Category: হবিগঞ্জ

  • মাধবপুরে ইফতারের বাজার বসলেও ক্রেতা নেই

    মাধবপুরে ইফতারের বাজার বসলেও ক্রেতা নেই

    জাকির হোসেনঃ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের মধ্যেই এসেছে পবিত্র মাহে রমজান, তবে এবারের রমজান ঠিক আগের মতো নয়,

    রমজান মাসের প্রায় অর্ধেক সময় হয়ে গেলেও, হবিগঞ্জের মাধবপুরে কোথাও নেই ইফতার কেনাবেচার ধুম মাধবপুর উপজেলা বিভিন্ন বাজারে নেই বাহারি ইফতার কেনাবেচার ব্যস্ততা, এ এক অন্যরকম রমজান মাস উদযাপন করতে চলেছে দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা, শত শত বছর ধরে রমজানে ইফতার বিকিকিনি হয়ে এলেও এবারের দৃশ্য ভিন্ন, নেই বাহারি ইফতার নেই হাঁকডাক।

    রবিবার (১০-মে) সরেজমিনে দেখা যায়, মাধবপুর বাজারের অলিতে গলিতে নেই বাহারি ইফতারের মেলা, তবে কোনো কোনো দোকানদার সীমিত আকারে কিছু ইফতার বিক্রি করছেন, এবার অন্যবারের মতো আস্ত মুরগির ফ্রাই, জালি কাবাব সুতি কাবাব টিকা কাবাব শাহী কাবাব কবুতরের রোস্ট, কোয়েলের রোস্ট ডিম চপ ডিম কোপ্তা ভেজিটেবল রোল, চিকেন রোল দইবড়া হালিম লাচ্ছি পনির পাচ্ছেন না রোজাদাররা।

    মাধবপুর বাজারের বিউটি হোটেলের মালিক হাজী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সাংবাদিক কে জানান, ভাই ১ মাস ১৫ দিন ধরে দোকান বন্ধ বাঁচার আর কোনো উপায় দেখছি না, তাই জীবন বাঁচাতে কিছু জিনিস বানাচ্ছি বিক্রি করার জন্য।

    মাধবপুর বাজারের আরোক ব্যবসায়ী আঃ মান্নান মিয়ার একই অবস্থা তিনি বলেন, জিলাপি কেজি ৮০ টাকা ছোলা ১০০ টাকা ও পেঁয়াজু ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি কিন্তু এবার ক্রেতা নেই বললেই চলে, আর দোকান মাত্র দুই ঘন্টা খোলা রাখেন তিনি, সাংবাদিক জাকির হোসেনকে, আরো বলেন রোজাদাররা অনেক রকম ইফতার না পেয়ে ফলমূলের দিকে নজর দিচ্ছেন, অনেকেই ইফতারে আপেল মাল্টা তরমুজ কিনে নিচ্ছেন হাতের নাগালের দামের মধ্যে।

    মাধবপুর বাজারে ফল কিনতে আসা, ডিএসবির এসআই সাইকুল ইসলাম সুজন জানান, করোনার কারণে সবরকম ইফতারের আইটেম বাড়িতেই তৈরি করে খান তারা, তিনি খেজুর নিতে এসেছেন বাজারে।

  • র‍্যাব-১ এর সহকারি পরিচালক হলেন বৃন্দাবন কলেজের সাবেক শিক্ষক

    র‍্যাব-১ এর সহকারি পরিচালক হলেন বৃন্দাবন কলেজের সাবেক শিক্ষক

    বৃহত্তর সিলেট বিভাগের মেধাবী তরুণদের অগ্রসেনানী নাম যার নোমান আহমদ। ছাত্র-শিক্ষক, অগ্রজ-অনুজ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রতিভাদীপ্ত এক তরুণ। 

    গত ৩ মে রবিবার এলিট ফোর্স র‍্যাব-১ এর সহকারি পরিচালক পদে যোগদান করেন তিনি।

    ৩৬ তম বিসিএস উত্তীর্ণ এ চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা শিক্ষাজীবনের প্রতিটি স্তরে মেধার সাক্ষর রেখেছেন। একই সাথে স্বীয় চরিত্র মাধুর্য ও প্রাণচাঞ্চল্যে ছাত্র শিক্ষক, সতীর্থসহ  সকলের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

    তিনি হজরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদ্রাসা সিলেট হতে দাখিল থেকে কামিল পাশ করেন।

    আবার সিলেটের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ হতে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। উভয় পরীক্ষায় অসামান্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি।

    নোমান আহমদ নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের লেকচারার হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি হতে ২০১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় তিন বছর এখানে শিক্ষকতা করেন। তিনি অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীর প্রিয় শিক্ষক এবং মেন্টরে পরিণত হন।

    নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক থাকা অবস্থায়ই ৩৫ তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে মে ২০১৭ এ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জে ইংরেজি প্রভাষক পদে যোগদান করেন।

    বছর পেরুতেই প্রকাশ হয় ৩৬তম বিসিএস এর ফলাফল। ৩৬ তম বিসিএস এ পুলিশ ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন ২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদায় এক বছরের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে ০৬ মাসের বাস্তব প্রশিক্ষণের জন্য যোগদান করেন পুলিশ সুপারের কার্যালয়, ফরিদপুরে। ০৬ মাসের বাস্তব প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে সহকারী পরিচালক হিসেবে এলিট ফোর্স র‍্যাব-১ এ যোগদান করেন গত ৩ মে রবিবার।

    নোমান আহমদের পৈত্রিক নিবাস সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে। তাঁর গর্বিত পিতা মো. আবদুর রব এবং মাতা শাহিনা আক্তার।

  • আগামী ঈদ উল ফিতর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হবিগঞ্জের সকল দোকানপাট!

    আগামী ঈদ উল ফিতর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হবিগঞ্জের সকল দোকানপাট!

    সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও সরকারি নির্দেশনা মেনে আগামীকাল ১০ মে থেকে দেশের সকল ব্যবসা প্রতিষ্টান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছিল সরকার। তবে জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে হবিগঞ্জের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    শনিবার (৯ মে) বিকেলে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসানের সাথে হবগিঞ্জের চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রী, হবিগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি ও হবিগঞ্জ মার্সেন্ট এসোসিয়েশন এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দের বেঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর দেওয়ান । তিনি বলেন, প্রতিদিন হবিগঞ্জে করোনা রোগী বাড়ছে। এই অবস্থায় আমরা কোন ভাবেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলে মানুষকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারি না। জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    এর আগে গত ৮ মে শুক্রবার জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ঈদের আগে সিলেট নগরীর কোনো শপিং মল ও বিপনী বিতান না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সীমিত পরিসরে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখার স্বার্থে দোকানপাট ও শপিং মল আগামীকাল ১০ মে খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব অনুসরণসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

  • পুত্রের নির্যাতনে ঘর ছাড়া মাকে ঘরে তুলে দিল চুনারুঘাট থানা পুলিশ

    পুত্রের নির্যাতনে ঘর ছাড়া মাকে ঘরে তুলে দিল চুনারুঘাট থানা পুলিশ

    পুত্রের নির্যাতনে ঘর ছাড়া এক মা কে ঘরে তুলে দিল চুনারুঘাট থানা পুলিশ। আজ শনিবার চুনারুঘাট থানা পুলিশের পক্ষে এএসআই কামাল আহমেদ নির্যাতিত মা কে ঘরে তুলে দেন এবং আর্থিক সহযোগীতা করেন।

    নির্যাতিত ঐ মা খুশবানু (৬০) জানান – কামাল আহমেদ নামে তার একমাত্র পুত্রকে জমি বিক্রি করে ৯ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি পিকআপ গাড়ী কিনে দিয়েছিলেন তিনি। কথা ছিল তার মাও দুই বোনকে নিয়ে সংসারের খরচ চালাবে। কিন্তু কামাল কিছুদিন যেতেই তার মাকে আলাদা করে দেয় বলে তিনি অভিযোগ করেন । দুই মেয়েকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন খুশবানু । এর ধারাবাহিকতায় গত তিন মাস যাবৎ কামাল তার মাকে প্রতিনিয়ত মানুষিক ভাবে নির্যাতন করে আসছিল বলেও তিনি জানান ।

    তাছাড়াও শুক্রবার রাতে কামালের স্ত্রী তার ঘরের বিদ্যুতের লাইনটি কেটে দেয় এবং ব্যাটারি চালিত একটিমাত্র লাইটট ও নিয়ে যায় বলেও তিনি জানান । এতে অন্ধকারে রাত যাপন করেন তিনি । পরদিন এই কথা নিয়ে তর্কবিতর্কের জের ধরে কামাল ও তার স্ত্রী মিলে তার মা খুশবানুকে ঘর থেকে বের করে দেয় বলে অভিযোগ খুশবানুর ।

    এলাকাবাসী বিষয়টি চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক ও ওসি (তদন্ত) চম্পক ধাম কে জানালে তিনি দারোগা কামাল আহমেদকে ঘটনাস্থলে পাঠান এবং ঘটনার সতযতা যাচাই করে অসহায় মা কে ঘরে তুলে দেন। দারোগা কামাল তার ব্যাক্তিগত তরফ হতে ১ হাজার টাকা দিয়ে অসহায় এই মাকে সহযোগিতা করেন।

    ঘটনাটি জানতে পেরে স্থানীয় যুবলীগ নেতা বেলাল ইফতার সামগ্রী পাঠান। এছাড়াও এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে কামালের গাড়িটি পুলিশের জিম্মায় নেয়া হয়।

