Category: হবিগঞ্জ

  • নূরপুর ইউপি চেয়ারম্যান কে বরখাস্ত করেছে মন্ত্রণালয়

    নূরপুর ইউপি চেয়ারম্যান কে বরখাস্ত করেছে মন্ত্রণালয়

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নূরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুখলিছ মিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

    তার বিরুদ্ধে ত্রানের চাল ও ভিজিডির চাল আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠেছিলো। সাময়িক বরখাস্ত সংক্রান্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ৭নং নুরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরকারি ত্রাণের চাল ও ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগ এনে শুক্রবার (৮ মে) রাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াছিন আরাফাত রানার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ১৭শ’ কেজি চাল জব্দ করে এবং অভিযোগের সত্যতা পায়।

    এ ছাড়া ৩০০ কেজি চালের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। চেয়ারম্যান মুখলিছ মিয়া গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পরে গত ৯ মে রাতে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান মুখলিছ মিয়াকে দল থেকে বহিস্কার করে।

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক ১১নং ব্রহ্মণডুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হোসেইন মোহাম্মদ আদিল জজ মিয়ার যৌথ স্বাক্ষরে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

  • হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত

    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত

    এম এ মজিদ, হবিগঞ্জঃ
    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা আইনজীবী সমিতির জরুরী সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    আইনজীবী নেতারা জানান- ভার্চূয়াল কোর্ট পরিচালনার জন্য যে ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দরকার তা নেই।

    তাছাড়া একেকটি জামিন শুনানীর জন্য আবেদন করা, তা শুনানী করার জন্য সময় নির্ধারণ করা, জামিন মঞ্জুর হলে বেইল বন্ড দাখিল করা, ভার্চুয়াল কোর্ট এ শুনানীকালে একবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে পরের পরের দিন বা এরও পরে জামিন শুনানীর জন্য আবার নির্ধারণ করাসহ নানা জটিলতার কথা আইনজীবীরা তুলে ধরেন।

    পরে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ বদরুল আলম বদরু মিয়ার নেতৃত্বে একটি আইনজীবী প্রতিনিধি দল জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আমজাদ হোসেনের আদালতে গিয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির ভার্চুয়াল কোর্ট বর্জনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন।

  • লাখাইয়ে ইউএনওসহ ৩ জন করোনা সনাক্ত

    লাখাইয়ে ইউএনওসহ ৩ জন করোনা সনাক্ত

    হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ আরো ২ জনের শরীরে করোনা সনাক্ত হয়েছে।শনাক্ত হওয়া ৩ জনই সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী ।

    এদের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং, তার গাড়ি চালক মানিক লাল দাস ও একই অফিসের হৃদয় সূত্রধরের করোনা পজেটিভ আসে। এনিয়ে উপজেলায় ১৫ জন দাঁড়াল করোনায় রোগীর সংখ্যা।

    সোমবার বিকেলে হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,ঢাকা আগারগাঁও ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটরি এন্ড রেফারেল সেন্টার থেকে আসা রিপোর্টে হবিগঞ্জের ৬ টি করোনা পজেটিভ আসে।

    তিনি জানান নতুন করে শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে লাখাই উপজেলার ৩ জন রয়েছেন।এ ৩ জনই সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী।

  • লাখাইয়ে ঘন্টাব্যাপী দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষ || নিহত ১ আহত ৩৫

    লাখাইয়ে ঘন্টাব্যাপী দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষ || নিহত ১ আহত ৩৫

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ঘন্টাব্যাপী দু দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হয়েছেন।

    গত শনিবার (৯মে) বিকেল পাঁচটার দিকে টিনের চালের পানি পরা এবং স্যানিটারি ল্যাট্রিন এর টাংকির অবস্থান কে নিয়ে এক বিরোধকে কেন্দ্র করে লাখাই উপজেলার গ্রীস প্রবাসী সাতাউক গ্রামের দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে প্রায় এক ঘন্টাব্যাপী ভয়ানক সংঘর্ষ হয়।

    সংঘর্ষে প্রাণ হারান সাতাউক গ্রামের বাবু মিয়ার পুত্র কৃষক ছফিল মিয়া (৩২)। গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন হারুন মিয়া এবং ফারুক মিয়া। উভয় পক্ষ মিলিয়ে প্রায় ৩০/৩৫ জন লোক আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতাউক গ্রামের জানু মিয়া বনাম মিজান মিয়াদের মধ্যেই প্রথমে ঘটনার সুত্রপাত হয়। জানু মিয়া এবং মিজান মিয়ার পাকা বাড়ি পাশাপাশি অবস্থিত। এদের মধ্যে ল্যাট্রিনের টাংকির অবস্থান নিয়ে বিরোধ ছিল, ছিল জমি নিয়ে পুরানো বিরোধ সেই সাথে যুক্ত হয় টিনের চালের পানি পরার অভিযোগ।

