Category: হবিগঞ্জ

  • চুনারুঘাটে করোনায় আক্রান্ত হওয়া শিশুর মৃত্যু

    চুনারুঘাটে করোনায় আক্রান্ত হওয়া শিশুর মৃত্যু

    হবিগঞ্জ জেলার চুনারোঘাট উপজেলায় করোনা আক্রান্ত অসুস্থ শিশু আভাস তন্তবায় (৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট হাসপাতালে মারা গেছে।

    শনিবার রাত ৯টায় হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    সিলেটের করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত স্থান শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত চুনারুঘাটের ৫ বছরের এই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • সরকারি বৃন্দাবন কলেজের রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত

    সরকারি বৃন্দাবন কলেজের রসায়ন বিভাগের এক শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত

    সরকারি বৃন্দাবন কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী (ক) এর করোনা পজেটিভ এসেছে।

    বিঃ দ্রঃ এখানে ‘ক’ হলো প্রতীকী নাম। তার আসল নাম হবিগঞ্জ নিউজের নিকট সংরক্ষিত আছে। সামাজিক বিভ্রান্তি এড়াতে প্রকৃত নাম প্রকাশ করা হলো না।

    গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ডেপুটি সিভিল সার্জন এর জানান, হবিগঞ্জ জেলায় ৫ জনের করোনা পজেটিভ ধরা পড়েছে। এর মধ্যে ৪ জন চুনারুঘাট উপজেলার এবং একজন লাখাই উপজেলার।

    চুনারুঘাট উপজেলার ৪ জনের মধ্যে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ‘ ক ‘ এর করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। পাশাপাশি একই উপজেলার আরও এক শিশুর ও করোনা পজেটিভ আসে বলে জানা গিয়েছিল । ইতিমধ্যে সে শিশুটি মারা গেছে বলে জানা গেছে।

    ‘ ক ‘ ও ধরা পড়া অন্যান্য রোগীদের কে ইতিমধ্যেই আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি চুনারুঘাট সদর হাসপাতাল লক ডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে প্রতি ঘন্টায় ১ জনেরও বেশি করোনা রোগী শনাক্ত

    হবিগঞ্জে প্রতি ঘন্টায় ১ জনেরও বেশি করোনা রোগী শনাক্ত

    এম এ মজিদঃ হবিগঞ্জে প্রতি ঘন্টায় ১ জনেরও বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্টে এ তথ্যই উঠে আসে। শনিবার ২৪ ঘন্টায় প্রথমে ৫ জন, পরে ২০ জন, তারপর ১জনসহ মোট ২৬জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের স্বাস্থ্য বিভাগ।

    এর আগে ১৫ দিনে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন ২১ জন, ১৫ দিনের সংখ্যা ১ দিনেই অতিক্রম করেছে হবিগঞ্জে।

    এদিকে সিলেটে অটো রিক্সা চালক হবিগঞ্জের নিজামপুরের এক যুবক করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেট শামসুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছেন। তাকে শনিবার রাতে করোনা নীতি মেনে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। জানাযায় সিলেট থেকে আসা ৪জন অংশ গ্রহণ করেন।

    এরপরই মৃত্যু বরণ করেন করোনা আক্রান্ত চুনারুঘাটের চা বাগানের ৫ বছরের এক শিশু। দুই দিন আগে তার করোনা শনাক্ত হয়। তাকেও করোনা নীতি মেনে সৎকার করা হচ্ছে।

    একদিনে হবিগঞ্জে যে ২৬জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ১জন ডাক্তার, ২জন নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ২জন, এ্যাম্বুলেন্স চালক ২জন, আয়া ঝাড়ু দার ২জন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের একজন কর্মচারী, জেলা প্রশাসনের ১জন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, ২জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, ১জন নাজির রয়েছেন। তাছাড়া চুনারুঘাট উপজেলার ৪ জনের মধ্যে ১জন ডাক্তার রয়েছেন। বাকীরা লাখাই, মাধবপুর ও হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা।

