Category: হবিগঞ্জ

  • বাহুবলে দুস্থদের মাঝে ত্রান বিতরণ

    বাহুবলে দুস্থদের মাঝে ত্রান বিতরণ

    হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় কোর্ট আন্দর জহুরুন্নেছা-মতিন ক্লিনিকের উদ্যোগে ও নাবিক ইউ এস এ অর্থায়নে এলাকার তিন শতাধিক হত দরিদ্র দিন মজুর, কর্মহীন ও অসহায় পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    গত শনিবার (১৬ মে) দুপুরে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নে মরহুম দেওয়ান সৈয়দ আব্দুল মতিন-জহুরুন্নেছা তরফদার স্বরণে কোর্ট আন্দর সহ আশপাশ এলাকা নিয়ে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন দেওয়ান সৈয়দ বাছিত ফাউন্ডেশন সভাপতি দেওয়ান সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ, সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা সৈয়দ মওদুদ আহমেদ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন কোর্ট আন্দর হযরত সৈয়দ শাহ গেছুদারাজ ওরফে লুতশাহ (রহঃ) মাজার শরীফের সভাপতি মোঃ আমির চান খাঁ, কোর্ট আন্দর জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা রুকনউজ্জামান, দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ দিদার এলাহী সাজু, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, জহুরুন্নেছা-মতিন ক্লিনিকের স্বেচ্ছাসেবক দেওয়ান সৈয়দ মাহমুদুল হাসান, জাহাঙ্গীর আলম সবুজ প্রমুখ।

  • গরীব দুঃখীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করল হবিগঞ্জ হাই স্কুল এর ‘১৪ ব্যাচ

    গরীব দুঃখীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করল হবিগঞ্জ হাই স্কুল এর ‘১৪ ব্যাচ

    প্রতি বছর রমজান মাস আসলেই ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে মিলিত হয় হবিগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ এর ‘১৪ ব্যাচ।

    দেশে বিদ্যমান করোনা ভাইরাসের কথা মাথায় রেখে দেশের এই দূর্যোগে ‘১৪ ব্যাচ এ বছর সিদ্ধান্ত নেয় এবার ইফতার মাহফিল এর আয়োজন না করে গরীব ও আসহায়দের মাঝে বিতরণ করবে ইফতার প্যাকেট।

    তারই ধারাবাহিকতায় আজ বিকাল ০৪ ঘটিকা হতে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত শহরের প্রধান রাস্তাগুলোতে ঘুরে ঘুরে ‘১৪ ব্যাচ তাদের ইফতার প্যাকেট বিতরণ করেছে।

    হবিগঞ্জ হাই স্কুল এর ‘১৪ ব্যাচ এর সাবেক শিক্ষার্থী ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও স্মৃতি পাঠাগার ছাত্র ফেডারেশন বাংলাদেশ, সরকারি বৃন্দাবন কলেজ, হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক কে. এম. আবু বকর হবিগঞ্জ নিউজকে জানান, মোট ৬০ জন অসহায় হত দরিদ্র মানুষের হাতে ইফতার প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়াও ‘১৪ ব্যাচ এর আরেক শিক্ষার্থী আব্দুল মোসাদ্দেক হবিগঞ্জ নিউজকে জানান, বিতরণ কার্যক্রমে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য সব রকম নিয়ম মেনেই শহরের প্রধান সড়কগুলোতে অসহায়দের হাতে ইফতার প্যাকেট তুলে দেয় হবিগঞ্জ হাই স্কুল এর ‘১৪ ব্যাচ।

    এসময় উপস্থিত থেকে বিতরণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন, ‘১৪ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুল মোছাদ্দেক,সিয়াম উল সুরত প্রিন্স, তানভীর আহমেদ জিসান, শরিফুল হক নাবিদ, রাহাদ হাসান প্রমূখ।

  • হবিগঞ্জের মাধবপুরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন!

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন!

    হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের মেরাশানী গ্রামে আপন বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে ছোট ভাই নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ মে) রাতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মুফতি আব্দুল আহাদ ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছিলেন বলে জানা যায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেরাশানী গ্রামের মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে মুফতি আব্দুল আহাদ (৩৫) ঢাকায় একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। করোনার কারণে তিনি দুইমাস ধরে বাড়িতে এসে বসবাস করছেন। শনিবার দুপুরে পৈত্রিক ভিটায় একটি টয়লেট নির্মাণ করছিলেন। কিন্তু টয়লেটের স্থান নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয় বড় ভাই ইদন মিয়ার সঙ্গে। এনিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলতে থাকে। এক পর্যায়ে ইদন মিয়া ঘর থেকে একটি দা এনে মুফতি আব্দুল আহাদের মাথায় কোপ দেন। এতে আহাদ গুরুতর আহত হন। পরে পরিবারের লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনিবার রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহাদকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন বলেন, আজ রোববার (১৭ মে)সকালে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহাদ মিয়ার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ বাড়িতে আসার পর দাফন করা হয়েছে। পুলিশ ইদন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান পরিচালনা করছে।

  • মাধবপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত, দোষীদের শাস্তির দাবি!

    মাধবপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত, দোষীদের শাস্তির দাবি!

    মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করে হাফেজ মোবারক উল্লাহ সবার সহযোগিতার মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন।

    আজ রোববার (১৭ মে) সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার বানেশ্বর গ্রামের আশরাফ আলীর ফসলী জমি ভূমিখেকোরা জালিয়াতির মাধ্যমে দখল ও ড্রেজার মেশিন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ করেছেন তার ছেলে হাফেজ মোবারক উল্লাহ।

    তিনি সংবাদ সম্মলনে জানান, তাদের ফসলী জমি বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় একই গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে মনির আহম্মদ ও লোদন মিয়ার ছেলে আনিছুর রহমান জাল দলিল করে প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে ড্রেজার মেশিন স্থাপন করেন। ড্রেজার মেশিন চালু অবস্থায় হাফেজ মোবারক উল্লাহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দরখাস্তের প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সশরীরে উপস্থিত হয়ে ড্রেজার মেশিন বন্ধ করে দিয়ে আসেন। তবে এরপরও ড্রেজার মেশিন বন্ধ হয়নি, উপরন্তু তাদের জমির উপর পাইপ স্থাপন করার ফলে ফসলী জমি ভেঙে যায়। এতে জমির মালিক আশরাফ আলী প্রতিবাদ করলে অলিউর রহমান বাচ্চু মিয়ার দুই ছেলে মনির ও রাজু, উসমান মিয়ার ছেলে লুৎফুর রহমান, লোদন মিয়ার ছেলে আনিছুর রহমান ও জয়নাল মিয়ার ছেলে মুক্তার মিয়া গংরা বৃদ্ধ আশরাফ আলীকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে।

    তার ছেলে হাফেজ মোবারক উল্লাহ বাদী হয়ে ১০ মে থানায় একটি অভিযোগ দায়েন করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধবপুর থানার উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম ও ডিএসবি’র উপ-পরিদর্শক সাইকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হাফেজ মোবারক উল্লাহকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা কল্পকাহিনী পোস্ট করে যাচ্ছেন একটি কুচক্রী মহল। গত শুক্রবার (১৫ মে) বিবাদীরা তাদের নিজেদের পুকুরে দিনে-দুপুরে বিষ ঢেলে মাছ মেরে বাদী মোবারক উল্লাহকে আইন ও সমাজের কাছে দোষী বানানোর অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। এমন অসহায় অবস্থায় বৃদ্ধ অসুস্থ আশরাফ আলীর পক্ষে তার ছেলে হাফেজ মোবারক উল্লাহ আইনি সহযোগিতা চেয়েছেন।

    এ ব্যাপারে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ড্রেজার দিয়ে ফসলী জমি নষ্ট করার অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • জবর দখল সন্ত্রাস রাহাজানিতে উত্তপ্ত অবস্থায় বাহুবলের হরিতলা!

