Category: হবিগঞ্জ

  • চলুন নিকলী হাওর ঘুরে আসি

    চলুন নিকলী হাওর ঘুরে আসি

    এম এ মজিদঃ ২০০৪ সালের পর সম্ভবত ২০২০ সালের আগে এতো পানি হয়নি। শহরতলী হলেও আমি পানির রাজ্যেই বড় হয়েছি। তবুও তৃষ্ণা মেটে না। সপ্তাহ খানেক আগে বর্ষার পানি দেখতে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে গেলাম আজমিরীগঞ্জে। গাড়িতে করে আসা যাওয়া। অথৈ পানি। তবে পানিতে নামা হয়নি। দেখলাম সাগর দিঘী।

    হবিগঞ্জের ৯টি উপজেলা সদর তাদেরকে দেখানোর অংশ হিসাবে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ যাওয়া। পানিতে গাঁ না ভেজালে আমার মন ভরে না। সেটা কোথাও গেলে সুইমিং পুল হউক বা প্রাকৃতিক পানি হউক। সাতার কাটা আমার সখও বলা যায়।

    এডভোকেট দেওয়ান জাকির হোসেন জাকারিয়া ভাই বললেন- যাবে পানি দেখতে? কোথায় জানতে চাইনি। আর কে যাবে তাও জানতে চাইনি। রাজি হয়ে গেলাম। দিন তারিখ ঠিক হল আমরা ৮ আগষ্ট সকালের দিকে বুল্লা বাজার থেকে স্পিড বোটে পানির রাজ্যে যাব। জানানো হল স্পিড বোটে ৫টি লাইফ জেকেট আছে, আমরা ৬ জন।

    আগের দিন রাত তখন ৯টা। সাথে বাল্য বন্ধু এডভোকেট সেলিম থাকলেও মাশাল্লাহ তার স্বাস্থ্য আমার চেয়ে উন্নত। তাছাড়া অন্য ৪ জনের মধ্যে সিনিয়র এডভোকেট আব্দুল হাই, এডভোকেট জসিম উদ্দিন এডভোকেট দেওয়ান জাকারিয়া এবং এডভোকেট জসিম উদ্দিন সাহেবের গেষ্ট হয়ে আসা জাফলং এর পাথর ব্যবসায়ী ছালেক ভাই আমার চেয়ে বয়সে বড়।

    ৬ জনের মধ্যে আমিই সবচেয়ে নিরীহ এবং ভাগ বাটোয়ারা করলেও যে কেউ বলবে বিপদে পড়লে লাইফ জেকেটগুলো তাদেরই প্রাপ্য, তোমার না। বিপদ তো বলে কয়ে আসে না। মাত্র কিছুদিন আগে হাওরে নৌ ডুবির ঘটনায় ১৮ জন হাফেজের মৃত্যুর দৃশ্যও চোখের সামনে ভেসে উঠল।

    অথৈ জল, বিশাল হাওর তার আচরণ বদলে ফেলতে পারে যে কোনো সময়। সাত পাচ ভেবে রাত ১০টার দিকে আমি একটি লাইফ জেকেট কিনে আনলাম। প্রস্তুতি সম্পন্ন। সকাল ৯টার মধ্যে আমরা পৌছুলাম বুল্লা বাজারে।

    সেখানে আগ থেকেই স্পিড বোট ম্যানেজ করে রেখেছিল এডভোকেট খোকন গোপ। এলাকায় তার বেশ প্রভাব। সাড়ে ৯টার দিকে স্পিড ছাড়লো চালক সেলিম। গন্তব্য নিকলী হাওর, চামড়া বন্দর, মিঠামইন, ইটনা, অষ্ট্রগ্রাম, আদমপুর হয়ে বুল্লা।

    অষ্ট্রগ্রাম গিয়ে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামি সেতুতে গিয়ে কয়েকটি ছবি তুললাম। এরপরই নিকলী হাওর। এতো বড় হাওর আমি জীবনেও দেখিনি। নিকলী হাওরের মধ্যখান থেকে আসলে কোনো জনপথই দেখা যায় না। শুধু পানি আর পানি। অনেক ঢেউ। বিপদকে সাথে নিয়েই আপনাকে চলতে হবে। স্পিড বোটকে দুর থেকে যে কেউ মনে করতে পারে পানির নিচ দিয়ে চলে যাচ্ছে কোনো একটি ছোট জলযান।

