Category: হবিগঞ্জ

  • ভাঁঙ্গা ভবনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের বন বিভাগীয় অফিস !

    ভাঁঙ্গা ভবনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের বন বিভাগীয় অফিস !

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ভাঙা ভবনে চলছে বন বিভাগের কার্যক্রম। আবাসিক ভবনগুলোরও একই অবস্থা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব ভবনেই বাধ্য হয়ে কাজ কর্ম সাড়ছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

    ১৯৬৫ সালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকার পূর্ব লেঞ্জাপাড়া গ্রামে এক একর জমির উপর নির্মাণ করা হয় বন বিভাগের এ অফিস। দীর্ঘদিন ধরে বনবিভাগের কার্যক্রম ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে।

    অফিসের সামনে নেই কোনো সীমানা প্রাচীর। অফিসটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে তেমন কোনো সংস্কার না হওয়ায় এ ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তিনটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, তবুও নতুন ভবন নির্মাণ হচ্ছে না। এদিকে বাকি ভবনগুলোর অবস্থাও সংকটাপন্ন। অফিস ভেঙে মাথায় পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন অফিসের কর্মরতরা।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসে কর্মরত একজন বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। ভবনগুলোর অবস্থা করুন থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের টনক না নড়লে কী আর করার আছে।

    শায়েস্তাগঞ্জ রেঞ্জ অফিসের পাশেই পূর্ব লেঞ্জাপাড়ার প্রবীণ মুরব্বী হাজী খোরশেদ মিয়া বলেন, সরকারি একটি অফিস ঝুঁকিপূর্ণ থাকবে কেন। বহুদিন ধরেই ভাঙাচোরা অফিসেই কাজ করছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নওয়াব আলী জানান, ঠিক কী কারণে রেঞ্জ অফিসটি অবহেলিত আমি বুঝে উঠতে পারছি না। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে সীমানা প্রাচীরসহ একটি সুন্দর রেঞ্জ অফিস করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

    শায়েস্তাগঞ্জ বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার আব্দুল খালেক জানান, আমাদের এ অফিসের সবগুলো ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ এবং সবগুলো ভবনই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরও পরিত্যক্ত ভবনেই অফিসের কার্যক্রম চলছে। আবাসিক ভবনগুলোরও একই অবস্থা। হবিগঞ্জ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মারুফ হোসেন জানান, এই রেঞ্জ অফিসটি পুনর্নির্মাণের আওতাধীন আছে। আগামী বছরের প্রথম দিকে হয়ত কাজ শুরু হয়ে যাবে।

    এ বিষয়ে সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এসএম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নতুন করে ভবন নির্মাণ করার জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছি। আশা করছি খুব শিগগিরই কাজ শুরু করা হবে।

  • মাধবপুরে কাভার্ড ভ্যান ও পিকাপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ

    মাধবপুরে কাভার্ড ভ্যান ও পিকাপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ

    হবিগঞ্জের মাধবপুর মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যান ও পিকাপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছে। এর মধ্য ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। তাদের দ্রুত বি-বাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার (১২জুন)সকাল ১১ টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উপজেলার বেলঘর নামক স্থানে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, বেলঘর নামক স্থানে ঢাকামুখি কাভার্ড ভ্যানটি নিয়ন্ত্রন হারালে সিলেটমুখি একটি পিকাপ ভ্যানটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে ।

    এতে ঘটনা স্থলে ৫ জন গুরুতর আহত হয়।পরে আহতদের উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ৫ জনের মধ্য ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক থাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে বি-বাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে।

    আহতরা হলেন, ব্রহ্মনবাড়িয়া জেলার সরাইলের জাহির মিয়া(৪৫)ও হান্নান মিয়া(৪৪)।আর সিলেটের জৈন্তাপুরের ইমন মিয়া(২০),আর দক্ষিণ সুরমার মিজানুর রহমান(৩০),ফায়েজ মিয়া (৫০)।

    এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি তৌফিকুল ইসলাম তৌফিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • আজমিরীগঞ্জে টমটমের ব্যাটারি চার্জ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে টমটম চালকের মৃত্যু

    আজমিরীগঞ্জে টমটমের ব্যাটারি চার্জ করতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে টমটম চালকের মৃত্যু

    হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে টমটমের (ব্যাটারী চালিত ইজি বাইক) ব্যাটারি চার্জ করতে গিয়ে এক টমটম চালকের মৃত্যু হয়েছে। জানা যায় এই টমটম চালকের নাম মোঃ মোহন মিয়া (১৮)।

    গত বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার রণিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, মোহন (১৮) আজমিরীগঞ্জ থানায় রাতের ডিউটি শেষ করে ভোরে ঘুমাতে যাবার পূর্বে ব্যাটারি চার্জ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়৷ পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • নবীগঞ্জে বন্ধুকে জিম্মি করা সেই অপহরণকারী বন্ধু গ্রেফতার !

