Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচংয়ে হিন্দু বর পক্ষের ওপর কনে পক্ষের হামলা

    বানিয়াচংয়ে হিন্দু বর পক্ষের ওপর কনে পক্ষের হামলা

    বানিয়াচংয়ে বিয়ে বাড়িতে কনে পক্ষের লোকজনের হামলায় বরপক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ৬ জনকে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    অন্যদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। বুধবার রাত ৮ ঘটিকার  দিকে উপজেলার কাদিরপুর নোয়াবাদ গ্রামে  সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    আহতরা হলেন শ্রীকৃষ্ণ সরকার (৩০), মধু সরকার (২৫), আকাশ সরকার (১৬), কৃষ্ণ সরকার (১৫), রুবেল সরকার (২০) ও দীনেশ সরকার (২৫)।

    আহত শ্রীকৃষ্ণ সরকার জানান, নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের খড়িয়া গ্রামের সেকুল সরকারের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় বানিয়াচং উপজেলার কাদিরপুর নোয়াবাদ গ্রামের নান্টু সরকারের বোনের।

    ওই সময় বিয়ে বাড়িতে স্প্রে দেয়াকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। পরে কনে পক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে বরপক্ষের লোকদের উপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

  • হবিগঞ্জের সন্তান সুমন নিউইয়র্ক পুলিশের লেফটেন্যান্ট হলেন

    হবিগঞ্জের সন্তান সুমন নিউইয়র্ক পুলিশের লেফটেন্যান্ট হলেন

    বিশ্বের অন্যতম সেরা পুলিশ বাহিনী হিসেবে খ্যাত নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের (এনওয়াইপিডি) লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান সুমন এম. সৈয়দ। তিনি এনওয়াইপিডির বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

    নিউইয়র্ক পুলিশের চাকরিতে যোগদানের প্রথম ধাপ হচ্ছে অফিসার পদ। পরীক্ষায় উন্নীত হয়ে সুমন সৈয়দ সার্জেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করেন। সম্প্রতি তিনি সার্জেন্ট থেকে লেফটেন্যান্ট পদের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। স্থানীয় সময় বুধবার সকালে নিউইয়র্ক পুলিশের সদর দপ্তর ওয়ান পুলিশ প্লাজায় জমকালো এক অনুষ্ঠানে সুমনের হাতে পদোন্নতির সার্টিফিকেট তুলে দেন পুলিশ কমিশনার ডারমোট শিয়া। পরে সুমনের স্ত্রী সৈয়েদা শায়লা মাসুদ কান্তা তাকে লেফটেন্যান্ট ব্যাজ পরিয়ে দেন।

    অনুষ্ঠানে লেফটেন্যান্ট সুমনের পরিবার ছাড়াও বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট প্রিন্স আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি সার্জেন্ট এরশাদুর সিদ্দিকী, মিডিয়া লিয়াজোঁ ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি, কমিউনিটি লিয়াজোঁ ডিটেকটিভ মাসুদ রহমান, ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর অফিসার সরদার মামুন, সার্জেন্ট সোহেল খান ও সার্জেন্ট সাইদুল ও সাবেক ট্রাস্টি ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি জানান, সুমন সৈয়দ ১৯৯৯ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন। সেসময় মাত্র তিন থেকে চারজন বাংলাদেশি-আমেরিকান নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। কঠোর ত্যাগ এবং পরিশ্রমী অফিসার হিসেবে খুব অল্প দিনেই পুলিশ বিভাগে সুনাম অর্জন করেন তিনি। পেশার প্রতি কমিটমেন্ট, দক্ষতা ও সেবার অনন্য নজীর স্থাপন করেন বাংলাদেশি অফিসাররা। ফলে অতি অল্পদিনে পুরো পুলিশ বিভাগে বাংলাদেশি অফিসারদের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের এই পেশায় যোগ দেয়ার পথ অনেকটা সহজ হয়ে যায়।

    তাছাড়া সুমন সৈয়দ ব্যক্তিগতভাবে সবসময় চাইতেন আরও বেশিসংখ্যক বাংলাদেশি পুলিশ বিভাগে যোগদান করুক। তাই কমিউনিটির জন্য কাজ করতে তিনিসহ কয়েকজন অফিসার মিলে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া তিনি মুসলিম অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের করসপন্ডেন্ট সেক্রেটারিও ছিলেন।

