Category: হবিগঞ্জ

  • গৃহবন্দি অসহায় মানুষদের প্রতিদিনই সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন জি কে গউছ।

    গৃহবন্দি অসহায় মানুষদের প্রতিদিনই সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন জি কে গউছ।

    করোনা দুর্যোগের এই সময়ে নিয়মিত দিনে এবং রাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    করোনাভাইরাসের কারনে খেটে খাওয়া মানুষ আজ গৃহবন্দি। গৃহবন্দি অসহায় মানুষদের প্রতিদিনই সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন কিছু মানুষ। সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জেও কিছু মানুষ নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন,তাদের মধ্যে অন্যতম একজন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক তিনবারের মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    তিনি রমজানের শুরু থেকেই প্রতিদিন দরিদ্র অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সহায়তা নিয়ে ছুটছেন । প্রয়োজনী চাল-ডালসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী দিচ্ছেন নিজস্ব অর্থায়নে।

    Al-Haj-GK-Gouse

    প্রতিদিনের ন্যায় আজও নিজ উদ্যোগে ত্রান বিতরণ করেছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ। আজ হবিগঞ্জ শহরের রাজনগর,শ্মশান ঘাট এবং বগলা বাজার এলাকায় ত্রান বিতরণ করেন।

    এসময় তার সাথে ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, জালাল আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক, জি কে ঝলক, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা সৈয়দ আশরাফ আহমেদ সহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

  • নবীগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ক্রেতা বিক্রেতাকে জরিমানা

    নবীগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ক্রেতা বিক্রেতাকে জরিমানা

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ইদের কেনাকাটা করায় বিভিন্ন ক্রেতা, পথচারী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২২ হাজার ৪শ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    আজ সোমবার(১৮ মে) সকালে নবীগঞ্জ বাজারে এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন

    জানা যায়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে সীমিত আকারে দোকান পাঠ খোলার নির্দেশ দেয়া হয়।

    কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে পরিবারের বেশি সংখ্যক সদস্যদের নিয়ে কেনাকাটা করতে আসায় বিভিন্ন ক্রেতা এবং বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ২২ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    এদের মধ্যে বিভিন্ন লোক মাস্ক না পড়ে আসায় আবার কোন কাজ ছাড়াই বাজারে চলাফেরা করায় এবং মোটর সাইকেলে এক জন আরোহী মাস্ক না পড়ায় তাকে ও জরিমানা করা হয়।

    তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন।

  • বানিয়াচংয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গুম

    বানিয়াচংয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গুম

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয় উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়নের ছিলারাই গ্রামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৯) অপহরণ করে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করে দেয়া হয়েছে।

    খবর পেয়ে সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ডোবা থেকে স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    এ ঘটনায় সোমবার (১৮ মে) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ধর্ষক ও খুনি রিংকু সরকার। জান যায় রিংকু ছিলারাই গ্রামের  হগেন্দ্র সরকারের পুত্র। তার বয়স ১৯ বছর।

    পুলিশ জানায়, ছিলারাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ও ছিলারাই গ্রামের প্রভাত সরকারের মেয়ে ১৫ মে সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী রিংকুর আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালামকে জানান ওই ছাত্রীর বাবা প্রভাত সরকার।

    সাথে সাথে ইউপি সদস্য আবুল কালাম বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে ছিলারাই গ্রামে গিয়ে রিংকুকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তখন বিষয়টি স্বীকার করে রিংকু পুলিশকে জানায় অপহরণ করে ধানের খলায় নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ ডোবায় গুম করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ডোবা থেকে রোববার রাতে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    বানিয়াচং থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হীরক চক্রবর্তী বলেন, ময়না তদন্তের জন্য স্কুলছাত্রীর লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। সোমবার স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। গ্রেফতার রিংকু ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • লাখাইয়ে ১০ টাকা কেজির চাল বাজারে বিক্রির অভিযোগে ডিলারকে কারাদণ্ড

    লাখাইয়ে ১০ টাকা কেজির চাল বাজারে বিক্রির অভিযোগে ডিলারকে কারাদণ্ড

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির সাড়ে তিনটন চাল বাজারে বিক্রির অভিযোগে উজ্জল মিয়া নামে এক ডিলারকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    একইসঙ্গে ওই ব্যক্তির ডিলারশিপ বাতিল করা হয়। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে এ দণ্ড দেয়া হয়।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাখাই উপজেলার মুড়াকরি ইউনিয়নের ফুলতলি বাজারে অভিযান চালান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এ সময় ১০ টাকা কেজির সাড়ে তিনটন চাল বাজারে বিক্রির প্রমাণ পান জেলা প্রশাসক। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযুক্ত ডিলার উজ্জল মিয়াকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে তার ডিলারশিপ বাতিল করা হয়।

    এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, পূর্বে অনিয়মের অভিযোগে বানিয়াচং উপজেলার এক ডিলারকে জেল দেয়া হয়েছে। তারপরও ডিলাররা অনিয়ম করছে। আজ লাখাই উপজেলার এ ডিলারকে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    তিনি আরও বলেন, জেলার সকল ডিলারসহ সাধারণ মানুষের সরকারি সহযোগিতা প্রদানের সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে আবারও সতর্ক করে বলছি, অনিয়ম করলে দলমত নির্বিশেষে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। বিন্দুমাত্র অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তি দেয়া হবে।

    অভিযানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) মর্জিনা আক্তার, এডিএম অমিতাভ পরাগ তালুকদারসহ প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • হবিগঞ্জের লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

    হবিগঞ্জের লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

    বাবুল মিয়া ও আলাউদ্দিন অপরাধচক্রের সক্রীয় সদস্য। বয়স আঠারো কিংবা তার একটু বেশী। তাদের পরিচয় হয় জেলখানায়। সেখানে সূচনা হয় অপরাধচক্রের নীল নকশা।

    জেল থেকে বেরিয়ে জড়িয়ে পড়ে চুরি, ছিনতাই, দস্যুতার মত কুখ্যাত অপরাধে। ধীরে ধীরে অপরাধের মাত্রা ও সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে গড়ে তুলে অপরাধ জগৎ। নেতৃত্ব দিতে থাকে বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের। কিন্তু এই অপরাধ যে এতটা নির্মমতায় পরিনত হবে তা কেউ কখনো কল্পনা করতে পারেনি।

    কিন্তু তারাই সংঘটিত করেছে লোমহর্ষক এক হত্যা কান্ড। ছিনিয়ে নিয়েছে ভিকটিমের চালিত পিকআপ। লাশ গুম করার জন্য ফেলে রেখেছে সাতছড়ি গহীন জঙ্গলের উচুঁ টিলায়। এমন তথ্যই বেড়িয়ে এসেছে ভিকটিমের পিতা প্রদীপ সরকারের দায়েরকৃত নিখোঁজ জিডি তদন্ত করতে গিয়ে।

    গত ১৫ মে (শুক্রবার) প্রদীপ সরকার নামে একজন অসহায় লোক হবিগঞ্জ সদর থানা হাজির হয়ে একটি সাধারন ডায়রী করেন যে, তার ছেলে সাগর সরকার একজন পিকআপ চালক। কবির মিয়ার পিকআপ গাড়ীতে ড্রাইভার হিসেবে ছিল। গত ১৩ মে (বুধবার) থেকে সে বাড়িতে ফিরে আসছে না। এমনকি অনেক জায়গায় খোঁজাখুজি করার পরও তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। উক্ত জিডির সূত্র ধরে আমরা তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

    প্রথমে ধারনা করা হয়েছিল ভিকটিম সাগর সরকার সম্ভবত তার চালিত কবির মিয়ার মালিকানাধীন পিকআপ গাড়ীটি অন্যত্র বিক্রয় করে নিজেকে আত্মগোপন করে রেখেছে।

    তৎপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল ইসলাম (পিপিএম-সেবা) পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্য অফিসারগনের নিয়ে একটি চৌকস টিম গঠন করে এবং দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ভিকটিমের চলিত পিকআপ গাড়ীটি মাধবপুর থানাধীন মনতলা থেকে উদ্ধার করে।

    পিকআপ গাড়ীটি উদ্ধারের পর রহস্য মোড় নেয় অন্যদিকে তৈরী হতে থাকে নতুন নতুন সন্দেহ। পরবর্তীতে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে তদন্ত কার্য পরিচালনা করে ভিকটিম সাগরের বন্ধু বাবুল মিয়া (২২), পিতা- তাজু মিয়াকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে।

    জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার নিকট হতে লোমহর্ষক এই হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়। পুলিশ বাবুল মিয়ার তথ্য মোতাবেক তার আরেক সহযোগী আলাউদ্দিন (২০), পিতা-আব্দুল কাদিরকে আটক করে।

    উভয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, অপরাধচক্রের সক্রীয় সদস্য গাড়ী চালক বাবুল মিয়ার পরিকল্পনা মোতাবেক তার পরিচিত আলাউদ্দিনসহ একটি অপরাধী গ্রুপ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গাড়ী ভাড়ার নাম করে ভিকটিম সাগর সরকার (১৮) কে প্রথমে শায়েস্তাগঞ্জ নিয়ে যায়।

    সেখান থেকে মাধবপুর নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পথিমধ্যে অর্থ্যাৎ চুনারুঘাট থানাধীন সাতছড়ি রাস্তার পাশে জঙ্গলের উচুঁ টিলার উপর উঠিয়ে কৌশলে তার সহযোগীদের নিয়ে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য সেখানে ফেলে রেখে গাড়ীটি নিয়ে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মাধবপুর উপজেলার মনতলা নামক সীমান্তবর্তী এলাকায় চলে যায়।

    হবিগঞ্জের লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

    পরবর্তীতে তাদের তথ্য ও দেখানো মতে হবিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল ইসলাম (পিপিএম-সেবা) সহ হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও সঙ্গীয় অন্যান্য অফিসারদের নিয়ে আজ ১৮ মে বিকাল অনুমান ০৪:০০ ঘটিকায় সাগর সরকারের মৃতদেহ চুনারুঘাট থানাধীন সাতছড়ি জঙ্গল হতে উদ্ধার করে।

    পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ভিকটিমের পিতা প্রদীপ সরকারকে অবহিত করা হয়েছে এবং হত্যা মামলার রুজু করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • শায়েস্তাগঞ্জে সারোয়ার গ্রুপের অর্থায়নে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

    শায়েস্তাগঞ্জে সারোয়ার গ্রুপের অর্থায়নে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

    হবিগঞ্জের শায়েস্তগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবছরের ন্যায় এবার ও মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারোয়ার গ্রুপের অর্থায়নে পৌর শহর ও আশ্রয়ন প্রকল্পের দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    সারোয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ সারোয়ার আলম এর বাড়ীর আঙ্গিনায় গত ১৭ মে থেকে প্রতিদিন পৌর শহর এর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও আশ্রয়ন প্রকল্পের এলাকাভিত্তিক তালিকা অনুসারে পর্যায়ক্রমে হতদরিদ্র দিন মজুর, কর্মহীন ও অসহায় পরিবারের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন সারোয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ সারোয়ার আলম (শাকিল)।

    বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন সারোয়ার গ্রুপের জেনারেল ম্যারেজার মোঃ সাদাত চকদার, জেলা সাংবাদিক ফোরাম এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মামুন চৌধুরী, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর সহ সারোয়ার গ্রুপের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ প্রমুখ।

  • মাধবপুরে পল্লী বিদ্যুৎ বিল গ্রহণে মানা হচ্ছে না সামাজিক দুরত্ব

    মাধবপুরে পল্লী বিদ্যুৎ বিল গ্রহণে মানা হচ্ছে না সামাজিক দুরত্ব

    মোঃজাকির হোসেনঃ বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সবাই যখন ঘরে অবস্থান করছে। সরকার সবাইকে ঘরে থাকতে উৎসাহিত করছে। ঠিক তখনই উল্টো পথে হাঁটছে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধবপুর উপজেলার নীতিনির্ধারকরা।

    দেশে দিন দিন বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রুগী ও মৃতের সংখ্যা। সারা দেশের ন্যায় মাধবপুর উপজেলার সাধারণ মানুষও আছে ভয়াবহ করোনা আতংকে।

    কিন্তু মাধবপুর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎতের নীতিনির্ধারকরা করোনা ভাইরাসকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সামাজিক দুরত্ব না মেনে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর জন্য গ্রাহকদের অসচেতনতাকেও দায়ী করছেন অনেকে।

    রবিবার (১৭ মে) সকালে সরেজমিনে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের ধর্মঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই জনসমাগম করে চলছে পল্লী বিদ্যুতের বিল গ্রহণের কাজ।

    পল্লী বিদ্যুতের নোয়াপাড়া জোনাল অফিসেও একই পদ্ধতিতে বিল গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেককেই ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে সমালোচনা করতে দেখা গেছে।

    পল্লী বিদ্যুতের মাধবপুর অফিসে ফোন করলে জানান, বছরের শেষে হিসাব ক্লোজ করতে হবে তাই গ্রাহকদের অনুরোধ করা হয়েছে বিল পরিশোধ করতে। সাধারণত গ্রাহকেরা ব্যাংকের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করে কিন্তু এখন কোন ব্যাংক বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ করছে না। তাই বাধ্য হয়ে গ্রাহকেরা অফিসে এসে বিল পরিশোধ করছেন। অফিসের সামনে যথেষ্ট

    জায়গা না থাকায়, সবাই অফিসে বিল দিতে চলে আসায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকার জুন পর্যন্ত আবাসিক মিটারের বিলম্ব মাশুল মাফ করেছে। এছাড়া অন্য মিটারের বিল সময় মতো পরিশোধ না করলে জরিমানা দিত হবে।