    নবীগঞ্জে বন্ধুকে জিম্মি করা সেই অপহরণকারী বন্ধু গ্রেফতার !

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বন্ধুকে কৌশলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে জিম্মি করে মুক্তিপণ দাবি করেছিল তারই বন্ধু। অপহরণকারী বন্ধুকে গ্রেফতার করে ভিকটিম বন্ধুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সূত্র জানায়, নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের টঙ্গিটুলা গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ( আল ইমান) এর পুত্র ভিকটিম সৈয়দ কামাল মিয়া (৩০) একজন গানের শিল্পি। এই সুবাদে তার সাথে পরিচয় হয় একই উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কসবা গ্রামের রাসু মিয়ার পুত্র অপহরণকারী বাবলু আহমেদ (৩০) এর সাথে। শুধু পরিচয় নয় দুজনের মধ্য গড়ে উঠে বন্ধুত্বের সম্পর্ক। বুধবার (১০জুন) বিকেলে বাবলু আহমেদ পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ী সৈয়দ কামাল মিয়াকে মোবাইল ফোনে তার এলাকা কসবা গ্রামে আসতে বলে। দুজন মিলে বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডে ছবি তোলার কথাও বলে বাবলু।

    বন্ধুর দেয়া দাওয়াতকে প্রাধান্য দিয়ে সৈয়দ কামাল সন্ধার আগেই কসবা গ্রামে বাবলুর বাড়িতে আসে। এ সময় বাবলুসহ তার ৩/৪ জন সহযোগী তাকে বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডের নর্থ প্যাডের লিংক রোডে নিয়ে এসে জিম্মি করে। এ সময় বাবলু ও তার সহযোগীরা ছুরি বুকে ধরে সৈয়দ কামালকে একটি বিকাশ নাম্বার দিয়ে বলে তোর বাড়ীত বলে দে এই নাম্বারে ৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিতে। অন্যতায় তোকে হত্যা করা হবে। তবে কিসের জন্য টাকা পাঠাতে হবে কিছু বলা যাবেনা। শুধু বল তোর টাকার দরকার। সৈয়দ কামাল প্রাণ বাঁচাতে তার ভাইকে ফোন করে অপহরণকারীদের দেয়া বিকাশ নাম্বারে ৩০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিতে বলে। তার ভাই বিষয়টি বুঝতে পেরে গোপলার বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে পুলিশকে জানায়।

    পুলিশ ওই বিকাশ নাম্বারটি ট্যাকিং করে ইনাতগঞ্জের বান্দের বাজার এলাকার আশপাশে অপহরণকারীদের অবস্থান বলে নিশ্চিত হয়। গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ব্যবস্থা নিতে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়িকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক সামছউদ্দিন খাঁন ফোর্স নিয়ে রাত ১২ টায় অভিযান চালিয়ে বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডের নর্থপ্যাড এলাকা থেকে অপহরণকারী বাবলু মিয়াকে গ্রেফতার করে জিম্মিদশা থেকে সৈয়দ কামালকে উদ্ধার করেন। বাবলুর অন্য ৩/৪ জন সহযোগী পুলিশের উপস্থিতি বুজতে পেরে পালিয়ে যায়।

    পুলিশ পরিদর্শক সামছুদ্দিন খাঁন জানান পূর্ব পরিচিত কামালকে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে জিম্মি করে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করায় তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে অপহরণকারী বাবলুকে আটক করে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নবীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে জানিয়ে তিন বলেন অপহরণকারীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • মাধবপুরে মাস্ক না থাকায় ৮ জনকে জরিমানা

    মাধবপুরে মাস্ক না থাকায় ৮ জনকে জরিমানা

    হবিগঞ্জের মাধবপুর বাজারে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মুখে মাস্ক না পরায় ৮ জনকে ৪ হাজার ৫ শ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    আজ বুধবার (১০ জুন) দুপুরে মাধবপুর পৌরশহরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আয়েশা আক্তার। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মাধবপুরে থানার এসআই আলাউদ্দিন।

    জানা যায়, মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে বুধবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন মাধবপুর পৌরশহরের অভিযান চালায়। এ সময় মাস্ক না পরার দায়ে ৮ জনকে ৪ হাজার ৫ শ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি মাস্ক না থাকায় অনেক পথচারীর মাঝে মাস্ক বিতরণ করে প্রশাসন।

