Category: হবিগঞ্জ

  • ইতিহাসের ভয়ঙ্কর যত মহামারী

    ইতিহাসের ভয়ঙ্কর যত মহামারী

    বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন আগামী ২০-৩০ বছরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে একটি রোগ মহামারী আকার ধারণ করবে, যাতে মানব জাতি বড় এক সংকটে পড়তে পারে। গতবছরের শেষের দিকে এশিয়ার কয়েকটি দেশে এডিস মশা বাহিত রোগ ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছিল।

    এখন আবার করোনা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক। ইতিহাসে এর আগে যেসব রোগ মহামারী রূপ নিয়েছিল সেগুলো সম্পর্কে চলুন জানি :

    ৪৩০ খ্রিস্টপূর্ব: স্মলপক্স রোগটি ভেরিওলা ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়। সংক্রামক এই রোগটি একজন মানুষের ত্বকের সাথে আরেকজনের স্পর্শে ছড়ায়। এমনকি বাতাসের মাধ্যমেও এই রোগ ছড়ায়। এই স্মলপক্সের কারণে খ্রিস্টপূর্ব ৪৩০ এ গ্রিসের এথেন্সে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়, যা ছিল ওই নগরের ২০ শতাংশ মানুষ।

    ৫৪১ খ্রিস্টাব্দ: পূর্ব রোমান সাম্রাজ্যের জাস্টিনিয়ানে ৫৪১ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া বাহিত রোগ প্লেগ ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই শ বছর এই রোগ মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় ছড়ায়। ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর মহামারী বলা হয় একে। দুই শ বছরে এই রোগটিতে মারা যায় প্রায় ১০ কোটি মানুষ।

    ১৩৩৪ সাল: গ্রেট প্লেগ অব লন্ডন হিসেবে স্বীকৃত ১৩৩৪ সালের প্লেগ আসলে ছড়ায় চীন থেকে। এরপর ইতালির ফ্লোরেন্স শহরেই ছয় মাসে প্লেগে মারা যায় ৯০ হাজার মানুষ। পুরো ইউরোপ জুড়ে মারা যায় আড়াই কোটি মানুষ।

    ১৩৪৬ সাল: এশিয়ায় ১৩৪৬ সালে প্লেগ মহামারী আকার ধারণ করে। ইতিহাসে তা দ্য ব্ল্যাক প্লেগ হিসেবে বিবেচিত। এই প্লেগ রোগ পরে ইউরোপে ছড়িয়ে পড়লে ইউরোপের ৬০ শতাংশ মানুষ মারা যায়। চার বছরে এশিয়া ও ইউরোপে মারা যায় ৫ কোটি মানুষ।

    ১৫১৯ সাল: বর্তমান মেক্সিকোতে ১৫১৯ সালে স্মলপক্স ছড়িয়ে পড়লে দুই বছরে মারা যায় প্রায় ৮০ লাখ মানুষ।

    ১৬৩৩ সাল: ফ্রান্স, গ্রেট বৃটেন ও নেদারল্যান্ডসবাসীদের মাধ্যমে ১৬৩৩ সালে আমেরিকার ম্যাসাচুসেটসে স্পলপক্স ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় ২ কোটি মানুষ মারা গেছে বলে দাবি করেন ইতিহাসবিদরা।

    ১৭৯৩ সাল: আমেরিকার ফিলাডেলফিয়ায় ১৭৯৩ সালে ইয়েলো ফিভার মহামারী আকার ধারণ করে। এতে নগরের ১০ ভাগের এক ভাগ, প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ মারা যায়।

    ১৮৬০ সাল: আধুনিক যুগে প্লেগ ছড়ায় ১৮৬০ সালে। এতে চীন, ভারত ও হংকংয়ে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ মারা যায়। পরে ১৮৯০ এর দশকে প্লেগের ভ্যাকসিন উদ্ভাবন হয়।

    ১৯১০ সাল: বিশ শতকের সবচেয়ে বড় প্লেগ মহামারী দেখা দেয় ১৯১০ সালে। চীনের মাঞ্চুরিয়ায় দুই বছরে মারা যায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষ।

