Category: হবিগঞ্জ

  • শায়েস্তাগঞ্জে গরুসহ চোর আটক

    শায়েস্তাগঞ্জে গরুসহ চোর আটক

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের ব্রাক্ষণডুরা ইউনিয়নের বিশাউরা গ্রাম থেকে দিনভর অভিযানে ৪টি চোরাই গরু উদ্ধার ও দুই চোরকে আটক করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় ইউপি মেম্বার কামাল হাজারী ও ইউপি চেয়ারম্যান হোসাইন আদিল জজ মিয়ার নেতৃত্বে স্থানীয় যুব সমাজ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দুই চোরসহ চুরি হওয়া ৪টি গরু উদ্ধার করা হয়।

    এর আগে গত মঙ্গলবার শৈলজুড়া গ্রামের তওহিদ মিয়ার দু’টি গরু চুরি হয়েছিল। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান মিলেনি ওই গরুগুলোর।

    আজ শুক্রবার কেশবপুর বাজারের একটি নির্জন স্থানে আনোয়ার আলী একটি গরু বেঁধে রাখেন। তখন স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তাকে আটক করে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় খবর দেন। পরে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বেলা ১টায় অভিযান চালিয়ে ৬টি গরু উদ্ধার ও দুই চোরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

    উদ্ধারকৃত ২টি গরুর মালিক পাওয়া যায়নি, তবে বাকি ৪টি গরুর দুইজন মালিক পাওয়া গেছে। আটককৃত দুই চোর হলেন- ডরমন্ডল গ্রামের নবীর হোসেনের ছেলে কবীর মিয়া (৩৫) ও বাখরপুর গ্রামের মৃত ঠান্ডা মিয়ার ছেলে রশিদ মিয়া (৫০)।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, দুই চোরকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। গরুর মালিকদের উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতে গরু ফেরত দেওয়া হবে।

  • নবীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ

    নবীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্য বাজারে র‍্যাব ৯ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কমান্ডার আহমেদ নুমান জাকি নেতৃত্বে একদল র‍্যাব অভিযান পরিচালনা করেন।

    এ সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার সরকারি (ভূমি) সুমাইয়া মমিন

    অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে কমান্ডার আহমেদ নুমান জাকি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার অবৈধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।

    উপজেলার ইনাতগঞ্জ বাজারের ফজর উদ্দিনের পুত্র মোঃ নাসিম আহমেদ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ পলিথিন পাওয়ার দায়ে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং ৫ লক্ষ টাকার পলিথিন জব্দ করা হয়।

  • চলে গেলেন ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সৈয়দ আফরোজ বখ্ত

    চলে গেলেন ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সৈয়দ আফরোজ বখ্ত

    ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অ্যাডভোকেট সৈয়দ আফরোজ বখত মৃত্যুবরণ করেছেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)।

    বুধবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে সিলেট এমএ জি ওসমানি মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা আইনজিবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রুহুল হাসান শরীফ।

    তিনি জানান- বুধবার সকালে অ্যাডভোকেট সৈয়দ আফরোজ বখ্ত পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হবিগঞ্জ আদালতে যান। এ সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে উপস্থিত লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করেন। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে নবীগঞ্জে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    তিনি জানান- বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হবিগঞ্জ জজকোর্ট প্রাঙ্গনে প্রথম জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল তার গ্রামের বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার করচা গ্রামে তাঁকে দাফন করা হবে। এছাড়া তাঁর মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ আদালতের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

    অ্যাডভোকেট সৈয়দ আফরোজ বখত ১৯৩৫ সালের ৩১ মার্চ বানিয়াচং উপজেলার করচা গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা সৈয়দ খুরশেদ আলী ছিলেন একজন স্বনামধন্য শিক্ষক। তিনি প্রাইমারিতে লেখাপড়া করেন মথুরাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

    হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৫২ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে সরকারি বৃন্দাবন কলেজে ভর্তি হয়ে বামপন্থী ছাত্ররাজনীতিতে জড়িয়ে যান। ১৯৫৩ সালে এইচএসসি পাস করার পর সেখানেই স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৫৫-১৯৫৬ সেশনে কলেজের ছাত্র সংসদের জিএস নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ সালে বিএ পাস করেন। ১৯৬৫ সালে ঢাকা সিটি ল কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি ন্যাপের (ওয়ালি-মোজাফফর) হবিগঞ্জ মহকুমার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ভারতের ত্রিপুরায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