    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার জানান, জনস্বার্থে এই অভিযান চলমান থাকবে। মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক হলেও অনেকে তা না পরে বাইরে বের হচ্ছেন। মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করতে শহরে অভিযান চালানো হয়েছিল। এ সময় মাস্ক না পরায় ৮জনকে জরিমানা করা হয়েছে।

  • মাধবপুরে ৩ চোরাকারবারিকে ৬ মাসের কারাদন্ড

    মাধবপুরে ৩ চোরাকারবারিকে ৬ মাসের কারাদন্ড

    মোঃজাকির হোসেন মাধবপুর প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার হরিণখোলা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা সীমান্তের মেইন পিলার ১৯৮৬/৪-এস হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কমলপুর মোকামবাড়ি নামক স্থান হতে হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের হরিণখোলা বিওপির নায়েক ওয়াহিদুজ্জামান এর নেতৃত্বে (৮ই জুন)সোববার সকাল ১১.১৫ ঘটিকার সময় ৫০০গ্রাম ভারতীয় গাঁজাসহ ৩ চোরা কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) টহল দল।
    এ সময় আটককৃত চোরাকারবারির কাছ থেকে বাংলাদেশী ২৪,০১০ টাকা ৩ টি মোবাইল ফোন,৫ টি গ্রামীন সীম ও ১ টি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়।
    আটককৃতরা হলেন সবাই একই গ্রামের হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার কমলপুর গ্রামের মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের ছেলে মোঃ মিন্টু মিয়া (২৫) মোঃ ধনু মিয়ার ছেলে মোঃজানু মিয়া(৩৬) ও মোঃনিজাম উদ্দিনের ছেলে মোঃ রুম্মান মিয়া(২৫)।
    আটককৃত মাকদ্রব্যের ও মালামালের আনুমানিক মূল্য ৪৯,৭৬০/- (ঊনপঞ্চাশ হাজার সাতশত ষাট) টাকা।
    পরে বিকালে আটককৃত আসামী ৩ জন্য কে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সক্লুসিভ ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর ৯ (১)(গ) ২(গ) ধারা মোতাবেক ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
  • মাধবপুরে ড্রেজারের কারণে বিলীন হচ্ছে কোটি টাকার স্লুইসগেট 

    মাধবপুরে ড্রেজারের কারণে বিলীন হচ্ছে কোটি টাকার স্লুইসগেট 

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা আন্দিউড়া ইউনিয়নে জোয়ালভাঙ্গা মৌজার সরকারী চরে একাধিক ড্রেজার মেশিন স্থাপনের ফলে বিলীন হতে যাচ্ছে কোটি টাকার স্লুইসগেট।
    শ্রমিকদের কাছ থেকে করোনা সংক্রমনের ঝুঁকিও বাড়ছে। সরেজমিনে দেখা  যায় উপজেলার জোয়ালভাঙ্গা মৌজার সরকারী  চর থেকে শক্তিশালী একাধিক  ড্রেজার মেশিন স্থাপন করেছে স্থানীয় লোকজন। স্লুইসগেট গেটের ১০/১৫ মিটার দুরত্বে মেশিনগুলো স্থাপন করা হয়েছে। মাটি কেটে ২৫/৩০ ফুট গভীর গর্ত করার ফলে একদিকে নদীর গতিপথ পরিবর্তন অন্যদিকে স্লুইসগেট বিলীন হওয়ার শংকা দেখা দিয়েছে।
    স্লুইসগেট বিলীন হলে কয়েক হাজার আবাদী জমি নষ্ট হয়ে যাবে। এলাকার কৃষকরা ড্রেজার মালিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এসব ড্রেজারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে করোনার রেড জোন খ্যাত মুন্সীগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ভৈরবের শতাধিক শ্রমিক। তারা এই করোনার মধ্যে সপ্তাহে ২/৩ বার তাদের বাড়ি আসা যাওয়া করে।
    তারা মাধবপুর সদর থেকে প্রতিদিন ডিজেল ও খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করে। এতে করে পৌরসভাসহ আশে পাশের এলাকার মানুষ করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে।একদিকে করোনার সংক্রমনের ঝুঁকি অন্যদিকে সীমানা লংঘন করে অবৈধভাবে সরকারী চর থেকে বালু উত্তোলন করছে। ।
    এলাকাবাসী জানান, শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে মাটি খননের ফলে বর্তমানে বোয়ালিয়া নদীর গতিপথ পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হবে কয়েক হাজার হেক্টর জমি।
    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) আয়েশা আক্তার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,সরকারী জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করলে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।