    মিজান মিয়ার অভিযোগ, জানু মিয়াদের টাংকি তার বাড়ির সীমানায় ঢুকেছে পাশাপাশি জানু মিয়ার টিনের চালের পানি তার বাড়ির জমিনের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    মূলত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ এর সূত্রপাত ঘটে। বিষয়টি নিয়ে গত শনিবার বিকেলে উভয় পক্ষ কথা কাটাকাটি করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উক্ত গ্রামের কয়েকটি গোষ্ঠীর মানুষ। প্রায় ৩০০/৩৫০ জন লোকের মধ্যে এক ঘন্টাব্যাপী চলে প্রাণহানিকর ভয়ানক সংঘর্ষ।

    বিরোধে যুক্ত মিজান মিয়ার ভাতিজা নিহত কৃষক ছফিল মিয়া তখন আমন ধান রোপন করতে গিয়েছিলেন তার জমিতে। বাড়িতে মারামারি শুনে ছফিল তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফেরত আসতে থাকেন। তার বাড়ির কাছে আসা মাত্রই প্রতিপক্ষের ছোড়া ফিকলের আঘাতে বিদ্ধ হন তিনি। তার পেটের বাম ও ডান পাশে দুটি ফিকলের আঘাতে তিনি লুটিয়ে পড়েন।

    আত্মীয়-স্বজনের সহযোগিতায় তাকে নাসিরনগর সদর হাসপাতালে নেয়া হয় সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। কিন্তু নাসিরনগর সদর হাসপাতালে অবস্থানকালীন সময়েই তিনি মারা যান। মারামারিতে হারুন মিয়া এবং ফারুক মিয়া ও গুরুতর আহত হন। এছাড়াও উভয় পক্ষের ৩০/৩২ জন আহত হন।

    লাখাই উপজেলা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত ছফিল মিয়ার চাচাতো ভাই কাইয়ুম মিয়া জানান সাতাউক গ্রামের নয়টি গোষ্ঠীর লোকজন মিলিত হয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের আত্মীয়-স্বজনের ওপর চড়াও হয় এবং এতে তাদের পক্ষের ছফিল মিয়া নিহত এবং আরো অনেকেই আহত হন।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন লাখাই থানা পুলিশকে সঠিক সময়ে জানানোর পরেও তারা গ্রামে এসে পৌঁছাতে প্রায় এক ঘন্টা সময় নেয়। যদি পুলিশ ঠিক সময়ে এসে পৌঁছাতে তাহলে হয়তোবা এই ঘটনাকে রোধ করা যেত।

    তবে এর পর দিন অর্থাৎ গত রবিবার শুরু হয়ে যায় সুযোগ সন্ধানী এবং পর সম্পদ লোভী লোকজনের দ্বারা খুনের মামলার সম্ভাব্য আসামিদের বাড়িঘরে ভাঙচুর এবং লুটপাট। অভিযুক্ত জানু মিয়ার বাড়ি এবং সাতাউক গ্রামের বর্তমান মেম্বার জালাল মিয়ার বাড়ি সহ আরো ৭/৮ টি বাড়িঘর ভাংচুর এবং লুটপাট হয় বলে জানা গেছে ।

    এ বিষয়ে মেম্বার জালাল মিয়া বলেন, তাদের প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর লুটপাট করে প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি করেছে। তিনি আরো বলেন পুলিশ গ্রামের একপ্রান্তে অবস্থান নেয়ায় তারা আমাদের বাড়িঘর রক্ষা করতে পারেনি, আরো ভাংচুর এবং লুটপাটের আশংকা আছে।

  • হবিগঞ্জে করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন আরও  ১০ জন

    হবিগঞ্জে করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন আরও ১০ জন

    হবিগঞ্জে করোনা জয় করে ফলের ঝুড়ি ও নগদ টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন । গতকাল সোমবার দুপুর ১টার দিকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়েছে ।

    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে ফলের ঝুড়ি ও নগদ ৫ হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়।

    জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, আজকের ছাড়পত্রপ্রাপ্ত ১০ জনের রিপোর্ট রোববার রাতে পুনরায় নেগটিভ এলে সোমবার দুপুরে তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতাল থেকে বিদায় দেয়া হয় । এর আগে ১ জনকে সুস্থ্য ঘোষণা করে বাড়ীতে পাঠানো হয় । এ নিয়ে জেলায় ১১ জন সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন ।

