Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জের যুবকের করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেটে মৃত্যু

    হবিগঞ্জের যুবকের করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেটে মৃত্যু

    শরিফ চৌধুরীঃ করোনা রোগের উপসর্গ নিয়ে হবিগঞ্জের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার তিনি সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে মারা যান। তিনি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জ্বর, সর্দি, শাসকষ্ট নিয়ে নিজামপুরের এক যুবক সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে (করোনা হাসপাতাল) ভর্তি হন। এরপর তার করোনা নমুনা পরিক্ষার জন্য দেয়া হয়। কিন্তু তার রিপোর্ট আসেনি। ইতিমধ্যে শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

    হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, তার করোনা পরিক্ষার নমুনা সংগ্রহ করে জমা দেয়া হয়েছে। এখনও রিপোর্ট আসেনি।

  • হবিগঞ্জে নতুন করে ২০ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে

    হবিগঞ্জে নতুন করে ২০ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে

    হবিগঞ্জে দুই চিকিৎসক ও ৫ নার্সসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ১৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র শনিবারই স্বাস্থ্য বিভাগের ১১ জন শনাক্ত হয়েছেন। তারা সবাই হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে কর্তব্যরত বলে জানা গেছে।

    বিষয়টি নিশ্চত করেছেন হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল। তিনি জানান- শনিবার শনিবার ঢাকা আইইডিসিআর থেকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। সেখানে নতুন করে ২০ জনের শরীরে করোনা সনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে একজন চিকিৎসক ও দুইজন নার্সসহ হবিগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের ১১ জন রয়েছেন।

    শনাক্তদের মধ্যে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের ১ জন চিকিৎসক, ২ জন নার্স, প্যাথলজি বিভাগের ২ জন, ২ জন ব্রাদার, ২ জন ড্রাইভার, ১ জন ঝাড়ুদার এবং ১ জন আয়া রয়েছেন।

    এর আগে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক ও দুইজন নার্সের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজনের শরীরেও করোনা শনাক্ত হয়।

    সূত্রে জানা গেছে- স্বাস্থ্য বিভাগের কারও শরীরে করোনার কোন উপসর্গ ছিল না। শুধুমাত্র সন্দেহজনকভাবে পরিক্ষা করানো হয়েছ। এর মধ্যেই তাদের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

  • বাহুবলে শিবপাশা মানবসেবা সংগঠনের উদ্যেগে খাদ্যসামগ্রী বিতরন

    বাহুবলে শিবপাশা মানবসেবা সংগঠনের উদ্যেগে খাদ্যসামগ্রী বিতরন

    করোনা আতঙ্কের কারনে লকডাউনে সারা দেশের জনজীবন বিপর্যস্ত। বিশেষত নিম্নমধ্যবিত্ত দিনমজুর শ্রেণীর কাছে লকডাউন যেন এক আতঙ্কের নাম। দিন শেষে তাদের একটাই চিন্তা দু মুঠো ভাত তুলে দিতে পারবেন তো প্রিয়জনদের মুখে?

    জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে বাহুবলে এগিয়ে এসেছে “চিল্ডেন্স ভিশন” সহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
    গতকাল ২২ শে এপ্রিল উপজেলার অবহেলিত গ্রাম শিবপাশায় নিম্নবিত্ত মানুষদের মাঝে খাদ্য- সামগ্রী বিতরন করে শিবপাশা সমাজ সেবা যুব সংঘ।

    এ ব্যাপারে সংগঠনের অন্যতম সমন্বয়ক মশিউর রহমান সাদী এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা মানুষজনের আত্মসম্মানবোধের প্রতি লক্ষ্য রেখে খাদ্যসামগ্রী রাতের অন্ধকারে পৌছিয়ে দিয়েছি মানুষের বাড়ি বাড়ি। আমাদের প্রত্যাশা প্রতিটি এলাকাতেই যেন বিত্তবানরা এগিয়ে আসেন জাতির এই দুর্দিনে।

  • মাধবপুরে রমজান উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের দুধ বিতরন

    মাধবপুরে রমজান উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের দুধ বিতরন

