Category: হবিগঞ্জ

  • বাহুবলে এম পি মিলাদ গাজী কতৃক ত্রাণ বিতরণ

    বাহুবলে এম পি মিলাদ গাজী কতৃক ত্রাণ বিতরণ

    মোঃ আমিনুর রহমান, বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :-
    হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার ১নং স্নানঘাট ইউনিয়নে হবিগঞ্জ-০১, বাহুবল -নবীগঞ্জ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ গাজী কতৃক গরিব দুঃখী অসহায় দরিদ্র দিনমজুর ১০০ টি পরিবারের মাঝে চাল,ডাল, তেল, লবণ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
    শনিবার (৪ এপ্রিল)  সকাল ১১ টায় ইউনিয়ন প্রাঙ্গণে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
    উক্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন বাহুবল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ হাই, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সুফি মিয়া খান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফুল মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ ও ১নং স্নানঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম প্রমুখ।
  • চুনারুঘাট প্রবাসী গ্রুপের পক্ষ থেকে অসহায়দের মধ্যে খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ

    চুনারুঘাট প্রবাসী গ্রুপের পক্ষ থেকে অসহায়দের মধ্যে খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ

    করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ লকডাউন থাকায় বিপাকে পরেছেন এলাকার শ্রমজীবী অসহায় মানুষ। দেশে ও দেশের অসহায় মানুষের ভালবাসা বুকে লালন করে আমরা একঝাক তরুণ রেমিটেন্স যোদ্ধা দাড়িয়েছি চুনারুঘাট উপজেলার আর্ত-মানবতার টানে শ্রমজীবী অসহায় মানুষের পাশে।

    সঠিক দূরত্ব বজায় রেখে মাক্স পরে উপজেলা পূর্বাঞ্চলে শনিবার (০৪ এপ্রিল) এ খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী সফলতার সাথে সম্পন্ন হল।

    জোবায়ইদুর রহমান জুলহাস এর পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব লুতফুর রহমান মহলদার সাহেব, তরুণ সমাজ সেবক এডভোকেট মোঃ খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট মুরুব্বী সিরাজুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান সাহেব, “চুনারুঘাট উপজেলা প্রবাসী গ্রুপ” এর যুগ্ন-আহবায়ক মীর রাজিব সহ অনেকেই।

  • মাধবপুরে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    মাধবপুরে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    মাধবপুর প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে চৌমুহনী ইউনিয়নের দুস্থদের মানুষের কষ্ট লাগবে প্রণোদনা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    শুক্রবার বিকেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আয়েশা আক্তার চৌমুহনী ইউনিয়নে ৬০০ জন দুস্থদের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌমুহনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আপন মিয়া, ট্যাক অফিসার রফিকুল নাজিম সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা সহকারী খাদ্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও প্রত্যেক ওয়ার্ডে সদস্যগন।

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) আয়েশা আক্তার জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে কর্মহীন অসহায়, দুস্থদের মানুষের মাঝে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এ সময় করোনা প্রতিরোধে সবাইকে ঘরে অবস্থানের জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়।

  • আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস

    আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস

    মোঃ জাকির হোসেনঃ আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এ বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ এবং যুদ্ধের রণকৌশল গ্রহণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে ভাগ করা হয় ১১ টি সেক্টর ও ৩ টি ব্রিগেডে। অস্ত্রের যোগান, আন্তর্জাতিক সমর্থনসহ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এই সভায়।

    প্রতি বৎসর ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলেও এবার করোনাভাইরাসের কারণে বাতিল করা হয়েছ সকল কর্মসূচি।

    ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, তৎকালীন মেজর সিআর দত্ত, মেজর জিয়াউর রহমান, কর্নেল এমএ রব, রব্বানী, ক্যাপ্টেন নাসিম, আব্দুল মতিন, মেজর খালেদ মোশাররফ, কমান্ডেন্ট মানিক চৌধুরী, ভারতের ব্রিগেডিয়ার শুভ্রমানিয়ম, এমপিএ মৌলানা আসাদ আলী, লে. সৈয়দ ইব্রাহীম, মেজর কেএম শফিউল্লাহ প্রমুখ।

    জেনারেল এম জি ওসমানীর নেতৃত্বে নেয়া হয় মুক্তিযুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতি। শপথ বাক্য পাঠ করানোর পর নিজের পিস্তল থেকে ফাঁকা গুলি ছুড়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার শপথের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এমএজি ওসমানী। এ সভা থেকেই ১০ এপ্রিল দ্বিতীয় বৈঠক ও সরকার গঠনের প্রস্তাবও করা হয়েছিল। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে তা আর হয়ে ওঠেনি। তবে সেক্টর বিভক্ত নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও এই মিটিং ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম মিটিং এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই কারো।

    আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস৩নং সেক্টর কমান্ডার মেজর কে.এম শফিউল্লাহ্ তাঁর হেড কোয়ার্টার স্থাপন করেন তেলিয়াপাড়া চা বাগানে। সড়ক ও রেলপথে বৃহত্তর সিলেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়ার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।

