় উদ্বোধন করা হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে বইমেলার উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
    তাছাড়া ৩দিন ব্যাপী জাতীয় নজরুল সম্মেলন উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় নিমতলা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হবে। র‌্যালীটি হবিগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীতে গিয়ে শেষ হবে। সকাল ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলন উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা।