Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে পাসের হাস ৭২.৭৩, এগিয়ে ছেলেরা

    হবিগঞ্জে পাসের হাস ৭২.৭৩, এগিয়ে ছেলেরা

    হবিগঞ্জে এবার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৭২.৭৩ শতাংশ। এর মধ্যে ছেলে ৭২.৭৯ শতাংশ ও মেয়েরা ৭২.৬৮ শতাংশ। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬০৫ জন। এর মধ্যে ছেলে ২৯০ জন ও মেয়েরা ৩১৫ জন।

    রোববার (৩১ মে) সকালে সিলেট সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক কবীর আহমদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এ বছর হবিগঞ্জ থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৩ হাজার ১৬৬ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে ৯ হাজার ৯৭৮ জন এবং মেয়ে ১৩ হাজার ১৮৮ জন।

    জেলায় মোট পাসের সংখ্যা ১৬ হাজার ৮৪৮ জন। এর মধ্যে ছেলে ৭ হাজার ২৬৩ জন এবং মেয়ে ৯ হাজার ৫৮৫ জন। এর মধ্যে ছেলে ৭২.৭৯ শতাংশ ও মেয়েরা ৭২.৬৮ শতাংশ।

  • আরও ২০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হবিগঞ্জে!

    আরও ২০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হবিগঞ্জে!

    হবিগঞ্জে একদিনে আরও ২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

    রোববার ঢাকার ল্যাবে পরীক্ষায় এই ২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

    হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন মোস্তাফুজুর রহমান উজ্জ্বল এ তথ্য জানিয়েছেন।

    নতুন শনাক্ত হওয়া ২০ জনের মধ্যে বাহুবলের ৮ জন, চুনারুঘাটের ৪ জন, সদর উপজেলার ৪ জন, আজমিরীগঞ্জের ২ জন, নবীগঞ্জের ১ জন ও লাখাইয়ের ১ জন। এরমধ্যে পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সরকারি কর্মচারী রয়েছেন ৪ জন।

    এনিয়ে হবিগঞ্জ জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৯১ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮৭ জন ও মারা গেছেন ১ জন।

  • দৈনিক আমার হবিগঞ্জের আইন উপদেষ্টা থেকে পদত্যাগ করলেন এ্যাডভোকেট বিজন

    দৈনিক আমার হবিগঞ্জের আইন উপদেষ্টা থেকে পদত্যাগ করলেন এ্যাডভোকেট বিজন

    হবিগঞ্জের নতুন দৈনিক “আমার হবিগঞ্জ” পত্রিকার আইন উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন হবিগঞ্জ জেলা বারের সিনিয়ির সদস্য এ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন। ৩০ মে (শনিবার) বিকেলে তার ব্যবহৃত ফেসবুক একাউন্টের স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

    ফেসবুক একাউন্টের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল, “আমি যেহেতু আইন উপদেষ্টা দৈনিক আমার হবিগঞ্জ থাকাবস্থায় পত্রিকার স্বার্থ রক্ষায় কোন আইনগত সহায়তার সুযোগ পাই নাই অর্থাৎ সম্পাদক এর নিযুক্তিয় আইনজীবি ভিন্ন এবং পদক্ষেপ নিতে পারি নাই এবং যেহেতু সনাতন ধর্মাবলম্বী দের একান্ত কাছের মানুষ এড আবু জাহির এম পি এর বিরুদ্ধে অসত্য বক্তব্য সম্পর্কিত সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বী দের সঙ্গে আমি একমত পোষন করেছি তাই নৈতিক ভাবে আমি পত্রিকার সঙ্গে থাকার কোন অধিকার রাখি না । আমি তাই এই পত্রিকার উপদেষ্টা এর পদ থেকে পদত্যাগ করলাম। আগামীকাল থেকে আমার নাম পেপার এ না ছাপানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকেলর প্রতি অনুরোধ রইল।”

     

    দৈনিক আমার হবিগঞ্জের আইন উপদেষ্টা থেকে পদত্যাগ করলেন এ্যাডভোকেট বিজন
    এ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজনের ফেইচবুক স্ট্যাটাস।

    এ ব্যাপারে পত্রিকার বার্তা সম্পাদক রায়হান উদ্দিন সুমন জানান, “আমরা জানতে পারলাম তিনি ফেইসবুক আইডি থেকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার আইন উপদেষ্টা থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন। তিনি থাকবেন না ভালো কথা । সবকিছুর ই তো একটা সিস্টেম আছে । আমাদের কাছে কোন লিখিত পদত্যাগ পত্র পৌছায়নি।”

