হবিগঞ্জের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হবিগঞ্জ হাই স্কুল একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এটি হবিগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ নামে পরিচিত।
প্রাচীন এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৩ সালে। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত ছাত্রদের জন্য প্রতিষ্ঠিত।
অত্র স্কুল থেকে ২০১৪ সালে পাস করে বের হওয়া ‘১৪ ব্যাচ এর সকল ছাত্ররা দেশে চলমান করোনা ভাইরাসের কারণে অসহায় ও দুস্থ গরীব-দুঃখীদের মাঝে ত্রাণ (খাদ্য দ্রব্য) বিতরণ এর উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ০২ এপ্রিল ২০২০ ইং রোজ বৃহঃবার উক্ত স্কুলের ‘১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সকাল ১০ ঘটিকার সময় ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

প্রস্তুতি কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন অত্র স্কুলের ‘১৪ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও স্মৃতি পাঠাগার, ছাত্র ফেডারেশন,বাংলাদেশ – সরকারি বৃন্দাবন কলেজ, হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক, কে. এম. আবু বকর, প্রাক্তন ছাত্র আব্দুল মোছাদ্দেক, সিয়াম উল সুরত প্রিন্স, আদনান বিন আনোয়ার, মুহিদুল ইসলাম,জাকির হোসেন ও সাইফুল ইসলাম সাগর।


পরবর্তীতে বেলা ১২ ঘটিকার সময় ত্রাণ সামগ্রী প্যাকিং ও বিতরণ এর কাজে ‘১৪ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র, কে. এম. আবু বকর, মো: আব্দুল মোছাদ্দেক সিয়াম সুরত প্রিন্স, আদনান বিন আনোয়ার, মুহিদুল ইসলাম,জাকির হোসেন,রাহাত হাসান,শরিফুল ইসলাম নাবিদ,সাইফুল ইসলাম সাগর,তানভীর আহমেদ জিসান,ইমরান হাসান রাজীব,হাফিজুর রশীদ সানি,অপু দাশ,সমীর দাস,এহিয়া হাসান চৌধুরী, রিপন মিয়া,রাসেল মিয়া সহ আরও অনেকেই উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
এই ব্যপারে হবিগঞ্জ নিউজ ‘১৪ ব্যাচের ছাত্রদের কাছে জানতে চাইলে উনারা জানান – ” বিশ্বের এই দূর্যোগে অসহায় গরীব মানুষদের পাশে দাড়াতে পেরে নিজেদের অনেক সৌভাগ্যবান বলে মনে করেন তারা। ”
তাছাড়াও মোট কতজনকে ত্রাণ বিররণ করা হবে জানতে চাইলে ত্রাণ বিতরণ কমিটির সদস্য কে. এম. আবু বকর জানান, মোট ৩২ টা পরিবারকে ২ দিনের খাবার দিয়ে তারা সহযোগিতা করেছেন। এর মধ্যে মোট ০৬ জনকে তারা ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠানেই ত্রাণ হাতে তুলে দেন। এবং বাকি ২৬ জনের প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাকি ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।
আরেক সদস্য আব্দুল মোসাদ্দেক বলেন, আজ সন্ধ্যার মধ্যেই ২৬ জনের বাড়িতে খাবার পৌঁছে যাবে।
আরো ২ সদস্য সিয়াম উল সুরত প্রিন্স ও আদনান বিন আনোয়ার জানান, তারা নিজেরা বাড়িতে পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করবেন।
আজ সন্ধ্যার পর কমিটির অন্যতম সদস্য মুহিদুল ইসলামের সাথে মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান সবার খাবার (ত্রাণ সামগ্রী) সুষ্ঠভাবে প্রত্যেকের বাড়িতে আমরা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি।


তাদের এমন কার্যক্রমে সমাজের বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।






