Category: হবিগঞ্জ

  • জিয়াউর রহমানের স্মরণে জেলা বিএনপির দোয়া মাহফিল

    জিয়াউর রহমানের স্মরণে জেলা বিএনপির দোয়া মাহফিল

    আজ সাবেক রাষ্ট্রপতি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব জি কে গউছ সহ জেলা বিএনপি ছাত্রদল যুবদল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মিলাদ মাহফিলে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত জিয়াউর রহমান এবং বর্তমানে অসুস্থ সাবেক তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার সহোদর মরহুম আরাফাত রহমান কোকো সহ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দদের জন্য বিশেষভাবে দোয়া ও কোরআন পাঠ করা হয়।

  • মাধবপুরে ভারতীয় নাগরিকদের পিটুনিতে মারা যাওয়ার ব্যাক্তির লাশ হস্তান্তর

    মাধবপুরে ভারতীয় নাগরিকদের পিটুনিতে মারা যাওয়ার ব্যাক্তির লাশ হস্তান্তর

    মোঃজাকির হোসেনঃ গরু চোর সন্দেহে ভারতীয় নাগরিকদের পিটুনিতে নিহত বাংলাদেশের হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মালঞ্চপুর গ্রামের লোকমান হোসেন (৩২) এর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় সকল আনুষ্ঠানিকতা সেরে নিহতের পরিবারের নিকট লাশ হস্তান্তরা করা হয়েছে বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছেন।

    মাধবপুর থানার কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মুর্শেদ আলম জানান, শুকবার বিকেলে লাশ হস্তান্তর নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    ভারতের পক্ষে পতাকা বৈঠকে নেতৃত্ব দেন ১২০ ব্যাটালিয়ানের মোহনপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার শশি কান্ত ও বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ধর্মঘর বিজিবি’র সুবেদার দেলোয়ার হোসেন।

    মাধবপুরে ভারতীয় নাগরিকদের পিটুনিতে মারা যাওয়ার ব্যাক্তির লাশ হস্তান্তর

    পরে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মোহনপুর সীমান্তের ১৯৯৪/৪ এস পিলারের নিকট দিয়ে লাশ বিজিবি ও পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন ভারতের বিএসএফ।

    বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ধর্মঘর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম কামাল, নিহতের বড় ভাই হুমায়ুন।

    সেখানে পুলিশের কিছু প্রয়োজনীয় কাজ সেরে লোকমান হোসেনের লাশ তার ভাই হুমায়ুনের নিকট বুজিয়ে দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য গত ২৪ মে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের মালঞ্চপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হাসিমের ছেলে লোকমান হোসেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মোহনপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে তার ফুফুর বাড়িতে যাবার সময় ভারতীয় নাগরিকরা তাকে গরু চোর ভেবে পিটিয়ে আহত করে।

     

    ভারতীয় নাগরিকের পিটুনীতে বাংলাদেশী নিহত
    নিহত লোকমান হোসেন

    ভারতের পশ্চিম ত্রিপুরা রাজ্যের সিধাই থানা পুলিশ মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে লোকমানের মৃত্যু হয়।

    তারপর থেকে লাশ হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় লাশ হস্তান্তর করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষি বাহিনী বিএসএফ।

  • চুনারুঘাট গুইবিল সীমান্তে থেকে গাজা উদ্ধার

    চুনারুঘাট গুইবিল সীমান্তে থেকে গাজা উদ্ধার

    হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার গুইবিল সীমান্ত থেকে ২৫ কেজি গাজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে নালুয়া চা বাগানের ২০ নম্বর এলাকা থেকে গাজার বস্তা উদ্ধার করা হয়।

    গুইবিল সিমান্ত ফাঁড়ির নায়েক সুবেদার জানান, “গুইবিল সীমান্তের ১৯৭০ মেইন পিলারের ৪ এস দিয়ে গাজা পাচার করার সময় ২৫ কেজি গাজা উদ্ধার করেন টহলরত বাহীনি। এই সময় গাঁজা ব্যবসায়িরা পালিয়ে যায়।

    বিজিবি’র ৫৫ ব্যাটালিয়ন হবিগঞ্জের সহকারী পরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।”

  • শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ৩৭ কেজি গাঁজা জব্দ

    শায়েস্তাগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ৩৭ কেজি গাঁজা জব্দ

    হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বেতবাড়িয়া এলাকায় গাঁজাসহ দুইজনকে আটক ও একটি পিকআপ জব্দ করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার ভোরে র‌্যাবের অভিযানে তাদের আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

    গাজাসহ আটককৃতরা হলেন, কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার বাসাবিল এলাকার গোলাপ মিয়ার ছেলে মোঃ আলী হোসেন, আব্দুল মালেকের ছেলে মোঃ জামাল। অভিযানে পিকআপ ভ্যান থেকে ৩৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পিকআপ ভ্যানের রেজিষ্টেশন নাম্বার ঢাকা মেট্রো-ন-১১-৪০৮৯।

    র‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, র‌্যাব ভৈরব ক্যাম্পের কম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের, সিনিয়র সহকারি পরিচালক চন্দন দেবনাথ ও এএসপি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন এর নেতৃত্বে ভোরে বেতবাড়িয়া এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অভিযান চালানো হয়। হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থেকে মাদকবহনকারি পিকআপটি ঢাকায় যাওয়ার খবরে এ অভিযান চালানো হয়। পিকআপ তল্লাশি করে ৩৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

  • সাতছড়ি উদ্যানে ফুটেছে ফুল, অবাধে ঘুরছে বন্যপ্রাণী

    সাতছড়ি উদ্যানে ফুটেছে ফুল, অবাধে ঘুরছে বন্যপ্রাণী

    গিরি ধন সরকারঃ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। প্রায় ২৪৩ হেক্টর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠা এ উদ্যান পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। প্রতিবছর ভ্রমণ পিয়াসুরা ভিড় করেন সাতছড়ির বিস্তৃত উদ্যানে; পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়ান বনের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। মিশে যান সবুজে; প্রাণজুড়িয়ে দেখেন নানান প্রজাতির বন্যপ্রাণী।

    তবে করোনাভাইরাসে কারণে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্পটের মতো সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানেও পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ দুই মাস থেকে সাতছড়ি রয়েছেন পর্যটন শূন্য। ঈদেরও পুরো পর্যটক শূন্য ছিলো বিশাল বিস্তৃত সবুজ সমোরহ সাতছড়ি।

    অথচ গত ঈদে সাতছড়িতে ছিলো লোকে লোকারণ্য। এর ফলেই গত ঈদে ৩ লাখ ১৭ হাজার ৪৯০ টাকার রাজস্ব আদায় করেছিল হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ। অথচ এবার রাজস্ব শূন্য। তবে সরকার রাজস্ব শূন্য হলেও নীরব, নিস্তব্ধ সাতছড়ি নতুন রূপে সেজেছে। মানুষের কোলাহল-মুক্ত সাতছড়ি যেন নিজস্ব রূপ নিয়ে নবরূপে হাজির হয়েছে। উদ্যোগের বাহারি গাছগুলোতে ফুল এসেছে। মনের আনন্দে উদ্যানের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে বন্য প্রাণী। এ-যেনো নতুন এক সাতছড়ি।

    কারণ সাতছড়ির জাতীয় উদ্যানের প্রায় ১৪৫ প্রজাতির নানা জাতের গাছপালা নতুন রূপ ধারণ করেছে। এছাড়া দেখা মিলছে মেছো-বাঘ, উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান, শুকুর, লজ্জাবতী বানর, চশমা হনুমান এবং নানা প্রজাতির সাপ। থেমে নেই পাখির কোলাহলও। লাল মাথা ট্রগন, ধনেশ, ঘুঘু, টিয়া, ঈগল, ময়না ইত্যাদি পাখির বিচরণ পুরো উদ্যান-জুড়ে।

    তোফাজ্জল হোসেন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, ‘অন্য সময় সাতছড়ি উদ্যানের ভেতরে সব সময় পর্যটক থাকত। তাদের হইহোল্লোরে বন্যপ্রাণীরা বনের ভেতরে লুকিয়ে থাকত। কিন্তু এখন বানর, উল্লুক, চশমাপরা হনুমান, ময়না, টিয়া, বনমোরগ ও সাপসহ বিভিন্ন প্রজাতির জীবজন্তু ও পাখি সব সময় সামনে এসে ঘুরাঘুরি করছে। এছাড়া মায়া হরিণ, মেছো-ভাগসহ বিভিন্ন প্রজাতির জীবজন্তুরও প্রায় সময় দেখা মিলছে।’

    আর বনপ্রহরী মো. রমিজ আলী বলেন, ‘আমরা বললে অনেকে বিশ্বাস করবেন না। এই উদ্যানে মায়া হরিণসহ বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে। যাদের দেখা এখন মিলছে। লকডাউনে উদ্যানের ভেতরে পর্যটক না আসায় তারা গহীন অরণ্য থেকে বেরিয়ে এসে সব জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।’

    তবে সরেজমিনে উদ্যানটি ঘুরে দেখা যায়, পরিচর্যার অভাবে উদ্যানের সমুখে ময়লা আবর্জনা জমেছে। যেন উদ্যানটি দেখার জন্য কেউ নেই। তবে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলছেন, ‘বিভিন্ন গাছের পাতা পড়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখন পরিষ্কার করলে আবারও ময়লা হবে। তাই আমরা লকডাউন উঠার পর উদ্যানটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই পর্যটক আসুক। কিন্তু তাদের কারণে যেন বন্যপ্রাণীদের কোন সমস্যা না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। আমরা সব সময় পর্যটকদের বেশি হইহুল্লোর করতে দেই না। কিন্তু এতে অনেক পর্যটক রাগ হন আমাদের প্রতি।’