    উল্লেখ্য দৈনিক আমার হবিগঞ্জের প্রকাশক ও সম্পাদক প্রকৌশলী সুশান্ত দাসগুপ্তকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবু জহির বিরুদ্ধে তার সম্পাদিত পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে দায়ের এক মামলা ২১ মে (বৃহস্পতিবার) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

  • লাখাইয়ে আত্নহত্যা করল এসএসসি পরীক্ষার্থী

    লাখাইয়ে আত্নহত্যা করল এসএসসি পরীক্ষার্থী

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল করায় রাগে ও অভিমানে মণি আক্তার (১৮) নামে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। রোববার (৩১ মে) বেলা দেড়টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।

    আত্মহনন কারী মণি আক্তার লাখাই উপজেলার বেগুনাই গ্রামের জামাল মিয়ার মেয়ে। সে মাদনা এসইএসডি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরিক্ষায় অংশ নেয়।

    তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। ফলাফল দেখার পর সে ফেল করায় রাগে ও অভিমানে পরিবারের সকলের অগোচরে বিষপান করে চটপট করতে থাকে। বিষয়টি পরিবারের লোকজন আচঁ করতে পেরে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মণিকে মৃত ঘোষণা করেন।

    লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • হবিগঞ্জের আব্দুল মোবিন পেলেন হাইকোর্টে বিচারপতির স্থায়ী নিয়োগ

    হবিগঞ্জের আব্দুল মোবিন পেলেন হাইকোর্টে বিচারপতির স্থায়ী নিয়োগ

    এম এ রাজাঃ হাইকোর্টে স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত ১৮ জন বিচারপতির মধ্যে অন্যতম একজন আমাদের হবিগঞ্জের গর্ব এ এস এম আব্দুল মোবিন। উনার পৈত্রিক নিবাস হবিগঞ্জ জেলাধীন মাধবপুর উপজেলার স্বনামধন্য পাটুলী গ্রামে।

    উনার পিতামহ মরহুম আব্দুল গনি ব্রিটিশ আমলে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। উনার বাপ-দাদার স্মৃতি বিজড়িত হবিগঞ্জ শহরের তিন কোনা পুকুর পাড়স্থ মুসলিম কোয়ার্টের গণি মঞ্জিল নামক বাড়ি খানা এখনো পূর্বপুরুষের স্মৃতি বহন করে আসছে।

    বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিন এর পিতাও তৎকালীন সিলেট জেলার স্বনামধন্য আইনজীবী ছিলেন। এছাড়াও বিচারপতি মোবিনের পিতা মরহুম আব্দুল হাই ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ সহচর। তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সিলেটে রাজনৈতিক সফরে আসলে উনাদের আথিতিয়তা গ্রহণ করতেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পাওয়া গেছে।

    বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের মামার বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার পৃথিবীর বৃহত্তর গ্রাম বানিয়াচঙ্গে। বানিয়াচং প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক মোঃ হেমায়েত আলী খান বিচারপতি আব্দুল মোবিনের আপন মামাতো ভাই।

    বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় হবিগঞ্জবাসী গর্বিত।

    বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ১৮ জন অতিরিক্ত বিচারককে হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ বিচারপতিদের শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

    শুক্রবার (২৯ মে) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে তাদের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম সরোয়ার।

    নিয়োগ পাওয়া এ এস এম আব্দুল মোবিন সহ অন্যান্য বিচারকরা হলেন- মো. আবু আহমেদ জমাদার, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ফাতেমা নজীব, মো. কামরুল হোসেন মোল্লা, এস এম কুদ্দুস জামান, মো. আতোয়ার রহমান, খিজির হায়াত, শশাঙ্ক শেখর সরকার, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন শামীম, মো. রিয়াজ উদ্দিন খান, মো. খায়রুল আলম, এস এম মনিরুজ্জামান, আহমেদ সোহেল, সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর, খোন্দকার দিলীরুজ্জামান ও কে এম হাফিজুল আলম।

    তারা আগে থেকেই অস্থায়ীভাবে বিচারকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। নিয়োগ পাওয়ার মাধ্যমে এখন তারা স্থায়ী হলেন।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে এ নিয়োগ দিয়েছেন।

  • মাধবপুরে পাশের হার ৭০.৩২%, সেরা প্রেমদাময়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়

    মাধবপুরে পাশের হার ৭০.৩২%, সেরা প্রেমদাময়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়

    গিরি ধন সরকারঃ আজ হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলা এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় সিলেটে পাশের হার ৭০.৩২ শতাংশ। রোববার (৩১ মে) সকাল ১০ টায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    দেশ ব্যাপী এক যোগে মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। মাধবপুরে এসএসসি পরীক্ষায় ৩ হাজার ৬শ ৬২ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ হাজার ৫শ ৭৫জন। পাশের হার শতকরা ৭০.৩২ শতাংশ।

