Category: হবিগঞ্জ

  • প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুতাং নদী থেকে বালু উত্তোলন

    প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুতাং নদী থেকে বালু উত্তোলন

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে চোরাইভাবে প্রতিদিন নিরবে সুতাং নদী থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে বালু খেকোরা।

    হুমকির মুখে উপজেলার ২ ইউনিয়নে ৮টি গ্রামের ফসলি জমি, রাস্তা, কবরস্থান, ব্রীজ, বসত ভিটা ভেঙ্গে পড়েছে উভয় তীর। কিন্তু প্রতিবাদ করার কেউ নেই?

    স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, দীর্ঘদিন যাবৎ প্রশাসনের চোখে ফাকি দিয়ে চোরাইভাবে দিবারাত্র উপজেলার ৮ টি গ্রামের ৪০ থেকে ৪৫ জন বালু খেকোচক্র সুতাং নদী থেকে বেলছা ও বালতি নিয়ে পানিতে ডুব দিয়ে বিট বালু, সাদা বালু ও বিট মাটি নৌকায় বোঝাই করে নদী পথে পাচার করছে প্রতিদিন।

    প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুতাং নদী থেকে বালু উত্তোলন
    সুতাং নদী থেকে বালু উত্তোললের সময়।

    এদিকে প্রতিদিন বালু উত্তোলন হচ্ছে ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার ফুট। যাহার মূল্য অর্ধ লক্ষাধিক টাকা। প্রতিটি নৌকায় ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট বালু বুঝাই করে হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় রাজিউড়া ইউনিয়নের কাটাখালি ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন খেয়াঘাটে নিয়ে বিক্রি করছে এলাকার নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কিছু প্রভাবশালী বালু খেকোরা।

    এতে ক্ষতি সাধন হচ্ছে উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নের ডাকিজাঙ্গাল ও কাজীরগাঁও, নূরপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও, চাঁন্দপুর, আলগাপুর, শ্রীরামপুর, পুরাসুন্দা, শাহজীবাজার, সুরাবই গ্রামের হত দরিদ্র মানুষের হারাচ্ছে বসত ভিটা ও ফসলি জমি। ইতিমধ্যে অনেকেই বসত বাড়ি ও কৃষি জমি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়েছেন।

    প্রভাবশালী বালু খেকোরা তাদের নিজস্ব লোক দিয়ে প্রতি নৌকায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে নিচ্ছে। কিন্তু উক্ত টাকা গুলো এলাকার জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা টাকার ভাগ বাটোয়ারা করে নিচ্ছে, কিন্তু প্রতিবাদ করার কেউ নেই। সরকার হারাচ্ছে প্রচুর টাকার রাজস্ব।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চোরাইভাবে নৌকায় বোঝাই করে বালু উত্তোলন করছে। এলাকার প্রত্যক্যদর্শী জানান, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা সাবেক নির্বাহী অফিসার সুমি আক্তার গোপন সূত্রে ২ বার ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সুতাং নদীর আলগাপুর অভিযান চালিয়ে নৌকায় বোঝাই করা বালু চাঁন্দপুরে এনে আটক করে রাখায় হয় এবং স্থানীয় লোকদের অনুরোধে বালু খেকোদেরকে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। তারা চোরাইভাবে বালু উত্তোলন করে কোন দিন বিক্রি করবে না।

    সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমি আক্তার বদলী হয়ে যেতে না যেতেই বালু খেকোরা সুতাং নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে। প্রতিদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বালু খেকোরা আঙ্গুল ফুলে কোটিপতি বনে গেছে। সুতাং নদীর উভয় তীরে গ্রামের মানুষ হচ্ছেন নিঃস্ব। এব্যাপারে প্রশাসন ঘন ঘন ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযান না করলে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন হবে।

  • হবিগঞ্জে পানিতে ডুবে মারা গেল এক যুবক

    হবিগঞ্জে পানিতে ডুবে মারা গেল এক যুবক

    হবিগঞ্জে পানিতে ডুবে মারা গেল এক যুবক

    আজ ১২/১০/২০২০ সোমবার আনুমানিক সকাল ১১ টার দিকে নিজ বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
    জানা গেছে মৃত যুবকের নাম শান্ত বৈদ্য। তার বয়স আনুমানিক ২০ বছর এবং সে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিল।

    মৃত শান্ত বৈদ্য হবিগঞ্জ পৌর এলাকার জঙ্গল বহুলার অমির বৈদ্যের ছেলে। এলাকাবাসীরা জানান, শান্ত সকালে কখন বাড়ির পুকুরে পড়েছে তা কেউ ঠিকমতো বলতে পারবে না।

    পরবর্তীতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় শান্তকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, শান্ত বৈদ্যের মৃত্যুর বিষয়টি হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা: মো: মুখলেছুর রহমান নিশ্চিত করেন।

  • আদর্শ জাতি গঠনে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব

    আদর্শ জাতি গঠনে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব

    মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সাদিকঃ ‘শিক্ষাই আলো’ ‘সুশিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড’ সুশিক্ষিত জাতি আগামীর ভবিষ্যৎ। মানব সভ্যতার বয়স যতদিন, শিক্ষার বয়সও ততদিন। কারণ মানুষকে সৃষ্টিকর্তা একজন জ্ঞানী ও খলীফা হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

    উম্মতে মুহাম্মদীর শিক্ষা ব্যবস্থা সূচনা হয় সৃষ্টিকর্তার বাণী- পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন (সূরা: আলাক্ব, আয়াত-১)। মসজিদে নববীতে অবস্থিত ‘সুফফা’ হলো ইসলামের প্রথম শিক্ষা কেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়। রাসুল সা. ছিলেন প্রথম শিক্ষক এবং সাহাবীগণ প্রথম ছাত্র।

    এখান থেকে শিক্ষার ইতিহাস শুরু হয়। খোলাফায়ে রাশেদীন, উমাইয়া ও আব্বাসীয় খলিফাদের যুগে ইসলামি শিক্ষার ব্যাপক উন্নতি ঘটে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা একটি পরিপূর্ণতা লাভ করে। মুসলিম শাসিত ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসকগণ শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক অবদান রাখেন। তারা ইসলামি শিক্ষার বুনিয়াদি কাঠামো দাঁড় করিয়ে ছিলেন। শুধু রাজধানী দিল্লিতেই ১০০০ মাদরাসা ছিল।

    প্রফেসর ম্যাক্স মুলারের মতে ব্রিটিশ শাসনের পূর্বে শুধু বাংলাতেই ৮০ হাজার মাদরাসা ছিল। ক্যাপ্টেন হেমিলটনের মতে, সিন্ধুর প্রসিদ্ধ ঠাট্টানগরীতে জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং শিল্পকলার চারশত প্রতিষ্ঠান ছিল।

    ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে পরাজয়ের পর উপমহাদেশের মুসলিম শাসনের ইতি ঘটে। সূচনা হয় ইংরেজ শাসন। ইংরেজগণ তাদের শাসন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ঠিকিয়ে রাখার জন্য নীতি প্রয়োগ করে। মূল লক্ষ্য ছিল দ্বিমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালু করে মুসলমানদের মাঝে জাতিগত বিভেদ সৃষ্টি করা।

    ১৮৩৫ সালে লর্ড মেকেলের সুপারিশকৃত শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে দুই বিপরীতমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলনের উদ্দেশ্য সুষ্পষ্টভাবে লক্ষণীয়। তাদের এ নীতি সফলতার সাথে বাস্তবায়ন হয়েছে। বৃটিশ আমাদের এ দেশ থেকে চলে গেছে সেই ১৯৪৭ সালে ঠিকই কিন্তু তাদের সৃষ্ঠ শিক্ষাব্যবস্থা আজো অক্ষুন্ন আছে। এ দীর্ঘ সময়ে পাঠ্যসূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আসলেও শিক্ষানীতির মূল কাঠামো আজও অপরিবর্তিত।

