Category: হবিগঞ্জ

  • শায়েস্তাগঞ্জে মহিষের মাংস জব্দ !

    শায়েস্তাগঞ্জে মহিষের মাংস জব্দ !

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রিজিং গাড়ি ছাড়া সিএনজি যোগে প্যাকেটজাত মহিষের মাংস বহণের অপরাধে ও ব্যবসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এক মাংস ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

    আজ সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদলতের বিচারক উপজেলার নির্বাহী অফিসার সুমী আক্তার ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৩ ধারায় মাংস ব্যবসায়ী আব্দুর রউফ সবুজকে জরিমানা আদায় করেন এবং মাংসগুলো জব্দ করে গর্তে পুতে রাখা হয়।

    এর আগে সকালে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিরামচর নামকস্থান থেকে সিএনজিযোগে ৪২ কেজি মাংস নিয়ে যাবার সময় ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতে গাড়ি আটক করেন পুলিশের এসআই কামরুল ইসলাম।

    উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রণপদ দে ও উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর শেখ মোঃ আব্দুল জলিল বিষয়টি নিশ্চিত করে  জানান- মহিষের মাংষগুলো ভারত থেকে আনা হয়েছে। সেগুলো প্রিজিং পদ্ধতিতে না রাখায় ও মাংস ব্যবসার জন্য প্রয়োজনী কাগজ পত্র না থাকায় বিক্রি এবং খাবারের অনুযোগী।

    তারা জানান- মাংসগুলো ধ্বংস করে মাটিতে পুতে রাখা হয়েছে।

  • শায়েস্তাগঞ্জে ত্রাণের চাল নিয়ে চালবাজি করায় ইউপি চেয়ারম্যান বহিষ্কার

    শায়েস্তাগঞ্জে ত্রাণের চাল নিয়ে চালবাজি করায় ইউপি চেয়ারম্যান বহিষ্কার

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নূরপুর ইউনিয়নে সরকারি চাল বিতরণের অভিযোগে চেয়ারম্যান ‘মখলিছ মিয়া’র বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় তাকে আওয়ামীলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    শনিবার (৯ মে) রাতে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল বহিষ্কার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

    এ বিষয়ে তিনি জানান, সরকার ত্রাণের পণ্য নিয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে তাই এ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সুযোগ নেই।

    তিনি বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান মখলিছ মিয়া নৌকার মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। এ অবস্থায় ত্রাণ এবং ভিজিডি নিয়ে তার অনিয়মের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকেও বহিষ্কার করা হবে। রাত পৌনে ১১টায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আদিল হোসেন জজ মিয়া স্বাক্ষরিত বরখাস্তের চিঠি জেলায় পাঠানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, নূরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মখলিছ মিয়া সরকারি চাল বিতরণে চরম অনিয়ম করেছেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার রাতে তার হেফাজত থেকে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১ হাজার ৭শ কেজি চাল জব্দ করা হয়েছে। আরও ৩শ কেজি চালের হদিস পাওয়া যায়নি।

    এছাড়াও টিপসই নিয়ে ভিজিডি কর্মসূচির চাল প্রদান না করার অভিযোগও প্রমানিত হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াছিন আরাফত রানার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে এসব চাল জব্দ করে এবং অভিযোগের সত্যতা পায়।

    অভিযানের খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মখলিছ মিয়া গ্রেফতার এড়াতে গা ঢাকা দিয়েছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • মাধবপুরে করোনা পরিস্থিতিতে সংগ্রামী সদস্যদের পাশে গ্রামীণ ব্যাংক

    মাধবপুরে করোনা পরিস্থিতিতে সংগ্রামী সদস্যদের পাশে গ্রামীণ ব্যাংক

    মোঃ জাকির হোসেনঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে গ্রামীন ব্যাংকের সংগ্রামী (ভিক্ষুক) সদস্যদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ অব্যাহত রেখেছে গ্রামীন ব্যাংক।

    করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে জন জীবন বিপর্যস্ত। অঘোষিত লক ডাউন চলায় খাবারের অভাবে দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে সাধারন মানুষ। খেটে খাওয়া মানুষ খাবারের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। সরকারের পাশাপাশি সারা বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংক অসহায়দের খাবারের ব্যবস্থায় নিজেদের নিয়োজিত করেছেন।

    করোনা ভাইরাস জনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখাসমুহের সংগ্রামী (ভিক্ষুক) সদস্যদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ টাকা দিয়ে সহায়তা করে আসছে।

    মাধবপুর এরিয়ার সভাপতি মোঃ আব্দুস শহীদ জানান, হবিগঞ্জ জোনের মাধবপুর এরিয়াতে ১২ টি শাখার মাধ্যমে ৮৬ জন হত দরিদ্র ভিক্ষুক সদস্যদের মাঝে ত্রান ও নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়। প্রত্যেক সদস্যকে এপ্রিল/২০ইং মাসে ১ম দফা ও মে/২০ইং মাসে ২য় দফা খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরন করা চলছে।