    পদোন্নতি পেয়ে লেফটেনেন্ট সুমন এম. সৈয়দ প্রথমেই পরম করুণাময় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জানান। এরপর তিনি স্ত্রী, পরিবারের সদস্য, বন্ধু, আত্মীয়, বাপাসহ পুলিশ বিভাগের সকল সহকর্মী, বিশেষ করে বাংলাদেশি আমেরিকান অফিসার, সকল সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মী এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    সুমন সৈয়দ বলেন, আমার এ পদোন্নতি এ প্রজন্মের বাংলাদেশি আমেরিকানদের মধ্যে পুলিশ বিভাগে কাজ করার আগ্রহ সৃষ্টি করবে। আর তারা এগিয়ে এলেই নিউইয়র্ককে আমরা একটা নিরাপদ, পরিছন্ন, স্বাস্থকর সর্বোপরি সবদিক দিয়ে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর নগরী গড়ে তুলতে পারবো। উল্লেখ্য, সুমন সৈয়দ সপরিবারে নিউইয়র্ক শহরের কুইন্সে বসবাস করছেন। তিনি লেখাপড়া করেছে নিউইয়র্কের সিটি ইউনিভার্সিটিতে।

    উল্লেখ্য, লেফটেন্যান্ট পদের পরবর্তী ধাপ নির্বাহী কর্মকর্তার ক্যাপ্টেন পদ। এই পদ থেকেই রাজনৈতিক বিবেচনায় পুলিশের শীর্ষপদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেদিক থেকে দুজন বাংলাদেশি খন্দকার আব্দুল্লাহ ও কারাম চৌধুরী এগিয়ে রয়েছেন। যারা ইতিমধ্যে ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাদের দুজনের গ্রামের বাড়ি বৃহত্তর সিলেটে। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে আরো বেশ কয়েকজন ক্যাপ্টেন ও লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন। বর্তমানে নিউইয়র্ক পুলিশে দুই শতাধিক বাংলাদেশি নিয়মিত অফিসার ও সহস্রাধিক বাংলাদেশি ট্রাফিক এজেন্ট রয়েছেন। ট্রাফিক বিভাগের নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যানেজার পদেও দায়িত্ব পালন করছেন বেশকয়েকজন বাংলাদেশি।

    সুত্র : দৈনিক ইত্তেফাক।

  • লাখাই উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স উদ্বোধন

    লাখাই উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স উদ্বোধন

    লাখাই উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন করেছেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির

    প্রায় ২ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে নব নির্মিত ভবনটি গতকাল  মঙ্গলবার দুপুরে উদ্বোধন করেন এবং শেষে তিনি মোনাজাতে অংশ নেন।

    স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছে।

    ৪ তলা বিশিষ্ট ভবনটি নির্মাণ করে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ।

    উদ্বোধনকালে লাখাই উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা কর্মকার উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেশব চন্দ্র রায়, জ্যোতি সঞ্জন সিনহা, বদর উদ্দিন চৌধুরী, সুন্দর আলম, মোঃ কাছুম আলী, মোঃ ছুরত আলী, মোঃ সাহেদ আলী, গাজী শাহজাহান চিশতি, নূর মিয়া, সুনীল সরকার, শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, মোঃ রজব আলী, মোঃ তাজুল ইসলাম, মোঃ বজলুর রহমান বলু, আব্দুল হক, মোঃ শাহ আহমদ প্রমুখ।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম আলম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, অ্যাডভোকেট মাহফুজ মিয়া, আব্দুল মতিন, শাহ রেজা উদ্দিন আহমেদ দুলদুল, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মুক্তার হোসেন বেনু, এনামুল হক মামুন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হাই কামাল, রফিকুল আলম মলাই প্রমুখ।

  • বানিয়াচং মুক্তিযুদ্ধ চত্বরের কাজ শুরু

    বানিয়াচং মুক্তিযুদ্ধ চত্বরের কাজ শুরু

    আজ থেকে বানিয়াচংয়ে মুক্তিযোদ্ধা চত্তরের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করা হয়েছে।

