পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে পৌরসভার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সচেতনতা লিফলেট বিতরণ করেছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান মিজান।
গতকাল শুক্রবার জুমা’র নামাজের পর কোর্ট মসজিদ এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচারমুলক লিফলেট বিতরণ করেন তিনি।
প্রচারপত্রে পৌরবাসীর প্রতি সহযোগিতা চান মেয়র। পত্রে উল্লেখ করা হয় পৌরসভা হবিগঞ্জ শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলতে পরিচ্ছন্নতামুলক নানা কর্মসূচী পালন করছে হবিগঞ্জ পৌরসভা। বাসা, বাড়ী, দোকান-পাট, অফিস-আদালত ইত্যাদির ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট ডাষ্টবিনে যেনো ফেলা হয়।
অথবা সিডিসির ভ্যানগাড়ীতে যেনো দেয়া হয় সে ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। শহরকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে মেয়র পৌরবাসীর সহযোগিতা কামানা করেন।
শিক্ষাজীবনে অসামান্য অবদান ও বিশেষ কৃতিত্বের জন্য হবিগঞ্জের জহিরুল হক শাকিলকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রদান করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
৮ ডিসেম্বর বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনে ১২ হাজার সুধীর উপস্থিতিতে শাকিলকে পদক প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ। এ সমাবর্তনে প্রায় ৭ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।
শাবিপ্রবি সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী কোনো ছাত্র-ছাত্রী স্বর্ণপদক পেতে হলে তাকে সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে প্রথম হতে হয় এবং শিক্ষাজীবনে কোনো পরীক্ষায় বিরতি ও ড্রপ বা এফ থাকতে পারবে না। তাই শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৯তম একাডেমিক কাউন্সিল জহিরুল হক শাকিলকে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত করে।
জহিরুল শাকিলের স্বর্ণপদক প্রাপ্তি হবিগঞ্জবাসীর জন্য গৌরবের। ইতিপূর্বে হবিগঞ্জ জেলার কোনো শিক্ষার্থী এ ধরনের বিরল সম্মানে ভূষিত হননি।
জহিরুল হক শাকিলকে স্বর্ণপদক প্রদান করছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ।
উল্লেখ্য, জহিরুল হক শাকিল ইতোপূর্বে সামাজীক বিজ্ঞান অনুষদে প্রথম হওয়ায় ভাইস-চ্যান্সেলর মেডেল ও পলিটিক্যাল স্টাডিজ এন্ড পাবলিক এ্যাফেয়ার্স বিভাগে প্রথম হওয়ায় ইউনিভার্সিটি বুক প্রাইজ অর্জন করেন। একই বিভাগ থেকে মাস্টার্স লেভেলেও তিনি ডিস্টিংশনসহ বিভাগ ও অনুষদে সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জন করেন। এজন্য তিনি ভাইস-চ্যান্সেলর মেডেল ও ইউনিভার্সিটি বুক প্রাইজে সম্মানিত হন।
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এওয়ার্ড লাভ করেন। বাংলাদেশে অনার্স ও মাস্টার্স উভয় পর্যায়ে ডিস্টিংশন অর্জন খুবই বিরল। এছাড়া জহিরুল হক শাকিল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন সেমিস্টার পরীক্ষায় প্রথম ব্যতিরেকে দ্বিতীয় হননি। এটিও একটি রেকর্ড।
২০০২ সালে তিনি সিলেটের একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৪ সালে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ এন্ড পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান ও ২০০৬ সালে পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে সহযোগী অধ্যাপক ও ২০১৮ সালে পদোন্নতি পান অধ্যাপক হিসেবে।
জহিরুল হক শাকিল ২০০৯ সালে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কোনো ছাত্র হিসেবে যুক্তরাজ্য সরকার প্রদত্ত বিশ্বের বিখ্যাত কমনওয়েলথ স্কলারশীপ লাভ করেন। এ স্কলারশীপের অধিনে ইংল্যান্ডের লিডস মেটের স্কুল অব এপ্লাইড গ্লোবাল ইথিক্স এর পিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগ থেকে মেরিটসহ মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।
২০১০ সালের অক্টোবরে ফিরে আসেন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরে ২০১২ সালে আবারো কমনওয়েলথ স্কলারশীপ লাভ করে বিশ্বখ্যাত ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজ থেকে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। দু’দুবার কমনওয়েলথ স্কলারশীপ লাভ করা কেবল বাংলাদেশে নয়; কমনওয়েলথের ইতিহাসেও বিরল।
হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্থানগর আবাসিক এলাকার বিশিষ্ঠ শিক্ষক হবিগঞ্জ বিতর্ক পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ জবরু মিয়া ও গৃহিনী আলহাজ্ব মোছাঃ রাবেয়া খাতুনের প্রথম সন্তান ড. জহিরুল হক শাকিল।
তার শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অসমান্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তিনি ১৯৯৩ সালে শহরের জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল থেকে স্টারমার্কসহ প্রথম বিভাগে এসএসসি ও ১৯৯৫ সালে বৃন্দাবন সরকারী কলেজ এর মানবিক বিভাগ থেকে হবিগঞ্জ জেলায় সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাস করেন।