    হবিগঞ্জ জোনের জোন প্রতিনিধি জনাব মোঃ আমিনুর রহমান জানান, গ্রামীণ ব্যাংকের ২৫৬৮ টি শাখার ৩০০০০ হত দরিদ্র সদস্যদের মাঝে এবং হবিগঞ্জ যোনের আওতায় ৬ টি এরিয়াতে তাদের খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ সহায়তা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবে গ্রামীণ ব্যাংক।

    জানা যায় রোববার সকালে গ্রামীণ ব্যাংক আদাঐর মাধবপুর শাখায় সংগ্রামী সদস্যদের মাঝে ত্রান হিসেবে চাউল ৩০ কেজি, ডাল ৪ কেজি, তেল ২ লিটারে, আলু ৮ কেজি, পেয়াজ ৪ কেজি, লবন ২ কেজি, সাবান ৪ টি ও নগদ ৬০০ টাকা বিতরন করা হয়।

    বিতরনের সময় উপস্তিত ছিলেন মাধবপুর পৌর কাউন্সিলর বিশ্বজিত দাস, হবিগঞ্জ জোনের জোন প্রতিনিধি আমিনুর রহমান, এরিয়া ম্যানেজার ক্ষুদিরামন পাল, প্রোগ্রাম অফিসার হাফিজুর রহমান, এরিয়া সভাপতি আব্দুস শহীদ প্রমুখ।

  • দেশ কি স্বাভাবিক পথে?

    দেশ কি স্বাভাবিক পথে?

    দীর্ঘ দেড় মাসেরও বেশী সময় ধরে চলমান লকডাউন আজ থেকে খোলা হচ্ছে সীমিত আকারে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রথম সনাক্ত হন করোনা রোগী। তারপর ২,৪,৮…করে জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে সংক্রমন।

    পরিস্থিতি সামলাতে পুরো দেশ লকডাউন করে দেয় সরকার। প্রসাশনের কড়া তদারকিতে কিছুটা ধীর গতিতে ছড়ছিল করোনা ভাইরাস।

    আজ থেকে দেশের সব জায়গায় লকডাউন শিথিল করা হলেও, কার্যত লকডাউন শিথিল হয় ৫ দিন পূর্ব থেকেই। প্রসাশনের কড়াকড়ি না থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থানেই দোকানপাঠ সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেন ব্যবসায়ীরা।

    হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার প্রবেশদ্বার মিরপুর বাজারে গত ৫ মের পর থেকেই জনসমাগম চোখে পরার মতো। সরকার লকডাউন খুলে দিলেও জুড়ে দিয়েছে বাজার- মার্কেটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্ত।

    প্রতিটি মার্কেটের প্রবেশপথে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকার শর্ত রয়েছে। রয়েছে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা।

    আজ (১০ মে) সরেজমিনে মিরপুর বাজার ঘুরে দেখা যায় কোথাও নেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সামান্যতম জো। পুরো বাজারে কোনো মার্কেটেই পাওয়া যায় নি হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার বিধি মানছেন না কেউই।

    অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তারা যেন ভুলেই গেছেন প্রাণঘাতী করোনার তান্ডব। এমনকি ফেস- মাস্ক পড়তে দেখা যায়নি ন্যূনতম ১০ শতাংশ লোককেও।

    বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আক্রান্ত ১৪৪২৫ জন মানুষ। ভয়ংকর তথ্য হলো এর মধ্যে ৬ হাজারের বেশী মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন গত ১০ দিনে।

    এমন পরিস্থিতিতে মানুষের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরনে আগামীতে আরো ভয়াবহ রুপ ধারন করতে পারে করোনা ভাইরাস।

    এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন মিরপুরের সচেতন মহল। তারা বলছেন এখনই যদি মানুষ করোনার পৈশাচিক তান্ডবের কথা ভুলে যায় তাহলে পুরো দেশের মতোই অসচেতনতার ভয়ংকর প্রতিফল ভোগ করতে হতে পারে বাহুবল ও মিরপুর বাসীকেও।

  • বাহুবলের মিরপুর ইউপি চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

    বাহুবলের মিরপুর ইউপি চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

    বাহুবলে করোনাভাইরাসের মহামারীতে বৈশ্বিক পরিস্থিতীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার গরীবের ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতকারী ৬নং মিরপুর ইউপি সাইফুদ্দিন এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন এলকাবাসী।

    আজ সোমাবার (১১ মে) সকাল ১০ টায় উপজেলার মিরপুর চৌমুহনীতে এলাকার ত্রাণ বঞ্চিত ও সর্বস্তরের জনগনের উদ্যোগে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

    মিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিনের গদত্যাগ চাই, প্রধানমন্ত্রীর উপহার ভেস্তে যেতে দেবোনা, বঙ্গবন্ধুর বাংলায় চাউল চোরের ঠাঁই নাই, চাউল চোর ও চাল আত্মসাতকারী চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন এর বিচারের দাবীসহ বিভিন্ন লেখাযুক্ত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে এলাকার ভুক্তভোগী জনগন রোজার মাঝে প্রখর রোদে দাড়িয়ে মানববন্ধন করেন।

    এসময় মানবন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, ত্রাণের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর উপহার আমাদের হাতে না দিয়ে স্বাক্ষর ও টিপসই জাল করে আত্মসাৎ করেন চেয়ারম্যান।

    তারা আরও বলেন, অন্য ইউনিয়নের একই পরিবারের তিন জনের নাম তালিকায় অন্তর্ভূক্তিসহ শতাধিক ভুয়া নাম তালিকায় অন্তর্ভূক্তি করে ত্রাণ সামগ্রী আত্মসাৎ করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান।

    জানা যায়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কর্মহীন নিন্ম আয়ের মানুষের মাঝে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    কিন্তু হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ৬নং মিরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাইফুদ্দিন লিয়াকত এর ত্রাণ বিতরণে ব্যাপক অনিয়মও আত্মসাতের ফলে এলাকার শত শত অসহায়, দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষ প্রধানমন্ত্রীর উপহার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

    ত্রাণের তালিকায় রয়েছে চেয়ারম্যান এর শশুড়, শাশুড়ী, শ্যালক, শ্যালকপুত্র, সমন্ধিকের বউ, ৩নং বউয়ের বড়বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন। অনেকেই আবার একাধিকবার ত্রাণ পেয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    এছাড়া মিরপুর বাজারের কয়েকজন বিশিষ্ট কোটিপতিসহ ১৮ জন ব্যবসায়ী রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউপির কয়েকজন গ্রামপুলিশ ও দফাদারসহ এবং তাদের পরিবারের অনেক সদস্য। রয়েছে পছন্দসই লোক, ত্রাণ আত্মসাত করার উদ্দেশ্যে গায়েবি তালিকা করা হয়েছে এবং পিতা/স্বামীর নামেও রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম ও গড়মিল। আবার অনেকের নাম তালিকায় থাকলেও ত্রাণ না দিয়ে তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ত্রাণ উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে।

    ইতিমধ্যে ত্রাণ বঞ্চিত ২৬ জন ভুক্তভোগী হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগকারীরা চেয়ারম্যানের পেটুয়া বাহিনী কর্তৃক প্রতিনিয়িত বিভিন্নভাবে হুমকির স্বীকার হচ্ছেন। আর এসব হুমকির ফলে তালিকাভূক্ত আরও অন্যান্য ত্রাণ বঞ্চিত লোকেরা অভিযোগ দিতে ভয় পাচ্ছেন।

    এছাড়া ভুক্তভোগী ও ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তাকারীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চেয়ারম্যান বাহিনী কর্তৃক বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ নিয়ে ফুঁসে ওঠছে ত্রাণ বঞ্চিত ও এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

  • হবিগঞ্জের ন্যায় মাধবপুরে ও দোকান খুলছেন না ব্যবসায়িরা!

    হবিগঞ্জের ন্যায় মাধবপুরে ও দোকান খুলছেন না ব্যবসায়িরা!

    সিলেট বিভাগের করোনার ‘হটস্পট’ হবিগঞ্জ। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

    এদিকে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে রোববার থেকে সারাদেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। কিন্তু করোনার সংক্রামণ ঠেকাতে মাধবপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলছেন না ব্যবসায়ীরা।

    গত ৫ মে এ প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর মাধবপুর ব্যবসায়ীদের সংগঠন মাধবপুর মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

    পরে প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক সমাজের অনুরোধে ও মাধবপুর উপজেলা জনসাধারণের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মে পর্যন্ত শপিং-মল, দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্চেন্ট এসোসিয়েশন মাধবপুর। তবে ফার্মেসি, মুদি দোকান, ফলমূল ও কাঁচামালের দোকান যথারীতি খোলা থাকবে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি শাহ মো. সেলিম। তিনি বলেন, বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে আমরা দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তবে উপজেলাবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে আমরা আগামী ২৫ মে পর্যন্ত দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    এদিকে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার খবর শুনেই উপজেলাবাসী নানা-ভাবে ব্যবসায়ীদের দোকান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান।

    এরপর সচেতন নাগরিক সমাজ ও উপজেলা প্রশাসন মাধবপুর ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করলে, ‘মার্চেন্ট এসোসিয়েশন মাধবপুর’ তাদের পূর্বের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে আগামী ২৫ মে পর্যন্ত সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

    মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসনুভা নাসতারান শনিবার রাত ১০ টায় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন- ব্যাবসায়ী নেতৃবৃন্দের এই সিদ্ধান্তে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে।