Category: হবিগঞ্জ
-

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ পৌর শাখা’র কাউন্সিল সম্পন্ন
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ পৌর শাখা’র কাউন্সিল সম্পন্ন।সভাপতি-মাহিন, সাধারণ সম্পাদক-ইমন, সাংগঠনিক সম্পাদক-মামুনবাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, হবিগঞ্জ পৌর শাখা’র কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। ২৭ আগস্ট বিকেল ৪ ঘটিকায় শায়েস্তানগরস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে পৌর ছাত্রসেনার আহবায়ক গোলাম শাফিউল আলম মাহিনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ আল্লামা নূরুল ইসলাম ফারুকী রহ. শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হাসান ইমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা, হবিগঞ্জ জেলার দপ্তর সম্পাদক মাওলানা রুকন উদ্দিন আশরাফী।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনার সি. সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী বশনী, প্রধান নির্বাচন কমিশন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনার সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা এম.এ. কাদির।কাউন্সিলে গোলাম শাফিউল আলম মাহিনকে সভাপতি, আলী হাসান ইমনকে সাধারণ সম্পাদক এবং আমির হামজা আল-মামুনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও আশরাফুল হক রেজভী, সহ সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ইমরান হোসাইন, কাউসার আহমেদ সাব্বির অর্থ সম্পাদক, হৃদয় আহমেদ শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক, হাফেজ মুহাম্মদ দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক, হাফেজ আহাম্মদ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, রিদওয়ান আহমেদ খাঁন প্রচার সম্পাদক, সাজিদুর রহমান উনাইছ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, আবুল কাশেম দপ্তর সম্পাদক, রাসেল চৌধুরী ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক, মোঃ রিয়াদ সদস্য প্রমুখ। পরিশেষে দেশ-জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করা হয়। -

হবিগঞ্জে পৌরসভার বরখাস্তকৃত কর্মকর্তার কাছ থেকে কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার
হবিগঞ্জে পৌরসভার বরখাস্তকৃত বাজার পরিদর্শক কিবরিয়ার কবল থেকে কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার(২৭ আগস্ট) দুপুরে মেয়র মিজানুর রহমানের মিজানের নেতৃত্বে পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীরিরা অভিযান চালিয়ে বেদখল হওয়া এ সম্পত্তি উদ্ধার করে।
জানা যায়, হবিগঞ্জ পৌরসভার বরখাস্তকৃত বাজার পরিদর্শক গোলাম কিবরিয়া পৌর মার্কেটের ২য় তলায় সাবেক ডেসটিনি অফিস ও সাবেক সোনালী ব্যাংক কার্যালয়টি তার স্ত্রীর নামে নিয়ম বহির্ভূতভাবে লীজ নেন এবং দোকান কোটা বানিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ভাড়া আদায় করে আসছিলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উল্লেখিত অভিযোগ তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হওয়ায় বছরখানেক পুর্বে বাজার পরিদর্শক গোলাম কিবরিয়াকে হবিগঞ্জ পৌরসভা থেকে বরখাস্ত করা হয়। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে তখনকার সময় পৌরসভার ওই সম্পত্তি উদ্ধার করা যায়নি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌর কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে বেদখল হওয়া এসব সম্পত্তি পুণরুদ্ধার করে।
-

আজমিরীগঞ্জে তাসনুভা শামিম ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবন্ধী,বিধবা ও অসহায়দের মাঝে তাসনুভা শামিম ফাউন্ডেশনের উদ্দোগে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে৷ ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকালে আজমিরীগঞ্জের শিবপাশা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে খাদ্য সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়৷
