Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় ইয়াবাসহ আটক ২

    হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় ইয়াবাসহ আটক ২

    হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ভাদিকারা গ্রামের মৃত ঠান্ডা মিয়ার ছেলে মাহফুজ মিয়া (৪৬) ও মৃত আউয়াল মিয়ার ছেলে জিতু মিয়া (৪৫) নামের ২ মাদক ব্যবসায়ীকে ১৪৮ পিস ইয়াব ট্যাবলেটসহ আটক করেছে পুলিশ।

    শনিবার রাত সাড়ে ১১ টায় ওসি তদন্ত অজয় চন্দ্র দেবর নেতৃত্বে এস আই সজীব দেব রায় ও এস আই আব্দুল মান্নান সহ পুলিশ উপজেলার ভাদিকারা গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী মাহফুজ মিয়ার বসত ঘর থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদর কে আটক করা হয়।

    লাখাই থানার ওসি তদন্ত অজয় চন্দ্র দেব ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত দের বিরুদ্ধে লাখাই থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাহফুজ মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলা সহ আরো ৪ টি মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

  • চুনারুঘাটে ডাকাতি করতে এসে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ

    চুনারুঘাটে ডাকাতি করতে এসে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ডাকাতি করতে এসে মা ও মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।শনিবার এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, চুনারুঘাটের ৯নং রানীগাঁও ইউনিয়নে পাহাড়ি এলাকা গরমচড়ি ফরেস্ট মাজারসংলগ্ন একটি বাড়িতে শুক্রবার গভীর রাতে একদল যুবক ঘরে প্রবেশ করে মা (৪৫) ও মেয়েকে (২৫) ধর্ষণ করে।

    প্রথমে যুবকরা ডাকাতির উদ্দেশ্যে ঘরে প্রবেশ করে প্রথমে মা ও মেয়ের ঘরে থাকা সোনা গহনা ও গরু নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তাদের মুখ বেঁধে যুবকরা মা ও মেয়েকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে তাদের জ্ঞান ফিরলে নিজেকে মুক্ত করে চিৎকার করে। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারকে অবগত করা হয়।

    এ বিষয় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক জানান, তারা এক যুবককে চিনতে পেরেছে। এ ঘটনায় মামলা করেছেন তারা।

    রোববার চুনারুঘাট থানার ওসি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তদন্ত চম্পক দাম বলেন, আমরা তদন্ত ও আসামি গ্রেফতারের স্বার্থে বিষয়টি গোপন রেখেছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন। দ্রুত আমরা তাদের গ্রেফতারে সক্ষম হব।

  • মাধবপুর উপজেলা ধর্মঘর থেকে মাদক সহ ২ যুবক গ্রেফতার

    মাধবপুর উপজেলা ধর্মঘর থেকে মাদক সহ ২ যুবক গ্রেফতার

    মীর দুলাল : অদ্য অক্টোবর রোজ রবিবার মাধবপুর উপজেলা ধর্মঘর এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক সহ দুই যুবকেগ্রেফতার করেছে মাধবপুর থানার কাশিম পুর পুলিশ ফাড়ির এস আই রানা আহমেদ গোলাম মস্তোফা।

    কাশিম পুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মোরশেদ আলমের নির্দেশনায় এস আই রানা আহমেদ গোলাম মস্তোফা গোপন সংবাদএর ভিত্তিতে খবর পেয়ে ধর্মঘর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গতরাত ৫৫ মিনিটে সময়  গন্ধব পুর গ্রামের মোঃআব্দুল রশিদ মিয়ার ছেলে মোঃ আলগীর (৩৫) মোঃ মিজান মিয়ার ছেলে আল আমীন( ৩৩)  গ্রাম সোরাবই থানা মাধবপুর  উভয় কে ৩৫ বোতল ভারতীয় মদ অফিসার সয়েছ কেজি গাজা সহ আটক করেন।

    আসামি দের বিরুদ্ধে মাদক পাচার সংরক্ষন আইনে মামলার প্রস্তুতি চলেছে বলে এস আই রানা আহমেদ জানান।

  • বাংলাদেশে ধর্ষণের রূপরেখা

    বাংলাদেশে ধর্ষণের রূপরেখা

    যুবায়ের বিন আখতারুজ্জামানঃ উইঘুরদের মত অনেকটা বাঙালিরাও একটা খোলা কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে আবদ্ধ। তবে এখানে বলির পাঠা অধিকাংশ নারীরা। আশাকরি বুঝতে পারছেন কি নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি। নারীদের প্রতিরোধ করার মত ক্ষমতা থাকলে বিষয়টা যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব হতো; কিন্তু যেহেতু তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতার বাইরে তাই এটাকে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের সাথে তুলনা করছি।

    ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০১৯ : আসকের পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে একটি তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৭ সালে দেশে ৮১৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও ২০১৮ সালে তা কিছুটা কমে ৭৩২ এ নেমে আসে। চলতি বছর (২০১৯) সালে এই সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। ২০১৯ সালে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৪১৩ নারী। এর মধ্যে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছেন ৭৬ জন এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১০ জন।

    বাংলাদেশ পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত বছর ৫ হাজার ৪০০ নারী এবং ৮১৫টি শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়। ২০১৮ সালে শিশু ধর্ষণের মামলা ছিল ৭২৭টি এবং নারী ধর্ষণের মামলা ছিল ৩ হাজার ৯০০টি। পুলিশের হিসাব বলছে, গত বছর ধর্ষণের কারণে ১২ শিশু এবং ২৬ জন নারী মারা যান। ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ২১ নারী ও ১৪ শিশু।

    বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম জানাচ্ছে, ২০১৯ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতি মাসে গড়ে ৮৪টি শিশু ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এ ছাড়া এক বছরে যৌন নির্যাতন বেড়েছে ৭০ শতাংশ। গত বছর যৌন নির্যাতনের শিকার হয় ১ হাজার ৩৮৩ শিশু। ২০১৮ সালের চেয়ে গত বছর শিশু ধর্ষণ ৭৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ বেড়েছে।

    এবার একটু ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করুন। যৌন নির্যাতনের সংখ্যাগুলো কেমন যেন চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ছে। ধর্ষণের এরূপ জনপ্রিয়তা দেখে বলা যায় এদেশে ধর্ষণের সংস্কৃতি চলছে। ‘ধর্ষণের সংস্কৃতি’ বলতে এমন এক সংস্কৃতিকে বোঝানো হয়, যেখানে সমাজের প্রত্যেক নারী, শিশু কিংবা কিশোরী বালিকা ধর্ষণের মতো পরিস্থিতির শিকার হতে পারে। আর দেশের বিচারবিভাগের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হয় তারা এতে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে।

    ডয়েচে ভেলের তথ্যানুযায়ী, বিদেশি সমীক্ষা মোতাবেক বাংলাদেশে ধর্ষণের হার প্রতি লাখে ১০ জন এবং সমগ্র বিশ্বে আমাদের অবস্থান ৪০তম। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে প্রতি লাখে ৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়, যা বাংলাদেশের তুলনায় কম।

    এবার ভাবুন বাংলাদেশের অবস্থা কতটা ভয়াবহ। বিচারবিভাগের স্বজনপ্রীতি এর সমস্ত দায়ভার নিতে বাধ্য। এই বিচারের কার্যক্রম যেকোনো পর্যায়ের হোক না কেন। কয়েকদিন আগে দেখা গেছে ধর্ষণের বিচার হিসেবে কেবল ৭২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ব্যাপারটা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন নারীর সম্মান এতই মূল্যহীন!

    বাংলাদেশে এখন ধর্ষণের সমস্যাটা জৈবিক নয়; সামাজিক। সাধারণত মানুষ জৈবিক তাড়নায় ধর্ষণ করে। কিন্তু যখন ধর্ষণের পর ধর্ষক লাইভে এসে ধর্ষণের কথা জানান দেয় তখন আর সেটা জৈবিক তাড়না থেকে ধর্ষণ বলার উপায় থাকে না। ধর্ষক যেন প্রতিটি মা-বোনকে এই ম্যাসেজ দিতে চায় যে— পরবর্তী টার্গেট তুমি।

    বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ পায় না বা প্রকৃতপক্ষে প্রকাশ করা হয় না এবং তার কারণও সামাজিক। ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ পেলে পুরুষের যতটা মর্যাদাহানি হয়, তার চেয়ে ঢের বেশি মর্যাদাহানি হয় ক্ষতিগ্রস্ত নারীর।

