Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে আপন ভাইকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

    হবিগঞ্জে আপন ভাইকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

    হবিগঞ্জে সম্পত্তির লোভে আপন ছোট ভাইকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে হবিগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কমিশনার আব্দুল আউয়াল মজনু।

    গুরুতর আহত অবস্থায় তার ছোট ভাই পলাশকে সিলেট ওসামানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আহত পলাশ হবিগঞ্জের রাজনগর আবাসিক এলাকার আব্দুল হাকিম মিয়ার পুত্র। সে হবিগঞ্জের পুরাতন হাসপাতাল রোডের প্রাইম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত।

    ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৭মার্চ) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে। আহত পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, কমিশনার আব্দুল আউয়াল মজনু সম্পত্তির জন্য প্রায়ই তার বাবাসহ পরিবারের লোকজনকে জ্বালাতন করত। তার নামে সহায় সম্পত্তি লিখে দেয়ার জন্য তাদেরকে প্রায়ই চাপ প্রয়োগ করত কমিশনার মজনু। ঘটনার সময় মজনু নেশা খেয়ে তার বৃদ্ধ বাবাকে গালিগালাজ করতে থাকে।

    তার ছোট ছেলে পলাশ এসে বাবাকে গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে এক পর্যায়ে কমিশনার মজনু তার কাছে থাকা দাঁড়ালো ছুরি দিয়ে তার ভাইকে আঘাত করে। পরে আশেপাশের মানুষ দৌড়ে এগিয়ে এসে আহত পলাশকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

    আহত পলাশের বাবা আব্দুল হাকিম জানিয়েছেন, কমিশনার মজনু প্রায়ই নেশা খেয়ে বাসায় এসে উৎপাত করত। তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগে মামলা রয়েছে।

  • বাহুবলে মহাসড়কের পাশের তেলের দোকান পুড়ে ছাই

    বাহুবলে মহাসড়কের পাশের তেলের দোকান পুড়ে ছাই

    হবিগঞ্জের বাহুবলে মহাসড়কের পাশে আগুন লেগে তেলের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এজন্য মহাসড়কে দীর্ঘ সময় ধরে যান চলাচল বন্ধ ছিল। রোববার (০৮ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার মিরপুর বিশ্বরোড তিতারকোনা পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রতক্ষ্যদর্শীর থেকে জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলার মিরপুর তিতারকোনা বিশ্বরোড পয়েন্টে রজব মিয়ার তেলের দোকানে আগুনের ধোয়া দেখতে স্থানীয় লোকজন। মুহুর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা দোকানের চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। দোকানে অরক্ষিত অবস্থায় ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন তেল ভর্তি কনটেইনার থাকায় বিকট শব্দে বিষ্ফোরিত হয়ে আগুনের লেলিহান শিখা ও কনটেইনারের টুকরাগুলো কয়েকশ ফুট উপরে উঠলে এলকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়ে রাস্তার দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।

    খবর পেয়ে শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ারসার্ভিস স্টেশন অফিসার আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলে সকাল ১১ টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অগ্নিকান্ডে অন্তত দুই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, খোলা অবস্থায় রাখা ডিজেল ও পেট্রোল ড্রামের পাশে অসাবধানতাবশত ফেলে দেওয়া জ্বলন্ত সিগারেটের শেষাংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

    শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফুল ইসলাম বলেন, “দোকানটির মালিক তিনজন আর তেলের ব্যবসাটি অবৈধভাবে চালিয়ে আসছে তারা, তাই কেউই আগুনের সূত্রপাতের সঠিক কারণ আমাদেরকে বলে নাই। মালিক পক্ষ আমাদেরকে সঠিক তথ্য না দেয়ায় আমরা কারণ উৎঘাটন না করেই ঘটনাস্থল থেকে চলে এসেছি।”

  • হবিগঞ্জে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত মসজিদের ইমাম

    হবিগঞ্জে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত মসজিদের ইমাম

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ধল জামে মসজিদে আজানরত অবস্থায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন মাওলানা মহি উদ্দিন (৪৫) নামে মসজিদের ইমাম। রবিবার (৮ মার্চ) ফজরের নামাজের সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,  মসজিদে ফজরের নামাজের আজান দেয়ার সময় পেছন থেকে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় এক যুবক। স্থানীয় লোকজন ইমামকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    সকালে মুসল্লিরা হামলাকারী মিনত আলীকে আটক করে পুলিশে দেয়।

    হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মাসুক আলী জানান, “ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।”

  • শহরের নোয়াহাটি পয়েন্টে পাওয়া গেল এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে

    শহরের নোয়াহাটি পয়েন্টে পাওয়া গেল এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে

    কে. এম. আবু বকর || ক্রাইম রিপোর্টার (স্পেশাল), হবিগঞ্জ নিউজ

    পলাশ সরকার ও সানি রায় নামে দুই বন্ধু গত ০২/০৩/২০২০ ইং রোজ সোমবার হবিগঞ্জ শহরের বাইপাস রোড দিয়ে হেঁটে নোয়াবাদ যাচ্ছিল। হঠাৎ তারা নোয়াবাদ পয়েন্টের কাছে এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে সেন্সলেস অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায়। তখন রাত বাজে প্রায় ১২ টা । মানবতার টানে ও কৌতুহলী হয়ে তারা সামনে এগিয়ে যায় লোকটিকে সহযোগিতা করার জন্য। চারপাশ থেকে তখন আরও লোকজন এসে ভীড় জমায়।

    পলাশ ও সানি দুই বন্ধু হবিগঞ্জ নিউজকে জানায়, শহরের রাজনগর এলাকায় একটি ম্যাচে থেকে তারা পড়াশুনা করে। তাদের সাথে তখন আরেকজন ছিল। কে ছিল জানতে চাইলে পলাশ সরকার বলে, সে তার ভাতিজাকে নিয়ে তাদের বাড়িতে (নোয়াহাটি) যাচ্ছিল।

    তাছাড়াও এত রাতে হেঁটে নোয়াহাটি যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা জানায় রাতে কোন রিক্সা না পাওয়ায় তারা হেঁটে গল্প করতে করতে যাচ্ছিল।

    এছাড়াও হবিগঞ্জ নিউজ এর ক্রাইম রিপোর্টার পলাশ সরকারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, ঘটনাস্থলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে তারা কিছুক্ষণ পর চোখ খুলতে দেখতে পায়। তখন তারা আরও লক্ষ্য করে যে, লোকটি খুবই দুর্বল অবস্থায় আছে। তাছাড়াও তারা লোকটির পকেট গুলো কাটা দেখতে পায় । এতে তারা ধারণা করে বুঝতে পারে যে লোকটি অজ্ঞান পার্টি এবং চিনতাইকারীর কবলে পড়েছিল।

    সন্দেহ হওয়া মাত্র তারা হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি (অফিসার ইন চার্জ) এর সাথে তাৎক্ষণিক ফোনে যোগাযোগ করে। যোগাযোগ করার পর ওসি তাদেরকে অজ্ঞাত লোকটিকে নিয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পৌঁছানোর কথা বলেন। সেখানে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন তাদেরকে। তারা ওসির কথামতো লোকটিকে নিয়ে সদর হাসপালে পৌঁছায়।

    পথের মধ্যে হাসপাতালে যেতে যেতে তারা লোকটির নাম জিজ্ঞাসা করলে লোকটি তার নাম “গোপাল বনিক” বলে জানায় পলাশ ও তার বন্ধুকে।

    এছাড়াও তারা তার বাড়ি ও ঠিকানা জানতে চাইলে সে প্রথমে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এবং পরে সিলেটের বাঘবাড়িতে বলে জানায়।

    পরবর্তীতে তারা লোকটিকে নিয়ে আনুমানিক ১২.২০ মিনিটের দিকে সদর হাসপাতালে পৌঁছানোর পর পুলিশের প্রতিনিধি দল অজ্ঞাত লোকটিকে গ্রহণ করে পলাশ সরকার ও তার বন্ধুদের কাছ থেকে সবকিছু জেনে তাদের বিদায় দেয়।

  • বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল জাতীয় রাজনীতির শ্রেষ্ঠ কবিতা

    বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল জাতীয় রাজনীতির শ্রেষ্ঠ কবিতা

    বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল জাতীয় রাজনীতির শ্রেষ্ঠ কবিতা। কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলেন বঙ্গবন্ধু কেন ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। অথচ ভাল করে ভাষণটি পড়লেই দেখা যাবে এর ভিতরেই স্বাধীনতার ঘোষণা ছিল।