ফাউন্ডেশনের কার্যনির্বাহী সভাপতি এএসএম মহসিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং কার্যনির্বাহী সদস্য ও খাদ্য সহয়তা বিতরণ কর্মসূচীর আহবায়ক সাংবাদিক শরিফ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মর্তুজা হাসান৷ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ মোঃ আব্দুল হাই,শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ তফছির মিয়া,শিবপাশা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন চৌধুরী৷ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন রাজন৷
বক্তব্য দেন, এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক ডাঃ মোঃ নুরুল হক,শিবপাশা বাজার কমিটির সভাপতি ডাঃ সাদেকুল আমিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফ উদ্দিন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক খালেদ হোসেন চৌধুরী, ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি পঙ্কজ কান্তি পল্লব , যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখ ফয়জুল হক,আজমিরিগঞ্জ উপজেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুৎফুর রহমান, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী মোঃ আব্দুল আওয়াল,শিবপাশা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আলী মোহাম্মদ।
অনুষ্ঠানে শিবপাশা ইউনিয়নের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্হ ৫৭ জন প্রতিবন্ধী,বিধবা ও অসহায়দের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়৷
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠন এর কোষাধ্যক্ষ শেখ জামাল,কার্যনির্বাহী সদস্য রোটারিয়ান মান্না আহমেদ সহ এলাকার মুরুব্বিয়ান ও যুব সমাজ৷এদিকে এ ত্রান বিতরণ কর্মসূচীতে যারা সহযোগিতা করেছেন, তারা হলেন- ইংল্যান্ড প্রবাসী ডাঃ ইসলাম, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ডাঃ জমির আলী,তাহমিনা বেগম গিনী ও প্রধান শিক্ষক রহিমা আখতার শম্পা।
মনবতার কল্যানে এগিয়ে আসার জন্য তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ প্রকাশ করেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাগর আহমেদ শামীম ও প্রধান উপদেষ্টা সিলেট রেঞ্জ এর অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব জয়দেব কুমার ভদ্র ময়োদয়।
উল্লেখ্য,তাসনুভা শামিম ফাউন্ডেশন ২০১৩ সাল থেকে আর্তমানবতার সেবায় সমাজের অবহেলিত প্রতিবন্ধী মানুষদের কল্যাণে নানা ধরনের উন্নয়নমুলক কাজ করে যাচ্ছে৷
-

মেধাবী ছাত্র তোফায়েল আহমেদ ফাহিমের সফলতা
মোঃ ইকবাল হোসেন মাহদীঃকুলাউড়া প্রতিনিধি।
গ্রিনপার্ক স্কুলএন্ড কলেজ বাহুবল-হবিগঞ্জ ছাত্র তোফায়েল আহমেদ ফাহিম ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে ট্যালেন্ট_ফুলে_বৃত্তি পেয়েছে।
সুতিন রাজারামপুর গ্রামের অধিবাসী পিতাঃ মোঃ ফারুক আহমেদ (সাবেক প্রধান শিক্ষক) মাতাঃ মোছাঃ রোকেয়া বেগম। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধো সে পরিবারের সবার ছোট।
তোফায়েল আহমেদ ফাহিম জানান, পড়ালেখা করে একজন আদর্শ মানুষ হতে চাই। পড়ালেখার পেছনে বাবা-মা, শিক্ষক-শিক্ষিকার অনুপ্রেরণায় এ পর্যন্ত এসেছি। ভবিষৎতে আরো ভাল ফলাফল করতে সবার দু-আ ও আর্শিবাদ কামনা করছি।
গ্রিনপার্ক স্কুলএন্ড কলেজ বাহুবল-হবিগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস ও সহকারী শিক্ষক মোঃ আজিদ মিয়া বলেন, একজন মেধাবী ছাত্র তোফায়েল আহমেদ ফাহিম। সে এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ ও ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে। তাঁর এ ফলাফলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক, শিক্ষিকাসহ শিক্ষার্থীর পরিবার খুশি। ধারাবাহিক ফলাফলের জন্য আমরা অভিভাবকসহ সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