    জবর দখল সন্ত্রাস রাহাজানিতে উত্তপ্ত অবস্থায় বাহুবলের হরিতলা!

    বাহুবল উপজেলার নিভৃত পল্লী হরিতলা ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ওই গ্রামের একটি চিহ্নিত প্রভাবশালী চক্রের জবর দখল, সন্রাস রাহাজানিতে এখানে বিরাজ করছে অশান্তির দাবানল। পঞ্চায়েতি আধিপত্যের মাধ্যমে উচ্ছৃঙ্খল ওই চক্রটির কারণে জিম্মি হয়ে পড়েছেন গ্রামের সাধারণ মানুষ।

    সর্বশেষ তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে প্রভাবশালী বাহিনীর লোকজন গ্রামের নিরীহ এক যুবককে প্রকাশ্যে রাস্তায় হামলা চালিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্তের মাধ্যমে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেছে।

    গত ৭ মে সন্ধ্যায় সংঘটিত এ হামলার ঘটনায় বাহুবল মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে আসামীরা।

    জানা যায়, হরিতলা গ্রামের উস্তার মিয়া সহ কয়েক ব্যক্তি পেশী শক্তির মাধ্যমে জিম্মি করে রেখেছেন গ্রামের নিরীহ লোকজনকে।

    প্রায় মাস খানেক আগে গরুর ধান খাওয়ার ঘটনা নিয়ে ওই গ্রামের মৃত মফিজ উল্লা মহালদারের ছেলে উস্তার গংদের সাথে বিরোধ বাধে একই গ্রামের মৃত রশিদ উল্লার ছেলে আব্দুল মতলিবের।

    তখন বিষয়টি নিরসনের জন্য স্থানীয় মুরুব্বিয়ান উদ্যোগ নেন। কিন্তু উস্তার মিয়ার পক্ষের অসহযোগিতার কারণে সালিশ হয়নি।

    এক পর্যায়ে গত ৭ মে সন্ধায় স্থানীয় হরিতলা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুল মতলিবের ছেলে সবুজ মিয়া (২৪) এর উপর হামলা চালায় উস্তার মিয়া, অনু মিয়া ও ফুল মিয়াসহ ২০/২২ জন লোক।

    এসময় সবুজ মিয়ার শোর চিৎকার শুনে তাকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে তার বৃদ্ধা ফুফু ফুল বানু (৬০) কেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারীরা।

    এমনকি এঘটনার প্রতিবাদ করায় সাবাজ মিয়া নামের অপর এক ব্যক্তির দোকানেও হামলা চালায় উস্তার মিয়ার লোকজন। এসময় ওই দোকানে ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়ে অর্ধ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

    স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত সবুজ মিয়া ও তার ফুফুকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    পরে সবুজ মিয়ার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এখনো সবুজ মিয়া সেখানে চিকিৎসাধীন আছে।

    অপরদিকে এঘটনায় সবুজ মিয়ার পিতা বাদি হয়ে মৃত মফিজ উল্লার ছেলে উস্তার মিয়াকে প্রধান আসামি করে ২২ জনের বিরুদ্ধে ১০ মে বাহুবল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই মামলাটি থানায় রেকর্ডভুক্ত হয়।

    বাদির অভিযোগ মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য আসামীরা নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিচ্ছে।

    আর তাদেরকে উস্কে দিচ্ছেন আসামীদের নিকটাত্মীয় সুনামগঞ্জে কর্মরত ফিরোজ মিয়া নামের এক দারোগা।
    এছাড়া এ মামলাটি ভিন্নভাতে নিতে আসামি অনু মিয়াসহ তার সহযোগীরা নিজেদের ঘর দরজা ভেঙ্গে বা মহিলাকে নির্যাতন করে সাজানো মামলা দায়েরের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    এরই অংশ হিসাবে গত ১৪ মে দুপুরে প্রকাশ্যে নিজের ঘরের টিনের চাপটা বাইড়িয়ে খুলে ফেলার চেষ্টা করেন অনু মিয়া এবং তার পক্ষের আমিন, সোহেল, মাসুক, মমিন আলী ও নজরুল।

