Category: হবিগঞ্জ

  • ফুলকুঁড়ি আসর হবিগঞ্জ শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

    ফুলকুঁড়ি আসর হবিগঞ্জ শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

    “গাছ লাগিয়ে বেশি বেশি
    পরিবেশটাকে সুস্থ রাখি”
    এই স্লোগানকে নিয়ে ফুলকুঁড়ি আসর হবিগঞ্জ শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    হবিগঞ্জ শাখার পরিচালক আহমদ তালহার ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আসরের সমাজ সেবা সম্পাদক জুবায়ের রাসেল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ শাখার সাবেক পরিচালক নুরুল হুদা আফজাল, শাখার সহকারী পরিচালক নাজমুল ইসলাম নাহিদ।

    আরো যারা উপস্থিত ছিলেন নিরর আহমেদ, মিযানুর রহমান মিযান,আরিফ আহমেদ, জিতেন বৈষ্ণব্য, অভি, আরাফাত,তুহিন, সহ অন্যান্য ।

  • চুনারুঘাট উপজেলায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে “খোয়াই প্রবাসী সংগঠন” এর আত্মপ্রকাশ

    চুনারুঘাট উপজেলায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে “খোয়াই প্রবাসী সংগঠন” এর আত্মপ্রকাশ

    হবিগঞ্জ এর চুনারুঘাট উপজেলার, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত চুনারুঘাটের প্রবাসীরা উপজেলার হতদরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত, অসহায়, জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতা ও সমাজকল্যাণমূলক সামাজিক কর্মকাণ্ডকে তৃনমূল পর্যায়ে গতিশীল করে সমাজের সার্বিক উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে গত পহেলা জুলাই ২০২০ খ্রিঃ “খোয়াই প্রবাসী সংগঠন” নামে সামাজিক সংগঠনটি গঠন করা হয়। সংগঠনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে চুনারুঘাট উপজেলায় তিনদিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

    গত ২৫ আগস্ট ২০২০ খ্রিঃ রোজ মঙ্গলবার চুনারুঘাট পৌরশহরে বেলা ১১টায় বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ধারাবাহিক ভাবে তিনদিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।

    খোয়াই প্রবাসী সংগঠন এর অন্যতম যুগ্ন-আহবায়ক সোহেল আহমেদ (দুবাই প্রবাসী) এর সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন চুনারুঘাটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও তরুণ সামাজ সেবক জনাব মীর সাহেব আলী সাহেব, দক্ষিণা চরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জনাব মাওঃ এমদাদুল হক চৌধুরী সাহেব, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড মিরপুর এজেন্ট শাখার প্রধান ইনচার্জ বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী জনাব মুহিবুর রহমান মাসুম সাহেব প্রমুখ।

    চুনারুঘাটের ঐহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চুনারুঘাট সরকারি কলেজ এ বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। চুনারুঘাট পৌরসভা সহ ১০টি ইউনিয়নের দরিদ্র পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ বৃক্ষরোপণের আওতায় আনা হয়। কর্মসূচির প্রথম দিনে চুনারুঘাট সরকারি কলেজ, দক্ষিণা চরন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, চুনারুঘাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চুনারুঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চুনারুঘাট আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, শাকির মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়, শাকির মোহাম্মদ ইব্রাহীমিয়া দাখিল মাদ্রাসা, পঞ্চাশ স্কুল এন্ড কলেজ, অগ্রণী আইডিয়াল স্কুল, শাহ্ আব্দাল ইসলামী একাডেমী এন্ড হাই স্কুল, মহিমাউড়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা, দুর্গাপুর আলোর পথে উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী রশিদ হামিদ মডেল হাই স্কুল, জারুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাফেজী মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদে বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে।

    দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনের কর্মসূচিতে বিভিন্ন ইউনিয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাফেজী মাদ্রাসা, মসজিদ সহ কিছু সংখ্যক দরিদ্র পরিবারের মধ্যে গাছের চারা বিতরন ও রোপণ করা হয়েছে। এতে ছিল নারিকেল, পেয়ারা, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি ফলজ গাছের চারা।