    ধর্ষিত নারী ও শিশুর অধিকাংশেরই অবস্থান সামাজিকভাবে প্রান্তিক। মূলত ধর্ষণের প্রান্তিক পর্যায়ের খেটে খাওয়া পোশাককর্মী, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী নারী, দরিদ্র স্বল্পশিক্ষিত ছাত্রী, গৃহবধূ এবং আদিবাসী নারী। পুলিশ স্টাফ কলেজের (২০১৮) গবেষণা অনুযায়ী, ধর্ষিত নারী ও শিশুদের ৭০.৯ শতাংশের মাসিক কোনো আয় নেই এবং ১৯.৪ শতাংশ নারী ও শিশুর মাসিক আয় ১০ হাজার টাকারও নিচে। এদের গড় মাসিক আয় মাত্র ২ হাজার ৮৪১ টাকা। যার কারণে এসব নারী ও শিশুর মামলা, বিচারিক প্রক্রিয়ায় সমান অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে না, ন্যায়বিচারও তাঁরা পান না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নারী ও শিশুদের বিপরীতে ধর্ষকদের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থান ও মর্যাদা ভালো।

    একই গবেষণার তথ্যানুযায়ী, ধর্ষকদের সামাজিক অবস্থানের মধ্যে ১৪.৯ শতাংশ ধনিক শ্রেণির সন্তান, ৯.১ শতাংশ রাজনীতিবিদের সন্তান/আত্মীয় এবং ৪.৬ শতাংশ রাজনৈতিক নেতা-কর্মী। এখানে প্রান্তিক ধর্ষিত নারী ও শিশুর সামাজিক অবস্থানের সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও সামাজিকভাবে ক্ষমতাবান ধর্ষকদের সামাজিক বৈষম্যই ধর্ষণের পেছনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।

    এখন শেষ কথা হচ্ছে এত কিছু ঘটার পর শাস্তিই কি সমাধান?! কিন্তু আমার মতে এদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শাস্তিই শেষ সমাধান বলে মনে হয় না। শাস্তিটা দেওয়া যায় শিক্ষিত মানুষদের। কোনো জানোয়ারকে শাস্তি দিলে কোনো উপকার হবে না। যেমন লাগামহীন ছাগলকে প্রতিদিন শাস্তি দিলেন অন্যের ক্ষেতের ধান নষ্ট করার জন্য। কিন্তু পরেরদিন সে আবার ধান নষ্ট করল আপনি আবার শাস্তি দিলেন। এমন করে আর কতদিন।

    এদেশের অবস্থা অনুযায়ী প্রথমে ধর্ষণের ব্যাধিটা সামাজিক সমস্যা থেকে জৈবিক সমস্যা অবনতি করতে হবে। যেমন ঐ সমস্ত শালিসের বিচারক আচ্ছা করে ধোলাই দেওয়া যারা কেবল ৭২ হাজার টাকায় একজন নারীর সম্মান বেঁচে দেয়। আর সবচেয়ে বড় কথা বিচারব্যবস্থা স্বজনপ্রীতি আর প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রভাব মুক্ত না করতে পারলে বিচার করবেন কার?!

    যতক্ষণ পর্যন্ত ধর্ষণ সামাজিক সমস্যা থাকবে ততক্ষণ কোনো শাস্তিই ধর্ষণ ফিরিয়ে রাখতে সক্ষম না। বরং ধর্ষণের পর ধর্ষিতার কেউ ধর্ষকের বিরুদ্ধে যেন কোনো অভিযোগ করতে না পারে ধর্ষক সেই ব্যবস্থা করবে। সেটা যেকোনো উপায়েই হোক। মনে রাখবেন যে সকল দেশে শাস্তির জন্য ধর্ষণ প্রতিরোধ হচ্ছে সে সকল দেশে ধর্ষণ সামাজিক সমস্যা নয়; জৈবিক তাড়না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ধর্ষণ সামাজিক সমস্যা। আর এর মদদদাতা ছোট্ট একটা গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি পর্যন্ত।

  • হবিগঞ্জের মাধবপুরে দ্রুতগামী বাসের ধাক্কায় নিহত ১

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে দ্রুতগামী বাসের ধাক্কায় নিহত ১

     

    মীর দুলালঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে দ্রুতগতিতে যাওয়া একটি বাসের ধাক্কায় আবদাল মিয়া (৪০) নামে এক এনজিও (আশার) মাঠ কর্মী নিহত হয়েছেন।

    আজ শনিবার ( ৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের উপজেলার রতনপুর নামক স্হানে এ দূঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়, এনজিও আশার নয়াপাড়া ব্রাঞ্চের মাঠ কর্মী আবদাল ছাতিয়াইন এলাকার ফিন্ড শেষে অফিসে ফেরার পথে রাস্তার পাশে মোটর সাইলে বসে এক পরিচিত ব্যক্তির সাথে কথা বলছিলেন।