    গভীর জলরাশিতে মৃত্যুঝুকি একেবারেই কম নয়। নিকলী উপজেলা সদরের পাশ দিয়ে আমরা চলে গেলাম চামড়া বন্দরে। বেশ বড় নৌ বন্দর। অনেক জাহাজ নোঙ্গর করা। গভীর জল থেকে মাছ শিকার করে বন্দরে বিক্রি করছেন জেলেরা। দুরের রাস্তা। ওইখানে যে মাছটি জীবিত তা বাসায় আসতে আসতে নিশ্চিত মৃত কিংবা পচে যাবে। চামড়া বন্দর থেকে মাছ না আনাই ভাল।

    চামড়া বন্দরে আমি পানিতে নামলেও অন্য কেউ নামেনি। চামড়া বন্দর থেকে চলে আসলাম আমরা মিঠামইন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ সাহেবের বাড়িতে। এক অজপাড়া গায়ে জন্ম নেয়া বালক হয়ে গেলেন এক ইতিহাস।

    পুরাতন বাড়ির পাশাপাশি কিছু নতুন ভবন করা হয়েছে মহামান্য রাষ্ট্রপতির থাকার জন্য। তার বাড়ির সামনের ১শ ফুট দুরুত্বে নির্মাণ করা হচ্ছে ক্যান্টনমেন্ট। মাটির লেভেল থেকে কমপক্ষে ত্রিশ ফুট উচ্চতায় নির্মিতব্য ক্যান্টেনমেন্টটি হবে ভাটি অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষন। মিঠামইন বাজারে আমরা আইল মাছ ও ছোট মাছ দিয়ে ভাত খেলাম। তাজা মাছ হলেও রান্নার মান তেমন ভাল না।

    শতশত পর্যটক রাষ্ট্রপতির বাড়ি দেখছেন। রাষ্ট্রপতির বাড়িটিকে আসলে ঢাকার বঙ্গভবনের ছোয়া দেয়া হয়েছে। সীমানা পিলারগুলো প্রায় একই ধরনের। তাছাড়া বাড়ির সামনে রয়েছে ৪০ ফুট গভীরের নয়নাভিরাম এক পুকুর। ইটনা মিঠামইন অষ্ট্রগ্রামের বিশাল সড়কে এসে আমার মনে হল এলাকার প্রতি কতটুকু দরদ থাকলে একজন মানুষ হাওরের বুক ছিড়ে বিশাল রাস্তা করতে পারেন।

    এতো দীর্ঘ, এতো উচু, এতো নয়ন জুড়ানো রাস্তার স্বপ্ন হয়তো প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ সাহেবও কোনো সময় দেখেননি। রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাষ্ট্র বিশাল বাজেটে যে রাস্তাটি করেছে, ক্যান্টনমেন্টের মতো বিশাল ও স্পর্শকাতর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, সত্যি প্রশংসনীয়।

    আমার মনে হয় কোনো সময় যদি অতি বন্যায় হাওরাঞ্চলের গ্রামগুলো তলিয়ে যায় অন্তত ১০/১২ লাখ মানুষ নির্ধিদ্বায় সড়কে আশ্রয় নিতে পারবে। শতশত পর্যটক হাওরের বুক ছিড়ে চলে যাওয়া সড়কে আসছে, বিশাল হাওরের পানিতে গোসল করছে।

    এডভোকেট জাকারিয়া ভাই ছাড়া আমরা সবাই পানিতে এক ঘন্টারও বেশি সময় সাতরিয়েছি। সাথে লাইফ জেকেট। যে কোনো অঘটনের আশংকায় স্পিড বোটটি পাশাপাশি থেকেই আমাদেরকে নজরে রাখছিল।

    মিঠামইন থেকে আদমপুর আসার পথে ঘটল অন্য ঘটনা। আমরা আসছিলাম বাতাসের উল্টোদিকে। আকাশের অবস্থাও ভাল ছিল না। বিশাল ঢেউ যখন আচড়ে পড়ছিল স্পিডবোটে, তখন মনে হচ্ছিল যে কোনো সময় স্পিড বোটটি উল্টে যেতে পারে। চালকও অনেকটা ভয় পেয়ে গিয়েছিল।

    একটি গ্রামের পাশাপাশি পৌছা পর্যন্ত আমরা আতংকের মধ্যেই ছিলাম। পরে আদমপুর বাজার। সেখানে কোনো মাছ কেনা হয়নি। বিকাল ৫টার দিকে বুল্লা বাজার। আমাদের চেহারার পরিবর্তন ছিল লক্ষ্যনীয়। সান বার্ণ এ চেহারা পুড়ে যায়। যদিও ৪০ এসপিএফ সান স্ক্রিণ আমাদের সাথে ছিল।

    লেখকঃ আইনজীবী ও সংবাদকর্মী
  • শিবপাশায় দুপক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৩০