    চুনারুঘাট পৌরসভাতে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজসেবক জননেতা মীর সাহেব আলী এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-র মিরপুর এজেন্ট ব্যাংক শাখার প্রধান ইনচার্জ মুহিবুর রহমান মাসুম সাহেবের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ ও বিতরন করা হয়েছে।

    উপজেলার ১নং গাজীপুর ইউনিয়নে তরুণ সমাজ সেবক এডভোকেট মোঃ খলিলুর রহমান, জৈন্তা কলেজের সহকারী অধ্যাপক জনাব আব্দাল আলী শাহীন ও নুরুল ইসলাম সাজল সাহেবের তত্ত্বাবধানে বৃক্ষ রোপন ও বিতরন করা হয়েছে।

    ৫নং শানখলা ইউনিয়নে তরুন সামাজ সেবক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী জননেতা এডভোকেট মোঃ নজরুল ইসলাম এবং নাজমুস সায়াদাত সাকিব সাহেবের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ ও বিতরন করা হয়েছে।

    ২নং আহাম্মদাবাদ ইউনিয়নে তরুন সমাজসেবক বাংলাদেশ কৃষিজীবী ফেডারেশন এর হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি জনাব মস্তুফা হোসাইন মস্তু সাহেব এবং বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোঃ লোকমান হোসাইন সাহেবের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ ও বিতরন কার্য সম্পাদন করা হয়েছে।

    এছাড়াও ইউপি প্রতিনিধি ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দরিদ্র্য পরিবারে গাছের চারা বিতরণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রোপণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে।

    খোয়াই প্রবাসী সংগঠনের আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল হাই আল মামুন সাহেব (সৌদিআরব, প্রবাসী) বলেন গাছে গাছে সবুজ দেশ আমার সোনার বাংলাদেশ এই স্লোগান কে আমরা বাস্তবে কাজে লাগাতেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি। দেশের পরিবেশ রক্ষায় সকলকেই এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

    সংগঠনের সদস্য সচিব মোঃ এখলাছ উর রহমান (পর্তুগাল প্রবাসী) বলেন — খোয়াই প্রবাসী সংগঠনের অঙ্গীকার হচ্ছে দেশের পরিবেশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য অসহায়-পরিবার, সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করা। তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কাজকে এগিয়ে নিতে চুনারুঘাটবাসীর সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

  • হবিগঞ্জ শহরে ইয়াবাসহ যুবক আটক

    হবিগঞ্জ শহরে ইয়াবাসহ যুবক আটক

    হবিগঞ্জ শহরের নিউ মুসলিম কোয়ার্টার এলাকায় বোতল ভর্তি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী রুবেল মিয়াকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

    আজ শুক্রবার(৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের নিউ মুসলিম কোয়ার্টার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

    পুলিশ জানায়- বোতলের ভেতর করে ইয়াবা পাঁচার করছিল রুবেল মিয়া। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন আচঁ করতে পেরে তাকে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে ইয়াবা পাওয়ায় গণধোলাই দিয়ে পুলিশকে জানানো হয়।

    খবর পেয়ে সদর থানার এসআই মো. আবু নাঈমসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন এবং রুবেল মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

    আটককৃত রুবলে শহরের গোঁসাইপুর আশকর নগর এলাকার এক ব্যক্তির বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছে। সে বড়কান্দি এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

  • ঢাকা থেকে অপহরণ: হবিগঞ্জের আবাসিক হোটেলে উদ্ধার

    ঢাকা থেকে অপহরণ: হবিগঞ্জের আবাসিক হোটেলে উদ্ধার

    ঢাকা থেকে অপহৃত এক ব্যক্তিকে হবিগঞ্জের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তিনদিন পর উদ্ধার করেছে হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় মুক্তিপণের টাকাসহ দুই অপহরণকারীকে আটক করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার দুপুরে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভা কক্ষে প্রেস বিফিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈইলেন চাকমা

    গত বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে শহরের সিনেমা হল রোড এলাকার আবাসিক হোটেল ‘পলাশ’ থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধারকৃত ব্যক্তি ঢাকা তেজগাঁও ‘সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজের’ ক্লিনার আলতাফ হোসেন (৩৮)।

    আটককৃতরা হল- হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের আজদু মিয়ার ছেলে মনিরুল ইসলাম মনির (২৪) ও একই গ্রামের বাতিন মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়া (২০)।

    অতিরিক্তি পুলিশ সুপার বলেন, ঢাকা তেজগাঁও ‘সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজের’ ক্লিনার আলতাফ হোসেনের মোবাইলের বিকাশ একাউন্টে ১ লাখ টাকা রয়েছে জানতে পেরে তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে পূর্ব পরিচিত শরবত বিক্রেতা মনিরুল ইসলাম।

    গত ৩১ আগস্ট আলতাফ হোসেনকে অপহরণ করে হবিগঞ্জ নিয়ে আসে আটককৃত দুই অপহরণকারী। পরদিন ১ সেপ্টেম্বর আলতাফ হোসেনের মোবাইল নাম্বার থেকে তার পরিবারের কাছে ফোন করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। এ সময় আলতাফ হোসেনের স্ত্রী মোছা. রাশেদা বেগম বিষয়টি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে অবহিত করেন এবং ২ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

    এদিকে, অপহরণকারীরা মুক্তিপণের জন্য বারবার আলতাফ হোসেনের পরিবারকে ফোন করে এবং দ্রুত মুক্তিপণ না দিলে তাকে খুন করার হুমকি দেয়।

    এক পর্যায়ে আলতার হোসেনের পরিবার ধার-কর্জ করে অপহরণকারীদের বিকাশ নাম্বারে ১০ হাজার টাকা পাঠায়। কিন্তু এই ১০ হাজার পাওয়ার পর তারা আবারও ৫০ হাজার টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। কোন উপায় না পেয়ে আলতাফ হোসেনের পরিবারের লোকজন হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারকে অবগত করেন।

    পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে হবিগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শহরের আবাসিক হোটেল ‘পলাশ’ থেকে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় দুই অপহরণকারীকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণের ১০ হাজার টাকাও জব্দ করে পুলিশ।

    এ ব্যাপারে অপহৃতের জামাতা মো. তুহিন চৌধুরী বাদি হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানায় পুলিশ।

    অপরদিকে, অপহরণ করে হোটেল ‘পলাশে’ রাখলেও কিছু জানে না বলে জানায় হোটেল কর্তৃপক্ষ। এমনকি তারা অপহরণকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কোন ধরণের কাগজপত্রও রাখে নাই। বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    এ ব্যাপারে আবাসিক হোটেল ‘পলাশের’ ম্যানেজার নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘দুই অপহরণকারীসহ তিনজনই স্বাভাবিকভাবে হোটেলে প্রবেশ করেছে এবং রুম ভাড়া নিয়েছে। তবে যাকে অপহরণ করে নিয়ে আসা হয়েছিল সে কিছুটা অস্বাভাবিক ছিল। তবে সাথে থাকা দুজন জানিয়েছে সে মানসিক রোগী।’

  • তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ এলাকায় মাদকের আস্তানা

    তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ এলাকায় মাদকের আস্তানা

    ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ এলাকায় সুকৌশলে গড়ে উঠেছে মাদকের আস্তানা। দর্শনার্থীরা প্রবেশে বাধা প্রদান করা হচ্ছে।

    মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১সালে ধারাবাহিকতায় ৪ঠা এপ্রিল সকাল দশটায় তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বড় বাংলোতে মুক্তিযুদ্ধা সেনা কর্মকর্তাদের এক ঐতিহাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক সভা।