    এখান থেকে মুক্তি বাহিনী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা ছাড়াও তেলিয়াপাড়া চা বাগানে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প গড়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীসহ কয়েকটি সেক্টরের কমান্ডারগণ বিভিন্ন সময়ে তেলিয়াপাড়া সফর করেন। ম্যানেজার বাংলোসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা ছিল মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সেনানায়কদের পদচারণায় মুখরিত। ১৯৭১ সালের ২১ জুনের পরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রচণ্ড আক্রমণের কারণে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে স্থাপিত সেক্টর হেড কোয়ার্টার তুলে নেয়া হয়।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে তেলিয়াপাড়া চা বাগান ম্যানেজার বাংলোর পাশে নির্মিত হয় বুলেট আকৃতির মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্মৃতিসৌধ। ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন সেনাপ্রধান (অব:) মেজর জেনারেল শফিউল্লাহ বীর উত্তম পিএসসি।

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলেও সেটি সংরক্ষণের কোনও উদ্যোগ ছিল না দীর্ঘদিন যাবৎ। ২০১১ সালের ৭ মে মুক্তিযোদ্ধাদের এক সমাবেশে সেখানে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স করার কথা ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এখনও সে প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি।

    মুক্তিযোদ্ধারা বলছেন, তেলিয়াপড়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান স্মৃতিবিজড়িত স্থান। অবশ্যই এটিকে সংরক্ষণ করতে হবে। অবিলম্বে সেখানে রেস্ট হাউজ, টয়লেট নির্মাণসহ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণের দাবি জানান তারা। পাশাপাশি ঐতিহাসিক বাংলোটিকে জাদুঘর করার দাবিও দীর্ঘদিনের।

  • শায়েস্তাগঞ্জে সমন্বয়হীন ত্রাণ বিতরণ, অনেকেই হচ্ছেন বঞ্চিত!

    শায়েস্তাগঞ্জে সমন্বয়হীন ত্রাণ বিতরণ, অনেকেই হচ্ছেন বঞ্চিত!

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সারাদেশের মতো হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের বাইরে বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তি ও শিল্প প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগে চলছে ত্রাণ বিতরণ কর্মসুচি, কিন্তু এই ত্রাণ তৎপরতায় কারো সাথে কারো সমন্বয় না থাকায় যে যার মতো করে যেখানে সেখানে যাকেতাকে ত্রাণ দিয়ে যাচ্ছেন।

    এতে করে একজনে একাধিকবার ত্রাণ সামগ্রী পাচ্ছেন। অন্যদিকে এমনও গরীব লোক রয়েছেন যাদেরকে কেউ এখনো ত্রাণ দেয়নি।

    এছাড়া সমন্বয়ের অভাবে পৌর শহর মহল্লায় ও ইউপির গ্রামাঞ্চলে ত্রাণ পাচ্ছে খুবই কম মানুষ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ থেকে উপজেলার পৌর শহর ও গ্রামাঞ্চলে প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে উপজেলা প্রশাসন, পৌর মেয়র, প্রাণ আর এফ এল, সারোয়ার গ্রুপসহ বিভিন্ন ব্যক্তিও সংগঠন।

    গত ৩০ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দিন ব্যাপি করোনাভাইরাস সংক্রমন রোধে খেটে খাওয়া অসহায়, দিনমজুর, হতদরিদ্র মানুষদের মাঝে প্রতিদিন ৫শ হতে ৬শ পরিবারের মধ্যে ৫ কেজি চাউল, ১ কেজি আলু, ১ কেজি মশুর ডাল, ১ টি লাইফবয় সাবান, ১ প্যাকেট জিবানুনাশক পাউডারসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেন।

    সারোয়ার গ্রুপের খাদ্যসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, শায়েস্তাগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ হাবিবুর রহমান হারুন, সারোয়ার গ্রুপের জেনারেল ম্যানাজার মোঃ সাদাত চকদার, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাই প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরসহ অসংখ্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    এ সময় সারোয়ার গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ সারোয়ার আলম শাকিল বলেন, “করোনাভাইরাস এর সংক্রমন রোধে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় খেটে খাওয়া অসহায়, দিনমজুর, হত দরিদ্রদের পাশে থেকে সারোয়ার গ্রুপ নিজ তহবিল হতে খাদ্য ও বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছে এবং এ সহযোগিতা প্রতিদিন করে যাবে। দরিদ্র দুঃখীদের পাশে যদি সবাই মিলে দাড়ানো যায়, তা হলে কোন দরিদ্র লোক না খেয়ে থাকতে হবে না।“

    মিস্টার সারোয়ার আরো বলেন, “করোনা ভাইরাস রোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। সবাইকে নিজ গৃহে অবস্থান করতে হবে। নিজের বাসস্থানের আশ পাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে সচেতন হওয়া ছাড়া আমাদের কোন বিকল্প নেই। এ দিকে গত ২৪ মার্চ হতে চলতি মাসে বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রতি ক্রেতাদের কাছে ৩ কেজি পেয়াজ ও ৫শ গ্রাম লবন ১১০ টাকায় দেওয়া হচ্ছে।”

    অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমী আক্তার ও পৌর মেয়র ছালেক মিয়া বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা শুরু করে একদল স্বেচ্ছাসেবী সহযোগীতায় শহর ও গ্রামাঞ্চলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।

    গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রাণ আরএফএর এর উদ্যোগে ব্রাহ্মণডোরা ইউপিতে ত্রাণ বিতরণ করে। কিন্তু উপজেলায় পৌর শহর ও ইউনিয়নে এলাকায় ত্রাণ বিতরণে কোন সমন্বয় না থাকায় অনেকেই একাধিকবার ত্রাণ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    সেই সাথে পৌর শহরের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে অসহায় হত দরিদ্র মানুষ অনেকেই উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা থেকে ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে জানান।

    পৌর শহরের ৪ নং ওয়র্ডের মোঃ আমিন আলীর স্ত্রী বিলকিছ বেগম (৩৫) বলেন, “শহরে অনেকেই ত্রাণ দিচ্ছেন শুনছি, কিন্তু এ পর্যন্ত সরওয়ার গ্রুপের পক্ষ থেকে যে চাল, ডাল, আলু, সাবান জিবানু নাশক পেয়েছি। অথচ উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা থেকে কোন কিছু পায়নি।

  • মাধবপুর পৌর সভায় ২শ কর্মহীন মানুষ পেল চাল

    মাধবপুর পৌর সভায় ২শ কর্মহীন মানুষ পেল চাল

    হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভায় করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে যাওয়া ২শ অসহায় পরিবার পেল সরকারের বিশেষ বরাদ্দের চাল।

    শুক্রবার দুপুরে মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৌর মেয়র হিরেন্দ্র লাল সাহা চাল বিতরণ করেন। পৌর সভার ৯ টি  ওয়ার্ডের  ২০০ জন কে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সভার দায়িত্বরত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম, যুবউন্নন কর্মকর্তা সফিকুর রহমান, একটি বাড়ি একটি খামার কর্মকর্তা পারভিন আক্তার।

    কাউন্সিলর অজিত পাল, দুলাল খা, আবুল বাশার, বাবুল হোসেন, আব্দুল হাকিম, ইসরাত জাহান ডলি, সপ্না পাল  সহ কাউন্সিলরগনও উপস্হিত ছিলেন।

    শায়েস্তাগঞ্জে সমন্বয়হীন ত্রাণ বিতরণ, অনেকেই হচ্ছেন বঞ্চিত!

    মেয়র হিরেন্দ্র লাল জানান সরকারি নির্দেশে বিশেষ বরাদ্দের দুই টন চাল করোনা ভাইরাসের কারনে  কর্মহীন বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে বিতরন করেছেন। অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে এ তালিকা  প্রস্তুত করে  এ চাল  বিতরন করা হয়।

  • হবিগঞ্জে যেসকল ডাক্তারগণ মোবাইলে সেবা দিবেন

    হবিগঞ্জে যেসকল ডাক্তারগণ মোবাইলে সেবা দিবেন

    হবিগঞ্জবাসীদের জন্য মোবাইলে জরুরী স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন বিশিষ্ট চিকিৎসকগন।

    এই মুহূর্তে যারা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন শুধুমাত্র তারাই ফোন করুন। যারা পুরনো রোগ,অসুস্থতা নিয়ে কথা বলতে চান অনুগ্রহ করে গুরুত্ব বিবেচনায় নতুন আক্রান্ত জরুরী রোগীদের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ দিন।

    নাক কান গলার স্বাস্থসেবা পেতে চাইলে
    ✓প্রফেসর ডাঃ কামরুল হাসান তরফদার
    সময়ঃ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।

    মোবাইলঃ 01756018000

    শিশুর স্বাস্থ্যসেবা পেতে
    ✓শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: মো: জমির আলী
    প্রতিদিন দুপুর ১২.৩০ থেকে ২.৩০ পর্যন্ত।

    মোবাইলঃ 01711163760

    মেডিসিন ও কার্ডিওলজি স্বাস্থ্যসেবা পেতে
    ✓এসিসট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ এজাজ আহমেদ
    সময়ঃ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    মোবাইলঃ 01819239437

    মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যসেবা পেতে দন্তুরোগ বিশেষজ্ঞ
    ✓ডা. এস এস আল – আমিন সুমন
    প্রতিদিন দুপুর ১২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত।

    মোবাইল : 01716690333

    মুখ ও দাঁতের সাস্থসেবা পেতে দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞ
    ✓ডা: মো: আলী আহসান চৌধুরী (পিন্টু)
    বেলা ১১ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।

    মোবাইল: 01674854838

    ✓স্বাস্থ্য সেবা নেবার সময় অবশ্যই কাগজ ও কলম সাথে রাখবেন। শুধুমাত্র জরুরী স্বাস্থ্যসেবা পেতে ফোন করবেন।