    স্বাধীন কথাটি সরাসরি না বলার জন্য চাপ ছিল। কারণ এতে করে বাংলার আকাশের উপর থেকে লক্ষ লক্ষ গোলা নিক্ষেপ হত। এমনকি ১০ থেকে ২০ লাখ লোকের প্রাণহানি হত তখন। যদিও ছাত্রলীগ ও যুবকদের চাপ ছিল সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাবেক একান্ত সচিব ড. ফরাস উদ্দিন শনিবার সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে স্মৃতিচারণ ও গুণিজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে একক বক্তৃতা প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. ফরাস উদ্দিন আরও বলেন, আমাদের শতজনমের সৌভাগ্য যে আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছিলাম। তার কারণেই আমরা একটি মানচিত্র, ভুখন্ড ও রাজনীতি করার পরিবেশ পেয়েছি। বিশেষ  একটি মর্যাদাবান জাতি হতে পেরেছি। তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতেন এবং মিশতেন।

    শিশুদেরকে বেশী ভালবাসতেন। তার জন্মদিনে শিশুরা আসলে আনন্দিত হতেন বেশী। জন্মদিনে জয়নুল আবেদীন, কামরুল হাসান, আব্দুর রাজ্জাক, নিলিমা ইব্রাহিম, আব্দুল্লা আল মুতি শরফুদ্দিনরা আসতেন। তিনি শিশুকালে ডানপিঠে হলেও ছিলেন দয়ালু এবং সৎ।

    সবাই বলে সোওরাওয়ার্দী তার রাজনৈতিক গুরু। আমার এখানে দ্বিমত হল তিনি তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন। তবে তার রাজনৈতিক গুরু তিনজন। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আব্দুল হাশিম ও নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু। তবে বসুর সহিংস দিকটি তিনি পরিহার করতেন।

    নেতাজী বলেছিলেন ‘‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি স্বাধীনতা দিব’’ আর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দিব’’। এখানেই তাদের দর্শনের পার্থক্য।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর কেন ৯৫ হাজার আত্মসমর্পণকারীকে আটক করা হয়নি এবং বিচারের আওতায় আনা হয়নি। বঙ্গবন্ধু তখন চিন্তা করেছিলেন পাকিস্তানে আটক আমাদের ৫ লাখ লোকের কি অবস্থা হবে। যেখানে ড. ইব্রাহিম আর এস এ কামাল এর মত লোক ছিলেন।

    ১৯২১ সালে যদি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় না হত তাহলে এখানকার লোকজন শিক্ষিত হত না এবং বঙ্গবন্ধুও সৃষ্টি হত না। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রতিটি আন্দোলনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত কঠোর ও লক্ষ্যের পথে অবিচল। তিনি পরিকল্পনা এবং কৌশল বদল করলেও লক্ষ্য কখনও পরিবর্তন করেননি।

    ১৯৪৭ সালেই তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের। তিনি সংকল্পের দিক থেকে ছিলেন কঠোর আর মনের দিক থেকে নরম। ইস্পাত কঠিন এই মানুষ কারও কাছে মাথা নত করার মানুষ ছিলেন না। আর তিনি ছিলেন প্রচন্ড জাতীয়তাবাদী। আর জাতীয়তাবাদীরা কখনও পালিয়ে যায় না। বঙ্গবন্ধু কখনও পালিয়ে যাননি।

    ড. ফরাস উদ্দিন বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সারা বিশ্বে  ছিলো মহামন্দা। শস্যের খড়া এবং মূল্যস্ফীতির কারণে ধানের দাম ৩গুণ, গমের দাম আড়াইগুণ আর পেট্রলের দাম বাড়ে তিনগুণ।

    বঙ্গবন্ধু টিসিবি গঠন আর কৃষকদের লক্ষাধিক সার্টিফিকেট মামলা তুলে নিয়েছিলেন। কৃষিতে ভর্তুকী দিয়েছিলেন। ৭৪-৭৫ সালে প্রবৃদ্ধি হয় ৭.৮ ভাগ। তবুও হায়েনার দল তাকে পছন্দ করেনি। বাকশাল নিয়ে অনেকেই জড়োসড়ো হলেও আমি মনে করি বাকশাল প্রোগ্রাম খুব প্রয়োজন ছিল।