সে বর্তমানে”ঢাকা আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে” ভর্তির চান্স পেয়েছে। সে ভবিষ্যতে একজন বিসিএস ক্যাডার হতে চায়।পরিশেষে সে একজন আদর্শ মানুষ হতে চায়।
-

মুজিব বর্ষ সম্মাননায় মনোনীত হলেন চুনারুঘাট থানার ওসি
মুজিব বর্ষ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজমুল হক।
মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন ও আইন শৃংখলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভি আই পি লাউঞ্চ হতে আগামী ২৮ আগস্ট বিকাল তিন ঘটিকায় এ পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সম্মলিত সাংস্কৃতিক সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জনাব শামসুল হক টুকু ও প্রধান আলোচক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারপতি জনাব সিদ্দিকুর রহমান মিয়া।
স্থানীয় সূত্র জানা যায়, চুনারুঘাট থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে শেখ নাজমুল হক যোগদানের পর হতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখতে চেষ্টা করে চলেছেন। এছাড়াও মাদক দমনে পুলিশ সদস্যদের সাথে নিয়ে পবিত্র কোরআন স্পর্শ করে জিহাদ ঘোষনা করে মাঠে নেমেছেন যার সফলতা হিসেবে মাদক ব্যবসায়ীরা আতংকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে তাঁর উৎসাহের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার উৎসাহের পিছনে রয়েছেন আমাদের পুলিশ সুপার মহোদয়, যার দিকনির্দেশনায় আমরা মাদক দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারছি। তাই আমার সকল প্রাপ্তি পুলিশ সুপার মহোদয়ের আর আমার সকল সহযোদ্ধাদের। আমার এই বিশালপ্রাপ্তি “মুজিব বর্ষ পুরস্কার” সকলকে উৎস্বর্গ করলাম।
-

আগামী ডিসেম্বরে হবিগঞ্জ পৌরসভার ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
আগামী ডিসেম্বরে পৌরসভার ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই সময়ে ভোট করার প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে। প্রায় আড়াইশ’র মতো পৌরসভায় ভোট হতে পারে। এই লক্ষ্যে ইসি সচিবালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন। রবিবার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।বৈঠক সূত্রে জানা যায়, ওই সভায় পৌরসভা নির্বাচনের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত না হলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং পৌরসভাগুলোর নির্বাচনের সময় হওয়ায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত ১০ আগস্টের কমিশন সভায়ও একই ধরনের সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পৌরসভাগুলোর বর্তমান পরিষদের মেয়াদ, নির্বাচন আয়োজনে কোনও জটিলতা আছে কিনা এসব সার্বিক তথ্য চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি সচিবালয়। দুয়েকদিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হবে বলে ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কমিশন মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে পৌরসভাগুলোর মেয়াদসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে তিনশ’ পৌরসভা রয়েছে। এদের মধ্যে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর একযোগে ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া অন্যান্য পৌরসভাগুলোর ভোট মেয়াদ অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর যে পৌরসভাগুলোর ভোট হয়েছিল, তার বেশিরভাগের মেয়র ও কাউন্সিলররা পরের বছর (২০১৬ সাল) জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি মাসে শপথ নেন। আর ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে এসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে।