    ১৯৭৪ সালের ২৮ জুলাই তিনি হুসনে আরা কোরেশির সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। সৈয়দ আফরোজ বখতের তিন ছেলে ও এক মেয়ে।

  • সরকারের কড়া নির্দেশনার পরে ও চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলন থামছে না

    সরকারের কড়া নির্দেশনার পরে ও চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলন থামছে না

    মীর দুলালঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে খোয়াই নদী থেকে বালু উত্তোলন সেতু প্রতিরক্ষা বাঁধ ও বাড়িঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে। বালু নিয়ে বালুসমাতি আর কত? উচ্চ আদালত ও সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে কড়া নির্দেশনার পরও থামছেনা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন।

    কোন ধরনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এলাকার খোয়াই নদীর গর্ভ থেকে শ্যালো মেশিনের সাহায্যে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালীরা। নদীর পাড়ে বালু ফেলার কারনে নষ্ট হচ্ছে পাড়ের ফসলি জমির উর্বরতা।

    এমনকি ট্রাক, ট্রাক্টর,এস্কেবেটর মেশিন নদীর তীরে নেয়ার জন্য প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্বিচারে কাঁটছে যে যার মত।সেতুর এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ থাকলেও সেতুর আশ পাশেই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত ।

    অবৈধ এই কারবার বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বার বার জরিমানা করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা। প্রভাবশালী বালু কারবারিদের ভয়ে স্থানীয় লোকজন কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না।

    সরেজমিন ঘুরে রিপোর্ট করেছেন সাংবাদিক “আব্দুল রাজ্জাক রাজু ” কাজিরখিল খোয়াই সেতু,পাকুড়িয়া খোয়াই সেতু ,রাজার বাজার খোয়াই সেতু এলাকাসহ আমকান্দি ঝুঁকিপূর্ন খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় নদীর গর্ভে শতাধিক শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু তুলা হচ্ছে।

    উপজেলার খোয়াই নদীর সীমানায় ৩০ টি পয়েন্ট দিয়ে নদীর পাড়ে ডুকছে ট্রাক্ট,ট্রাক্টর, এস্কেবেটর মেশিন।প্রতিদিন ট্রাক,ট্রাক্টর দিয়ে বালু নেওয়ায় খোয়াই নদীর দু’পাড়ের প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে এখন হুমখির মূখে।

    চুনারুঘাট উপজেলার খোয়াই নদীর বিভিন্ন অংশে ইজারা নেয়া তিন জন ইজারাদারই সরকারী নিয়ম বর্হিভূত ভাবে বালু উত্তোলন করছেন। তারা বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুসরন না করে বালু ও মাটি উত্তোলন করে যাচ্ছেন। ফলে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার বাঁধ, সেতু ও বাড়িঘর ভেঙ্গে হুমখীর মূখে পড়ছে।

    এদিকে,কাজিরখিল বাজার,পাকুড়িয়া,কাঁচুয়া ও রাজার বাজারে রাস্তার পাশে বালুর ডিপু করায় রাস্তায় সৃষ্টি হচ্ছে যানযট। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। ২৫ টন ওজনসম্পন্ন বালু ভর্তি শতাধীক ড্রাম ট্রাক দিয়ে প্রতিদিন বালু পরিবহন করায় এলকার সড়ক মহাসড়কে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ইজারাদারদের ক্ষুদ্র সার্থ রক্ষা করতে প্রতি বছর সড়ক মেরামত করতে সরকারের কোটি কোটি টাকার অপচয় হচ্ছে।

    এদিকে,ভারতের খোয়ই এলাকা থেকে খরস্রােতা খোয়াই নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা সীমান্তের টেকেরঘাট কুলিবাড়ী এলাকা দিয়ে।

    কুলিবাড়ী থেকে শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ খোয়াই নদী পর্যন্ত ৩৬ কিলোমিটার নদীর দু-পাড়ের বাঁধ রক্ষা করতে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন র্বোড খরচ করছে।

    অথচ প্রতিদিন প্রকাশ্যে এর উপর দিয়ে চলাচল করছে মাটি বোঝাই ট্রাক,ট্রক্টির। এলাকাবসীর অভিযোগ,হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিছু অসাধু কর্মকর্তারা বালু ব্যবসায়ীদের সাথে ছড়িত।

    এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন পরিবেশবাদিরা। তবে দায় নিতে নারাজ পানি উন্নয় বোর্ড কতৃপক্ষ। তারা বলছে অগোচরে কাঁটা হচ্ছে বাঁধ। তারা প্রভাবশালী তাই তাদের কিছু করা যাচ্ছেনা।

    চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসন বলেছেন,অবৈধ ভাবে যারা খোয়াই নদীর দু-পাড়ের বাঁধ কাঁটছে তাদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।কিন্তু সেটা বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিলটন চন্দ্র পাল বলেন,যারা বৈধ ইজারা নিয়ে ইজারার শর্ত ভেঙ্গে সরকারি নিয়মভর্হিভূতভাবে বালু উত্তোলন করছে তাদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

    এ ছাড়া অবৈধ বালু পাচারকারিদের বিরোদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    খোয়াই নদীর উভয় পাড়ের বাঁধে ট্রাক,ট্রাক্টর চলাচল বন্ধ ,খোয়াই নদী থেকে অবৈধ ভাবে শ্যালো মেশিন দিয়ে বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধসহ রাস্তার পাশে অবৈধ বালুর ডিপু গুলো বন্ধ করতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছেন ভুক্তভোগীরা।

    বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক চুনারুঘাটের কৃতিসন্তান সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, খোয়াই নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদী মারাত্মত ক্ষতি হচ্ছে। সরকারের কঠোর নির্দেশনার পরেও বালু উত্তোলন বন্ধ করা যাচ্ছেনা।

    স্থানীয় প্রসাশন ও জন প্রতিনিধি যৌথ ভাবে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করতে এগিয়ে আসতে হবে।

  • মাধবপুরে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও গাঁজা উদ্ধার

    মাধবপুরে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও গাঁজা উদ্ধার

    মীর দুলালঃ

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘরের কালিকাপুর এলাকা থেকে ৪০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল এবং ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল সামীউন্নবী চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার ( ২২ সেপ্টেম্বর)
    ভোরে ধর্মঘর বিওপির সুবেদার আবু বক্করের নেতৃত্বে বিজিবির টহলদল ধর্মঘর ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪শ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।

    এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়।

  • শ্রেষ্ঠ বিপণন বিক্রেতা – স্যালুট প্রতিবন্ধী তবুও ভিক্ষাবৃত্তি নয়

    শ্রেষ্ঠ বিপণন বিক্রেতা – স্যালুট প্রতিবন্ধী তবুও ভিক্ষাবৃত্তি নয়

    শ্রেষ্ঠ বিপণন বিক্রেতা – স্যালুট প্রতিবন্ধী তবুও ভিক্ষাবৃত্তি নয়- ( কর্মই শ্রেষ্ঠ ) আমি একজন শারিরীক প্রতীবন্ধী । ১৫ বছর ধরে আমি শারিরীক প্ৰতীবন্ধী । আমি ভিক্ষা না করে কাজ করে জীবন – জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছি ।

    আমার বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৯ নং নিজামপুর ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ড বাতাসার গ্রামে । আমি নুর ইসলাম , বয়স -২৮ পিতা- মােঃ সদর আলী , আমার বাবা একজন গ্রাম পুলিশ অতি দরিদ্র , আমার পরিবার আমি সহ ৩ ভাই ও ৪ বােন ।

    আমার বয়স যখন ১২ তখন আমি চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াশােনা করতাম । অভাবের কারনে আমার বাবা আমাকে একটি দোকানে চাকরিতে দিয়ে দেন । কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০০৭ সালে কাজ করার সময় একদিন রাতে রাস্তা পারাপার হওয়ার সময় দ্রুত গতিতে আসা একটি মটর বাইক আমাকে আঘাত করে চলে যায় ।

    তাৎক্ষণিক ভাবে এলাকার মানুষ আমাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায় পরবর্তীতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ডাক্তার আমাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করে ।

    ঢাকার ডাক্তার বলেছেন আমার মাথার অপারেশন লাগবে । আমার পরিবারের গরু , ছাগল সবকিছু বিক্রি করে এবং এলাকার মানুষের সহযােগিতা নিয়ে আমার অপারেশন করানাে হয় । সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলাম এবং আমার পরিবারের কাছে টাকা পয়সা ছিল না ।

