জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভেজাল বিরোধী অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে হবিগঞ্জ শহরের দুই প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২ টার সময় শহরের কালিবাড়ীতে অবস্থিত ফুড ভিলেজ ও বদিউজ্জামান খান সড়ক এলাকায় স্কাই কুইন রেস্টুরেন্ট কে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এ জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা।
এসময় ফ্রিজের মধ্যে কাঁচা, বাসি খাবার সংরক্ষণ, অনুমোদন বিহীন ফ্লেভার ব্যবহারের দায়ে ফুড ভিলেজ রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা ও কাঁচা, রান্না করা খাবার একসাথে সংরক্ষণ করার অপরাধে চাইনিজ রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকাসহ মোট দুই প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার
টাকা জরিনামা করা হয়।
অভিযান পরিচালনায় সহযোগীতা করেন হবিগঞ্জ পৌরসভার স্যানীটারি ইন্সপেক্টর অবনী কুমার রায় এবং হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সেও পরিচালক দেওয়ান মিয়াসহ হবিগঞ্জ সদও থানা পুলিশের একটি টিম।
সহকারী পরিচালক দেবানন্দ সিনহা বলেন গত ১ মাস আগে রেস্টুরেন্ট মালিকদের নিয়ে তার কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা করে সচেতনত করার পরেও আজকে অভিযানে এ ধরনের চিত্র ধরা পরা যা খুবই দুঃখজনক ।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে ইউএনও মাসুদ রানা বলেন, “ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণ সহ যে কোন অপরাধ সংঘটিত হলে বা যে কোন নাগরিক সমস্যায় পড়লে ৩৩৩ এবং ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিয়ে প্রশাসন করতে অবগত করলে প্রশাসন অপরাধের বিরুদ্ধে বা সমস্যা গ্রস্থ ব্যক্তিকে সমস্যা থেকে উত্তরণে এগিয়ে আসবে।”
এসময় ইউপির সদস্যগণ সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার জনসাধারন উপস্থিত ছিলেন।
সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ আগামী ২৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপেই অনুষ্ঠিত হবে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন।
৬ষ্ঠ নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌরশহরে পাড়া-মহল্লায় ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সাথে কৌশল বিনিময় ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন মেয়র প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক দানবীর মোঃ সারোয়ার আলম শাকিল।
আজ সোমবার (২৩ নভেম্বর) শহরের পশ্চিম রেল কলোনী, নিজগাঁও, রেলওয়ে দিঘির পাড়, রেলওয়ে হরিজন কলোনী এলাকায় মুরুব্বী ও যুবকরা নিয়ে প্রত্যেক ঘরে ঘরে গিয়ে নারী-পুরুষ, যুবক-যুবতী ভোটারদের সমর্থন আদায়ে সারাদিন ব্যাপি পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এবং পৌরবাসীর বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে আন্তরিক আগ্রহ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, যুব সমাজ কে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলাসহ যুগোপযোগী সকল পরিকল্পনার ফলে পৌরসভায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে মেয়র প্রার্থী মো: সারোয়ার আলম শাকিল।
তিনি ভোটারদের কথা গুরুত্বসহকারে অভিযোগ এবং পরামর্শ শোনেন। পরে তিনি মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে তার একষ্টি স্বপ্নের পৌরসভা বিনির্মাণে প্রত্যয়ী, সুন্দর, সচেতন ও জবাব দিহিতা মূলক আধুনিক সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে সকল সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি এসব এলাকায় ভোটারদের কাছে গিয়ে মূল্যবান ভোট, দোয়া ও আর্শীবাদসহ সহযোগিতা চেয়েছেন।
এক বৃদ্ধা মেয়র প্রার্থী শাকিলকে দোয়া করার সময়।
ভোটারদের অভিমত জানতে চাইলে তারা বলেন, শাকিল দুর্নীতিমুক্ত একজন মানুষ। তাই আমরা মনে করি তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভার প্রকৃত উন্নয়নের জোয়ার হবে, আর জনসেবা পাবে।