পৌরসভা আইন অনুযায়ী, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই যেসব পৌরসভার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে, সেগুলোতে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোট করতে হবে। জানা গেছে, কমিশন সভায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভোটগ্রহণের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ডিসেম্বরেই ভোট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় জেলা পরিষদ বাদে সবগুলোতেই দলীয় ভিত্তিতে ভোট হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের মতো সব পৌরসভার ভোট একদিনে অনুষ্ঠিত হবে। পৌরসভাগুলো সদর এলাকা হওয়ায় ইভিএমের ব্যবহার বাড়ানো হবে। কমিশন সভায় সেই প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতি বাড়লে ইভিএমের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে করোনা সংকট পরিস্থিতিতে স্কুল খোলা এবং বার্ষিক পরীক্ষার তারিখ বিবেচনা করে পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৪ নভেম্বর ২৩৪টি পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করে ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করা হয়। এবারও ওই তালিকা ধরে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে ইসি সচিবালয়। ইতোমধ্যে পৌরসভার বর্তমান পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ, প্রথম সভার তারিখ ও জনপ্রতিনিধিদের শপথগ্রহণের তারিখ সংগ্রহ করে কমিশনে পাঠাচ্ছেন বিভিন্ন জেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জেলা থেকে ইসি সচিবালয় এই তথ্য সংগ্রহ করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পৌরসভাগুলো নির্বাচন উপযোগী হলেই আমরা ভোট করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দেশে বড় ধরনের দুর্যোগ না হলে ওই সময়ই ভোট হবে। সচিবালয়কে সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।’ ডিসেম্বরেই ভোট হাওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানান এই কমিশনার।
হবিগঞ্জসহ যে ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটের চিন্তা ইসির:
নির্বাচন কমিশন দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের চিন্তা করছে। তবে এই সংখ্যা কম বা বেশিও হতে পারে। যেসব পৌরসভায় ভোট অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো হলো, টাঙ্গাইল সদর, ধনবাড়ী, মধুপুর, মির্জাপুর, ভুঞাপুর, সখিপুর, গোপালপুর, কালীহাতি, জামালপুর সদর, সরিষাবাড়ী, মেলান্দহ, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, শেরপুর সদর, নকলা, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ত্রিশাল, ভালুকা, গফরগাঁও, নান্দাইল, ফুলপুর, ফুলবাড়িয়া, নেত্রকোনা সদর, মদন, মোহনগঞ্জ, দুর্গাপুর, কেন্দুয়া, কিশোরগঞ্জ সদর, কুলিয়ারচর, হোসেনপুর, কটিয়াদী, বাজিতপুর, ভৈরব, করিমগঞ্জ, মানিকগঞ্জ সদর, সিংগাইর, মুন্সীগঞ্জ সদর, মিরকাদিম, ঢাকার ধামরাই, সাভার, নরসিংদী সদর, মাধবদী, মনোহরদী, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ, তারাবো, রাজবাড়ী সদর, পাংশা, গোয়ালন্দ, ফরিদপুরের বোয়ালমারী, নগরকান্দা, গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গীপাড়া, মাদারীপুর সদর, কালকিনি, শিবচর, শরীয়তপুর সদর, নড়িয়া, ডামুড্যা, জাজিরা, ভেদরগঞ্জ পৌরসভা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, কুমিল্লার চান্দিনা, লাকসাম, দাউদকান্দি, বরুড়া, চৌদ্দগ্রাম, হোমনা, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ছেংগারচর, ফরিদগঞ্জ, কচুয়া, মতলব, ফেনী সদর, দাগনভুইঞা, পরশুরাম, নোয়াখালীর বসুরহাট, চৌমুহনী, হাতিয়া, চাটখিল, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ, রামগতি, রায়পুর, চট্টগ্রামের সন্দীপ, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, মীরসরাই, বারাইয়ারহাট, পটিয়া, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুণ্ডু, খাগড়াছড়ি সদর, মাটিরাঙা, রাঙামাটি সদর, বান্দরবান সদর ও লামা পৌরসভা।