    বুধবার সকালে সার্ভেয়ারের মাধ্যমে বানিয়াচং উপজেলা সদরে অবস্থিত বড়বাজার মুক্তিযোদ্ধা চত্তরের জায়গা মাপা হয়।

    তোপখানা চতুরঙ্গরায়েরপাড়া পুরানবাগসহ ৩ মৌজার মিলনস্থলে প্রায় ৫০শতক সরকারি জায়গার উপর ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মীনাধীন গোলচত্তরকে দৃষ্টিনন্দন করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ ।

    জায়গা মাপার সময় উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরি,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুন খন্দকার,সহকারি কমিশনার (ভূমি) মতিউর রহমান খাঁন, বানিয়াচং উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মাষ্টার, ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমিন,হাসিনা আক্তার, উজেলা ইঞ্জিনিয়ার আল নুর তারেক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল খালিক, হায়দারুজ্জামন খাঁন ধনমিয়া, শেখ নমির আলী,সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খাঁন, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, তহশীলদার মুজিবুর রহমান, বড়বাজার ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারন সম্পাদক আঙ্গুর মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আলঙ্গীর মিয়া সহ প্রমুখ।

    তারা আশাবাদী খুব শীগ্রই এই কাজ সমাপ্তি করা হবে এবং বানিয়াচং বাসীকে সুন্দর একটি মুক্তিযোদ্ধা চত্ত্বর উপহার দেওয়া হবে।

  • জেলা আ’লীগের ৮ ইউনিটের সম্মেলন স্থগিত

    জেলা আ’লীগের ৮ ইউনিটের সম্মেলন স্থগিত

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের আওতাধীন ৭টি উপজেলা ও ১টি পৌরসভাসহ মোট ৮টি ইউনিটের সম্মেলন স্থগিত করা কয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী।

    তিনি জানান, আগামি মার্চ মাসে মুজিববর্ষ শুরু হওয়ার কারণে এবং এই মাসে দলীয় নানা অনুষ্ঠান থাকায় ঘোষিত ইউনিটগুলোর সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। সম্মেলনের নতুন তারিখ শীঘ্রই সেন্ট্রালের সাথে পরামর্শ করে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভা শেষে এসব ইউনিটের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্মেলনকে স্বাগত এবং নিজ নিজ বলয়ের নেতাদের স্বাগত জানিয়ে তাদের ছবি সম্বলিত বিভিন্ন ধরণের পোস্ট, কমেন্ট করে যাচ্ছিলেন নেতাকর্মীরা। বর্তমান ও ভবিষ্যতে নেতৃত্বে আসা নেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছিল প্রাণচাঞ্চল্য। তবে সম্মেলনের তারিখ স্থগিত করায় অনেক নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশ দেখা দিয়েছে ।

  • ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে – ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন

    ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে – ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন ভাষা আন্দোলনের সটিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। শুরু হয় ভাষার রাজনীতিকরন। দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্যে আমরা বাংলা ভাষা পেয়েছি। সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার করা প্রয়োজন।

    তিনি মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ডিগ্রী কলেজে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায়

    প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য প্রদানকালে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।

    কলেজের অধ্যক্ষ আলী আজগরের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আক্তারুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শওকত আরা হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশের সিলেট বিভাগের অতিরিক্ত উপমহাপরির্দশক জয়দেব কুমার ভদ্র প্রমুখ।

  • হবিগঞ্জে ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’’ উদ্ভোধন করলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জে ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’’ উদ্ভোধন করলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ শহরে ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’ এর শাখা ফিতা কেটে শুভ উদ্ভোধন করেন হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনের বারবার নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    গত ২৪ ফেব্রুয়ারী রোজ সোমবার সকাল ১১ টায় হবিগঞ্জ শহরে ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’’ এর প্রতিষ্ঠান শুভ উদ্ভোধন করাহয়।

    উদ্ভোধনকালে উপস্থিত ছিলেন জামান গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ আসাদুজ্জামান, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান সহ শহরের অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবীগন।

    নবীগঞ্জে জালনোট প্রতিরোধ জনসচেতনা বৃদ্ধিমূলক ওর্য়াকসপ

    ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’’ এর সত্ত্বাধিকারী মোঃ সারোয়ার আলম উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং যারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেনি তারা সহ সকলের কাছে দোয়া ও সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন।