Category: হবিগঞ্জ

  • আজমিরীগঞ্জে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

    আজমিরীগঞ্জে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

    হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়   সবিতা আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে আজমিরীগঞ্জ থানা পুলিশ।

    এছাড়া শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে ঘটনার পর থেকে সবিতার স্বামী মুক্তার মিয়াও নিখোঁজ রয়েছেন।

    নিহতের পরিবার বলছে যৌতুকের জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধুম্রজাল।

    স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ৪ নং কাকাইলছেও ইউনিয়নের ঘরদাইর গ্রামের (কান্দারহাটীর) মন্নর মিয়ার ছেলে মুক্তার মিয়ার সাথে প্রায় ১৪ মাস পূর্বে বিয়ে হয় একই গ্রামের ঈসমাইল মিয়ার মেয়ে সবিতা আক্তারের। বিয়ের পর বিভিন্ন সময়েই তাদের মাঝে ঝগড়া  লেগেই থাকত।

    এ বিষয়ে নিহত সবিতার চাচা পল্লী চিকিৎসক হাসান মিয়া বলেন- সপ্তাহ খানেক আগে সবিতার স্বামী মুক্তার ব্যবসার জন্য ৩ লক্ষ টাকা এনে দিতে সবিতাকে চাপ দেয়।

    তখন সবিতা বলে তার পক্ষে এখন টাকা এনে দেয়া সম্ভব না, কারণ তার ভাইয়েরা বিদেশে থাকলেও করোনাভাইরাসের কারণে তারা টাকা পাঠায় না।

    এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য হয় সবিতার। বাড়ি একই গ্রামে হওয়ায় মনোমালিন্যের পর পিতার ঘরে চলে আসে সবিতা।

    গত ১৫ মে শুক্রবার রাতে মুক্তার সবিতার বাবার বাড়িতে আসে। রাত আনুমানিক ১ টার দিকে বাড়ির পিছনে থাকা পালিত হাস-মুরগীর ডাকে ঘুম ভাঙ্গে সবিতার পিতা ঈসমাইল মিয়ার।

    তখন দেখেন ঘরের পিছনের দরজা খোলা এবং তার মেয়ে সবিতা ও স্বামী মুক্তার ঘরে নেই। পরে ঈসমাইল মিয়া ঘর থেকে বের হতে গেলে দেখেন দুই ঘরের মাঝে সবিতার লাশ পড়ে রয়েছে। তখন তার চিৎকার শোনে বাড়ির লোকজন বের হয়ে সবিতার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

    পল্লী চিকিৎসক হাসান মিয়া আরো জানান- তার ভাতিজী নিহত সবিতা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

    এ ব্যপারে আজমিরীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক ইকবাল হোসেন জানান– ‘আমরা রাত তিনটার দিকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে আসি। প্রাথমিকভাবে আমরা কিছুই বলতে পারছি না। লাশ দুই ঘরের ফাঁকে পড়েছিল আবার গলায় রশির দাগও রয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আমাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত বলা যাবে।

  • সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজ ভান্ডারী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে মাধবপুরে সেলাই মেশিন বিতরণ

    সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজ ভান্ডারী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে মাধবপুরে সেলাই মেশিন বিতরণ

    শাহান শাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজ ভান্ডারী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে দারিদ্র বিমোচন ও দক্ষনারী উন্নয়ন ০২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া গ্রামের প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার দক্ষিণ বেজুড়া গাউসিয়া হক কমিটির সভাপতি মোঃ সোহেল মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শাহান শাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজ ভান্ডারী কল্যাণ ট্রাস্টের কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সাংগঠনিক সমন্বয়কারী কিবরিয়া ছেরাগী।

    বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন দক্ষ নারী উন্নয়ন প্রকল্পের পরিদর্শক (সিলেট) মোঃ কাজল মিয়া। এছাড়াও দক্ষিণ বেজুড়া শাখার নেতৃবৃন্দসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • লাখাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থে এক নম্বরেই ৯৯ জনের নাম!

    লাখাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর নগদ অর্থে এক নম্বরেই ৯৯ জনের নাম!

    হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের সরকারি নগদ প্রণোদনার তালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    তালিকায় একই মোবাইল নম্বরের বিপরীতে একাধিক ব্যক্তির নাম ব্যবহার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এর মাঝে একটি মোবাইল নম্বরে ৯৯ জন, একটিতে ৯৭ জন, একটিতে ৬৫ জন ও একটিতে ৪৫ জনের নাম দেওয়া হয়েছে।

    নম্বরগুলো চেয়ারম্যানের আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠজনের বলে জানা যায়। আবার একটি ওয়ার্ডে কোনো হিন্দু পরিবার বসবাস না করলেও সেই ওয়ার্ডের তালিকায় তিনজন হিন্দু ব্যক্তির নামও রয়েছে। রয়েছে অনেক উচ্চবিত্ত ব্যক্তির নাম। আবার স্বামী-স্ত্রী’র নামও এসেছে তালিকায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুড়িয়াউক ইউনিয়নের নগদ টাকা পাওয়ার তালিকায় ১১৭৬ জনের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাঝে ৩০/৩৫টি নম্বর একাধিক নামের সাথে প্রদান করা হয়েছে।

    ০১৯৪৪৬০৫১৯৩ নম্বরে দেওয়া হয়েছে ৯৯ জনের নাম। চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই আক্তার মিয়ার ০১৭৪৪১৪৯২৩৪ নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে ৯৭ জনের নামে। তার চাচা শাকিল হক এর ০১৭৮৬৩৭৪৩৯১ নম্বর দেওয়া হয়েছে ৬৫ জনের নামে। তার গোত্রের নবীর মিয়ার ০১৭৬৬৩৮০২৮৪ নম্বর দেওয়া হয়েছে ৪৫ জনের নামে। ১০/১২ জন করে নাম ব্যবহার করা হয়েছে অন্তত ৩০টি নম্বরে।

    এদিকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো হিন্দু লোকের বসবাস না থাকলেও তালিকার ৯৫৮, ৯৬৫ ও ৯৭৩ সিরিয়ালের তিনটি নাম হিন্দু ব্যক্তি।

    আবার এই ইউনিয়নেরর অনেক বিত্ত শালীর নাম পাওয়া গেছে তালিকায়।

    তালিকার ১৬১ ও ১৬৩ নম্বর লোক দুজন স্বামী-স্ত্রী’। তালিকার ৯৫১, ৮৫৫, ৮৫৩, ৮৫২, ৮৫১ ও ৭৮৪ নম্বর এর ছয়জন একই পরিবারের।

    মুড়িয়াউক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মলাই জানান, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং এর নির্দেশে তিনি ১১৭৬ জনের মধ্যে আমরা ৭৩০ জনের নাম মেইল করি।”

    পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, তার সিএ, স্টাফ দুর্লভ ও পিআইও অফিসের মঈন উদ্দিন মিলে অবশিষ্ট তালিকা করেন।

    পরবর্তীতে  ইউএনও এবং তার সিএর করোনা ভাইরাস হলে তারা আইসোলেশনে যান। ফলে তালিকার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আর তালিকাটি ছিল খসড়া। আমার কোনো স্বাক্ষর নেই। কোনো টাকাও দেওয়া হয়নি। মূলত আমার প্রতিপক্ষ আমাকে ঘায়েল করতে খসড়া তালিকা নিয়ে অপপ্রচার করছে।”

    লাখাই উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ জানান, শুধু মুড়িয়াউক ইউনিয়ন এর নয় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের তালিকায় এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে।

    তালিকা প্রণয়নে আমাদের কোনো পরামর্শ নেওয়া হয়নি। চেয়ারম্যান মেম্বাররা নিজেদের লোকের নাম ও এক নম্বরে অনেক নাম ব্যবহার করেছেন।

    বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষক প্রেরণ করে যাচাই করলেও অনেক অনিয়ম রয়েছে। আবার অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান, মেম্বার থাকলেও দলের দরিদ্র লোকজনের নাম না দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীর নাম দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করলেই সত্য বেরিয়ে আসবে।”

  • কাঙ্কিত দাম না পাওয়ার শঙ্কায় আছেন নবীগঞ্জের কৃষকরা !

    কাঙ্কিত দাম না পাওয়ার শঙ্কায় আছেন নবীগঞ্জের কৃষকরা !