মেহেরপুরের গাংনী, কুষ্টিয়া সদর, মিরপুর, ভেড়ামারা, কুমারখালী, খোকসা, খুলনার পাইকগাছা, দাকোপের চালনা, চুয়াডাংগা সদর, দর্শনা, জীবননগর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, হরিণাকুণ্ডু, শৈলকূপা, যশোর সদর, নওয়াপাড়া, মনিরামপুর, বাঘারপাড়া, চৌগাছা, কেশবপুর, নড়াইল সদর, কালিয়া, বাগেরহাট সদর, মোড়েলগঞ্জ, মাগুরা সদর, সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া পৌরসভা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, রহনপুর, শিবগঞ্জ, নাচোল, জয়পুরহাট সদর, আক্কেলপুর, কালাই, নওগাঁ সদর, নজিপুর, নাটোর সদর, সিংড়া, বড়াইগ্রাম, নলডাঙ্গা, গোপালপুর, গুরুদাসপুর, পাবনা সদর, ভাঙ্গুড়া, ঈশ্বরদী, চাটমোহর, সাঁথিয়া, সুজানগর, ফরিদপুর, বগুড়া সদর, শেরপুর, সারিয়াকন্দি, গাবতলী, সান্তাহার, কাহালু, ধুনট, নন্দীগ্রাম, শিবগঞ্জ, রাজশাহী জেলার কাঁকনহাট, আড়ানী, মুন্ডুমালা, কেশরহাট, গোদাগাড়ী, তাহেরপুর, ভবানীগঞ্জ, তানোর, কাটাখালী, চারঘাট, দুর্গাপুর, পুঠিয়া, নওহাটা, সিরাজগঞ্জ সদর, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, বেলকুচি ও কাজিপুর পৌরসভা।
ঝালকাঠির নলছিটি, পিরোজপুর সদর, স্বরূপকাঠি, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, কুয়াকাটা, বরগুনা সদর, বেতাগী, পাথরঘাটা, বরিশালের মুলাদী, গৌরনদী, মেহেন্দীগঞ্জ, বানারীপাড়া, বাকেরগঞ্জ, উজিরপুর, ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন, দৌলতখান।
সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, জগন্নাথপুর, দিরাই, সিলেটের জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, গোলাপগঞ্জ, মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, বড়লেখা, হবিগঞ্জ সদর, নবীগঞ্জ, চুনারুঘাট, মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা।
কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী, উলিপুর, গাইবান্ধা সদর, গোবিন্দগঞ্জ, সুন্দরগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল, দিনাজপুর সদর, ফুলবাড়ী, বীরগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর, নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর, জলঢাকা, পঞ্চগড় সদর, রংপুরের বদরগঞ্জ, লালমনিরহাট সদর ও পাটগ্রাম পৌরসভা।
-

অপারেশন থিয়েটারে হবিগঞ্জে এক নারীর জরায়ূ কেটে দিলেন ডাক্তার!
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা শহরের টাউন হল রোডে অবস্থিত ‘সেন্ট্রাল হসপিটাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্ট্রারে’ টিউমার অপারেশন করতে গিয়ে এক নারীর জরায়ু কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে ডা. আরশেদ আলীর বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই নারী জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত সোমবার (২৪/০৮/২০২০ ইং) রাতে সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসে রোগীর স্বজনরা বিক্ষোভ করেন। এছাড়াও ঘটনায় হাসপাতাল চত্তরে ভীড় জমাট বাঁধলে এলাকার বয়োজৈষ্ঠ মুরব্বিরা এগিয়ে এসে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিবেশ শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে তারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ঘটনায় রোগীর স্বজনরা ‘সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ ও ডা. আরশেদ আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে জানা গেছে – বানিয়াচং উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের মৃত নোয়াজিশ মিয়ার স্ত্রী খদর চাঁন (৬৫) জরায়ু টিউমারে আক্রান্ত হন। গত ১ সপ্তাহ আগে তিনি হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি হন। গত রবিবার সকালে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. আরশেদ আলী তাকে অপারেশনের জন্য শহরের টাউন হল রোডে অবস্থিত ‘সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ অপারেশনের পরামর্শ দেন। আরশেদ আলীর পরামর্শে সাথে সাথে ওই নারীকে সেন্ট্রাল হসপিটালে ভর্তি করেন তার স্বজনরা।
