Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইয়াবাসহ গ্রেফতার

    বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইয়াবাসহ গ্রেফতার

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ হোসেন খান মামুনকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ছাত্রলীগ নেতা মামুন বানিয়াচং উপজেলার পূর্ব তোপখানার নানু মিয়া মাস্টারের ছেলে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ উল্ল্যা। তিনি বলেন, ৩০০ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে মামুনের কাছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • তেঘরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শোক সভা-মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

    তেঘরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শোক সভা-মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি।

    এই সময় এমপি আবু জাহির বলেন, যে ব্যক্তি তার অস্তিত্বের উৎস, শিকড়ের ইতিহাস জানে না, সে ব্যক্তি দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারে না। এ জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।

    তেঘরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উত্তম রায়ের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল মোত্তালিব, সহ-সভাপতি সফর আলী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুকিত, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শিবলু মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আনু মিয়া, জেলা কৃষক লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান কাওছার, জেলা ছাত্রলীগ নেতা ছাদিকুর রহমান মুকুল, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী সুজাত, হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের আহবায়ক ফয়জুর রহমান রবিন, যুগ্ম আহবায়ক বিজন দাশ, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবিদ মিয়াসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • চুনারুঘাটে পিকআপসহ পঁচিশ কেজি গাঁজা জব্দ

    চুনারুঘাটে পিকআপসহ পঁচিশ কেজি গাঁজা জব্দ

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় পিকআপসহ পঁচিশ কেজি গাঁজা আটক করেছে থানা পুলিশ।

    আজ ২৩ই আগষ্ট,  রোববার ভোরে চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হকের নেতৃত্বে এসআই মুসলিম উদ্দিন, এএসআই আওলাদ মিয়া সহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে পিকআপসহ ২৫ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

    জানা যায়, গোপন সংবাদ পেয়ে গাঁজা আটক করার জন্য শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার সামনে চেকপোস্ট বসানো হয়। পুলিশের চেকপোস্ট দেখে থানার সংলগ্ন রামশ্রী রাস্তার সামানে থেকে ডিআই পিকআপ গাড়ী ফেলে মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। এসময় গাড়ী তল্লাশি করে ২৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন থানা পুলিশ।

    চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজমুল হক জানান, চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের প্রেক্ষিতে আমরা গোপন সংবাদ পেয়ে পিকআপসহ ২৫ কেজি গাঁজা আটক করেছি।

  • কোনো অনুশীলন ছাড়া প্রথম গজল গেয়েই সবার মনে জায়গা করে নিয়েছে প্রতিভাবান ক্ষুদে শিল্পী শামসুল ইসলাম

    কোনো অনুশীলন ছাড়া প্রথম গজল গেয়েই সবার মনে জায়গা করে নিয়েছে প্রতিভাবান ক্ষুদে শিল্পী শামসুল ইসলাম

    মোঃইকবাল হোসেন মাহদী: কুলাউড়া উপজেলা। হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের দরিদ্র পিতা আশিক মিয়ার ছেলে শামসুল ইসলাম

    তার চমৎকার কন্ঠে সঙ্গীত শুনলে আপনিও অবাক হবেন! কিন্তু তার দারিদ্রতার কারণে সেই প্রতিভা বিকশিত হতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছিলো।

    শামসুল এর ব্যাপারে সবুজকুঁড়ি’র থিয়েটার পরিচালক তানভীর আহমেদ চৌধুরীর সাথে করিম নামের তার এক বন্ধু যোগাযোগ করলে সবুজকুঁড়ি পরিবার শামসুলের বাড়িতে যান। পরে তার একটি সঙ্গীত রেকর্ড করেন।

    কোন প্রাকটিস ছাড়াই এটা করা হয়েছে। সঙ্গীতটি রিলিজ করা হয় সবুজকুঁড়ি টিভিতে।
    প্রতিভা বিকাশে সবুজকুঁড়ি সর্বদা প্রতিভাবানদের পাশে আছে ইনশা আল্লাহ।

  • বাশেঁর দেখা মিলল হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে !

    বাশেঁর দেখা মিলল হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে !

    হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল এখন নামেই আধুনিক। ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে এই হাসপাতালের প্রয়োজনীয় সুবিধা।

    অবস্থা এখন এমন যে এখানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের বেডগুলোতে স্যালাইন দেওয়ার স্ট্যান্ডও খুঁজে পাওয়া যায় না। এর বদলে রোগীদের বেডের পাশে ব্যবহার হচ্ছে বাঁশ। এ নিয়ে হাসপাতালে আগত রোগীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক রোগীর স্বজন বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও দিচ্ছেন স্ট্যাটাস। কিন্তু, এরপরেও টনক নড়েনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালটিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে এই করোনাকালীন সময়েও রোগীর ভীড় রয়েছে। তবে হাসপাতালের ভেতরের পরিবেশ খুবই অপরিচ্ছন্ন। ময়লা ও দুর্গন্ধের কারণে হাসপাতালের ভেতরে সবাইকে নাকে-মুখে হাত দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি এই হাসপাতালে তেমন একটা মানা হয় না।

    প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডের বেডে রোগী থাকলেও তাদের জন্য নেই কোন স্যালাইন লাগানোর জন্য স্ট্যান্ড। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বেডের পাশে স্যালাইন কিংবা এ ধরনের ওষুধ ব্যবহারের সুবিধার্থে একটি করে লোহার স্ট্যান্ড যুক্ত বা আলাদাভাবে থাকার কথা। কিন্তু, কোনও বেডের পাশে তেমন কিছু দেখা যায়নি। বরং দেখা গেছে, রোগীর স্বজনরা বাধ্য হয়ে নিজ নিজ প্রয়োজনে বাঁশ এনে বেডের সঙ্গে আটকিয়ে স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করছেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলার নিজামপুর থেকে আসা এক নারী রোগীর আত্মীয় রহিম মিয়া জানান, হাসপাতালের নার্স-আয়াদের কাছে চেয়েও স্ট্যান্ড পাইনি। তারা বলেছেন রোগীর স্যালাইন ঝোলানোর স্ট্যান্ড এ হাসপাতালে নাকি খুবই কম। সেগুলোও ভেঙে গেছে। পাওয়া যাবে না। বাধ্য হয়ে আমাদের প্রয়োজনে বাঁশ দিয়ে স্ট্যান্ড বানিয়ে নিয়েছি। ডাক্তার এসে স্যালাইন পুশ করার কথা বলে চলে যায়, সেটা কিসের ওপর আটকিয়ে পুশ করা হবে সে বিষয়ে কিছু বলে না। স্ট্যান্ড না থাকলে স্যালাইন হাতে ধরে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকতে হয়। তাতে স্যালাইনের ফোঁটার গতি কম-বেশি হয়ে যায়। তাই অন্যদের কাছে বাঁশ নিয়ে আসার পরামর্শ পেয়েছি। তাদের মতো আমরাও বাঁশ দিয়ে স্ট্যান্ড বানিয়েছি। এ হাসপাতাল শুধু নামেই আধুনিক, বাস্তবে কিছুই নেই।

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল গ্রাম থেকে রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসা রোজী কমলা বানু জানান, অধিকাংশ বেডের মধ্যেই স্যালাইন দেওয়ার কোনও স্ট্যান্ড নাই, যার প্রয়োজন বাঁশ দিয়েই কাজ সারতে হচ্ছে। হাসপাতালের কোনও কর্মচারীকে অনুরোধ করার পরও কোনও স্ট্যান্ড পাওয়া যায়নি।

    এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আব্দুল মুবিন মিজান নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুকে স্ট্যাটাসও দিয়েছেন। ওই স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমি গতকাল (রবিবার রাতে) আমার এক আত্মীয় (রোগীকে) নিয়ে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য গিয়েছিলাম। কর্তব্যরত ডাক্তার আমার রোগীকে দেখে হাসপাতালে ভর্তির করার জন্য পরামর্শ দিলেন। কী আর করা? রোগীকে নিয়ে গেলাম নিচতলায় নারী মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করার জন্য।’

    ‘আমার রোগীকে নিয়ে ওয়ার্ডে যাওয়ার সাথে সাথেই চোখে পড়লো বাঁশ, অধিকাংশ চিকিৎসাধীন রোগীর সিট বেডের সাথে ঝুলানো আছে একটি করে ২-৩ হাত লম্বা বাঁশ। স্বাভাবিকভাবে মনে প্রশ্ন জাগলো, এসব বাঁশের মানে কী?’

    ‘‘তবে এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে আমার বেশি সময় লাগলো না। ওয়ার্ডে কর্তব্যরত সেবিকা (নার্স) আমাকে বললেন, ‘ভাই আপনার রোগীকে দ্রুত স্যালাইন দিতে হবে।’ তিনি স্যালাইন কেনার সঙ্গে সঙ্গে রোগীর স্যালাইন ঝোলানোর জন্য একটি স্ট্যান্ড সংগ্রহেরও পরামর্শ দিলেন। স্যালাইন এনে খুঁজতে শুরু করলাম স্যালাইন দেওয়ার স্টেন (স্ট্যান্ড)। কোথাও খুঁজে পেলাম না এই মহা মূল্যবান জিনিসটি।’’

    স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, এই মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে মোট রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩০ জন। দুঃখজনক হলেও সত্য, এত রোগীর স্যালাইন দেওয়ার জন্য একটি স্যালাইন স্ট্যান্ডও নেই এই ওয়ার্ডে। ফলে বাধ্য হয়ে রোগীকে স্যালাইন দেওয়ার প্রয়োজনে ব্যবহার করতে হচ্ছে বাঁশ অথবা জানালার লোহার গ্রিল।’

    তিনি আরও লিখেছেন ‘শিশু ওয়ার্ডের চিত্রও প্রায় একই রকম। আমি হতাশা নিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও হাসপাতালে একখানা স্ট্যান্ড পেলাম না। খুঁজে একটা বাঁশও পাইলাম না। পরে জানতে পারিলাম স্যালাইনে ব্যবহারিত (ব্যবহৃত) বাঁশগুলো রোগীরা (রোগীর স্বজনরা) নিজেরাই সংগ্রহ করিয়া আনিয়াছে। আমি একটি বাঁশ একজন রোগীর কাছ থেকে ধার এনে আমার রোগীর স্যালাইন স্টেন (স্ট্যান্ড) হিসাবে ব্যবহার করিলাম। এই হলো বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের হাল চিত্র!’

    ঐ স্ট্যাটাসে তিনি অন্যদের পরামর্শ দিয়েছেন, ‘যারা চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে যাবেন দয়া করে সাথে একখানা ২-৩ হাত লম্বা বাঁশ নিয়া যাবেন। বলা তো যায় না বাঁশের প্রয়োজন হতে পারে!’

    হাসপাতালের এই দুরবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. শামীম আরা বলেন, এখানে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রয়েছে ১০০ শয্যার। আমার অনেক বেডের স্ট্যান্ড নষ্ট হয়ে গেছে। এর বিকল্প হিসেবে দু একটিতে বাঁশ থাকতে পারে।

    বাইরে থেকে বাঁশ নিয়ে আসার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘তবে রোগীর স্বজনরা বাঁশ নিয়ে আসছে কথাটি মিথ্যা। আমরা চেষ্টা করছি একাধিক নষ্ট হওয়া স্ট্যান্ড মেরামত করার জন্য। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। আশা করি দ্রুতই ঠিক হয়ে যাবে।’

    হবিগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘বিষয়টি আমার নজরে নেই। আমি আপনার মাধ্যমে শুনলাম। এটা সাময়িক কাজের জন্য হতে পারে। তবে বাঁশ দিয়ে কোনও সমাধান হতে পারে না। আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবো।’

  • নবীগঞ্জে গরু চোরকে গণধোলাই

    নবীগঞ্জে গরু চোরকে গণধোলাই

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় আউশকান্দিতে এক গরু চোরকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। গুরুত্বর আহত অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল হক

    তিনি জানান, শনিবার ভোররাতে উপজেলার আউশকান্দি এলাকার মিঠাপুকুর গ্রামে একদল চোর হানা দেয়। এ সময় স্থানীয় গ্রামবাসী বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে বাকিরা পালিয়ে গেলেও এক চোরকে আটক করে গণধোলাই দেয় গ্রামবাসী। পরে সকালে পুলিশকে খবর দিলে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে।

    তিনি জানান- এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি। এ ছাড়া আটককৃত চোর এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

  • আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেরা হবিগঞ্জের শাহেদ !

    আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেরা হবিগঞ্জের শাহেদ !

    আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘আগোরা’র ২০২০ সালের চুম্বন থিমের সেরা পুরস্কারটি জিতলেন বাংলাদেশের আলোকচিত্রী শাহেদ আহমেদ। আগোরা কর্তৃপক্ষ এক ই-মেইল বার্তায় শাহেদ আহমেদকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    শাহেদ আহমেদ হবিগঞ্জের অন্ততপুরের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি হবিগঞ্জের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ সরকারি বৃন্দাবন কলেজে লেখাপড়া শেষ করে বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং / ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন। যে ছবিটা আগোরায় প্রথম হয় সেটা সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ২০১৯ সালে শীতের ভোরে তোলা। ছবিটি কাঠ শালিকের চুম্বনের একটি দৃশ্য।

    জানা যায়, স্পেনের বার্সেলোনায় ‘আগোরা’ প্রতিবছর বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় এবারের বিষয় ছিল চুম্বন। পৃথিবীর সেরা সেরা আলোকচিত্রী তাদের ছবি সেখানে জমা করেন। সেখান থেকেই বিচারকমণ্ডলী সেরা ৫০টি ছবি নির্বাচন করেন। বিচারকদের নির্বাচিত সেই ৫০টি ছবি ছেড়ে দেয়া হয় অনলাইন ভোটের জন্য। অনলাইনে আলোকচিত্রীদের ভোটে পাঁচটি ছবি নির্বাচিত হয় চূড়ান্ত পর্বের জন্য। চূড়ান্ত পর্বে এসে শাহেদ আহমেদের ছবিটিই সর্বাধিক ভোটে বিজয়ী হয়।

    শাহেদ আহমেদ বলেন, আমার ফটোগ্রাফির শুরুটা হয় শখের বসে, তারপর আস্তে আস্তে ছবি তোলাটা নেশায় পরিণত হয়ে যায়। ২০১৭ সাল থেকে ছবি তোলা শুরু করি, প্রথমদিকে সব ধরনের ছবি তোলা হতো। এরপর হঠাৎ করে পাখি, ন্যাচার আর ওয়াল্ড লাইফের ছবি তুলতে ভালো লাগতে শুরু হয়। ২০১৯ সালে কাঠ শালিকের এই ছবিটি তুলি চুনারুঘাটের সাতছড়ি বাগানে।

    হাজারও ছবির মধ্যে নিজের ছবিটি সেরাদের সেরা হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শাহেদ আহমেদ বলেন, জীবনে প্রথমবার আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাওয়ায় অনেক বেশি আনন্দিত যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। একটু হলেও দেশের জন্য কিছু করতে পেরেছি যার জন্য আমার ফটোগ্রাফি জীবনটা একটু হলেও সার্থক মনে হচ্ছে। তবে অর্জন আমাকে ভালো কিছু করতে উৎসাহ দিয়ে যাবে।