    নবীগঞ্জে ধানের দাম কম হওয়ায় কৃষকরা একপ্রকার দিশেহারা হয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া সরকার কতৃর্ক নায্য মূল্যের ধান সংগ্রহের হার অনেক কম হওওয়ায় তারা আরও বেশি আতঙ্কে আছেন।

    কৃষি বিভাগের সূত্র জানায়, জেলার হাওর অঞ্চল বলে খ্যাত নবীগঞ্জ উপজেলায় এবার ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। ধান কাটার শুরুর দিকে করোনা ভাইরাসের কারণে কৃষকরা শ্রমিক সংকটের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েন।

    পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শ্রমিক এনে ধান কাটা শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে উপজেলার ১নং বড় ভাকৈর পশ্চিম,৭নং করগাঁও, পানিউন্দা ও কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়ন সহ নবীগঞ্জ উপজেলার হাওর অঞ্চলের নিচু এলাকার ১০০ শতাংশ জমির ধান ও উচু এলাকার ৮৫ শতাংশ জমি ধান কাটা শেষ হয়েছে। কৃষক ও কৃষানী জমি থেকে খলার নিয়ে আসা ধানগুলো শুকানোর জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন।

    তবে কৃষকরা জানিয়েছেন, একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ৭০০ টাকা দিতে হচ্ছে। কৃষকদের দৈনিক মজুরি দেয়াসহ ধান কাটা পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রতি কের (৩০ শতাংশ) জমিতে ৭/৮ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে।

    কিন্তু দেখা যাচ্ছে সর্বসাকুল্যে প্রতি কের জমিতে গড়ে ১৫/১৮ মন ধান হচ্ছে। আর বর্তমান বাজারে কাঁচা ধানের মূল্য ৫ পাচঁশত টাকা। এ হিসেবে কৃষকরা ধান চাষ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কৃষকরা ধানের মূল্য বেশি হলে তারা লাভবান হতেন। এ জন্য ধানের মূল্য বৃদ্ধি করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

    উপজেলার মুক্তাহার গ্রামের গ্রামের কৃষক ফনি দাশ জানান, তিনি এবার ২০ কের জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। প্রতি করে জমিতে ধান রোপন, কাটা, মারাই করাসহ সব মিলিয়ে ৭/৮ হাজার হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর জমিগুলোর মধ্যে কোন জমিতে ১৫ মন আবার কোন জমিতে ২০ মন ধান ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজারে প্রতি মন ধান কাচা পাচঁশত টাকা মন বিক্রি হচ্ছে। এ হিসেবে কৃষি জমি করে আমরা কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। সরকার ধানের দাম আরো বাড়ালে কৃষকরা লাভবান হতো।

    তিনি আরও বলেন, এছাড়া সরকার প্রতি বছর ধান সংগ্রহ করে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে যাদের ধান সংগ্রহে দায়িত্ব দেয়া হয়, তারা প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান নেন না। ধান নেয়া হয়, কিছু নেতা ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। কৃষকরা ধান দিতে গেলে নানা টাল বাহনা করা হয়। এবার উপজেলার ১১,৮০০ প্রান্তিক কৃষকের ৩০৯১ জন সৌভাগ্যবান কৃষক সরকারী খাদ্য গুদামে নায্য মূল্যে ধান দিতে পারবে।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গৌর পদ দে জানান উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রাপ্ত তালিকা থেকে আমরা লটারি মাধ্যমে নির্বাচিত প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে আগামী রবিবার থেকে ধান নেওয়া শুরু করব। এর বাইরে ধান নেওয়ার কোন সুযোগ নাই।

    উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা এ.কে.এম মাকসুদুল আলম জানান, এবার উপজেলায় ১৭ হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ফসল উৎপাদন বেশি হয়েছে। কৃষকদের ধানের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের জন্য সরকার ইতিমধ্যেই ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছে।

  • করোনার এই দূর্যোগেও শায়েস্তাগঞ্জের সুতাং নদীতে দুরন্তপনায় ব্যস্ত স্থানীয় কিশোররা

    করোনার এই দূর্যোগেও শায়েস্তাগঞ্জের সুতাং নদীতে দুরন্তপনায় ব্যস্ত স্থানীয় কিশোররা

    করোনা ভাইরাসের এই মহামারিতে পুরো বিশ্বের ন্যায় সারা বাংলাদেশ যেখানে এক আতঙ্ককর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে ঠিক সেই সময় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুতাং নদীতে দুরন্তপনায় ব্যস্ত স্থানীয় কিশোররা। নদীর সেই আগের রূপ নেই বললেই চলে। ইদানিং মুষলধারে বৃষ্টি হলেও পানিতে নেই জোয়ার। রোদ আর বৃষ্টির মায়াজালের খেলায় কিশোররা মেতে উঠেছে। ‘হেইও হেইও, দে পাল আরো জোরে’ বলেই ১৫-২০ জন ১০-১২ বছরের কিশোররা মিলে নদীতে ঝাঁপ দিচ্ছে, ডুব দিয়ে সাঁতার কাটছে। চলছে তাদের মাঝে সাঁতার কাটার প্রতিযোগিতাও।

    এদের কেউ কেউ আবার ডুব দিয়ে মাছ ধরাতেও পারদর্শী। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার চানপুর গ্রামের কিশোরদের বাড়ির সাথেই নদী থাকায় তারা সাঁতার কেটে অভ্যস্ত।

    টানা ১-২ ঘন্টা নদীতে ঝাঁপালেও রোগ-বালাই তাদের কাছে ঘেঁষে না বললেই চলে। এমনই চিত্র দেখা যায় প্রতিদিন ভরদুপুরে সুতাং নদীতে।

    করোনার পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ থাকায় সারাদিন খামখেয়ালি আর দুরন্তপনায় তাদের দিন কাটছে। সুতাং নদীর ব্রীজের উপর দাঁড়িয়ে আবার অনেকেই অপলক দৃষ্টিতে তাদের সাঁতার কাটা দেখেন।

    এমন অবস্থায় স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক অভিযোগ করেছেন, তাদের (কিশোরদের) কোন কথা বললেও তারা শুনতে চায় না। উলটো আরও বেয়াদবি করে। তাই তাদের অভিবাকদের কাছে নালিশ করা হয়েছিল। কিন্তু নেই কোন পরিবর্তন। তারা সেই আগের মতই নদীতে ঝাঁপাচ্ছে এবং সাঁতার কাটছে।

  • অবশেষে আজমিরীগঞ্জের ৪ করোনা রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

    অবশেষে আজমিরীগঞ্জের ৪ করোনা রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

    অবশেষে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আজমিরীগঞ্জের চার রোগীকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) বিকেল ২ টায় ৪ জন করোনা পজিটিভ রোগীকে তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুদর্শন সেন।

    এর আগে গত ১২ মে আজমিরীগঞ্জ সদর পৌরসভায় ১ জন এবং ৪ নং কাকাইলছেও ইউনিয়নে ৩ জনের করোনা পজিটিভ সনাক্ত হয় ৷ কিন্তু হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার সংকটের কারণে তাদের সদর আইসোলেনে নিতে বিলম্ব হয়।

    এ নিয়ে ১৪ মে অ্যাম্বুলেন্স সংকটে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি চার করোনা রোগীকে শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ড্রাইভার এর ব্যবস্থা করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে তাদেরকে আজ হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে নেন।

  • হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টে ৫৮ আসামির জামিন

    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টে ৫৮ আসামির জামিন

    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টের বিভিন্ন আদালতে ৫৮ আসামির জামিন মঞ্জুর হয়েছে।

    পূর্বে গতকাল বুধবার ৪৮ জনের জামিন হয়েছিল। মোট দুই দিনে ১০৬ জন আসামি মুক্তি পেয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের আদালত পরিদর্শক আল আমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, আজ সবচেয়ে বেশি মামলার শুনানি হয় এবং জামিন পেয়েছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া কামালের আদালত থেকে।

    ওই দিন সেখানে ২৫টি মামলার শুনানি হয়েছে। এর মাঝে ২০ মামলায় ৪০ আসামির জামিন মঞ্জুর হয়েছে। ৫টি মামলা নামঞ্জুর হয়েছে।

    হবিগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আমজাদ হোসেনের আদালতে আজ ১৫টি মামলার শুনানি হয়। এর মাঝে ১১ মামলায় ১২ আসামির জামিন মঞ্জুর হয়েছে। ৪টি মামলা নামঞ্জুর হয়েছে।

    জেলার ৩টি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়াল আদালতে প্রথমবার শুনানি হয়েছে। এর মাঝে প্রত্যেক আদালতে ২টি করে মামলায় ২ জন করে ৬ জনের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। এর মাঝে এক শিশু রয়েছে।