    এর মধ্যে প্রেমদাময়ী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১৮ জন জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও জগদীশপুর জেসি হাই স্কুল এন্ড কলেজে ১৫ জন জিপিএ-৫ পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে।

    আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় ও গোবিন্দপুর সরকারি হাইস্কুলে ১২ জন জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলার মাঝে ৩য় অবস্থানে রয়েছে।

    এছাড়া বিদ্যৎ উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয় শাহজীবাজার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫জন, সৈয়দ সঈদ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ ৪ জন, শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ জন, আউলিয়াবাদ আর কে উচ্চ বিদ্যালয় ১ জন, অপরুপা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যায়তন ১ জন, উপজেলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৩ জন, বঙ্গবীর ওসমানী উচ্চ বিদ্যালয় ৫ জন, ছাতিয়াইন বিশ্বনাথ হাইস্কুল এন্ড কলেজে ৪ জন।

    অন্যদিকে মাধবপুরে ৫টি মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষায় ২৯২ জন অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৮৫ জন। পাশের হার শতকরা ৯৭.৬০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫জন।

    ইটাখোলা সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন, কাজিরচক মাদ্রাসায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, ছালেহাবাদ এমএস দাখিল মাদ্রাসায় ১ জন, মাধবপুর দরগাঁহ বাড়ি দাখিল মাদ্রাসায় ১ জন।

    বরাবরের মত এবারও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি যে কোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যায়।

    তবে মাধ্যমিকের ফল পেতে এর মধ্যে যারা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করেছেন, ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে তাদের মোবাইলে এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হয়।

  • এমপি আবু জাহিরের প্রচেষ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত করার জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপন হচ্ছে হবিগঞ্জে

    এমপি আবু জাহিরের প্রচেষ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত করার জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপন হচ্ছে হবিগঞ্জে

    অবশেষে এমপি আবু জাহিরের প্রচেষ্টায় হবিগঞ্জে করোনাভাইরাস শনাক্ত করার জন্য পিসিআর ল্যাব স্থাপন হচ্ছে। এরফলে জেলাবাসীর কাঙ্কিত একটি দাবির অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

    হবিগঞ্জ জেলা শহরের শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজে এ ল্যাব স্থাপন হবে। ইতোমধ্যে ৫ জন টেকনেশিয়ান পদায়ন করা হয়েছে। এখন শুধু মেশিনের অপেক্ষা। সরকার পক্ষ থেকে শীঘ্রই একটি মেশিন ক্রয়ের পর এখানে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন এমপি মো. আবু জাহির।

    পিসিআর ল্যাব স্থাপনের লক্ষ্যে ২০ মে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বেলাল হোসেন শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজে ৫ জন ল্যাব টেকনেশিয়ান পদায়নের পত্র প্রেরণ করেন। তাদের মধ্যে দুইজন হবিগঞ্জের। বাকী তিনজন আসছেন ঢাকা, সিলেট ও মৌলভীবাজার থেকে।

    জানা গেছে, করোনার হটস্পট নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লোকজনের মাধ্যমে হবিগঞ্জে শুরু হয় ভাইরাসটির কমিউনিটি ট্রান্সমিশন। ইতোমধ্যে এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭১ জন। মারা গেছে এক শিশু। সিলেট বিভাগের প্রবেশ দ্বার এবং আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় রেড জোন হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছিল হবিগঞ্জকে।

    প্রায় দেড়মাস ধরে স্থানীয় বিজ্ঞ মহলসহ সকল শ্রেণী-পেশার লোকজন হবিগঞ্জে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের দাবি জানাচ্ছিলেন। এনিয়ে ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা হলেও বিভিন্ন কারণে তা হচ্ছিল না। অবশেষে স্থানীয় এই সংসদ সদস্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে তদবির শুরু করলে সম্ভাবনা দেখা দেয় ল্যাবটি স্থাপনে।

    এ ব্যাপারে এমপি আবু জাহির বলেন, মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ইতোমধ্যে ৫ জন টেকনেশিয়ান নিয়োগ দেয়া হয়েছে। শীঘ্রই একটি পিসিআর মেশিন প্রেরণ করা হবে ঢাকা থেকে। তার পরপরই করোনা পরীক্ষার কার্যক্রাম শুরু হবে বলে আমরা আশাবাদী।

    প্রসঙ্গত, করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সরকারি ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি ব্যাপক জনসচেতনাতামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন এমপি আবু জাহির। এরই মাঝে তার নিজের বেতন ভাতাসহ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় নির্বাচনী এলাকার ২০ হাজার মানুষের হাতে পৌঁছে দিয়েছেন খাদ্য সামগ্রী।