    আল্লামা ইকবাল বলেন- খুদি বা রুহের উন্নয়ন ঘটানোর প্রক্রিয়ার নামই শিক্ষা। শিক্ষার ক্ষেত্রে ইসলামী আদর্শে কাজ হলো পরিপূর্ণ মানবসত্তার লালন করে এমনভাবে গড়ে তোলা। যার এমন একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি যে, মানুষ তার দেহ, বুদ্ধিবৃত্তি এবং আত্মা তার বস্তুগত ও আত্মিক জীবন এবং পার্থিব জীবনের প্রতিটি কার্যকলাপের কোনটিই পরিত্যাগ করে না। আর কোন একটির প্রতি অবহেলা বা মাত্রাতিরিক্ত ঝুঁকেও পড়ে না।

    মিল্টনের মতে- শিক্ষা হচ্ছে শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে বিকশিত মুক্ত সচেতন মানবসত্তাকে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে উন্নত যোগসূত্র রচনা করার একটি চিরন্তন প্রক্রিয়া যেমনটি প্রকাশিত হয়েছে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক, আবেগগত এবং ইচ্ছাশক্তি সম্বন্ধীয় পরিবেশে। শিক্ষার উদ্দেশ্যই নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি করা।

    সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে মানবজাতিকে সঠিক জীবন যাপনের জন্য যেসব নবী-রাসূলগণকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল তাদের কাজ সম্পর্কে সৃষ্টিকর্তা বলেন- তারা আল্লাহর আয়াত বা নিদর্শন বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য সম্পর্কে মানুষকে পড়ে শুনান। আত্মাকে পরিশুদ্ধ করেন আর শিক্ষা দেন জীবন যাপনের কৌশল। অথচ এর পূর্বে তারা ছিল সুষ্পষ্ট গুমরাহীতে নিমজ্জিত (সূরা: জুমআ, আয়াত- ২)।

    ইসলামি যুগের শুরুতে, মধ্যযুগে এবং অতি সাম্প্রতিক কালেও ঔপনিবেশিক যুগের আগ পর্যন্ত মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব ছিল কুরআন, হাদিস, সিরাত ও ফিকাহর ওপর। এর সাথে সাথে সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, যাবতীয় সাইন্স এসবের গুরুত্ব ছিল। ইসলামে শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তা পৃথিবীর কোন ধর্মগ্রন্থে বা মনীষীর বাণীতে পাওয়া যাবে না।

    কুরআনের প্রথম শব্দই শিক্ষা সংক্রান্ত। সৃষ্টিকর্তা বলেন- পড়ুন আপনার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট বাঁধা রক্ত থেকে। পড়ুন আর আপনার রব মহামহিমান্বিত। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন। শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না (সূরা: আলাক, আয়াত- ১-৫)।

    রাসুল সা. হেরা গুহায় অহি প্রাপ্ত হয়ে ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় ফিরে এসে তাঁর সহধর্মিনী খাদিজা রা.-এর নিকট সমস্ত ঘটনা খুলে বলেন। রাসুল সা. আল্লাহর পক্ষ থেকে শিক্ষা লাভ করে ঘোষণা করেন- আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি (ইবনে মাজাহ)। অনত্রে- জ্ঞানার্জন প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ফরজ (ইবনে মাজাহ )।

    নিরক্ষরতা দূরীকরণের লক্ষ্যে রাসুল সা. ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে যুদ্ধ বন্দি ৭০ জনের মুক্তিপণ হিসেবে ঘোষণা করেন, যারা লেখাপড়া জানেন তারা ১০ জন নিরক্ষর ব্যক্তিকে অক্ষর জ্ঞান দান করে মুক্তি পাবেন। ইসলামের ইতিহাসে প্রথম আনুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি সেটা হলো ‘দারুল আরকাম’। বিশিষ্ট সাহাবী আরকাম রা. ছিলেন এই ঘরের মালিক। মুসলমান হওয়ার পর তিনি ইসলামের জন্য এই ঘরটি ওয়াক্ফ করে দেন।