    ১৯১৮ সাল: বিশ্বজুড়ে ১৯১৮ সালে গ্রেট ফ্লু মহামারী রূপ নেয়। এতে দুই বছরে সারা বিশ্বে মারা যায় ৩ কোটির বেশি মানুষ।

    ১৯৫২ সাল: আমেরিকায় ১৯৫২ সালে পোলিওতে আক্রান্ত হয় প্রায় ৬০ হাজার শিশু, এতে তিন হাজারের বেশি মারা যায়।

    ১৯৮৪ সাল: প্রথম এইচআইভি ভাইরাস শনাক্ত হয় ১৯৮৪ সালে। এই ভাইরাসের কারণে এইডস রোগে সে বছরই আমেরিকায় মারা যায় ৫,৫০০ জন। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৩৫ মিলিয়ন মানুষ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত। আর এ পর্যন্ত এইডসে মারা গেছে আড়াই কোটির বেশি।

    ২০০৯ সাল: বিশ্বজুড়ে ২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লু বা এইচ ওয়ান এন ওয়ান ফ্লুতে ১৮,৫০০ জন মারা গেছে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ লাখ ৭৫ হাজার বলেও ধারণা করা হয়।

    ২০১০ সাল: হাইতিতে ২০১০ সালে ভয়ংকর এক ভূমিকম্পের পর কলেরা মহামারী রূপ নিলে ১০ হাজার মানুষ মারা যায়।

    ২০১২ সাল: বিশ্বজুড়ে ২০১২ সালে ভাইরাসজনিত রোগ হামে মারা যায় ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ। সে বছর পুরো বিশ্বে ব্যাকটেরিয়া সংক্রামক রোগ টিউবারকিউলোসিসে মারা যায় ১.৩ মিলিয়ন মানুষ। এছাড়া প্রতি বছর টাইফয়েড জ্বরে মারা যাচ্ছে ২ লাখ ১৬ হাজার মানুষ।

    ২০১৪ সাল: পশ্চিম আফ্রিকায় ২০১৪ সালে ইবোলা জ্বরে মারা যায় অন্তত ১১,৩০০ জন।

    তথ্যসূত্র: সিএনএন, ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস

  • সরকারি নিষেধ অমান্য করে হবিগঞ্জে কিস্তি আদায় করছে এন.জি.ও প্রতিষ্ঠানগুলো

    সরকারি নিষেধ অমান্য করে হবিগঞ্জে কিস্তি আদায় করছে এন.জি.ও প্রতিষ্ঠানগুলো

    হবিগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থা নামে একটি এনজিও তাদের কার্যক্রম পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে । গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষদের কাছ থেকে কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত রয়েছে তারা ।

    মঙ্গলবার(২৪মার্চ) হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল গ্রামের নাজিরপুর এলাকায় দেখা গেছে হবিগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থার এক সদস্য মাটিতে বসে কিস্তি আদায় করছেন ।

    সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস নিয়ে যে ভয়াবহতার স্বীকার হচ্ছে, তার পরিপেক্ষিতে বাংলাদেশেও জোরদার করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার ।

    কিন্তু বেশ কিছু এনজিও কর্মীরা মুখে সামান্য মাস্ক নিয়ে হাতে হেন্ড গ্লাভস না পড়েই কিস্তি আদায় করছেন।
    ইতিমধ্যে সকল এনজিও কিস্তি মওকুফ করা এবং ঋণ খেলাপি যেন না হয় সেই দিকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে । সেই বিষয়টি অনেকেই মানছেন না ।

    হবিগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থা,আশা,গ্রামীন ব্যাংক সহ অনেক ঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠান পাড়া মহল্লায় গিয়ে ঋণ কিস্তি সংগ্রহ করছেন বলে গ্রাম্বাসীরা অভিযোগ জানিয়েছেন । এই নিয়ে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানা যায় । স্থানীয় লোকেরা জানান, আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ দিনে এনে দিন খাই । আমাদের কাজ বন্ধ তাহলে কি করে আমরা ঋণ কিস্তি পরিশোধ করবো । এছাড়াও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ তো কিস্তি নেওয়া মাঠ অফিসারেরও থাকতে পারে । টাকার মাধ্যমেও ছড়াতে পারে এই করোনা ভাইরাস ।