    এই সভায় মুক্তিযুদ্ধের রূপরেখা প্রনয়ণ করা হয়। পরবর্তীতে ১০ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় সামরিক সভাটিও এখানে অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার মুক্তিযুদ্ধাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এখানে। এখানে রয়েছে দুই তিন ও চার নম্বর সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ।

    প্রতিদিন শত শত পর্যটক এই ঐতিহাসিক স্থানটি দেখতে আসেন। কিন্তু তেলিয়াপাড়া চা বাগান কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের প্রবেশে বাধা প্রদান করায় ঐতিহাসিক এই স্থানটি দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দর্শনার্থীরা।

    অথচ মাদকসেবীরা ঠিকই বিভিন্ন কৌশলে প্রবেশ করে মাদক সেবন করে স্মৃতিসৌধ এলাকার পবিত্রতা নষ্ট করছে।প্রবেশ করতে না পেড়ে অনেক পর্যটক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। তাদের মতে সার্বজনীন এই জায়গাটিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া উচিত।

    তেলিয়াপাড়ায় স্মৃতিসৌধ এলাকায় সুকৌশলে মাদকের আস্তানা গড়ে তোলেছে একাধিক বার পুলিশের হাতে মাদক সহ আটক মাদক পাচার কারী সন্তোষ তাতী ও বাতি কোখন তাতী রাজু সহ বেশ কিছু অসাধু ব্যক্তি।

    এরা কালীমন্দিরের পাশে গড়ে তোলেছে মাদকের আস্তানা।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকান মালিক বলেছে প্রতি দিন বিভিন্ন এলাকা থেকে বাইক নিয়ে শত শত বাইকার এখানে আসে মাদক সেবনের জন্য।
    তাদের কে এলাকার মানুষ ভয়ে কিছু বলেনি।
    মাঝে মধ্যে পুলিশের অভিযানে কিছু মাদক পাচার কারী আটক হলে ও সন্তোশ তাতী রাজু বাতি কোখন রয়ে যায় ধরা ছুয়ার বাহিরে।

    সরেজমিনে স্মৃতিসৌধ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, স্মৃতিসৌধ এলাকায় ও এর আশপাশের চা বাগানে অসংখ্য ফেনসিডিল খালি বোতল পড়ে আছে।

    ঢাকা সিলেট পুরাতন মহাসড়ক থেকে তেলিয়াপাড়া চা বাগান ও বিজিবি ক্যাম্পে যাওয়ার রাস্তায় প্রবেশর পরে রাস্তার দুই পাশে চা বাগানে অসংখ্য ফেনসিডিলের খালি বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    এব্যাপারে পর্যটকদের প্রবেশে বাধা প্রদানকারী চা বাগানের নিরাপত্তা কর্মী জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারনে আমরা কাউকে প্রবেশ করতে দেইনা।

    অনেক সময় মাদকসেবীরা অন্য রাস্তা দিয়ে লুকিয়ে প্রবেশ করে মাদক সেবন করে বের হয়ে যায়।

  • হবিগঞ্জ পৌরএলাকায় রাস্তার কাজ উদ্বোধন করেন মেয়র

    হবিগঞ্জ পৌরএলাকায় রাস্তার কাজ উদ্বোধন করেন মেয়র

    মীর দুলালঃ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

    অদ্য ৩/৯/২০ ইং রোজ বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড উত্তর শ্যামলী পুরাতন নদীর পাড় থেকে বাগান বাড়ীর নুরুল আহমেদ মিতু মিয়ার বাসা পর্যন্ত ঢালাই রাস্তার কাজ উদ্ধোধন করেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃমিজানুর রহমান মিজান ।

    ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে এই রাস্তা উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে সাংবাদিক নজরুল ইসলাম জানান। এসময় এলাকাবাসী মেয়রকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    রাস্তাটি প্রায় ১২৬০ লম্বা হবে এবং ১৯ লক্ষ টাকা ব্যায় ধরা হয়েছে বলে ঠিকাদার ঝলক জানান।