    মদীনার মুসলমানদের আবেদনের প্রেক্ষিতে রাসুল সা. মুস‘আব ইবনে উমায়ের রা.- কে শিক্ষক হিসেবে মদীনায় প্রেরণ করেন। তিনি আবু উসামা ইবেন যুরারার বাড়িতে অবস্থান করে কুরআন শিক্ষা দিতেন। সেটিই মদীনার প্রথম শিক্ষালয় হিসেবে পরিগণিত হয়।

    হিজরতের সময় রাসুল সা.-এর বাহন উটনী আবু আইয়ুব আনসারী রা. বাড়িতে গিয়ে থেমে যায়। রাসুল সা. সেই বাড়িতে অবস্থান করে প্রায় ৮ মাস শিক্ষাক্রম চালিয়ে যান। মসজিদে নববীর উত্তর পার্শ্বে খেজুর পাতায় ছাউনি দিয়ে একটি আবাসস্থল প্রণয়ন করা হয়। ইসলামের ইতিহাসে ‘সুফফাহ’ নামে পরিচিত।

    রাসুল সা.-এর শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল একীভূত শিক্ষাব্যবস্থা। সেখানে কোনো ভেদাভেদ ছিলনা। সকলেই জ্ঞান লাভের সমান সুযোগ পেত। রাসুল সা. কন্যা সন্তানদের শিক্ষা দানের ব্যাপারে যথেষ্ট উৎসাহ প্রদান করেছেন।

    রাসুল সা. ইরশাদ করেন- যে ব্যক্তি তিনটি কন্যাসন্তানকে লালন-পালন করবে, তাদেরকে শিষ্টাচার শিক্ষা দিবে তাদের বিয়ে দিবে এবং তাদের সাথে ভালো আচরণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে (আবু দাউদ)। রাসুল সা. এর সহধর্মিনী আয়শা রা. শিক্ষা-দীক্ষায় বিরাট অবদান রাখেন। তিনি হাদীস, ফিকাহ শাস্ত্রসহ সকল বিষয়ে বুৎপত্তি অর্জন করেন। তাঁর থেকে ২২১০টি হাদীস বর্ণিত হয়।

    ঈমানের পরে ইলমই হলো আল্লাহর নিকট মর্যাদা বৃদ্ধির প্রথম উপায়। সৃষ্টিকর্তা বলেন- তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে ইলম বা জ্ঞান প্রদান করা হয়েছে তাদের মর্যাদা আল্লাহ বাড়িয়ে দিবেন (সূরা: মুজাদালা, আয়াত- ১১)।

    ইলম শিক্ষা করার জন্য পথ চলা, হাঁটা, কষ্ট করা ইত্যাদিও ইবাদাত। এগুলির মর্যাদা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত বেশি। (বুখারি, মুসলিম)। শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে ক্বারীর মর্যাদা সম্পর্কে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত- রাসুল সা. ইরশাদ করেন- কুরআনের ক্বারীকে বলা হবে পড়ুন এবং সিঁড়ি বেয়ে উপরের দিকে উঠতে থাকুন এবং সুমধুর কণ্ঠে পড়তে থাকুন যেভাবে তারতীলের সাথে দুনিয়াতে পড়েছেন। নিশ্চয় আপনার গন্তব্য হবে সেখানে, যেখানে পড়া শেষ হবে (তিরমিযি, আবু দাউদ )।

    আলী ইবনে আবু তালিব রা. হতে বর্ণিত- রাসুল সা. ইরশাদ করেন- অর্থাৎ যে কুরআন পড়ল অত:পর মুখস্ত করল এবং হালালকে হালাল ও হারামকে হারাম মেনে চলল। আল্লাহ তা‘আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করবেন এবং তাকে ঐ সমস্ত দশ জনকে সুপারিশ করার সুযোগ দিবেন যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছে (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও বায়হাকী)।

    জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রা. হতে বর্ণিত- রাসুল সা. ইরশাদ করেন- আলিম ও আবেদের পুনরুত্থান হবে। অত:পর আবেদকে বলা হবে তুমি জান্নাতে যাও। আর আলেমকে বলা হবে তুমি দাঁড়াও, যাতে তুমি যে শিক্ষা দিয়েছ সে কারণে সুপারিশ করতে পার (বায়হাকী)।

    মাদরাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে বড় অবদান হলো সৎ ও আদর্শ ব্যক্তি গঠন। পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের পর ইসলাম ও মুসলমানদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছিল তা থেকে উত্তরণের নিমিত্তে ১৮৬৬ সালের ৩০ মে মাওলান ক্বাসেম নানুতবী রহ. প্রতিষ্ঠা করেন ‘দারুল উলুম দেওবন্দ’ মাদরাসা।

    স্যার সৈয়দ আমহদ খান স্থাপন করেন আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়। ১৭৮১ সালে মুসলমানদের চাপের মুখে আরবি শিক্ষার ব্যবস্থা স্বরূপ কলকাতায় (পশ্চিমবঙ্গে) বর্তমান ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।

    মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষিত লোকেরা তাহযীব-তমদ্দুন, কৃষ্টি-সভ্যতা, দীন-ঈমান, ইজ্জত-আবরু ইত্যাদি সংরক্ষণে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষিত লোকদের অনৈতিক কাজ যেমন- চুরি, ডাকাতি, হত্যা, ব্যভিচার, সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি, মাদক ইত্যাদির সাথে সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ করার মত নজির পাওয়া যায় না।

    মাদরাসায় শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা সরকারি-বেসরকারী বিভিন্ন চাকুরী করার পাশাপাশি মসজিদে জুমার খুতবা, ওয়াজ মাহফিল, সভা-সেমিনার ও ব্যক্তিগতভাবে মানুষকে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সৎভাবে জীবনযাপন করার উপদেশ দেন। তাঁদের উপদেশ শুনে সাধারণ মানুষ সৎভাবে জীবনযাপন করার চেষ্টা করেন।

    তাছাড়া সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসাগুলো অনেক দরিদ্র পরিবারের সন্তান ও অসহায় এতিম শিশুদের বিত্তবানদের সহযোগিতায় নিরক্ষরতা দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। সৎ ও আদর্শ জাতি গঠনে মাদরাসা শিক্ষার ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

    রাসুল সা. শিক্ষার আলো দিয়ে একটি বর্বর ও অশিক্ষিত জাতিকে সুশিক্ষিত ও সুশৃঙ্খলিত ও সর্বোত্তম জাতিতে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হন। আমাদেরও উচিত মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়ন ঘটিয়ে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে আসা যাতে আমাদের স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তেমন কোন পার্থক্য না থাকে।

    আবার স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষায় ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটিয়ে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে আসা যাতে মাদরাসা শিক্ষার ইসলামী ধ্যান-ধারণা ও পরিবেশের সাথে তেমন কোন পার্থক্য না থাকে। নৈতিক, আদর্শিক ও চারিত্রিক দৃঢ়তাসম্পন্ন জনশক্তি উৎপাদনের জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চার কোন বিকল্প নেই। এই গুরুত্বপূর্ণ দিকটি অবশ্যই শিক্ষাব্যবস্থায় অগ্রধিকার পাওয়া উচিত।

    ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। তাই সন্তানকে পরিপূর্ণ ইসলামি শিক্ষাদানের যথাযথ ব্যবস্থা করা নৈতিক দায়িত্ব। এটা নবুয়তি কাজের অন্তর্ভূক্ত। পিতা-মাতা সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে পরকালে তাদের আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