    হবিগঞ্জের যখন এই অবস্থা এরই মধ্যে জেলার হোটেল রেস্তোরা খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তে জেলার বেশির ভাগ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ক্ষোভের মুখে রবিবার দুপুর ১১টার দিকে হোটেল রেস্তোরা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন জেলা প্রশাসক। হবিগঞ্জ জেলাকে এখনও লক ডাউন ঘোষনা না করার তীব্র সমালোচনা করা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    তবে এতো সব আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংবাদের মধ্যেই স্বাভাবিক জীবন যাপন চলছে হবিগঞ্জে। বাজারে ভিড় কমেনি। রাস্তাঘাটেও মানুষের ঝটলা দেখা যায় রবিবার সকাল থেকেই।

    এদিকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীদের গরম পানি ব্যবহারের জন্য কিছু ফ্লাক্স দিয়েছে করোনা রোগীর সেবায় নিয়োজিত “ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সচেতন নাগরিক কমিটি” নামে একটি সংগঠন।

    কমিটির সদস্য এডভোকেট সৈয়দ সামাউন বখত জানান- করোনা রোগীকে ভিন্ন চোখে দেখা হয়। আমরা করোনা নীতি মেনে তাদের প্রয়োজনীয় মৌলিক চাহিদা পূরনের চেষ্টা করছি। কমিটির আহবায়ক চৌধুরী মিছবাহুল বারী লিটন, সদস্য সচিব চৌধুরী ফরহাদসহ কমিটির নেতৃবৃন্দ সিভিল সার্জন অফিসে করোনা রোগীদের ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দেন।

  • বাহুবলের মিরপুরে ত্রাণ গ্রহিতার তালিকায় কোটিপতির নাম, বিতরনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

    বাহুবলের মিরপুরে ত্রাণ গ্রহিতার তালিকায় কোটিপতির নাম, বিতরনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

    দেশব্যাপী চলমান লকডাউনে সরকার দেশের নিম্নবিত্ত এবং নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষদের জন্য সারা দেশে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    শনিবার ইউনিয়ন অফিসের ওয়েবসাইটে ত্রাণ বিতরণের তালিকা প্রকাশ হলে, রীতিমত চোখ কপালে উঠে যায় ইউনিয়নের সচেতন মহলের।

    প্রকাশিত এ ত্রাণ বিতরনে প্রাপকের তালিকায় রয়েছেন মিরপুর বাজারের বেশ কয়েকজন শিল্পপতির নাম।
    প্রকাশিত এই তালিকা অনুযায়ী অনুসন্ধান চালালে উঠে আসে স্বজনপ্রীতি আর অনিয়মের চরম চিত্র।

    খোজ নিয়ে জানা যায় তালিকায় প্রকাশিত নাম এবং ঠিকানায় রয়েছে বেশ অসংগতি। তালিকায় নাম রয়েছে কিন্তু ত্রাণ পাননি এমন অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    তালিকায় একজন বর্তমান ইউপি সদস্যের নাম ও রয়েছে। তালিকার ৮৬-৮৮ নাম্বার ক্রমিকে রয়েছেন একই পরিবারের তিনজন সদস্য। যাদের বাড়ি পাশ্ববর্তী ভাদেশ্বর ইউনিয়নের পূর্বজয়পুর গ্রামে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিরপুর ইউনিয়নের অনেকেই জানান, এলাকায় অনেক হতদরিদ্র লোক থাকলেও ত্রাণ বিতরণের তালিকায় তাদের নাম পাওয়া যায় নি। যারা ত্রাণ পেয়েছেন তারা জনপ্রতিনিধিদের নিজস্ব বলয়ের লোক। বিপুল সংখ্যাক মানুষ যখন ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিনযাপন করছে তখন জনপ্রতিনিধিদের এ স্বজনপ্রীতি কে দেখবে?