  • মাধবপুরে দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে দিল “প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন”

    মাধবপুরে দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে দিল “প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন”

    মোঃজাকির হোসেনঃ “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” কৃষিতে এই প্রতিপাদ্য হল বাংলাদেশ সরকারের। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারীর কারণে দেশে যখন শ্রমিক সংকটে ভুগছে কৃষকরা।

    রীতিমতো বোরো পাকা ধান কাটতে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার অসহায় দরিদ্র কৃষকরা যখন শ্রমিক সংকটের কারণে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করছিল। ঠিক সেই মুহুর্তে মাধবপুর উপজেলার প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন অসহায় দরিদ্র কৃষকের পাশে দাঁড়ালো।

    উপজেলার ৫নং আন্দিউড়া ইউনিয়নের পূর্ব আন্দিউড়া গ্রামের মোঃ জুলহাস মিয়ার ৩০ শতক জমির পাকা ধান কেটে (৯ মে) শনিবার সকালে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের সদস্যরা।

    এ সময় উপস্থিত থেকে অসহায় দরিদ্র কৃষকের পাকা ধান কেটে দেয় প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের সভাপতি মোঃ মহিন উদ্দিন, সহ-সভাপতি আপন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কুদ্দুস মিয়া ও ইকবাল হোসেন, প্রচার সম্পাদক আল-আমিন ও জুয়েল মিয়া, দপ্তর সম্পাদক শফিক মিয়া ও আব্দুল হামিদ তালুকদার, কোষাধক্ষ্য আল আমিন মিয়া ও সাদ্দাম মিয়া।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের সদস্য শাকিল মিয়া, সুজন চৌধুরী, করিম মিয়া, মুরসালিন মিয়া, জীবন মিয়া, জিয়া, জয়নাল, রহিম, নাঈম, আব্দুল খালেক, জলিল মিয়াসহ এলাকার ব্যক্তিবর্গ।

    পাকা ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়াই অসহায় দরিদ্র কৃষক জুলহাস মিয়া প্রত্যয় স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

  • নুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ত্রাণ লুন্ঠনের প্রমাণ পেয়েছে আদালত

    নুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ত্রাণ লুন্ঠনের প্রমাণ পেয়েছে আদালত

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ মুখলেছুর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি ত্রাণ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

    গতকাল রাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াসিন আরাফাত রানার নেতৃত্বে জেলা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে ত্রাণ আত্মসাত ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

    পরে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করার নির্দেশ প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালত।

    জানা যায়, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে ত্রাণ সামগ্রী আত্মসাত করে আসছিলেন চেয়ারম্যান মোঃ মুখলেছুর রহমান।

    এ নিয়ে ভূক্তভোগীরা প্রতিবাদ করলে উল্টো তাদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন তিনি ।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াসিন আরাফাত রানা জানান, ত্রাণের চাল আত্মসাত, ভিজিডি কার্ডে অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে ১৭’শ কেজি ত্রাণের চাল জব্দ করাসহ ৩’শ কেজি চাল আত্মসাত এবং জানুয়ারী মাস থেকে বিজিডি কার্ডে মাষ্টার রুল না থাকার প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমান আদালত।

    ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত নুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ মুখলেছুর রহমানকে আটক করতে না পারায় তার বিরুদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করার নির্দেশ প্রদান হয়েছে।

  • রমজান মাসে স্বপরিবারে ধর্ম গ্রহন করলেন নবীগঞ্জের কাজল দাশ

    রমজান মাসে স্বপরিবারে ধর্ম গ্রহন করলেন নবীগঞ্জের কাজল দাশ

    হবিগঞ্জের  নবীগঞ্জ উপজেলার ৩নং ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের ঘোলডুবা গ্রামের বাসিন্দা স্বেচ্ছায় স্বপরিবারে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন।

    জানা যায়, কাজল দাশ নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের ঘোলডুবা নতুন বাজারের ব্যবসায়ী।

    গত ৭ই মে হবিগঞ্জ কোর্টে এফিডেভিটের মাধ্যমে কাজল দাশের পরিবারের ৩ সদস্য ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। কাজল দাশের নতুন নাম রাখা হয়েছে মোহাম্মদ আইয়ুব

    ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বজলুর রশিদ ও মেম্বার জয়নাল মিয়ার মাধ্যমে ঘোলডুবা জামে মসজিদে গিয়ে স্বেচ্ছায় মসজিদের ইমাম  মাওলানা আজিজুল হক এর কাছে কালিমা পড়ে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে।

    তারপর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও শরীয়ত মোতাবেক ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে। পরে কাজল মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করে।

    মোহাম্মদ আইয়ুব দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।