    এই ব্যাপারে ঋণ গ্রহীতা মাঠ অফিসারের কাছে জানতে চাইলে উনি বলেন আমাদের ঐরকম কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি ।

    তবে ইতিমধ্যেই আমাদের কার্যক্রম বন্ধ হবে বলে ওই সদস্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছেন ।

  • হবিগঞ্জে ছাত্রদলের হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ

    হবিগঞ্জে ছাত্রদলের হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হবিগঞ্জ জেলা শাখার পক্ষ থেকে শায়েস্তানগর তেমুনিয়া এরিয়াতে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে সচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪মার্চ) এই কর্মসুচি পালন করে তারা।

    উক্ত কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক,সাবান এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি মানুষকে সচেতন মূলক পরামর্শ দেওয়া হয়।

    এসময় উপস্তিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক গোলাম মাহবুব, মাজহারুল, ইমরান, রোকন, অনি সহ বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ।

    নেতৃবৃন্দরা বলেন-আসুন যার যার জায়গা থেকে সামর্থ্যনুযায়ী সকলে এই বৈশ্বিক সংকটে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে একে-অন্যের পাশে দাঁড়াই। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং তাদেরকে সচেতন  করতে একসাথে কাজ করে যাই।

  • হবিগঞ্জে কাল থেকে বন্ধ হচ্ছে গণপরিবহন

    হবিগঞ্জে কাল থেকে বন্ধ হচ্ছে গণপরিবহন

    করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হবিগঞ্জে বুধবার (২৫ মার্চ) থেকে বন্ধ হচ্ছে সব ধরনের গণপরিবহন। ২৫ মার্চ ভোর ৫ টা থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) হবিগঞ্জ জেলা মটর মালিক গ্রুপের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশে বন্ধের একদিন আগে থেকেই এসব পরিবহন বন্ধ করা হয়েছে।

    হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক শঙ্খ শুভ্র রায় বলেন, “করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন থাকার চেয়ে বিকল্প কিছুই নেই। এ অবস্থায় বাড়তি সচেতনতা হিসেবে জেলার সব গণপরিবহন বুধবার থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।”

    গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারি। এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৯৫ টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এ ভাইরাসটি। এখন পর্যন্ত এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৭৮ হাজার ৮৪৮ এবং মারা গেছেন ১৬ হাজার ৫১৪ জন। অপরদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক লাখ দুই হাজার ৬৯ জন।

    বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। এরপর দিন দিন এ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে। সর্বশেষ হিসাবে দেশে এখন পর্যন্ত ৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন চারজন।

    করোনার বিস্তাররোধে এরই মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর। চারটি দেশ ও অঞ্চল ছাড়া সব দেশ থেকেই যাত্রী আসা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

    বন্ধ করে দেয়া হয়েছে দেশের সব বিপণিবিতান। এছাড়া মুলতবি করা হয়েছে জামিন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি ছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারিক কাজ। এমনকি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলাকে লকডাউনও ঘোষণা করা হয়েছে।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে আগামী ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার জন্য দেশের সব জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।

  • শায়েস্তাগঞ্জে করোনা আতঙ্কে দোকানপাট সব বন্ধ

    শায়েস্তাগঞ্জে করোনা আতঙ্কে দোকানপাট সব বন্ধ

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় করোনা আতঙ্কে সন্ধ্যা ৬ টার পর থেকে শহরের সমস্ত দোকান-পাট সহ সকল ধরণের মানুষ সমাগমের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহর সহ পুরো উপজেলার জীবন যাত্রা এখন স্থবির অবস্থা বিরাজ করছে।