    শিবপাশায় দুপক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৩০

    আজমিরিগঞ্জের শিবপাশায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে৷ সংঘর্ষে মহিলাসহ উভয় পক্ষের ৩০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছে৷ ঘটনাটি ঘটেছে ১৫ আগস্ট শনিবার দুপুর ১ টার দিকে।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শিবপাশা গ্রামের তাতিপাড়া মহল্লার আব্দুল আহাদ চৌধুরী কাচু মিয়ার সাথে পাশ্ববর্তী জাফু মিয়া ও শিপন মিয়ার জায়গা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধ ছিলো৷

    এ নিয়ে আব্দুল আহাদ কয়েক মাস আগে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আজমিরিগঞ্জ থানায় একটি জিডিও করেন৷ এরই জের ধরে গতকাল দুপুরে জাফু মিয়া ও শিপন মিয়ার লোকজনরা আব্দুল আহাদ কাচুর ভাইকে মারধর করে৷ এরই জের ধরে পরবর্তীতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে৷ সংঘর্ষে মহিলাসহ উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়৷ গুরুতর আহত জয়তারা বিবি ( ৪০),আবু তাহের (৩৫),নজরুল ( ৫২), হামিদুল ( ৩৫) ও আব্বাস মিয়া( ৬০) কে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷

    এদিকে আব্দল আহাদ কাচু অভিযোগ করেন প্রতিপক্ষ জাফু মিয়া গংকে আওয়ামীলীগের একজন বড় নেতা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে শেল্টার দিয়ে যাচ্ছেন৷ প্রতিপক্ষের লোকজনরা দেশীয় অস্ত্র বাড়িঘরে মজুদ করছে। যেকেনো মুহুর্তে তাদের বাড়িঘরে হামলা করতে পারে বলে তারা আশংকা করছেন৷

  • হবিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে জাতীয় শোক দিবস পালিত

    হবিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে জাতীয় শোক দিবস পালিত

    আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির শোকের দিন। ইতিহাসের কলঙ্কিত কালো দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সংঘটিত হয়েছিল এ কলঙ্কিত অধ্যায়। ৪৫ বছর আগে এ দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ক্ষমতালোভী নরপিশাচ কুচক্রী মহল।

    বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২০ পালিত হয়েছে।

    এ উপলক্ষে লাখাই উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ ও পুলিশ প্রশাসন সহ আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানান কর্মসূচী পালন করে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল র‌্যালী, শোক সভা, কুরআনখানি, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি।

    জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এসময় লাখাই  উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে উপজেলা উপজেলা চেয়ারম্যান মুশফিউল আলম আজাদসহ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, থানা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাখাই  থানার ওসি  সাইদুল ইসলাম, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও উপজেলা ক্রিড়া সংস্থার পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাঁর অঙ্গসংগঠন উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

    জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ।

    বানিয়াচংয়ে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার সকালে সরকারি বেসরকারি অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোতে অর্ধনর্মিত প্রতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে শোক দিবসের কার্যক্রম শুরু করা হয়।

    পরবর্তীতে উপজেলা চত্তরে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, অনলাইনে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহন কারী বিজয়ী শিক্ষাথীদের মধ্যে পুরস্কার, যুবকদের মধ্যে ঋণ, অসহায় দরিদ্র মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন ও প্রতিবিন্ধদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে।

    এছাড়া কলেজ, মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে আলোচনা সভা ও মিলাদ, উপজেলা মসজিদে কোরআন খতম, মোনাজাত ও মন্দিরে প্রার্থনা করার মধ্যদিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতিয় শোক দিবস বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে।

    শনিবার সকাল ৯টায় রেলওয়ে পার্কিংয়ে পৌরসভা কর্তৃক নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা, শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাব।

    চুনারুঘাট উপজেলায় নানা আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।

    এ উপলক্ষ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সকাল ৮টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, শোক র‌্যালী, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শহরের দক্ষিন বাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট আকবর হোসেন জিতুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দাশ, যুগ্ন সম্পাদক আনোয়ার আলী, সুজিত চন্দ্র দেব, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মদরিছ মিয়া মহালদার, মুক্তিযোদ্ধা আঃ সামাদ, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল খয়ের, মিরাশী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ইদ্রিছ আলী, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মুক্তাদির চৌধুরী, উপজেলা কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

  • শায়েস্তাগঞ্জের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কাজল মিয়া নিখোঁজ

    শায়েস্তাগঞ্জের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কাজল মিয়া নিখোঁজ

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কাজল মিয়া (২৭) গত ৩০ জুলাই ২০২০ থেকে হঠাৎ উধাও হয়ে গেছে। সে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হলেও কর্মঠ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ছিল।

    শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকার দাউদনগর গ্রামে সপরিবারে তার বসবাস। কাজলের বাবা, মৃত: ফজলুল হক ও ছিল একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। কাজলেরা দুইভাই দুই বোন সে ছিল বড় ছেলে।

    তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় ওই দিন ভোরে সে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। রেল স্টেশনে, বাজারে ঘুরে বেড়াতো সে। তার উপযুক্ত কাজ যেখানে সামনে আসতো তাই করতো সে। বিশেষ করে চা-দোকানের চা তৈরীর জন্য পুকুরের পানি সরবরাহে সে ছিল সিদ্ধহস্ত।

    কাজল মিয়া রাষ্ট্র স্বীকৃত একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। সে হিসেবে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সহযোগীতাও সে পায়। গত ৩০ জুলাই থেকে হঠাৎ সে উধাও হওয়ার পর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

    এ মর্মে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় সাধারণ ডাইরী করা হয়েছে। জিডি নং-১১৪ তারিখ ০৩/০৮/২০২০ খ্রি.। এর পর হারানো বিজ্ঞপ্তি ছাপিয়ে বিলি করা হয়েছে সর্বত্র। অদ্যাবধি (বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট) পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার ভাগ্যে কি ঘটেছে কেউ বলতে পারে না। যোগাযোগ- ০১৭১১১৫৯৪৪৭।

  • বেগম জিয়ার আরোগ্যে কামনায় হবিগঞ্জে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

    বেগম জিয়ার আরোগ্যে কামনায় হবিগঞ্জে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

    সাবেক তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা, করোনা ভাইরাসে মৃত্যুবরণ করা সকল মানুষ ও নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও মৃত্যুবরণ করা সকলের স্মরণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি কতৃক আয়োজিত মিলাদ এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব আলহাজ্ব জি কে গউছ। জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সহ ছাত্রদল যুবদল কৃষকদল শ্রমিকদল এবং অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • শায়েস্তাগঞ্জে জাতীয় শোকদিবস উদযাপন

    শায়েস্তাগঞ্জে জাতীয় শোকদিবস উদযাপন

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।

    শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯ টায় শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পার্কিংয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের মধ্যে দিয়ে দিনটি পালন করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনে ছিলেন উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা, শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাব ও শায়েস্তাগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব।

    সকাল সাড়ে ১০ টায় পৌরসভা প্রাঙ্গণে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার মেয়র মোঃ ছালেক মিয়া। প্যানেল মেয়র মোঃ মাসুদোজ্জামান মাসুকের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ -৩ সংসদীয় আসনের এমপি আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তালুকদার ইকবাল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমী আক্তার, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলী, পৌর কাউন্সিলর খায়রুল আলম মোহাম্মদ আলী, শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবিদুর রহমানসহ আরো অনেকে।

    শায়েস্তাগঞ্জে জাতীয় শোকদিবস উদযাপন

    এদিকে শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিশুদের রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ৪ শ দরিদ্র পরিবারে ১০ কেজি করে চাল, ৫০ টি অসচ্ছল পরিবারে সচ্ছলতা ফিরাতে দুইটি করে হাঁস ও ১ শ পরিবারকে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এর আগে পৌরসভা প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    এছাড়াও পৌরসভার ৪৬ টি মসজিদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করা হয়েছে। এর আগে সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমী আক্তার। বক্তব্য রাখেন- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তালুকদার ইকবাল, ভাইস চেয়ারম্যান গাজিউর রহমান ইমরান, শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আলী প্রমুখ।

  • চুনারুঘাটে মসজিদের ফিশারির মাছ মরে পরিবেশ বিনষ্ট

    চুনারুঘাটে মসজিদের ফিশারির মাছ মরে পরিবেশ বিনষ্ট

    চুনারুঘাটের ৩নং দেওরগাছ ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াডের লক্ষীপুর জামে মসজিদের নতুন পুকুরে দুর্বৃত্তদের ফেলা বিষে মাছের পোনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দেখা গেছে, পুকুরে ফেলা বিষে পোনা মাছ মরে সমস্ত পুকুর মরা পোনায় ভেসে উঠেছে।জানা গেছে, গতকাল বিকাল সাড়ে ছয়টায় পুকুরের মরা পোনা পানির উপরে ভেসে উঠলে মসজিদ কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

    ফিশারির ব্যবস্থাপকদের অভিযোগ এই পুকুরে গত কয়েকদিন আগে ৪৫ কেজির মতো রেণু পোনা ছাড়া হয়েছিলো। নিয়মিত খাবার সরবরাহ সহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়মিত হতো। কিন্তু দুর্বৃত্তদের ফেলা বিষে সব মাছ আজ মারা গেছে। কর্তৃপক্ষ প্রশাসন সহ সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।