এক সমর্থক নিজগাঁও গ্রামের মুরুব্বী শফিকুর রহমান বলেন, স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক দানবীর মোঃ সারোয়ার আলম শাকিল জনগণের ভাল বাসায় সিক্ত হয়ে পৌরসভাকে চমক দেখাতে চান এবং ভোটার দের মুখে হাঁসি ফুটাবে। তিনি জনগনের আগ্রহে স্বতন্ত্র হিসেবে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন।
পৌর শহরে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে রয়েছেন এবং মানুষকে বট বৃক্ষের মত ছায়া দিয়ে যাচ্ছেন। তার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা নিরবে চালিয়ে গেলে ও পৌর শহরে প্রত্যেক ওয়ার্ডে পাড়া-মহল্লা ও হাট বাজারে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ভোটারদের মুখে মুখে মেয়র প্রার্থী শাকিলের আলোচনা।
আগামী ১ডিসেম্বর স্বতন্ত্র থেকে মনোনয়ন পত্র দাখিল করে এবং ৩ ডিসেম্বর বাছাই শেষে দলমত নির্বিশেষে অগ্রযাত্রার সুফল কাজে লাগিয়ে ২৮ ডিসেম্বর বিজয় দেখতে চায় এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। তিনি একজন পৌর শহরে মেয়র প্রার্থী হিসেবে গ্রহণ যোগ্য প্রার্থী।
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে কৃষি প্রনোদনার সার,বীজ ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
বানিয়াচং উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ১হাজার ৮শত ৭০জন কৃষকের মাঝে কৃষি প্রনোদনার সার ও বিভিন্ন রকম ফসলের বীজ ও ভাসমান বীজতলা তৈরি করার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
আজ শনিবার ২১ নভেম্বর সকাল সাড়ে দশটায় বানিয়াচং উপজেলা চত্বরে সার বীজ ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এডঃ আব্দুল মজিদ খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফফাত আরা জামান ঊর্মির সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ এনমূল হকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন,হাসিনা আক্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান রেখাছ মিয়া, মৌঃ হাবিবুর রহমান প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া, উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুহিবুর রহমান, সঞ্জয় বাবু, আবু হাসেম উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এ জেড এম উজ্জ্বল, সাবেক সাধারন সম্পাদক রফিকুল আলম চৌধুরী রিপন প্রমূখ।
ইয়াং বাংলা আয়োজিত ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ মনোনীত হয়েছেন হবিগঞ্জ এ্যাসোসিয়েশন ফর অটিজম এন্ড সোস্যাল ইমপ্রোভমেন্ট “হাসি” এর প্রতিষ্টাতা ও সভাপতি কামরুজ্জামান রুবেল।
আজ মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ‘ইয়াং বাংলা’এর মুখপাত্র সজীব ওয়াজেদ জয় চতুর্থ জয় বাংলা অ্যাওয়ার্ডে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।
এবছর ৩০টি সংগঠনের ৩০জনকে দেয়া হয়েছে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। ২টি ক্যাটাগরিতে ও১৩টি সাব ক্যাটাগরিতে দেয়া হয়েছে। প্রায় ৭০০র অধিক সংগঠন আবেদন করে যাদের মধ্যে থেকে প্রাথমিক ১০৩টি ও পরবর্তীতে কাজের উপর ভিত্তি করে ৫০টি চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হয়।
অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি প্রসঙ্গে কামরুজ্জামান রুবেল বলেন, নির্স্বাথ কাজের স্বীকৃতি সরূপ “‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ আমাদের প্রিয় সংগঠন হাসি নির্বাচিত হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত ও প্রফুল্লিত। সমাজের অসহায়, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক শিশুসহ সকল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে আরো বেশি কাজ করতে এই স্বীকৃতি আমাদের উদ্বুদ্ধ করবে।
তরুণদের উদ্দেশ্য কামরুজ্জামান বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরা আমাদের সমাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। অথচ তারা সমাজে অনেক পিছিয়ে আছে। তরুণ হিসাবে আমাদের উচিৎ ধাপে ধাপে তাদের অধিকার সুনিশ্চিত করা। কারণ তারা আমাদের কাছে তাদের অধিকার কাছ, করুণা বা সহানুভূতি নয়। আর নির্স্বাথ ভাবে সমাজের জন্য কিছু করলে সমাজ অবশ্যই এর সঠিক মূল্যায়ন দিবে।
উল্লেখ্য, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) তত্ত্বাবধানে ২০১৪ সালের নভেম্বরে যাত্রা শুরু করে ‘ইয়াং বাংলা’। সেই থেকে প্রতি বছর সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া যুব উদ্যোক্তা ও সংগঠনকে অনুপ্রাণিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হচ্ছে।
২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশ ও সমাজে অনবদ্য ভূমিকা রাখা ১৩০টি যুব সংগঠনকে সম্মাননা দিয়েছে ‘ইয়াং বাংলা’।
হবিগঞ্জে দুইটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইসেন্স না থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেবা প্রদান করাসহ নানা অভিযোগে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শহরে অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা আদায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামসুদ্দিন মোঃ রেজা।
সূত্রে জানা যায়, জেলা শহরের সবুজবাগ এলাকায় খোয়াই হাসপাতালে লাইসেন্স না থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেবা প্রদান, অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ ব্যবহার, ব্যবহৃত পুরাতন সুতা সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল রেজিস্ট্রাড মেডিক্যাল প্র্যাক্টিশনার ও নার্সের অনুপস্থিতি ইত্যাদির অভিযোগে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপককে তিন মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
এছাড়াও, শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার জাপান বাংলাদেশ হসপিটালে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে।
এসময় ভ্রাম্যমান আদালতকে সার্বিক সহায়তা করেন হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওমর ফারুক।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামসুদ্দিন মোঃ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “লাইসেন্সবিহীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী খোয়াই হাসপাতালকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।”
হবিগঞ্জের বাহুবলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ। গত ১৩ ও ১৪ নভেম্বর মধ্যরাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হল, পুটিজুরি ইউনিয়নের হাসনাবাদ গ্রামের মোঃ কদর মিয়ার পুত্র মোঃ নূরুল ইসলাম (২৬), শেওড়াতলী গ্রামের মোঃ জিতু মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান সোহাগ (২৫) ও হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার গানপুর গ্রামের মোজাম্মেল হকের পুত্র মোঃ রাকিব চৌধুরী (২৫)।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়, ১৩ নভেম্বর মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাহুবল মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার চলিতাতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নূরুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমান সোহাগ কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। এছাড়াও পরদিন ১৪ নভেম্বর মধ্যরাতে রাকিব চৌধুরীকে বাহুবল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত নূরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাহুবল মডেল থানায় মামলা- ১২, তারিখ- ১৮/০২/২০১৫ইং, ধারা- ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড, মামলা নং- ০৮, তারিখ- ১২/০১/২০১৩ইং, ধারা- ৪৫৮/৩৮২ পেনাল কোড, মামলা নং- ১৬, তারিখ- ২৭/০৯/২০১৪ইং, ধারা- ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোডে এবং রাকিব চৌধুরীর বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ সদর থানার মামলা নং- ১৩, তাং- ১২/১১/২০১৩ইং, ধারা- ৩৯৯/৪০২ মামলা রয়েছে।
বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আটক নূরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান সোহাগ ও রাকিব চৌধুরী গত ২৫ সেপ্টেম্বর জাঙ্গালিয়া-বড়ইউড়ি রোডের কলেজ সংলগ্ন স্থানে ঘটে যাওয়া ডাকাতির ঘটনায় জড়িত রয়েছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তাদেরকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।”