    তবে শহরের কিছু ওষুধের দোকান ও মাছ তরকারির বাজার খোলা থাকলেও তা ক্রেতা শূন্য রয়েছে। কিছু দোকান নিয়ম না মেনে খোলা রাখায় সতর্ক করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমী আক্তার।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে উপজেলার হাট বাজার ও মানুষের সমাগম সীমিত আকারে বন্ধ রয়েছে। তবে কিছু ওষুধের দোকান ও কাঁচামালের দোকান খোলা থাকলেও একেবারে তা ক্রেতা শূন্য অবস্থা বিরাজ করছে।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী আক্তার জানান, “জনসমাগম কমাতে হাটবাজার বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা প্রবাসীদের পরিবারকে তাদের স্বজনদের বাড়িতে অবস্থানের কঠোর নির্দেশনাও দিয়েছি।”

    শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোজাম্মেল হোসেন বলেন, “২০ জন প্রবাসীকে আমরা হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েছি। এছাড়া হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে।”

  • মাধবপুর বাজারগুলো লক ডাউন করেছে প্রশাসন

    মাধবপুর বাজারগুলো লক ডাউন করেছে প্রশাসন

    হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভাসহ ইউনিয়নের বাজারগুলো লক ডাউন করে দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তারের বরাত দিয়ে পৌর শহরে মাইকিং করে সবাই কে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় প্রয়োজন ব্যতীত বাইরে বের না হওয়ার জন্য আহবান জানানো হয় ।

    মাইকিংয়ের পর বেলা ৩ টার পর থেকে সকল বিপণী বিতান বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় মাধবপুর পৌর শহর অনেকটা ফাঁকা হয়ে যায়।

  • শায়েস্তাগঞ্জে সারোয়ার গ্রুপ এর পক্ষ হতে সুলব মূল্যে পেয়াজ ও লবন বিক্রি

    শায়েস্তাগঞ্জে সারোয়ার গ্রুপ এর পক্ষ হতে সুলব মূল্যে পেয়াজ ও লবন বিক্রি

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় নোভেল করোনা ভাইরাস সংক্রামনের (NCOVA-২০১৯) কারণে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সারোয়ার গ্রুপ এর পক্ষ থেকে প্রতি ক্রেতাকে ৩ কেজি পেয়াজ ও ৫ শ গ্রাম প্যাকেটজাত লবন ১১০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০ টা থেকে সারাদিন ব্যাপী উপজেলার দাউদনগর বাজার সোনালী ব্যাংক এর নিকটে শায়েস্তাগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মোঃ সারোয়ার আলম এর সৌজন্যে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ হাবিবুর রহমান হারুন এবং সারোয়ার গ্রুপের জি. এম মোঃ সাদাত চকদারের সহযোগীতায় সুলভ মূল্যে প্রায় দশ হাজার ক্রেতাদের মাঝে পেয়াজ ও লবন বিক্রি করেছেন।

    এদিকে শায়েস্তাগঞ্জের এক ক্রেতা মোঃ শফিক মিয়া হবিগঞ্জ নিউজের প্রতিনিধিকে বলেন, “করোনা ভাইরাস আতঙ্কে হু হু করে বাড়তে থাকা পেঁয়াজ এখন কমতে শুরু করেছে। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রত্যেক হাট বাজারে ৫/৬ দিন পূর্বে হঠাৎ করে পেয়াজ এর মূল্য ব্যবসায়ীরা ৭০ থেকে ১শ টাকায় বিক্রি শুরু করে। উপজেলা প্রশাসনের নজর আসলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ব্যবসায়ীদেরকে জরিমানা করলে বাজারে ৪০ থেকে ৬০ টাকায় পেয়াজ বিক্রিহচ্ছে।

    “কিন্তু চাউলের দাম প্রতি কেজি ৫/৭ টাকা করে বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। এর কারণে ক্রেতারা আতঙ্কীত হয়ে সারোয়ার গ্রুপ হতে বেশি বেশি পেয়াজ কিনতে দেখা যায়। সারোয়ার গ্রুপের ৩ কেজি পেয়াজ ও লবন বিক্রির খবর শুনে শহর ও গ্রাম অঞ্চল থেকে শত শত ক্রেতা ভীর করতে দেখা যায়।” মিস্টার শফিক বলেন।