    হঠাৎ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হবিগঞ্জ গামী একটি বাস দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় আবদাল কে ধাক্কা দেয়।এতে ঘটনাস্হলে তার মৃত্যু হয়। ও মোটর সাইকেল ধুমড়ে মোচড়ে যায়।

    নিহত আবদাল মিয়া হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের জারুলিয়া গ্রামের রজব আলীর ছেলে।

    শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার এ এস আই শাহজালাল ঘটনার সতত্যা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্বার করেছে।

  • অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে এম. পি. আবু জাহিরের সরকারি সাধারণ সহায়তার চাল বিতরণ

    অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে এম. পি. আবু জাহিরের সরকারি সাধারণ সহায়তার চাল বিতরণ

    অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে এম. পি. আবু জাহিরের সরকারি সাধারণ সহায়তার চাল বিতরণ

    দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে অসহায় মানুষদের কথা বিবেচনায় এনে হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় ( ০১ নং লোকড়া ও ০২ নং রিচি ইউনিয়নে) প্রায় ১২০০ অস্বচ্ছল দরিদ্রে মানুষের মাঝে সরকারি সাধারণ সহায়তার (জি আর) চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হবিগঞ্জ – ৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ করেন।

    এ সময় হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, লোকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস, রিচি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া মোঃ ইলিয়াছ, রিচি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ, লোকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক আলী ও সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলীসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    উক্ত চাল বিতরণ অনুষ্ঠানের বক্তব্যের পর্যায়ে এম. পি. আবু জাহির বলেন, করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার মানুষের পাশে থেকেছে। আমরা বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দিয়েছি। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

  • হবিগঞ্জে দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে উন্নয়ন করে যাচ্ছেন ডাঃ মুশফিক

    হবিগঞ্জে দরিদ্র মানুষের পাশে থেকে উন্নয়ন করে যাচ্ছেন ডাঃ মুশফিক

    সৈয়দ আব্দুল মান্নানঃ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রথম প্রশাসক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি দুর্যোগে দুর্বিপাকে মানুষের পাশে আছে শেখ হাসিনার সরকার এ প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

    তিনি করোন দুর্যোগে বসে থাকেননি ছুটে চলেছেন জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। নিজ হাতে বিলিয়েছেন ত্রাণ সামগ্রী। তাঁর উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে হাট বাজার , মসজিদ, মন্দির গ্রামীন জনপদে।

    তিনি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে শিমুলিয়াম জামে মসজিদে আর্সেনিক মুক্ত নলকূপ স্হাপন, শ্রীকলস গ্রামের সুনাই মিয়ার বাড়িতে আর্সেনিক মুক্ত নলকূপ স্হাপন, সুন্দ্রাটিকি গ্রামের আমির উল্লাহর বাড়িতে আর্সেনিক মুক্ত নলকূপ স্হাপন, বাহুবল ডিগ্রি কলেজের উন্নয়ন, খাগাউড়া গ্রামের মেন্দি মিয়ার বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত ইট সলিং রাস্তা, জগতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের রাস্তা উন্নয়ন, বাহুবল বাজার মসজিদের ঘাটলা নির্মাণ, কামাইছড়া মসজিদ, মন্দিরে যাবার রাস্তায় গাইড ওয়াল,স্নানঘাট গ্রামের জসিমের বাড়ির রাস্তা উন্নয়ন, টিলাবাড়ী সেলিমের বাড়ি থেকে ছালিক মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ইটসলিং রাস্তা, বাহুবল কলেজ থেকে তাহির মিয়ার বাড়িতে রাস্তায় ইটসলিং,জাঙ্গালিয়া গ্রামের জমির উদ্দিনের বাড়ি পর্যন্ত ইটসলিং রাস্তা, বাহুবল কিশলয় স্কুলের সামনে ছাউনি তৈরি, চকহায়দার গ্রামে মাধবীছড়ার উপর কালভার্ট নির্মাণ, বাহুবল বাজার মসজিদের উন্নয়ন, শেওড়াতলী গ্রামের আখালিয়া ছড়ার উপর কালভার্ট নির্মাণ, আদিত্যপুর গ্রামের পাশে চিনাই ছড়ার উপর কালভার্ট নির্মাণ, দক্ষিণ স্নানঘাট গ্রামে কালভার্ট নির্মাণ, পুটিজুরী – স্নানঘাট রাস্তার পাশে আশাতলায় কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প সম্পন্ন করেছেন ।

    এ উন্নয়ন কাজের ধারা অব্যাহত থাকলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।