Category: হবিগঞ্জ

  • নিউইয়র্কে করোনায় হবিগঞ্জের মুন্না মারা গেছেন

    নিউইয়র্কে করোনায় হবিগঞ্জের মুন্না মারা গেছেন

    নিউইয়র্ক সিটির ওজন পার্কের বাসিন্দার হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ইমাদাদুর রহমান চৌধুরী ও বিশিষ্ট কমিনিটি নেতা আবু সায়িদ চৌধুরী কুঠির ভাগিনা হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার কালীনজেরা গ্রামের সৈয়দ বাড়ীর সন্তান ও হবিগঞ্জ শহরে মাহমুদাবাদ এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হারুনুর রশিদ মুন্না করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্ক এর জ্যামাইকা হসপিটালে গতকাল ইউএস সময় সন্ধ্যায় ইন্তেকাল করেছেন।
    (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )

    তিনি গত একমাস ধরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে জ্যামাইকা হসপিটালে চিকিংসা নিচ্ছিলেন৷

    সর্বপরি গতকাল তিনি মারা যান। তার অকালে মৃর্ত্যুতে প্রবাসে,দেশে অনেকেই শোকাহত হয়েছেন।

  • মাধবপুরে কর্মহীনদের ত্রান দিল নহর প্রাইভেট কোম্পানী

    মাধবপুরে কর্মহীনদের ত্রান দিল নহর প্রাইভেট কোম্পানী

    করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে যাওয়া শতাধিক সুবিধা বঞ্চিত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন হবিগঞ্জের মাধবপুরে নহর প্রাইভেট কোম্পানী লিমিটেড।

    গত বৃহস্পতিবার ওই কোম্পানির উদ্যোগে নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শতাধিক সুবিধা বঞ্চিত ও কর্মহীন পরিবারের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খাবার পৌছে দেন নহর কোম্পানীর  সদস্যরা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নহর প্রাইভেট কোম্পানী লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জালাল মিয়া, ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মুখলেছুর রহমান জুয়েল, পরিচালক পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবিদুর রহমান, পরিচালক অর্থ আব্দুর রউফ, পরিচালক মার্কেটিং শাহ আজিজুর রহিম, পরিচালক মোশারফ হোসেন প্রমুখ।

  • চুনারুঘাটে অসচ্ছল সাংবাদিক ও হকারদের কাছে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    চুনারুঘাটে অসচ্ছল সাংবাদিক ও হকারদের কাছে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    আজ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায়  ইউএনও সত্যজিত রায় দাশ চুনারুঘাটে কর্মরত অসচ্ছল সাংবাদিক ও পত্রিকা বিক্রেতাদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন।

    চুনারুঘাট রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষে খাদ্য সামগ্রী গ্রহন করেন যুগ্ন সম্পাদক ফারুক মাহমুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাহমুদুল হক সুজন প্রমুখ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল।

    প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার পেয়ে তারা অনেক খুশি এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ইউএনও এর প্রতি।

  • ৩ লাখ টাকায় ধর্ষণ মামলার দফারফা চুনারুঘাটে

    ৩ লাখ টাকায় ধর্ষণ মামলার দফারফা চুনারুঘাটে

    চুনারুঘাটে ৩ লাখ টাকায় দফা রফা হলো ধর্ষন মামলা। ১১ মে পৌরসভার মেয়র নাজিম উদ্দিন শামসুর মধ্যস্থতায় জনৈকা তালাকপ্রাপ্ত নারীর দায়ের করা মামলাটি আপোষ নিষ্পত্তি করা হয়।

    পরকীয়া করতে গিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে পৌর শহরের জনৈক মনোহর আলীর ভাড়াটিয়া বাসায় জনতার হাতে ধরা খান চুনারুঘাট হাসপাতালের আরএমও ডাঃ মোমিন আলী। স্থানীয় যুবকরা গণধোলাই দিয়ে সেই ডাক্তারকে পৌর কমিশনার আঃ হান্নানের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

    বিষয়টি ফেসবুকে ভাইরাল হবার পর সেই নারী চুনারুঘাট থানায় ডাক্তারের বিরুদ্ধে শনিবার রাতে ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।

    সালিশী সুত্র ও এলাকাবাসিরা জানান, হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার মোমিনের সাথে প্রবাসির তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর পরকীয়া চলছিলো। এলাকাবাসি বার কয়েক তাকে বারন করার পরও মোমিন সেই নিষেধ না মেনে ওই নারীর সাথে পরকীয়া চালিয়ে যান। ওই নারী জনৈক মনোহর আলীর ভাড়াটিয়া।

    বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ডাঃ মোমিন পৌর শহরে অবস্থিত সেই বাসায় গেলে জনৈক হাজী আওয়ালসহ এলাকাবাসি ডাক্তারকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে পৌর কমিশনার আঃ হান্নান ঘটনাস্থলে এসে ডাঃ মোমিনকে তার জিম্মায় নেন।