    সৃষ্টিকর্তা বলেন- হে আমাদের পালনকর্তা! যেসব জিন ও মানুষ আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল, তাদেরকে দেখিয়ে দাও, আমরা তাদেরকে পদদলিত করব, যাতে তারা যথেষ্ট অপমানিত হয় (সূরা: হা-মীম-সিজদা, আয়াত-২৯)। আদর্শ জাতি গঠনে ইসলামি শিক্ষা এক অপরিহার্য মাধ্যম।

    লেখক: প্রাবন্ধিক।
  • দেশব্যাপী নারী ও শিশু ধর্ষন নির্যাতনের প্রতিবাদে সুজন হবিগঞ্জ জেলা শাখার মানববন্ধন

    দেশব্যাপী নারী ও শিশু ধর্ষন নির্যাতনের প্রতিবাদে সুজন হবিগঞ্জ জেলা শাখার মানববন্ধন

    মীর দুলালঃ ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়নের জন্য মানব বন্ধন করেন সুজন হবিগঞ্জ জেলা শাখা। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসাবে মানববন্ধন করেছেন সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক হবিগঞ্জ জেলা শাখা।

    সুজন হবিগঞ্জ জেলা শাখা উদ্যোগে অদ্য ১০ ই অক্টোবর সকাল ১১ ঘঠিকায় হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ের সামনে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড চেয়ে মানব বন্ধন করেন সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক!

    সামাজিক, সেচ্ছাসেবী সংগঠন সহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহনে মানব বন্ধনের সভাপতিত্ব করেন সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক হবিগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এস এম মহসিন চৌধুরী।

    সুশাসনের জন্য নাগরিক হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মিজবাহ উল বারী লিটন চেয়ারম্যান এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সহ- সভাপতি আ রকিব, মীর গোলাম রাব্বানী, বদর উদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, ফয়সাল আহমেদ তুষার, মঈনুদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক শরিফ চৌধুরী, কামরুল হাসান, আ মকসুদ, সুজন জেলা কোষাধ্যক্ষ নুমান মিয়া, আ হান্নান, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোতালিব তালুকদার দুলাল, সহ সাধারণ সম্পাদক মুখলিছুর রহমান ইশান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইদুর, হবিগঞ্জ পৌর শাখার সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রহিম রুপজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন আহমেদ।

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার সাংগঠনিক, তাহফিম আহমেদ, লাখাই উপজেলার সাধারণ সম্পাদক
    বাহার উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক, মহিউদ্দিন আহমেদ রিপন, গোপায়া ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক
    আ বারিক সুজন, জেলা শাখার নির্বাহী সদস্য
    শাহ দারাজ, পিন্টু রায়, মহিবুর রহমান, আজিজুল ইসলাম, আবু নাছের শিপন, তাজুল ইসলাম নুমান, ইয়ুথ লিডার মথিন দীপ্র।

    শনিবার বেলা ১১ টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    নারী নির্যাতন বন্ধ, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে হবিগঞ্জ সদর থানার সামনে গিয়ে শেষ হয়।

    এসময় বক্তারা সারাদেশে নারী নির্যাতন বন্ধ সহ ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়ন সহ নানা দাবি তুলে ধরেন। মানববন্ধনে বিভিন্ন গনমাধ্যম কর্মী সহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করে।

  • নবীগঞ্জে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    নবীগঞ্জে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের রতনপুরে আম গাছ থেকে তামান্না আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    খবর পেয়ে পুলিশ লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে। এদিকে, ওই তরুণীর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড এ নিয়ে দেখা দিয়েছে ধুম্রজাল।

    ময়নাতদন্তের সময় পুলিশ দেখতে পায় নিহত তরুণীর পেটের মধ্যে মেহেদি দিয়ে লেখা ছিল- ‘তোর কারণে মরণ আমার, ক্ষমা করে দিস (এ)’! ফলে স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও নিহতের পরিবারের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের দানা বেধেছে। যদিও মৃতের পরিবারের দাবি- ‘কারও সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল না ওই তরুণীর’।