    এ রেঞ্জ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘লকডাউনের কারণে উদ্যানটি দুই মাস ধরে বন্ধ থাকায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্য বছর ঈদে পর্যটকদের ঢল নামত উদ্যানে। কিন্তু এবছর একজন পর্যটকও আসছেন না। আর আসলেও আমরা তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছি।’

    উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে প্রায় ২৪৩ হেক্টর জায়গা নিয়ে সিলেট বিভাগের প্রবেশ পথ হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় রঘুনন্দন পাহাড়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাকৃতিক ভাবে গড়ে উঠা সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত সাতটি পাহাড়ি ছড়া বা ঝর্ণা থেকে এই স্থানের নামকরণ করা হয় সাতছড়ি। পূর্বে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান (Satchari National Park) ‘রঘুনন্দন হিল রিজার্ভ ফরেস্ট’ নামে পরিচিত ছিল।

  • নবীগঞ্জে দৃষ্টিনন্দিত একটি মসজিদ পাল্টে দিলো গুমগুমিয়া গ্রামের পুরো চিত্র !

    নবীগঞ্জে দৃষ্টিনন্দিত একটি মসজিদ পাল্টে দিলো গুমগুমিয়া গ্রামের পুরো চিত্র !

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন একটি মসজিদ পাল্টে দিয়েছে পুরো গুমগুমিয়া গ্রামের চিত্র। আধুনিক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত মসজিদটি অন্যান্য এলাকার মানুষদেরও নজর কেড়েছে। দৃষ্টি নন্দিত বৃহৎ এই মসজিদটি বাড়িয়ে দিয়েছে পুরো এলাকার সৌন্দর্য। নতুন মসজিদে আগ্রহ নিয়ে নামাজ আদায় করতে যাচ্ছেন গ্রামের মুসল্লিরা।

    এক সময় এই অবহেলিত গ্রামে ছোট আকারের একটি মসজিদ ছিল। শুক্রবার অথবা ঈদের দিনে জামাতে সবাই এক সাথে নামাজ আদায়ের সময় জায়গার দেখা দিত সংকট। অনেক কষ্ট করে নামাজ আদায় করতে হতো গ্রামবাসীর। অবশেষে নতুন মসজিদ নির্মাণ হওয়ায় অনেক দিনের বেধে রাখা স্বপ্ন পূরন হলো গুমগুমিয়া গ্রামের মানুষদের।

    প্রায় ৩ একর জায়গার মধ্যে নির্মিত মসজিদটিতে ব্যবহার করা হয়েছে সম্পূর্ণ আধুনিক জিনিসপত্র। তবে সব চাইতে বেশি আকৃষ্ট করেছে প্রাচীনতম আমলের বড় গম্বুজটি যা দূর থেকে দেখলে যে কাউকে মুগ্ধ করে। এখনও মসজিদের সকল কাজ সম্পন্ন হয়নি। প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মসিজিদ নির্মাণ করেছেন ওই গ্রামের সন্তান লন্ডন প্রবাসী জিলু মিয়া। এই অবহেলিত গুমগুমিয়া গ্রামকে আধুনিক করতে আরো অনেক পরিকল্পনা রয়েছে তরুণ এই জিলু মিয়ার।

    স্থানীয়রা জানান, এক সময় জিলু মিয়া না থাকলেও, জিলু মিয়া কতৃক নির্মিত এই মসজিদটি থাকবে আজীবন।

  • মাধবপুরে মা-মনি হাসপাতালে ডিসিনফেকশন চেম্বার স্থাপন

    মাধবপুরে মা-মনি হাসপাতালে ডিসিনফেকশন চেম্বার স্থাপন

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে মা=মনি হাসপাতালে জীবানুনাশক টানেল স্থাপন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকালে মাধবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও মামনি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব আতিকুর রহমান জীবানুনাশক টানেলটি উদ্বোধন করেন।

    এ সময় অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শফিকুল ইসলাম, মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রোকন উদ্দিন লস্কর, প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি সাব্বির হাসান, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন আল রনি, কাউন্সিলর বাবুল হোসেন, হাসপাতাল ভবনের মালিক মাসুক মিয়া প্রমুখ।

    মা-মনি হাসপাতালের পরিচালক প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি আবুল খায়ের জানান, হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, স্টাফ ও আগত রোগীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করেই আমরা এই টানেলটি স্থাপন করেছি।