    ঢাকা থেকে শাসন সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন জমির আইল তুলে দিয়ে সমবায় ভিত্তিক কৃষি করার। কিন্তু মানুষকে এ ব্যাপারে ভুল বোঝানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দেশে অরাজকতা হয়েছে। পরে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দেশের প্রবৃদ্ধিকে ৮.১৩ ভাগে নিয়ে যান। যা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ তিনটি প্রবৃদ্ধির একটি।

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতিকে প্রশংসা করেছেন ভারতের নোবেল বিজয়ী অমর্ত্যসেন ও পাকিস্তানী অর্থনীতিবিদ মাহবুবুল হক। বাজার অর্থনীতিতে দ্রুত সমৃদ্ধি আনতে হলে কিছু বৈষম্য হবে।

    সামনে বাংলাদেশের অর্থনীতির মডেল হবে শিল্প নির্ভর। আমাদেরকে বস্ত্রখাতে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ বছরে আমাদেরকে ৬শ’ কোটি ডলারের বস্ত্র আমদানী করতে হয়। বস্ত্র শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ ঘটাতে হবে।

    এতে করে স্ব-কর্মসংস্থান হবে। জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়বে। আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। এতে করে দারিদ্র এবং বৈষম্য কমবে।

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার স্পেশাল ইকনোমিক জোন নিয়ে তিনি বলেন, শুনেছি এই ইকনোমিক জোন নিয়ে অনেকেই ষড়যন্ত্র ও দলবাজি করছে। এটি বাস্তবায়ন করা জরুরী।

    এখানেই বস্ত্র শিল্প হতে পারে। হবিগঞ্জের মাটিতে বস্ত্র শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র শিল্প বিকাশের ভাল সম্ভাবনা রয়েছে।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী।

    অনুষ্ঠানে ৭ মার্চের ভাষণের উপর প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ড. ফরাস উদ্দিনকে ক্রেস্ট ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।

  • মাধবপুরে ৭ ই মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মাধবপুরে ৭ ই মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতাযুদ্ধের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    এই ঘোষণা এসেছিল এমন এক সময়, যখন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করার আহ্বানের অধীর অপেক্ষায় ছিল বাঙালি জাতি। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা। স্বাধীনতার যে ডাক বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন, তা বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে।

    ঐতিহাসিক এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ৭ই মার্চ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের তাৎপর্য এবং উন্নয়ন অগ্রগতি শীর্ষক আলোচনা অনুষ্টিত হয়।

    আলোচনা সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আয়েশা আক্তার এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাত সুলতানার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আতিকুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এইচ এম ইশতিয়াক মামুন, বি আর ডিবি সমন্বয়ক পারভীন সুলতানা, একাডেমিক সুপারভাইজার রোখসানা পারভীন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি চেয়ারম্যান ফারুখ পাঠান, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বেনু মাধব রায়, উপজেলা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহ মোঃ সেলিম, সাধারন সম্পাদক শ্রীধাম দাশ, প্রেসক্লাব সেক্রেটারী সাব্বির হাসান প্রমুখ।

  • হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত

    হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত

    প্রতি বছরের মতো এবারও হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) জালাল স্টেডিয়ামে এ ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করে দুই শূণ্য শূন্য ছয় পরিবার।

    দিনব্যাপী নানান আয়োজনের মধ্যে গান-বাজনার পাশা-পাশি চলে পিঠে-পুলির আয়োজন। আর ঘুড়ি-নাটাই নিয়ে দুরন্তপনা প্রতিযোগীতা। মাঠে বসে পিঠা ও ঘুড়ি নাটাইয়ের স্টল।

    হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনে সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, সাবেক মেয়র শহিদ উদ্দিন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক, দৈনিক খোয়াই পত্রিকার সম্পাদক শামীম আহসান, অগ্রনী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শাহ জয়নাল আবেদীন রাসেল প্রমুখ। ঘুড়ি উৎসবে সভাপতিত্ব করেন দুই শুন্য শুন্য ছয় এর সভাপকি আব্দুল কাইয়ুম।

    হবিগঞ্জে বসন্ত বরণ ও ঘুড়ি উৎসব উদযাপিত

    অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়।