    তামান্না নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের কাপ্তাব মিয়ার মেয়ে। তার পরিবার জানায়- বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ির পাশের একটি আম গাছে তামান্নাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে তাৎক্ষণিক তারা উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ইদ্রিস আলী তামান্নাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নবীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, “নিহতের গলায় দাগের পাশাপাশি ঠোটের নিচে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া লাশের পেটে মেহেদি দিয়ে লেখা- ‘তোর কারণে মরণ আমার, ক্ষমা করে দিস (এ)।”

    তামান্নার পিতা কাপ্তাব মিয়া বলেন, “তামান্না সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। আমি বাজার থেকে ফিরে এসে এ ঘটনা দেখতে পাই। তবে আমার মেয়ের কোনো ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে আমার জানা নেই।”

    নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান বলেন, “লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মূল কারণ জানা যাবে।”

    ওসি আজিজুর রহমান আরো বলেন, “তামান্নার মৃত্যুর ব্যাপারে তার বাবা বাদি হয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া পুলিশ নিজস্বভাবে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।”

  • হবিগঞ্জ সদর উপজেলাবাসী আমার আস্থা ও বিশ্বাসের শেষ ঠিকানা – মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলাবাসী আমার আস্থা ও বিশ্বাসের শেষ ঠিকানা – মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেছেন, হবিগঞ্জ সদর উপজেলাবাসী আমার আস্থা ও বিশ্বাসের শেষ ঠিকানা। আমার হৃদয়ের মধ্যে আপনাদের স্থান।

    আমি একজন সেবক হয়ে উপজেলাবাসীর উন্নয়নে কাজ করতে চাই। মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক অবক্ষয় থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কারণ তাদের হাতেই আগামী দিনের বাংলাদেশ।

    তিনি আরো বলেন, সকলকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। সত্যের পক্ষে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু অন্যায়ের বিরুদ্ধে যোদ্ধ করেছিলেন বলেই আজকে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।

    বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে যুবসমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগসহ হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উন্নয়নে আমি বদ্ধ পরিকর। এ জন্য তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

    গতকাল হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোতাচ্ছিরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে লস্করপুর ইউনিয়নের জামিয়া করিমিয়া মজনুমিয়া মাদ্রাসায় আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও সম্মাননা অনুষ্ঠান। সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় আদ্যপাশা গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান, ভাংগারপাড় জামে মসজিদের নতুন কমিটি গঠনকল্পে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধণা অনুষ্ঠান ও পইল ইউনিয়নের এড়ালিয়া জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান।

    অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে জিয়া সাইবার ফোর্স হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে জিয়া সাইবার ফোর্স হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে জিয়া সাইবার ফোর্স হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    জিয়া সাইবার ফোর্স হবিগঞ্জ জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির সভাপতি শফিউল আলম রকি সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইকুল ইসলাম এর পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি সাইদুল হক, কাজী ফাহিম, সৈয়দ আশরাফ আহমেদ, মুনতাসির আহমেদ তানিম, আমিন শাহ্, কাজী মুক্তার, সাইফুর রহমান তালুকদার তানভীর, মাহফুজ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান গাজী, ফাইজুর ইসলাম ইব্রাহীম, আব্দুল্লাহ্ জুনায়েদ, দিগন্ত দাস, শাকিল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জুনায়েদ হোসেন রিয়াদ, দপ্তর সম্পাদক মোজাক্কির হোসেন ইমন।

    বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক চৌধুরী রকি, সহ সম্পাদক রায়হান আহমেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সোহাগ,তারেক রহমান জয়, তরিকুল ইসলাম জয়, হাবিবুর রহমান রায়হান, আবু নাছের মোঃ সামী, সহ দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম ফাহিম, শিফন খান মুমিন, মাহফুজুর রহমান সিহাব, ফাইজুর রহমান ফাহিম, এ, এস, অপু প্রমুখ।