    এ ঘটনাটি আশেপাশের নিরপেক্ষ লোকজন প্রত্যক্ষ করেছেন। সরেজমিনে গেলে এ প্রতিনিধির কাছে লোকজন প্রকৃত ঘটনা এভাবেই তুলে ধরেন। তারা জানান, এঘটনা নতুন নয়। দীর্ঘ দিন ধরে উল্লেখিত উস্তার মিয়ার লোকজন গ্রামে ত্রাসের রাজত্ব করে চলেছে। তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা থাকলেও তারা কোন তোয়াক্কাই করছে না। দিন দিন তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

    বর্তমানে আসামী পক্ষের হুমকির কারণে প্রতিপক্ষের জমির পাকা ধান ও মৌসুমি ফসল যথাসময়ে তুলতে না পারায় তা বিনষ্ট হচ্ছে।

    এ ব্যাপারে প্রশাসনের জোড়ালো হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

  • শায়েস্তাগঞ্জে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    শায়েস্তাগঞ্জে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় দোকানপাট ও মার্কেটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।

    আজ রোববার (১৭ মে) দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী আক্তার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির আরাফাত রানা   শায়েস্তাগঞ্জ শহরের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালান।

    এ সময় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বেচাকেনা করায় মনিহার বস্ত্রালয়কে ৩ হাজার টাকা, আলী ক্লথ স্টোরকে ২ হাজার টাকা ও মাছ ব্যবসায়ী জানে আলমকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    এরপর শায়েস্তাগঞ্জের বিভিন্ন মার্কেটে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী আক্তার ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদেরকে অনুরোধ করছি দোকানপাট বন্ধ রাখেন। এখন পর্যন্ত শায়েস্তাগঞ্জে ১৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ল্যাব থেকে ১৭ জনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করছেন না। আপনাদের কারণে মনে হচ্ছে করোনা আসতে আর দেরি হবে না। যদি দোকানপাট বন্ধ না রাখেন, তাহলে আমি বিশাল পরিমাণে জরিমানা করব। তখন কিন্তু লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে।

    তিনি আরো বলেন, এই মাসে লোকজন এমনিতেই লাখ লাখ টাকা দান-খয়রাত করে ও যাকাত দেয়। আপনারা ঈদ পর্যন্ত বন্ধ রাখলে তো আর না খেয়ে থাকবেন না। তাহলে কেন নিজের এবং মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছেন? দোকানপাট বন্ধ রেখে নিজেকে ও নিজের পরিবারকে নিরাপদে রাখুন।

  • রাতের আঁধারে অসহায় মানুষদের পাশে আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    রাতের আঁধারে অসহায় মানুষদের পাশে আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    করোনা দুর্যোগের এই সময়ে নিয়মিত দিনে এবং রাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    সাম্প্রতিক সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে আর অনেকটা গোপনে গরীব অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন যে কজন মানুষ, তাদের একজন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক তিনবারের মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    করোনার এই ভয়াল পরিস্থিতিতে খোঁজ রাখছেন অসহায় গরিব মানুষদের। প্রতিদিনের ন্যায় আজও নিজ উদ্যোগে ত্রান বিতরণ করেছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    আজ তোফাজ্জল হক শায়খে হবিগঞ্জী (রহঃ) কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন ।

    হবিগঞ্জ পৌরসভার উমেদনগর গ্রামে ১নং ২নং ওয়ার্ডে রাতের অন্ধকারে অসহায় মানুষদের মধ্যে নিজ উদ্যোগে ধারাবাহিক এই ত্রাণসহায়তা নিয়ে হাজির হন এবং ত্রাণ বিতরণ করেন।

    এসময় তার সাথে ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, জালাল আহমেদ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক, জি কে ঝলক, কলেজ ছাত্রদল নেতা সৈয়দ আশরাফ আহমেদ সহ অনেকে।