Category: হবিগঞ্জ

  • বাহুবলে মোমবাতি হাতে নিয়ে নিরব প্রতিবাদ

    বাহুবলে মোমবাতি হাতে নিয়ে নিরব প্রতিবাদ

    দেশব্যাপী চলমান নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে নৃশংস যৌন বর্বরতা, এমসি কলেজ সহ সারা দেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে ও ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে “ধর্ষণ বিরোধী ছাত্র ঐক্য পরিষদ” ২য় দফায় আবারো মোমবাতি প্রজলন করে মিরপুর বাজারে গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ র‍্যালির মাধ্যমে নিরব প্রতিবাদ করে বিশ্বরোড পয়েন্টে এসে প্রতিবাদ সভায় রুপ নেয়।

    হাফিজুর রহমান শাওনের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ,আমির আলী,ফয়সল আহমেদ, খালিদ মোশাররফ,রেদোয়ান শাহরিয়া,রাজুআহমেদ,সোহান আহমেদ ,মোজাহিদুল ইসলাম ফাহিম,আফরোজ প্রমুখ।

    উক্ত সমাবেশে সমন্বয়ক ছিলো চিল্ড্রেন্স ভিশন, নবজাগরণ সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী যুবসংগঠন, মিরপুর এফএন স্বপ্নযাত্রা-১৭।

    “ধর্ষণ বিরোধী ছাত্র ঐক্য পরিষদ” সারাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধকরা সহ ধর্ষকদের সর্ব্বোচ শাস্তি অনতিবিলম্বে কার্যকর করার দাবিতে রাজপথে অবস্থান করবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারন করেন সংগঠনের নেতারা।

    তারা তাদের আন্দোলন আজকের সভায়ও চলমান রাখার নির্দেশ এবং সবাইকে আন্দোলনে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে উক্ত সংগঠনের ছাত্রনেতারা।

  • গুম, খুন, ধর্ষণের প্রতিবাদে বানিয়াচংয়ে মিছিল ও মানববন্ধন

    গুম, খুন, ধর্ষণের প্রতিবাদে বানিয়াচংয়ে মিছিল ও মানববন্ধন

    দেশের বিভিন্ন স্থানে গুম-খুন-ধর্ষণের প্রতিবাদে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মিছিল ও মানববন্ধন করেছে বানিয়াচং যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ মঞ্চ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে স্থানীয় বড়বাজারে মিছিল শেষে শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    সংগঠনের আহবায়ক সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তানভীর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন সিপিবি নেতা ইমদাদুল হোসেন খান, বাসদ নেতা তৌহিদুর রহমান পলাশ, হবিগঞ্জ সরকারী বৃন্দাবন কলেজের ছাত্র নুরুল হুদা আফজল, এনজিও কর্মী সৈয়দ সোহেল রানা, সিলেট এম. সি কলেজের ছাত্র সজিবুর রহমান সানি, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সজিব আহমেদ প্রমূখ।

    বক্তারা কর্মসূচীতে ক্ষোভ প্রকাশ করে ধর্ষণের সর্বনিম্ন সাজা মৃত্যদন্ডের আইন দ্রুত প্রনয়নসহ বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করে ধর্ষণের বিচার দ্রুত সম্পন্ন ও সাজা দ্রুত কার্যকরের ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।

  • শায়খুল হাদিস আল্লামা শায়খ খলিলুর রহমান বর্ণভীর ইন্তেকাল

    শায়খুল হাদিস আল্লামা শায়খ খলিলুর রহমান বর্ণভীর ইন্তেকাল

    সিলেটের বরেণ্য বুজুর্গ, আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও জামিয়া লুৎফিয়া আনোয়ারুল উলুম বরুণা মৌলভীবাজারের মুহতামিম, উপমহাদেশের প্রখ্যাত শায়খুল হাদিস আল্লামা শায়খ খলিলুর রহমান বর্ণভী ইন্তেকাল করেছেন।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত (৯ অক্টোবর) রাত ২ টার দিকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় বরুনা মাদরাসায় প্রাঙ্গণে শায়খ খলিলুর রহমান বর্ণভী জানাযার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিলো প্রায় ৮০ বছর। তিনি ৩ ছেলে ও ৫ মেয়েসহ অসংখ্য ছাত্র, আত্মীয়-স্বজন, ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।

    এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর আল্লামা শায়খ খলিলুর রহমানের শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত দুই দিন আগে শায়খ খলিলুর রহমান বলেন তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যেতে। ফলে বুহস্পতিবার সিলেট থেকে মৌলভীবাজার নিয়ে যাওয়া হয়।

    তিনি দীর্ঘদিন থেকে লান্সের সমস্যা, টানা জ্বর, ডায়াবেটিক ও হাই প্রেসারসহ নানা রোগে ভুগছেন। তাঁর মৃত্যুতে সিলেটসহ সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    উল্লেখ্য, সিলেট বিভাগের প্রখ্যাত বুযুর্গ শায়খুল ইসলাম সায়্যিদ হোসাইন আহমদ মাদানির খলিফা শায়খ লুৎফর রহমান বর্ণভী (রহ.)- এর সুযোগ্য বড় সন্তান আল্লামা খলিলুর রহমান হামিদি। তিনি ইসলামের একজন প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব এবং একজন দ্বাঈ ছিলেন।

  • দালালমুক্ত হবিগঞ্জ গড়তে জেলা প্রশাসনের অভিযান

    দালালমুক্ত হবিগঞ্জ গড়তে জেলা প্রশাসনের অভিযান

    মীর দুলালঃ অদ্য ৫ ই অক্টোবর রোজ সোমবার রাত ৮ ঘঠিকায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ডরুম শাখায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।

    সরকারি নির্দেশ অমান্য করে জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জের রেকর্ডরুম শাখায় অনুপ্রবেশ করার দায়ে মোঃ বাচ্চু (৪৮) কে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন!

    উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম।

    দালালমুক্ত হবিগঞ্জ গড়তে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসক জানান।

  • চুনারুঘাটে মা-মেয়ে ধর্ষনকারীর দায় স্বীকার

    চুনারুঘাটে মা-মেয়ে ধর্ষনকারীর দায় স্বীকার

    মীর দুলাল: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে মা ও মেয়েকে ধর্ষণের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন অভিযুক্ত দুই যুবক শাকিল ও হারুন।

    সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান উদ্দিন প্রধানের আদালতে তারা এ জবানবন্দি দেন।

    একইদিন নির্যাতনের শিকার মা ও মেয়ের জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন বিজ্ঞ বিচারক।

    চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক ধাম জানিয়েছেন, সোমবার বেলা ১২টা থেকে একটা পর্যন্ত ভিকটিম মা-মেয়ের জবানবন্দি গ্রহণ করেন বিচারক।

    এরপর দুপুর ১টা থেকে পৌনে ৩টা পর্যন্ত গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার শাকিল আহমেদ ও হারুন মিয়া তাদের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

    ওসি জানান, আদালতে মা এবং মেয়েকে গণধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন গ্রেফতারকৃত দুই আসামি।

    সোমবারই তাদের কারাগারে পাঠানো হবে। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    জানা গেছে, নির্যাতনের শিকার মা ও মেয়ে চুনারুঘাটের গরমছড়ি এলাকার বাসিন্দা।গত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে পূর্ব পরিচিত একজনসহ কয়েকজন যুবক তাদের বাড়িতে এসে ডাকাডাকি করে।

    একপর্যায়ে তারা ঘরে ঢুকে দুজন মেয়েকে এবং আরেক যুবক মাকে ধর্ষণ করে।পরদিন নির্যাতনের শিকার মেয়ে বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

    এরপর উপজেলার জিকধরছড়া এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে শাকিল আহমেদ (২২) ও একই এলাকার রেজাক মিয়ার ছেলে হারুন মিয়াকে (২৫) গ্রেফতার করে পুলিশ।

     