    মোঃজাকির হোসেনঃ হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান রমজান উপলক্ষ্যে জেলার প্রতিটি উপজেলার মতো মাধবপুরেও দুধ বিতরণ শুরু করেছেন।

    রমজানে পরিপূর্ণ পুষ্টি ও করোনা ভাইরাসের মতো রোগ থেকে বাঁচতে হলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ার বিকল্প নেই। নিম্ন আয়ের শ্রমজীবি মানুষ, বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের জন্য দুধ বিতরন করা হবে।

    শুক্রবার সকালে বিতরনের প্রথম দিনে মাধবপুর পৌরসভার গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত ১০০ পরিবারের মাঝে দুধ বিতরণ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আয়েশা আক্তার।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাশনূভা নাশতারাণ জানান, রমজান উপলক্ষে বয়স্ক ও শিশুদের মাঝে দুধ বিতরণ করার জন্য ডিসি স্যার উদ্যোগ নিয়েছেন। মাধবপুরেও আমরা জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে আজকে পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডে দুধ বিতরন করেছি।

    এছাড়াও ধান কাটার শ্রমিকদের উৎসাহ দিতে হবিগঞ্জের হাওরে কৃষকদের মধ্যে খাদ্য নিয়ে ছুটেছেন জেলা প্রশাসক। শিশু খাদ্যসহ কৃষকদের মাঝে বিতরণ করেছেন ত্রাণসামগ্রী। কর্মকর্তাদের নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন হাওরের পর হাওর। ঐক্যবদ্ধভাবে ধান কাটতে উৎসাহিত করছেন। এ দিকে জেলা প্রশাসকের দুধ পেয়ে খুশী বয়স্ক মানুষরা।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুধ বিতরণের পাশাপাশি শিশু খাদ্যও বিতরণ করা হচ্ছে। এর মাঝে পাউরুটি, গুঁড়া দুধ ছাড়াও জেলা প্রশাসকের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কলা দেয়া হচ্ছে।

    কৃষক ও শ্রমিকদের দেয়া হচ্ছে চাল, আলু, ডাল। এ ছাড়াও নাস্তা হিসেবে তাদেরকে পাউরুটি ও কলা দেয়া হয়। ধান কাটা তদারকি করার পাশাপাশি কৃষক ও শ্রমিকদের উৎসাহও দেয়া হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ এবং নবীগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ ধান কাটা তদারকি করা হয়।

  • মাধবপুর ধর্মঘরে নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ বিতরণ

    মাধবপুর ধর্মঘরে নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ বিতরণ

    মোঃজাকির হোসেনঃ “মানুষ মানুষের জন্যে” এই প্রতিপাদ্য টি বুকে লালন করে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ১ নং ধর্মঘর ইউনিয়নের সোয়াবই পূর্বপাড়া গ্রামের জাবেদুল ইসলাম এর উদ্যোগে মাসুদুর রহমান, ফুলু মিয়া, রজব আলী, মফিজুল, ডালিম, সাদ্দাম, হেলাল, কামাল মিয়ার সহযোগিতায় রমজান মাসকে সামনে রেখে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ফলে উদ্ভূত এই মহাবিপর্যয়ে সোয়াবই পূর্বপাড়া সমাজের নিম্নআয়ের মানবেতর জীবন যাপন করিতেছে এমন অন্তত ২০টি পরিবারের মাঝে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    ত্রাণ সহায়তার প্রতিটি পরিবারকে ৫ কেজি চাউল ১ কেজি তেল ১ কেজি আলু ১ কেজি পিঁয়াজ ১ কেজি ডাল ১ কেজি ছোলা বুট ১ কেজি মুড়ি ও ১ টি করে সাবান প্রদান করা হয়েছে।

    ত্রাণ সহায়তার উদ্যোগতা জাবেদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা নিজ দায়িত্ববোধ থেকেই সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ত্রাণ সহায়তা করে যাচ্ছি।

    করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় দয়া করে আপনারা সবাই ঘরে থাকুন। সরকারী নির্দেশ মেনে চলুন। যদি দেশকে ভালোবাসেন, দেশের মানুষকে ভালোবাসেন, আপনার পরিবারকে ভালোবাসেন তাহলে দয়া করে ঘরে থাকুন। আমরা আপনাদের পাশে আছি। আল্লাহ এই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস থেকে সবাইকে রক্ষা করুক।