ঐদিন বিকেলে ডা. আরশেদ আলী সেন্ট্রাল হসপিটালে ওই নারীর জরায়ু টিউমারের অপারেশন করেন। কিন্তু অপারেশন শেষে ওই নারীকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করার কয়েক ঘন্টা অতিবাহিত হলেও জরায়ুতে লাগানো ক্যাথেটার দিয়ে প্রস্রাব আসা বন্ধ থাকে। রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও এক ফোঁটা প্রস্রাবও বের হয়নি। এমনকি ওই নারীর পেট ফোলে উঠে। এক পর্যায় রাত ১টার দিকে পুণরায় ডা. আরশেদ আলীকে খবর দিলে তিনি হাসপাতালে গিয়ে ওই নারীর চিকিৎসা করেন। কিন্তু এরপরও বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় ভোরে তাকে সিলেট প্রেরণ করা হয়।
এদিকে, মূমুর্ষ অবস্থায় ওই নারীকে সিলেট পাঠালেও রোগীর সাথে দেয়া ছাড়পত্রে সীল দেয়নি সেন্ট্রাল হসপিটাল কর্তৃপক্ষ। যার ফলে সিলেটের কোন হাসপাতাল ওই রোগীকে ভর্তি নেয়নি। এতে রোগীর অবস্থা আরও শঙ্কটাপন্ন হয়ে উঠে। সারাদিন সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেও রোগীকে ভর্তি করতে না পারায় গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে আবারও রোগী নিয়ে হবিগঞ্জ ফিরে আসেন স্বজনরা। পরে তারা সেন্ট্রাল হসপিটালে এসে বিক্ষোভ করলে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এক পর্যায়ে ছাড়পত্রে সীল নিয়ে আবারও তারা রোগীকে নিয়ে সিলেট চলে যান।
এ ব্যাপারে রোগীর ভাগ্নে মহিবুল ইসলাম শাহীন জানান- ‘ডাক্তার আরশেদ আলী ও সেন্ট্রাল হসপিটাল কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে মৃত্যুর মুখে পড়েছে আমাদের রোগী। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্রে সীল না দেয়ার কারণে সিলেটের কোন হাসপাতালই আমাদের রোগীকে ভর্তি নেয়নি।’
তাছাড়াও তিনি আরও বলেন- ‘ডা. আরশেদ আলী অপারেশনের সময় রোগীর জরায়ু কেটে দিয়েছেন। যার ফলে সে এখন মৃত্যু পথযাত্রী।’
এ ব্যাপারে সেন্ট্রাল হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ম্যানেজার অসীম দেব বলেন- ‘এই রোগীকে রিলিজ দেয়ার সময় আমি ছিলাম না। তবে এখন আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ওই নারীকে সিলেট নিয়ে যাচ্ছি এবং রোগীর সুস্থতার জন্য যা করার প্রয়োজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা করবে।’
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে নারীর অপারেশন করা সেই চিৎিসক আরশেদ আলীকে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য- ডা. আরশেদ আলীর বিরুদ্ধে এর আগেও ভুল চিকিৎসা, রোগীদের সাথে অসধাচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সদর হাসপাতালে আসা রোগীদের অপারেশনের জন্য বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শও তিনি নিজেই দিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হবিগঞ্জ জেলার সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ট ও সঠিক তদন্ত দাবি করে ডাঃ আরশেদ আলীকে শাস্তির আওত্বায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্রে কেন সীল দেয়নি সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখার জন্য দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি আক্ষেপ করে বলেছেন, আমরা আজ খেলার পুতুল হয়ে গেছি। সাধারণ জনতা আজ তাদের নিজেদের স্বাধীনতা হারিয়েছে। দিন দিন হবিগঞ্জে ডাক্তারদের দূর্নীতি ও অপরাধের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থার চিত্র এখনও চোখে পড়েনি।
তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নিয়ে ঘটে যাওয়া দূর্নীতির ব্যাপারে নজরে আসার মতো কোন ব্যবস্থা এখনও হবিগঞ্জবাসী দেখে নি। কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা দিব্যি বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে। প্রকৃত পক্ষে এই সকল অন্যায়কারীদেরকে কারা প্রশ্রয় দেয় তা খুঁজে বের না করলে এইসব অপরাধ থামবে না বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।