    এ ব্যাপারে মিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন লিয়াকতের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি ত্রাণ আমি মেম্বারদের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে পৌছিয়ে দিয়েছি। শিল্পপতিদের কাছেও কি ত্রাণ পৌছিয়ে দিয়েছেন, এ প্রশ্নের জবাবে কোনো জবাব দিতে পারেন নি তিনি।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নিগ্ধা তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ফোন দিলেও রিসিভ করা হয়নি।

  • আজমিরীগঞ্জে বেহাল রাস্তা ফলে বিপাকে কৃষকরা

    আজমিরীগঞ্জে বেহাল রাস্তা ফলে বিপাকে কৃষকরা

    হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ শিবপাশার হাওরের ধান তুলতে চরম অসুবিধায় পড়ছেন কৃষকরা।
    বলতে গেলে অর্ধেক  আজমিরীগঞ্জবাসীর  ধানের  রাস্তা একটি হওয়াই কৃষকরা এই রাস্তা দিয়েই ধান ঘরে তোলেন।

    চিলারাই, আলকাটা, দুবাদলী, কুমড়াবন, হাইডোলা, বড়বন,দুর্ররা,নয়াবন,পাগলসী,জয়াললে,মুইয়ালী,উত্তর আগার আরো অনেক হাওর থেকে এই বড় সড়ক দিয়ে কৃষকে ধান তোলে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

    শিবপাশার হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান এই রাস্তা দিয়ে কৃষকরা তোলতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

    রাস্তার কারণে আজ সেই স্বপ্ন পুরণ হচ্ছে না হতভাগা কৃষকদের। এই হাওরের রাস্তাটি ঝুঁকিপূর্ণ।

    আর দু একদিদন বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যেতে পারে হাওরের পাকা ধান। সরকারি নির্দেশনা যে তাড়াতাড়ি ধান কাটতে হবে তাই কৃষকরা ধান কাটলেও তোলতে পারছেনা সঠিকভাবে।

    কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা হলে তারা জানান, ধান কাটতে কোন প্রশাসনিক সহযোগিতা বা জনপ্রতিনিধির সহযোগিতা আজও পাইনি আমরা। আমরা রাস্তার দ্রুত সংস্কার দাবি করছি।

  • হবিগঞ্জে ডাক্তার ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নতুন ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত

    হবিগঞ্জে ডাক্তার ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নতুন ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত

    শরিফ চৌধুরীঃ হবিগঞ্জে ডাক্তার, হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ আরও ২৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মাঝে শনিবার একদিনেই ২০ জন এবং শুক্রবার রাতে আরও ৫ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

    আক্রান্তদের ২০ জনই সদর উপজেলার বাসিন্দা। আক্রান্তদের মাঝে একজন সদর আধুনিক হাসপাতালের ডাক্তারসহ ১১ জন কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রশানের ৪ জন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সদর উপজেলার ২০ জন, চুনারুঘাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৪ জন এবং লাখাইয়ে ১ জন রয়েছেন। আক্রান্তদের ৬ জন মহিলা এবং অপর ১৯ জন পুরুষ। জেলায় এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ জন।

    হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে মঙ্গলবার আইইডিসিআর এ ৪৪ জনের করোনা পরিক্ষার নমুনা প্রেরণ করা হয়। শনিবার বিকেলে রিপোর্ট এসেছে ৩৪ জনের। এর মাঝে ২০ জনের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তাদের মধ্যে একজন সদর আধুনিক হাসপাতালের ডাক্তার ও একজন এম্বুলেন্স চালক রয়েছেন। তাদের ১৫ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। এছাড়া শুক্রবার রাতে সিলেট ল্যাব থেকে আরও ৫ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। তাদের মধ্যে চুনারুঘাটের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন ডাক্তার ও একজন স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৪ জন এবং লাখাইয়ে ১ জন। তাদেরকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। হবিগঞ্জ জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ জন। যা সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি।

    ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, শনিবার নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১১ জন সদর আধুনিক হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্টাফ এবং ৪ জন প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছেন। জেলায় এবারই সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছেন একদিনে।