  • হবিগঞ্জ জেলা এখন সিলেট অঞ্চলের রেড জোনে পরিণত হচ্ছে

    হবিগঞ্জ জেলা এখন সিলেট অঞ্চলের রেড জোনে পরিণত হচ্ছে

    শরিফ চৌধুরী: করোনা ভাইরাস আক্রান্তে সিলেট বিভাগের হটস্পট এখন হবিগঞ্জ জেলাকে বলা হচ্ছে৷ গত ৩ দিনে ১৮ জন শনাক্ত হওয়ার খবরে আতংকিত হয়ে গেছেন জেলার মানুষ।

    স্থানীয়রা বলছেন, নারায়ণগঞ্জকে বলা হচ্ছে বাংলাদেশে করো’না ভাই’রাসের এপিসেন্টার (উপকেন্দ্র)। হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিপুল সংখ্যক নারী পুরুষ নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিল্প কারখানায় কাজ করেন। নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর প্রতিদিন দলে দলে বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাসে করে এসব শ্রমিক হবিগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় নিজ বাসস্থানে এসেছেন।

    বিশেষকরে আজমিরিগঞ্জ, বানিয়াচং, লাখাইয়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ ফেরত মানুষ এসেছে বেশি৷ এরা হোমকোয়ারেন্টিন না মানায় এর খেসারত এখন দিতে হবে পুরো হবিগঞ্জ জেলাবাসীকেই৷

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হবিগঞ্জের এক চিকিৎসক জানান, হবিগঞ্জের কয়েকটি এলাকা আছে এখানে ১ হাজার জনের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করলে ৮শ’জনই আক্রান্ত পাওয়া যাবে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর সিলেটের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান জানান, হবিগঞ্জের ১৮ জন বাদে সিলেটের অন্য ৩ জেলায় করোনা পজিটিভ এসেছে মাত্র ৮ জনের। তার মধ্যে মা’রা গেছেন ডা. মঈন উদ্দিন ও মৌলভীবাজারে এক ব্যক্তি। আক্রান্ত ৫ জন শহীদ ডা. শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

    হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, হবিগঞ্জে সোমবার সিলেটের ল্যাব থেকে ডাক্তার-নার্সসহ ১০ জনের করোনায় পজিটিভ এসেছে৷ মঙ্গলবার এসেছে আরো ২ জনের পজিটিভ৷ বুধবার এসেছে আরো ৫ জনের পজিটিভ৷ এর মধ্যে লাখাই উপজেলায় ৫ জন, বানিয়াচঙ্গে ৩ জন, বাহুবলে ৩ জন, আজমিরিগঞ্জে ১ জন ও চুনারুঘাট উপজেলায় ২ জন এবং মাধবপুর উপজেলায় ২ জন রয়েছেন। সর্বশেষ ৫ জন নিয়ে হবিগঞ্জে মোট ১৮ জন করোনায় আ’ক্রান্ত হলেন।

    সিভিল সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সোমবারের ১০ জনের মধ্যে নার্স ছাড়া সবাইকেই হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে৷ আর মঙ্গলবারের যে আরো ২ জন শনাক্ত হয়েছেন, তাদেরকের আনা হয়েছে৷ বুধবারের ৫ জন তাদের নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছে।

  • হবিগঞ্জে আরো ৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত, মোট শনাক্ত ১৮

    হবিগঞ্জে আরো ৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত, মোট শনাক্ত ১৮

    শরিফ চৌধুরী: হবিগঞ্জে আরো ৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় ১৮ জন রোগী সনাক্ত করা হয়েছে।

    বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নিকট সিলেট ল্যাব থেকে এই রিপোর্টটি এসে পৌছে। আক্রান্তরা নিজ নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছেন হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল।

    তিনি জানান, করোনা ভাইরাসের পরিক্ষার জন্য তাদের নমুনা বিভিন্ন সময়ে সিলেটে প্রেরণ করা হয়েছিল। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার পর তাদের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছে বাহুবলের ২ জন, লাখাই, মাধবপুর ও চুনারুঘাটের ১ জন করে।