    তারা হচ্ছেন বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের অপু দাস, যাত্রাপাশা মীর মহল্লার উজ্জ্বল মিয়া ও আক্কাস আলী, ইকরাম নোয়াবাদ গ্রামের অধির দাস, যাত্রাপাশা বানেশ্বর পাড়ার সুমন মিয়া, বাহুবলের দক্ষিণ দৌলতপুরের অলি মিয়া, লাখাইয়ের বাবুল মিয়া, চুনারুঘাটের আব্দুল মালেক, আজমিরীগঞ্জের বিরাট গ্রামের জালাল মিয়া, নারায়নগঞ্জের নোয়াঘটি এলাকার সুমন হাওলাদার ।

    করোনা জয়ী প্রত্যেককে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাসুদ রানা নগদ ৫ হাজার টাকা ও বিভিন্ন ধরনের ফল ভর্তি একটি করে ঝুড়ি তাদের হাতে তুলে দেন । এছাড়াও তাদেরকে বাড়িতে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শও দেন ।

    এসময় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাসুদ রানা, এনডিসি প্রতীক মন্ডল, সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. আশরাফ উদ্দিন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম আরা ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল উপস্থিত ছিলেন।

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলায় এ পর্যন্ত ১ শ’ ১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন । এর মাঝে সুস্থ হয়েছেন ১১ জন, মারা গেছে এক শিশু। আক্রান্তদের মধ্যে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, ওসি, পুলিশ সদস্য, নার্সসহ বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি রয়েছেন। এদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছে এক শিশু।

  • মাধবপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই বাছাই

    মাধবপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই বাছাই

    মোঃ জাকির হোসেনঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নে প্রধান মন্ত্রীর মানবিক তহবিলের বরাদ্দ প্রদানের জন্য উপকারভোগীদের নামের তালিকা যাচাই-বাছাই ও সংশোধনের কাজ আজ (১১মে) সোমবার সকালে উপজেলার ধর্মঘর ডিগ্রি কলেজের মাঠে ৪৬৩ জনের এবং হরষপুর বঙ্গবীর ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ৪৫৪ জনের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মোট ৯১৭ জনের নামের তালিকা মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে জাতীয় পরিচয় পত্র ও সঠিক মোবাইল নাম্বার যাচাই-বাছাই ও সংশোধন করা হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা সোলায়মান মজুমদার, মাধবপুর উপসহকারী প্রকৌশলী এল জি ই ডি আনোয়ার হোসেন,১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম (কামাল) ও প্রত্যেক ওয়ার্ডের মেম্বারগন।

    মাধবপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই বাছাই

    এ সময় মাধবপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সোলায়মান মজুমদার এ প্রতিবেদককে বলেন,আমরা প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপকারভোগীদের নামের তালিকা সঠিক জাতীয় পরিচয় পত্র ও মোবাইল নাম্বার ঠিক আছে কিনা সরোজমিনে এসে যাচাই বাছাই মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং সবাইকে করোনা প্রতিরোধে সবাইকে অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

  • মাধবপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই বাছাই

    মাধবপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই বাছাই

    মোঃ জাকির হোসেনঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নে প্রধান মন্ত্রীর মানবিক তহবিলের বরাদ্দ প্রদানের জন্য উপকারভোগীদের নামের তালিকা যাচাই-বাছাই ও সংশোধনের কাজ আজ (১১মে) সোমবার সকালে উপজেলার ধর্মঘর ডিগ্রি কলেজের মাঠে ৪৬৩ জনের এবং হরষপুর বঙ্গবীর ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ৪৫৪ জনের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মোট ৯১৭ জনের নামের তালিকা মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে জাতীয় পরিচয় পত্র ও সঠিক মোবাইল নাম্বার যাচাই-বাছাই ও সংশোধন করা হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলার সমাজসেবা কর্মকর্তা সোলায়মান মজুমদার, মাধবপুর উপসহকারী প্রকৌশলী এল জি ই ডি আনোয়ার হোসেন,১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম (কামাল) ও প্রত্যেক ওয়ার্ডের মেম্বারগন।

    মাধবপুরে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই বাছাই

    এ সময় মাধবপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সোলায়মান মজুমদার এ প্রতিবেদককে বলেন,আমরা প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা উপকারভোগীদের নামের তালিকা সঠিক জাতীয় পরিচয় পত্র ও মোবাইল নাম্বার ঠিক আছে কিনা সরোজমিনে এসে যাচাই বাছাই মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং সবাইকে করোনা প্রতিরোধে সবাইকে অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।