    এদিকে হঠাৎই জেলায় করোনা আক্রান্তের হার বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু এরপরও অনেকেই অবাধে ঘোরাফেরা করছেন। বিশেষ করে শহরের চৌধুরী বাজারসহ কয়েকটি বাজার এবং প্রধান সড়কে মানুষের চলাচল অনিয়ন্ত্রিত। পুলিশ বার বার ধাওয়া দিয়েও মানুষ ঠেকাতে পারছেনা। পুলিশ চলে গেলেই মানুষ আবারও বেড়িয়ে পড়ে।

  • হবিগঞ্জ জেলা এই মুহুর্তে দেশের হটস্পটগুলোর তালিকায়

    হবিগঞ্জ জেলা এই মুহুর্তে দেশের হটস্পটগুলোর তালিকায়

    শরিফ চৌধুরীঃ হবিগঞ্জ জেলা এই মুহুর্তে দেশের হটস্পটগুলোর তালিকায়, প্রতিদিন আক্রান্ত বেড়েই চলেছে, আর এই মুহুর্তে ইফতারি বিক্রির অনুমতি দেয়াটা কতোটুকু যৌক্তিক হলো? এতে তো কমিউনিটি ট্রান্সমিশনটা আরো বেড়ে যাবে৷

    উন্নত-অনুন্নত সব দেশই যখন তাদের লকডাউন আরো বাড়াচ্ছে, আর আমরা সারা জেলা তো দুরের কথা নিজ পাড়া-মহল্লার লকডাউনটাও মানছিনা৷

    এই দেশের মানুষ কয়জনে লিখিত আইন মানে? ডান্ডা ছাড়া তো কাজ হয়না৷ মানুষ ঘরে রান্না করে যদি ভাত খেতে পারে তাহলে ইফতার কি করতে পারেনা? আর এই দেশের ব্যবসায়ীদের তো রমজান এলেই মাথায় শুধু ব্যবসা আর ব্যবসা। কিভাবে যে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে মুনাফা লাভা করা!

    সৌদিআরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে খবর নিয়ে দেখুন। রমজানে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করেনা। তারা এই পবিত্র মাসের ফজিলত ও আল্লাহর রহমত কামায়৷

    আর হোটেল, রেস্তোরাঁর ব্যবসায়ী ভাইদের বলবো, এই জীবন মরণের মহামারিতেও কি একমাস ব্যবসা না করলে হয়না? সারা জীবনই তো ব্যবসা করে কামালেন। কোথায় গেলো সারা জীবন বা সারা বছর হোটেলের ব্যবসায় কামাই করা টাকা-পয়সা?

    আগে নিজে বাঁচুন, ব্যবসা করতে গিয়ে যদি নিজে করোনায় আক্রান্ত হোন, তাহলে আপনার ও আপনার পরিবারের অবস্থাটা তখন কি হবে? ব্যবসার জন্য তো ভাই সারাজীবনই রয়ে গেছে৷ মহামারীটা চলে গেলে তো ভাই আপনাকে কেউ দোকানদারী করতে বাঁধা দিবেনা৷ আমিও তখন ইফতারি কিনতে আপনার হোটেল বা রেস্তোরাঁয় যাবো৷

    এখন তো আমার মতো সচেতন মানুষ যাবেনা। দলে দলে অসচেতন লোকজন একের পর এক নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে আপনাদের সাজিয়ে রাখা হোটেল-রেস্তোরায় ভীর করবে৷ এটাই এ দেশের মানুষের কালচার!

    তাই বলছি, করোনা কিন্তু কাউকেই চিনেনা। ব্যবসায়ী-টেবসায়ী অথবা কাস্টমার-টাস্টমার কাউকেই ছাড় দিবেনা ভাই৷ সময় থাকতেই সচেতন হোন, সাবধান হোন৷ নিজে বাঁচুন আর অপরকেও বাচতে দিন৷

    লেখক- সাংবাদিক।