  • নাগুড়া ফার্ম এলাকার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন

    নাগুড়া ফার্ম এলাকার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার নাগুড়া কৃষি ফার্ম আঞ্চলিক ধান গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন আথুকুড়া শিক্ষা কল্যাণ সমিতি ও স্থানীয় আথুকুড়া সহ আশপাশের এলাকার মানুষজন।
    সোমবার বেলা ১০টায় আথুকুড়া সুবিদপুর বাজারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিকদের দলের নেতৃবৃন্দ, এলাকার বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, আইনজীবি, সাংবাদিক, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষকগন সহ স্থানীয় হাজারো মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
    কর্মসূচিতে এলাকাবাসী জানান, নাগুড়া কৃষি ফার্মকে কেন্দ্র করেই হবিগঞ্জে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চিন্তাভাবনা করেছিলেন স্থানীয় সাংসদ সদস্য এডঃ আবদুল মজিদ খান। ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর হবিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে আয়োজিত এক জনসভায় সে দাবি উত্থাপনও করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে জাতীয় সংসদে সম্প্রতি হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়েছে।
    স্থানীয় ব্যক্তিরা আরও জানান, নাগুড়া কৃষি ফার্ম এলাকায় ১০০ একরের বেশি খাসজমি ও হাজার হাজার একর কৃষি-অকৃষি জমি ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা রয়েছে। ইচ্ছে করলে এখনই শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব। এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে সরকারের হাজার কোটি সাশ্রয় হবে। এখানে একটি তৈরি জায়গা থাকতে নতুন করে আরেকটি জায়গা তৈরি করে সরকারের হাজার কোটি টাকা অপচয় করার কোন যুক্তিকতা নেই। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য এর চেয়ে উপযুক্ত স্থান হবিগঞ্জ জেলায় আর কোথাও নেই এবং স্থানটি জেলা শহরের সন্নিকটে, যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত ভাল, মনোরম পরিবেশ বিরাজমান ও হবিগঞ্জ জেলার নয়টি উপজেলার প্রাণকেন্দ্র। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় আইনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের স্থান হিসেবে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নাম লেখা রয়েছে। সদর উপজেলা উল্লেখ করে আইন পাস হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টি নাগুরা কৃষি ফার্ম এলাকায় স্থাপন নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে যাবতীয় জটিলতা নিরসনের জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি এডভোকেট মোঃ আবদুল হামিদ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় এবং কমিটি গঠন করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের স্থান নির্ধারণ করার জন্য জোড়ালো দাবি জানান তারা।
    মানববন্ধনে আতুকুড়া-সুবিদপুর শিক্ষা কল্যান সমিতির সভাপতি নিতেন্দ্র চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হোসেন উজ্জলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ আলী আকবর খান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল-ইসলাম, প্রধান শিক্ষক আবু তাহের, বিশিষ্ট মুরুব্বি ও সমাজ সেবক আলী আক্তার চৌধুরী, ইউপি সদস্য জালাল মিয়া আখনজী, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি শামছুল হক আখনজী, বিধান দাশ, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, অলিউর রহমান, সুমন আখনজী, আতুকুড়া-সুবিদপুর শিক্ষা কল্যাণ সমিতির প্রচার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, আশাদুর রহমান, সুধাংশু দাশ, রহিম খান, শেখ সাইফুল ইসলাম, গোপাল সরকার, ইউপি সদস্য প্রদীপ দাশ, সুবিদপুর প্রাইমারি স্কুলের সভাপতি হরে কৃষ্ণ সরকার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান চৌধুরী, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ তানভীর প্রমূখ।

     

  • বানিয়াচংয়ে সৎ ভাইয়ের নির্দেশে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

    বানিয়াচংয়ে সৎ ভাইয়ের নির্দেশে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

    বানিয়াচংয়ে সৎ ভাইয়ের নির্দেশে স্বামী-স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এক নিরীহ পরিবারের উপর হামলা ও বাড়ি-ঘরে ভাংচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে । আহত স্বামী-স্ত্রী অভিযোগ করেন অপরাধীরা তার সৎ ভাই ও তার লোকজন।

    এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সিতু মিয়া বাদি হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনের বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ওই গ্রামের জহুর আলীর ছেলে সিতু মিয়ার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে তার সৎ ভাই কিম্মত আলীর। প্রায়ই কিম্মত আলী ও তার লোকজন সিতু মিয়াকে টাকা-পয়সা ও জায়গা জমির জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছে। এমনকি তাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকিও দিয়ে আসছে কিম্মত আলী ও তার লোকজন।

    কিম্মত আলী ও তার লোকজন জহুর আলীকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ শুরু করে। এ সময় তারা এর প্রতিবাদ করলে কিম্মত আলীর পক্ষের লোকজন জহুর আলী ও তার স্ত্রী কুলসুমা বেগমের উপর হামলা চালান। তারা তাদের মারপিট করে জখম করে এবং বাড়ি-ঘরে ভাংচুর করে।

    এমনকি ঘরে থাকা নগদ ৯০ হাজার টাকা ও ৯৫ হাজার টাকার টাকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তির জন্য প্রেরণ করেন।