    বিগত সময়ে এক নার্সের সাথেও তার পরকীয়া ছিলো। ডাক্তার ও বিধবা নারীর প্রেম,পরকীয় ও ধর্ষন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উত্তপ্ত হবার পর ডাক্তারের পক্ষের লোকজন মামলাটি আপোষের জন্য তদবীর শুরু করে। মঙ্গলবার রাতে পৌর শহরেরর মুসলিম হলে বসে সালিস। ওই সালিসে পৌর মেয়র নাজিম উদ্দিন সামসু ছাড়াও মামলার স্বাক্ষী হাজী আওয়াল, কমিশনার আঃ হান্নানসহ বহু গ্রাম্য মাতব্বর উপস্থিত ছিলেন।

    মামলা আপোষের বিষয়ে স্বামী পরত্যক্তা সেই নারীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হন নি। এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ওসি (তদন্ত) চম্পক দাম বলেন, মামলাটি এখনো থানাতে রয়েছে যদিও রেকর্ডভুক্ত হয়নি।

  • মাধবপুরে করোনায় থেমে নেই সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবি

    মাধবপুরে করোনায় থেমে নেই সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবি

    মোঃ জাকির হোসেনঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বীরত্ব ও ঐতিহ্যের গৌরবমন্ডিত এক সুশৃঙ্খল আধা – সামরিক বাহিনী। বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে এ বাহিনীটি।

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বড়জ্বালা ধর্মঘর এবং হরষপুর বিওপি আওতায় সীমান্তে বিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা যায়।

    (১৩ মে) বুধবার সকালে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ধর্মঘর বিওপির মোহনপুর সীমান্তে ১৯৯৪-৪S মেইন পিলারের কাছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীর ৪ জোয়ান ও ধর্মঘর বিওপির সুবেদার দেলোয়ার হোসেন বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা চোরাচালান প্রতিরোধ ও মানব পাচার প্রতিরোধে শান্তি – শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে কঠোর নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

    এ সময় ধর্মঘর বিওপি’র সুবেদার দেলোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটেলিয়ানের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এন এম সামীউন্নবীর চৌধুরীর নির্দেশে করোনায় সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যাতে করে চোরাচালান মাদক এবং অনুপ্রবেশে ভারত থেকে কোন লোক বাংলাদেশে না আসতে পারে।

    হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস, এন, এম, সামীউন্নবী চৌধুরী জানান, সীমান্তে আমাদের বিজিবি জোয়ানদের রাতদিন টহল জোরদার করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসে চোরাচালান মাদক এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ থেকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে সীমান্তে। বিজিবি দেশের কঠিন দুঃসময়ে দুর্যোগে সীমান্তে জনগনের পাশে আছে।

  • করোনা মুক্ত হলেন হবিগঞ্জের ডিসি মোঃ কামরুল হাসান

    করোনা মুক্ত হলেন হবিগঞ্জের ডিসি মোঃ কামরুল হাসান

    করোনা মুক্ত হয়ে কর্মস্থলে ফিরেছেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ প্রশাসনের ৪ কর্মকর্তা।

    বাকি ৩ জন হলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে ইসরাত, সহকারী কমিশনার আফিয়া আমীন পাপ্পা ও সহকারী কমিশনার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম।

    আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর জেলা প্রসাশক মোঃ কামরুল হাসান তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।

    এসময় তাঁকে স্বাস্থ্য বিভাগ, জেলা পুলিশসহ বিভিন্ন দপ্তরের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

  • হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টে প্রথম জামিন শুনানী

    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টে প্রথম জামিন শুনানী

    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টে প্রথম জামিন শুনানী হয়েছে আজ। প্রথম দিনে দুটি কোর্টে ৩৬টি মামলার জামিন শুনানী হয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি মামলায় ৪৮ জন আসামীর জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। সর্বোচ্চ সংখ্যক জামিন শুনানী হয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে।

    জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আমজাদ হোসেন ভার্চুয়াল কোর্টে ৩০টি মামলার জামিন শুনানী গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ২০টি মামলায় ৪২জন আসামীর জামিন মঞ্জুর করেন।

    অন্যদিকে হবিগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তানিয়া কামাল ভার্চুয়াল কোর্টে ৬টি মামলার জামিন শুনানী করেন। ৬টি মামলায় ৬ জন আসামীর জামিন
    মঞ্জুর করেন তিনি। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফাহিমা খানম জানান- ৩০টি মামলা শুনানী করে ২০টি মামলার জামিন প্রার্থী আসামীদের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

    ইমেইলের মাধ্যমে জামিন প্রাপ্ত আসামীদের জামিন মঞ্জুরের আদেশ কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

    চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নাজির শাকিল আহমেদ জানান-৬টি মামলায় ৬জনের জামিন আবেদন শুনানী করে তাদেরকে জামিন প্রদান করা হয়েছে।

    আসামীদের জামিননামা ইমেইলে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। নতুন করে বেশ কিছু আবেদন জমা হয়েছে। সেগুলোর জামিন শুনানী গ্রহনের জন্য সময় নির্ধারণ করা হবে। এদিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ৩টি কোর্টের একটিতেও কোনো জামিন আবেদন শুনানী হয়নি।

    এদিকে হবিগঞ্জ কারাগারের জেলার জয়নাল আবেদিন ভূইয়া জানান- বুধবার পর্যন্ত হবিগঞ্জ কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ১ হাজার ১০৫জন। ভার্চুয়াল কোর্টের জামিন নামা প্রেরণ করা হয়েছে শুনেছি। জামিন নামা পেলেই নিয়ম অনুযায়ী আসামীদের মুক্তি দেয়া হবে।