Category: হবিগঞ্জ

  • ৮১ বছর বয়সেও নিয়মিত রোগী দেখছেন ডা. তপন

    ৮১ বছর বয়সেও নিয়মিত রোগী দেখছেন ডা. তপন

    স্বাধীনতার পূর্বে হবিগঞ্জ শহরে দুই একজন চিকিৎসক ছিলেন যারা রোগীর সেবা দিতেন। শহরের মধ্যস্থান সবুজবাগ এলাকায় জনগণের চিকিৎসার ভরসারস্থল ছিল ডা. তপন দাশ গুপ্তের চেম্বার।

    ৫০ বছরে শহরের অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। এখন পাড়ায় পাড়ায় ক্লিনিক আর ডাক্তারের চেম্বার। কিন্তু করোনার কারণে পুরো শহরে দেখা দিয়েছে চিকিৎসা সংকট। ফলে ৫০ বছরের পুরনো সেই সবুজবাগ এলাকার ডা. তপন দাশ গুপ্তের চেম্বারই চিকিৎসার ভরসা দিচ্ছে শহরবাসীকে।

    করোনার কারণে যখন হবিগঞ্জ শহরের প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো প্রায় বন্ধ। চিকিৎসকের চেম্বারগুলো ফাঁকা তখন ৮১ বছরের বৃদ্ধ ডা. তপন দাশগুপ্ত নিয়মিত রোগী দেখছেন তার চেম্বারে। প্রতিদিন তিনি সকাল ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বসেন চেম্বারে। রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ। এতদিন কোনো পিপিই না থাকায় মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করে রোগী দেখতেন। ১৬ এপ্রিল থেকে (বৃহস্পতিবার) তিনি পিপিই ব্যবহার করে চেম্বার করেন।

    ডা. তপন দাশ গুপ্ত জানান, রোগীর সেবা করার জন্যই আমরা ডাক্তারি পেশায় এসেছি। সংকটকালে আরো বেশী দায়িত্বশীল হওয়া আমাদের প্রয়োজন। আমরা যদি জনগণকে চিকিৎসা না দেই তাহলে তারা যাবে কোথায়।

    ডা. তপন দাশ গুপ্তের ভাতিজা অ্যাডভোকেট দেবাংশু দাশ গুপ্ত জানান, তার কাকা অন্য সময় যতক্ষণ চেম্বার করতেন করোনা আসার পরও সেভাবেই চেম্বার করছেন। বয়সের কারণে শারীরিকভাবে সমস্যা হওয়ায় এক বেলাই চেম্বার করেন।

    তবে যতক্ষণ রোগী থাকে তিনি সবাইকে দেখেই বাসায় ফেরেন।

    ডা. তপন দাশ গুপ্ত ৫৩ বছর যাবৎ হবিগঞ্জ শহরের সবুজবাগ এলাকায় তার বাসার সাথে মেডিকেয়ারে চেম্বার পরিচালনা করে আসছেন। তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তি। শিক্ষার্থী ও দরিদ্র লোকজনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ঔষধ দেওয়ার জন্য তার সুনাম সর্বত্র।

    চিকিৎসক হিসাবে তিনি হবিগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বায়োজ্যেষ্ঠ।

  • বাহুবলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

    বাহুবলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

    হবিগঞ্জের বাহুবলে স্বামীর হাতে শিল্পী আক্তার (২৬) নামে এক গৃহবধু খুন হয়েছে।

    সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৬ টার দিকে উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের কামাইছড়া এলাকায় এক লেবু বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

    এদিকে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ খুনের অভিযোগে নিহত শিল্পী আক্তারের স্বামী সেলিম (৩০) কে ঐদিন দুপুরে উপজেলার মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে।

    নিহত শিল্পী আক্তার চুনারুঘাট উপজেলার হাটজুরা গ্রামের আব্দুল সালামের মেয়ে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যেরবাজার গ্রামের ছিদ্দিক আলীর পুত্র সেলিম তার স্ত্রী শিল্পী আক্তারকে নিয়ে কামাইছড়া এলাকায় রাজ্জাক মিয়ার লেবুর বাগানে বসবাস করে দেখাশুনা করত।

    রোববার রাতে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সেলিম রাগান্বিত হয়ে শিল্পী আক্তারকে মারধর করলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে সে। পরে পাশ্ববর্তী লোকজন এসে মাথায় পানি দিলে জ্ঞান ফিরে আসলে স্বামীর সাথে একই ঘরে শুয়ে পড়ে। পরে বিনা চিকিৎসায় ঘরের মধ্যেই সোমবার সকাল ৬ টার দিকে শিল্পী আক্তার মারা যায়।

    পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত শিল্পী আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় এবং ঘাতক স্বামী সেলিমকে ঐদিন দুপুরে উপজেলার মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

    বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • চুনারুঘাটে ফোন করলেই ত্রাণ পৌঁছে দেন আ’লীগ সভাপতি

    চুনারুঘাটে ফোন করলেই ত্রাণ পৌঁছে দেন আ’লীগ সভাপতি

    জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ফোন করলেই ত্রাণ পৌছে দেন চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট মো. আকবর হোসেন জিতু।

    করোনা ভাইরাসের কারণে সরকারি আদেশে ঘরবন্ধী নিম্ন আয়ের সুবিধাবঞ্চিত অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের কথা ভেবে ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা উদ্যোগ নেন তিনি।

    ইতিমধ্যে চুনারুঘাট পৌরসভা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অসহায় মানুষদের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী কার্যক্রম শুরু করেছেন।

    মানুষের বাড়ি বাড়ি ত্রাণ সমাগ্রী পৌছানোর দায়িত্বে রয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আপ্যায়ণ বিষক সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ আল আমিনসহ ছাত্রলীরে একটি টিম।

    উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আকবর হোসেন জিতু বলেন-জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে দিনমজুর, অসহায় ও গরীরদের জন্য খাদ্য সামগ্রী বিতরণে উদ্যোগ নিয়েছি।

    আমি কোন ধরনের গাছ, বালু, টেন্ডাবাজী, ঠিকাদারীর সাথে জড়িত নয়। আমার ওকালতি পেশা থেকে উপার্জনের টাকা দিয়ে সহযোগিতা করছি মানুষকে। এছাড়াও আমার স্ত্রী ত্রাণ বিতরণ করার জন্য ১লক্ষ টাকা দিয়েছেন।

    আমি তাদেরকে দেই যারা বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও ১০ টাকা দামের চাল থেকে বঞ্চিত লোকের বাড়ি বাড়ি ত্রাণ পৌছে দেই। আমার নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যার যার অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। আমার যতটুকু সামর্থ্য আছে আমি উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শুরু করেছি।

    তিনি আরও বলেন-যেখানে লোক না খেয়ে আছে আমি আগে তাদের বাড়িতে খাবার পৌছে দেয়ার জন্য দুই মোটরসাইল দিয়ে তাদের বাড়িতে তাৎক্ষনিক পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করি।

    নেত্রী বলেছেন মানুষ ঘরে থাকতে, ত্রাণ আমরা ঘরে পৌছে দেবো। ঘরবন্ধী মানুষের ঘরে ত্রাণ পৌছে দেয়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকেও রক্ষা পাবে। তাই বাড়ি বাড়ি ত্রাণ সমাগ্রী পাঠানো ব্যবস্থা করছি।

    যদি কেউ না ত্রাণ না পেয়ে থাকেন তাহলে আমার সাথে ফোনে যোগাযোগ করেণ এই নাম্বারে মোবাইল-০১৭১১-৫৮৫৫২০। এছাড়ার আমার দলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ প্রত্যেক নেতাকর্মীর সাথে যোগাযোগ করে দিয়েছি তাঁদের বলেদিয়েছি সামর্থ্য অনুযায়ী তারা যেন অসহায় মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা করেণ।

  • বানিয়াচংয়ের এসিল্যান্ড করোনায় আক্রান্ত

    বানিয়াচংয়ের এসিল্যান্ড করোনায় আক্রান্ত

    হবিগঞ্জ বানিয়াচংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বানিয়াচং উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান মতিউর রহমান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

    রবিবার রাত ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মামুন খন্দকার জানান, গত ২৩ এপ্রিল তার নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রবিবার রাতে পরীক্ষায় তার নমুনায় করোনা পজিটিভ এসেছে।

    ইউএনও আরও জানান, করোনা আক্রান্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মতিউর রহমান বর্তমানে জেলা শহরস্থ তার নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। তিনি সার্বক্ষণিক তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন।

    জানা গেছে, খান মতিউর রহমান প্রায় প্রতিদিনই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতেন। চলমান সংকট চলাকালেও সকাল-সন্ধ্যা ছিল কর্তব্যরত এলাকায় তার পদচারণা।

    গত ৭ দিন সকাল সন্ধ্যা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের বাড়ি বাড়ি সরকারি সহায়তা বিতরণ এবং বাজার মনিটরিংসহ নানা কার্যক্রমে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।

  • নবীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    নবীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব তিমিরপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৪ জন আহত হয়েছেন।

    গতকাল রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭ ঘটিকার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে।

    সংঘর্ষের ঘটনায় আহতরা হলেন- নুরু মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (২৫) ও আফছর মিয়া (৩২) এবং অপরপক্ষের বুরহান মিয়া (৬৫) ও আরাফাত উল্লা (৭০)।

    আহত ৩ জন কে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন এবং রুবেল  মিয়া (২৫) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আফছর মিয়া (৩২)  জানান, বাড়ির পাশে শেলু মিয়ার অটো রাইসমিলের কাছে পুকুরের মধ্যে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে।

    প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের পর এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    খবর পেয়ে এস.আই সমীরণের নেতৃত্বে নবীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরে দু’পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করেছেন।

  • মাধবপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় জরিমানা

    মাধবপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় জরিমানা

    মাধবপুর উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৫,৫০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তার মাধবপুর বাজারে আইন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমান করেন।

    এদিকে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে কেউ যাতে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের না হন, এজন্য সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলা জুড়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। মাধবপুরে করোনার ঝুঁকি এড়াতে সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ফার্মেসি ব্যতীত।

    এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তার জানান, প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে যারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া যারা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেশি ধরবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

  • বাহুবলের লাঞ্চের বদলে ইফতার চাওয়ায় শ্রমিকের উপর হামলা

    বাহুবলের লাঞ্চের বদলে ইফতার চাওয়ায় শ্রমিকের উপর হামলা

    হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার নতুন বাজারে অবস্থিত ওমেরা সিলিন্ডার কোম্পানীতে লাঞ্চের বদলে ইফতার চাওয়ায় শ্রমিকদের উপর হামলা করেছে কোম্পানীর ম্যানেজম্যান্টের লোকজন। এ ঘটনায় আহত ২ শ্রমিক ও কোম্পানীর অ্যাডমিন ম্যানেজার নুরুন্নবী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে ৪ শ্রমিককে চাকরিচ্যুত করায় আন্দোলনে নামে ফ্যাক্টরীর পুরো শ্রমিক। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে তাদের প্রোডাকশনে নিয়ে যায়।

    জানা যায়, ওমেরা সিলিন্ডার কোম্পানী শ্রমিকদের দুপুরে লাঞ্চ প্রদান করত। শনিবার রমজান শুরু হওয়ায় তারা লাঞ্চের বদলে কোম্পানীর ম্যানেজম্যান্টের কাছে ইফতার দাবী করে। কিন্তু কোম্পানীর কর্তৃপক্ষ লাঞ্চ না করলে ইফতার দিবে না বলে শ্রমকিদের জানায়। এসময় শ্রমিককের সাথে কোম্পানীর লোকদের তর্কাতর্কি হয়। এক পর্যায়ে অ্যাডমিন ম্যানাজার নুরুন্নবীর নেতৃত্বে একদল অফিসার গোটা কয়েক শ্রমিকের উপর হামলা করে। এ হামলায় শ্রমিক তোফাজ্বল, সৈয়দ আলী, শ্রাবন, মুবিন আহত হয়। গুরুত্বর আহত তোফাজ্বল ও সৈয়দ আলীকে বাহুবল হাসাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করা হয়। এ দিকে শ্রমিকদের অবস্থা বেগতিক দেখে অ্যাডমিন ম্যানেজার নুরন্নবীও হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

    আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে শ্রমিকরা কাজে এসে দেখে আহত শ্রমিক তোফাজ্বল, সৈয়দ আলী,শ্রাবন, মুবিনকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিকরা প্রোডাকশন বন্ধ করে আন্দোলনের ডাক দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের চাকুরীতে ফিরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিলে তারা প্রোডাকশনে ফিরে।

    চাকুরী হারানোর ভয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন শ্রমিক জানান, আমরা রোজা রাখি লাঞ্চ করব না, ইফতার বাবত ৭০ টাকা দাবি করলে অ্যাডমিন ম্যানেজার তাদের উপর হামলা করে চাকুরিচ্যুত করে দেন।

    তারা জানায়, বর্তমানে করোনা ভাইরাসেও আমাদেরকে জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করতে হয়। তাদের নেই কোন নিরাপত্তা সরঞ্জাম।

    কামাইছড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই সেলিম জানান, এই বিষয়টি নিয়ে বসেছি, পরে জানাতে হবে।

    ওমেরা সিলিন্ডার কোম্পানীর অ্যাডমিন ম্যানেজার নুরুন্নবী ফোনে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।