    আমার পরিবার আমাকে বাড়িতে আনার সিন্ধান্ত নেয় । ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমি বাড়িতে ফিরে আসি । বাড়িতে ফেরার দীর্ঘদিন পর আমার বাম হাত বাম পা ( damage ) হয়ে যায় । তখন আমাকে চিকিৎসা করানাের মত টাকা আমার পরিবারের কাছে ছিল না ।

    এই ভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলতেছি এবং এক পর্যায় আমি সহযােগিতার জন্য মানুষের কাছে সাহায্য চাই । এই ভাবেই মানুষের কাছে দীর্ঘদিন সাহযােগিতা নিয়ে জীবন – জিবীকা চালিয়ে যাচ্ছি । এমন সময় এক মহান মানুষের সাথে দেখা হয় ওনার কাছে সহযােগিতা চাওয়ার পর ওনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন আমার সমস্যা কিভাবে হয়েছে ।

    আমি সবকিছু খুলে বলি ওনাকে এবং আমি ওনার কাছে দাবি করি আমার উন্নত চিকিত্সার জন্য। তখন তিনি আমাকে বললেন আমার পরিবারের কারাে কি মােবাইল নাম্বার আছে । আমি আমার পরিবারের মােবাইল নাম্বার ওনাকে দেই । ওনার নাম ANS Habibur Rahman ( Education & Develoment Consultant ) ওনার ফোন দিয়ে একটি ফটো তুলেন এবং আমার নাম্বার সহ আমার ফটো দিয়ে ওনার ফেসবুক একাউন্টে পােষ্ট করেন ।

    এই পােষ্টটি দেখে একজন মহান মানুষ কুড়ি হাজার টাকা দেন আমার উন্নত চিকিৎসার জন্য । ওনি আমাকে ঢাকা থেকে ফোন দেন আমি ঢাকা আসার জন্য এবং ওনার কাছে যাওয়ার পর ওনি আমাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যােগাযােগ করেন ।

    কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল বলে দিয়েছে এখানে আমার চিকিৎসা নেই এবং ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল বলে দিয়েছে হিন্ডিয়াতে উন্নত চিকিৎসা আছে যা অনেক টাকার প্রয়ােজন আমার পরিবারের পক্ষে এত টাকা দিয়ে আমার চিকিৎসা করানাে সম্ভব নয় ।

    তাই আমি বাড়িতে ফিরে আসি । যিনি আমাকে কুড়ি হাজার টাকা দিয়েছিলেন এই টাকা দিয়ে আমি একটি ফ্লেক্সিলােডের ব্যবসা দেই । আমি মানুষের কাছ থেকে সহযােগিতা না নিয়ে এই কুড়ি হাজার টাকা দিয়ে আমি মােবাইল ফোনের কার্ড হেঁটে হেঁটে বিক্রি করি ।

    এই ভাবে আমি আমার জীবন – জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছি । এখন বর্তমানে আমি হবিগঞ্জের সব ধরনের পত্রিকা এবং মােবাইল ফোনের কার্ড বিক্রি করে জীবন – জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছি । আমি আপনাদের সকলের কাছে দোয়া সহযােগীতা প্রার্থী । মােবাইল নং : ০১৭৭৭-২৬৬৯০০ ।

  • শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালের সামনে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা

    শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালের সামনে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা

    মীর দুলালঃ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের প্রধান ফটকে সামনে ব্যাঙের ছাতার মতো আবারো অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এ সব দোকানে রাতের বেলা অপরাধীদের মিলনমেলা বসে।

    থানার সামনে এসব দোকানে অপরাধীরা ছদ্মবেশে ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ইতোপূর্বে বেশ কয়েকবার অবৈধ স্থাপনা হিসেবে ওই এলাকা থেকে দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই আবারও এসব অবৈধ স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে।

    জানা গেছে, এক শ্রেণির অপরাধী ও তাদের সোর্স এখানে বসে থানা থেকে পুলিশের গতিবিধি লক্ষ্য করে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের খবর দিয়ে দিচ্ছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, একটি মহলকে মাসোহারা দিয়ে এসব দোকানের পজিশন নিয়েছেন।

    এসব দোকান থাকার ফলে হাসপাতালের প্রবেশমুখে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।ঘটছে বাকবিতন্ডা ও অপ্রীতিকর ঘটনা।

    এ বিষয়ে পৌর মেয়র মিজানুর রহমান জানান, অচিরেই অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হবে।