জহিরুল হক শাকিল কেবল লেখা পড়ায় নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডেও ভূমিকা পালন করেন। তিনি জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুলের স্কাউট লিডার ও বৃন্দাবন সরকারী কলেজের সিনিয়র রোভার মেট ছিলেন।
তিনি ১৯৯৩ সালে চতুর্দশ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক স্কাউট সমাবেসে জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুলের ও ১৯৯৫ সালে চতুর্দশ জাতীয় রোভার মুটে বৃন্দাবন সরকারী কলেজ রোভার দলের নেতৃত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর বৃন্দাবন সরকারী কলেজ প্লাটুনের একজন কৃতি ক্যাডেট ছিলেন।
সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ ১০ জানুয়ারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী দিবস উদযাপন উপলক্ষে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ক্ষণগণনার শুভ উদ্ভোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল ৫ টায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উদ্ভোধন অনুষ্টানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমি আক্তার এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র মোঃ ছালেক মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউ/পি চেয়ারম্যান হোসাইন মোঃ আদিল জজ মিয়া, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুজিবুর রহমান, উপজেলা একাডেমী সুপারভাইজার জগদীশ দাশ তালুকদার, শায়েস্তাগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মুজাম্মেল হোসেন, হাইওয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেন, শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ আজিজুর হাসান চৌধুরী শাহিন, শায়েস্তাগঞ্জ কামিলা মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মুনিম আল হোসাইন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শায়েস্তাগঞ্জ ইউ/পি চেয়ারম্যান বুলবুল খান, নুরপুর ইউ/পি চেয়ারম্যান মখলিছ মিয়া, শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবিদুর রহমান, শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ, ইসলামী একাডেমী এন্ড হাইস্কুল এর প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল হক, নুরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রাণেশ দত্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর আলী।
শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি এডভোকেট হুমায়ুন কবির শওকত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান আল রিয়াদ, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, কোষাধ্যক্ষ মীর আব্দুল কাইয়ুম, রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মামুন চৌধুরী, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাদির সহ বিভিন্ন সরকারী প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র/ছাত্রী ও স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ১নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নের আমড়াখাইর গ্রামে লাল-সবুজ যুব সংঘের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
আমড়াখাইর লাল-সবুজ যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাহেদ আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক রুহুল আমীনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ১নং ইউপি চেয়ারম্যান বাবু সত্যজিত দাশ, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এসএনপি উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সহকারি প্রধান শিক্ষক আব্দুস সত্তার, আমড়াখাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলমগীর, আলামিন, রনি তালুকদার, আমড়াখাইর লাল-সবুজ যুব সংঘের সহ-সভাপতি সোবহান আহমদ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুস্তাকিম আহমদ, সহ সাংগঠিক সম্পাদক শিব্বির আহমদ, অর্থ সম্পাদক আমির হোসেন তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক আজহারুল সদস্য মুক্তাদির, জুবেদ, ফাহিম, আরফান, সাদুল, শিহাব, ফজলু, মিজান, তুহিন, রুমন, আজিরসহ গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্রায় শতাধিক শীতার্তদের মধ্যে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
মোঃ হাছান আলী ও সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ আগামী ১৩ জানুয়ারি রবিবার থেকে ৩ দিনব্যাপী ঐতিহাসিক মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে ৬৯৯তম পবিত্র বাৎসরিক ওরস মোবারক শুরু হচ্ছে। ওরস শেষ হবে ১৫ জানুয়ারি।
মুড়ারবন্দ দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহম্মেদ (সফি) চিশ্তী বলেন, “সিলেটে হযরত শাহজালাল (রঃ) এর সাথী ৩৬০ আউলিয়ার মধ্যে বহুল আলোচিত ব্যক্তিত্ব তরফ বিজয়ী সিপাহসালার (মদনী) হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রঃ) ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে সিলেট বিজয়ের পর তরফ রাজ্য বিজয় করেন। ১৩০৪ খ্রিস্টাব্দে মুড়ারবন্দ নামক স্থানে তরফ রাজ্যের শাসনকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হয়ে বসতি স্থাপন করেন। তিনি মৃত্যুর পূর্বে বলেছিলেন তার দেহ মোবারক পূর্ব-পশ্চিমে দাফন করার জন্য কিন্তু তার সঙ্গী সাথীরা এ আদেশ কেহই মানল না। শরিয়তের বিধানমতে মাজার উত্তর-দক্ষিণে দাফন করেন ভক্তবৃন্দ। দাফন করে সবাই ৪০ কদম দূরে যাওয়ার পর অলৌকিকভাবে মাজার পূর্ব-পশ্চিমে ঘুরে যায়। তার মাজার এখনো পূর্ব-পশ্চিমেই রয়েছে।”
ইতিমধ্যে পবিত্র ওরসকে সামনে রেখে শতাধিক দোকানপাট বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বসতে শুরু করেছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দেশের বিভিন্ন স্থান হতে জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে মুড়ারবন্দ সিপাহসালার (মদনী) হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রঃ), হযরত সৈয়দ শাহ ইসরাইল ওরফে শাহ বন্দেগী (রঃ), হযরত সৈয়দ শাহ ইলিয়াছ ওরফে কুতুবুল আউলিয়া (রঃ) এর ওরসে যোগ দেবেন।
ওরসে অংশগ্রহণের জন্য আশেকান ভক্তবৃন্দের প্রতি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহম্মেদ (সফি) চিশ্তী।
মুড়ারবন্দ দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহম্মেদ (সফি) চিশ্তী বলেন, “মুড়ারবন্দ দরবার শরীফের বাৎসরিক পবিত্র ওরসের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু অসৎ ব্যক্তি বিভিন্ন স্থান থেকে টাকা পয়সা, ধান-চাল উত্তোলন করে যাচ্ছে। এসব প্রতারকের হাতে কোন কিছু না দেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন মাজার কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজনে ০১৭১৬-১৩৭৯৬১ নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।”
চেতনার বাতিঘর, জমিয়তের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি, আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী (রহঃ) মৃতুতে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং হবিগঞ্জ জেলাকে জমিয়তের সাংগঠনিক জেলা সমূহের মধ্যে একটি মডেল জেলায় রূপান্তরিত করতে মরহুম হবিগঞ্জী হুজুরের রেখে যাওয়া আমানতকে অনুসরণ করে নতুন উদ্যমে হবিগঞ্জ জেলা জমিয়ত নেতৃবৃন্দের দ্বীপ্ত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মরহুম হবিগঞ্জী হুজুর মৃত্যুবরণের কয়েক ঘণ্টা আগে আহ্বান করা বৈঠকে কেন্দ্রীয় জমিয়ত অন্যতম দুই সহ-সভাপতি, শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুর রব ইউসূফী ও শাইখূল হাদিস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আব্দুল গফফার ছয়গরীর উপস্থিতিতে জেলা জমিয়ত, যুব ও ছাত্র জমিয়ত নেতৃবৃন্দ এ দ্বীপ্ত শপথ নেন। এ সময় হবিগঞ্জী (রহঃ) এর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নেতকর্মীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তখন এক আবেগণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সর্বসম্মতিক্রমে জেলা জমিয়তের সহ-সভাতি হাফেজ মাওলানা শামছুল হক সাদী (মুসা) কে জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনোনীত করা হয়। জেলা সেক্রেটারী মুফতী সিদ্দীকুর রহমান চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আহুত কর্মী সম্মেলন সফলে সকল উপস্থিতি ও সহযোগিতা কামনা করেন। উক্ত কর্মী সম্মেলন সফলের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বাদ জুহর জেলা জমিয়ত কার্যালয়ে হবিগঞ্জ জেলা জমিয়তের বৈঠক আহ্বান করা হয়। এতে জেলা শাখার সকলকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা জমিয়তের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফেজ মাওঃ শাসুল হক সাদী, মাওঃ আব্দুল খালেক, মাওঃ শায়েখ মখলিছুর রহমান, হাজী ফরিদ উল্লাহ, মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওঃ আব্দুল ওয়াদুদ, হাফেজ মাওঃ মাছরুরুল হক, মাওঃ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী হেলাল, মাওঃ মাসুকুর রহমান, মাওঃ তাফহিমুল হক, মাওঃ আব্দুল করিম আজহার, মাওঃ শিব্বির আহমদ, মাওঃ আলী আহমদ, মাওঃ মামনুনুল হক, মাওঃ মোহাম্মদ আলী, মুফতি আমির আহমদ, মাওঃ আব্দুল হামিদ খান, মাওঃ ফয়জুল বারী, মাওঃ মনিরুজ্জামান, মাওঃ আসাদ আহমদ, মাওঃ ফখরুল ইসলাম, মাওঃ বশির আহমদ প্রমুখ। পরে আল্লামা হবিগঞ্জী (রহঃ) রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
হবিগঞ্জের মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন হেলপার মারা গেছে।
নিহত ইমা গাড়ির হেলপারের নাম আলম মিয়া। তার বয়স আনুমানিক ১৮।
আজ বুৃধবার (০৮ই জানুয়ারী) সকাল ৮ ঘটিকায় ঢাকা সিলেট মহাসড়কের শাহজিবাজার ৩শ মেঘওয়াট বিদ্যুৎ প্লান্টের সামনে সড়ক দুর্ঘটনাটি হয়।
নিহত আলম শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুতাং এলাকার সুরাবই গ্রামের আতড় আলীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ থেকে মাধবপুর গামী একটি যাত্রীবাহি ইমা ব্রেক ফেল করে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাছে চাপ দিলে ঘটনাস্থলেই হেলপারের মৃত্যু হয়।
সার্জেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইমা গাড়ির চালক পলিয়ে গেছে, এবং ইমা গাড়ি আটক করা হয়েছে।