    মেয়র মিজানুর রহমান বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, আমি উপ নির্বাচনে আপনাদের ভোটে জয়লাভ করে এই অল্প সময়ের মধ্যে আপনাদের দীর্ঘদিনের দাবী যে পূর্ন করতে পেরেছি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করঁছি এবং আগামীতে আবার সুযোগ পেলে আপনাদের বাকী সমস্যাগুলোও সমাধান করবো ইনশাআল্লাহ। আমি কাজ করতে চাই, আপনারা প্রতিটি ওয়ার্ড ঘুরে ঘুরে দেখবেন কি করেছি, সুযোগ পেলে আরো করবো প্রুতিশ্রুতি দিচ্ছি।

    এসময় উপস্হিত ছিলেন কাউন্সিলর শেখ নুর হোসেন, মহিলা কাউন্সিলর খালেদা জুয়েল এবং ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাংবাদিক শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েল, পৌরসভা ইন্জিনিয়ার দিলীপ দাশ, হাজ্বী কামাল উদ্দিন, হাজ্বী আব্দুর রহমান, মো: আব্দুল্লাহ, সাইফুল ইসলাম, নোমান আহমেদ, খান মো সাগর এলাকার মুরব্বী, যুবকভাইয়েরা এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন জামিয়া ইসলামিয়া আরেবিয়া মাদরাসার পরিচালক মাওলানা হুমায়ুন কবীর।

  • চুনারুঘাটে অবৈধভাবে পিরানহা (সাকার) মাছ বিক্রি

    চুনারুঘাটে অবৈধভাবে পিরানহা (সাকার) মাছ বিক্রি

    চুনারুঘাটে অবৈধভাবে পিরানহা (সাকার) মাছ বিক্রি

    চুনারুঘাটে পিরানহা (সাকার) মাছ অবৈধভাবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। চুনারুঘাট দক্ষিণ বাজারে পিরানহা জাতীয় এরকম সাকার মাছ বিক্রি হয়েছে।

    ক্রেতারা জানান, আমরা এই রকম মাছ এর আগে কখনো দেখিনি, এর উপকার/অপকার সম্পর্কে আমরা অবগত নই, অনেক গরীব মানুষেরা স্বল্পদামে মাছটি পাওয়ায় কিনে নিতে দেখেছি।

    এদিকে অনুসন্ধানে জানা যায়, সাকার ফিশ সাধারণত টয়লেটসহ বিভিন্ন স্থানের নোংরা জিনিস খেয়ে জীবনধারণ করে। একোরিয়ামের ময়লা পরিস্কার রাখার জন্য অন্যান্য মাছের সাথে সাকার ফিশকেও একোরিয়ামে রাখা হয়৷ সামুদ্রিক ব্ল্যাক সি বাশ দেখতেও কিছুটা এই মাছের মতো। তাই বাজারে সাকার ফিশকে ব্ল্যাক সি নামেও অনেক সময় বিক্রি করতে দেখা যায়।

    গবেষকরা বলছেন, সাকার ফিশ সাধারণত ভারতে বেশি পাওয়া যায়৷ এবার বন্যার কারনে হয়তো বাংলাদেশে এই মাছ বেশি করে প্রবেশ করেছে৷ এই মাছ পিরানহা মাছের মতো নাকি অন্যান্য ছোট মাছও খায় যা জীব-বৈচিত্রে ব্যাপক প্রভাব ফেলে এ বিষয়ে খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছেন অনেকেই ৷

    চুনারুঘাটে সাকার ফিশ বিক্রি করতে আসা বিক্রেতাদের প্রতি প্রশাসনিক পদক্ষেপ কামনা করেছেন বাজারের সাধারণ ক্রেতাগণ।

    তাছাড়াও মাছটির উপকার/অপকারিতা যাচাই বাছাই করার আগ পর্যন্ত যেন বাজারে আর কেউ মাছটি বিক্রি করতে না আসে সেদিকে বাজার কমিটিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকেই।