Category: হবিগঞ্জ

  • শায়েস্তাগঞ্জ পৌর নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

    শায়েস্তাগঞ্জ পৌর নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ৫৮জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় একজন মেয়র ও একজন কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে এতথ্য নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও পৌরসভা নির্বাচনে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

    তিনি জানান- স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান মাসুক তার মনোনয়নপত্রে ১০০ ভোটার সমর্থকদের মধ্যে ১ জন ভোটার শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার না হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তদন্ত করে দেখা যায় ওই ভোটার গাজিপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী এলাকার ভোটার।

    এছাড়াও ৪নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র দাখিলকৃতদের মধ্যে মোঃ মুখলিছ মিয়া ঋণখেলাপী থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

    জেলা নির্বাচন অফিসার ও পৌরসভা নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, বাতিল হওয়া দুই প্রার্থী আগামী ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা প্রশাসক বরাবরে আপিল করতে পারবেন।

    তফসীল ঘোষণা অনুযায়ী ১০ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহার, ১১ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ ও ২৮ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • নবীগঞ্জ ও মাধবপুর পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

    নবীগঞ্জ ও মাধবপুর পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

    দ্বিতীয় ধাপের ৬১টি পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৬ জানুয়ারি সারাদেশের ৬১টি পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ২৯টি পৌরসভায় ইভিএমে এবং ৩২টি পৌরসভায় ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।

    এর মধ্যে হবিগঞ্জেরর নবীগঞ্জ ও মাধবপুর পৌরসভায় ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হবে।বুধবার (২ ডিসেম্ভর) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চত করেন।

    ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৬১টি পৌরসভার নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ২০ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই ২২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর। আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি ২০২১।

    ইসি সূত্র জানিয়েছে, বতর্মানে দেশে পৌরসভার সংখ্যা ৩২৯টি। নির্বাচন উপযোগী পৌরসভার সংখ্যা ২৫৯টি। আগামী বছরের জানুয়ারিতে মেয়াদ শেষ হবে ১১টি পৌরসভার। ফেব্রুয়ারির মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে ১৮৫ পৌরসভার। এরমধ্যে ১ ও ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে চারটি, ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে ৪৬টি এবং ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে ১৩৩ পৌরসভার। মার্চে শেষ হবে ২৮ পৌরসভার মেয়াদ। এপ্রিল থেকে নভেম্বরে শেষ হবে ৩০টির মেয়াদ।

     

  • বানিয়াচংয়ে জনতার হাতে মদের পাট্টা ধ্বংস

    বানিয়াচংয়ে জনতার হাতে মদের পাট্টা ধ্বংস

    এম সিজিলঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ১৫ নং পৈলারকান্দি ইউনিয়নের পৈলারকান্দি গ্রামে বেশ কিছু দিন ধরে গড়ে উঠেছে অবৈধ রমরমা মদের ব্যবসা।

    প্রতিদিন তৈরী হচ্ছে শত শত লিটার মদ এবং পাঁচার হচ্ছে সেখান থেকে বিভিন্ন এলাকায়।  মদ পাট্টা গড়ে উঠায় নেশায় আসক্ত হচ্ছে এই এলাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যুবক এবং কিশোরেরা।

    বানিয়াচংয়ে যেভাবে উদ্দ্বার করা হয় মদ
    যেভাবে উদ্দ্বার করা হয় মদ।

    স্থানীয়রা হবিগঞ্জ নিউজ কে জানান, তাদের গ্রামে মদ পাট্টা গড়ে উঠায় মাদকাসক্ত হয়ে মারামারিসহ অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িয়েছে ঐ এলাকার মাদকাসক্তরা, এতে করে ঐ এলাকায় দিন দিন অশান্তি বেড়েই চলছে।

    মাটির নিচ থেকে উদ্ধারকৃত মদ
    মাটির নিচ থেকে উদ্ধারকৃত মদ।

    স্থানীয়রা এই কর্মকাণ্ড ১৫ নং পৈলারকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যন ফজলুর রহমান খান ও ৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার ছানাওয়ার রহমান হারিছ সহ পার্শ্ববর্তী গ্রাম বিথঙ্গলে অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়ি কে অবগত করেন।

    বানিয়াচংয়ে ধ্বংসকৃত মদ
    বানিয়াচংয়ে ধ্বংসকৃত মদ।

    এতে কয়েকদিন ব্যবসা বন্ধ থাকলে ও কিছু দিন পর আবার দিবালোকে প্রকাশ্যে মদের ব্যাবসা শুরু করে কুচক্রী মহল।

    এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে  গত সোমবার সন্ধ্যায় নিজ উদ্যোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই হাজার লিটার মদ মাটির নিচ থেকে উদ্বার করে এবং তা সেখানেই ধ্বংস করা  হয়। তখন উপস্থিত ছিলেন পৈলারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা শাহাবুদ্দিন মিয়া, মুবাশ্বির মিয়া, মোফাজ্জল মিয়া, ফরজুর রহমান, রিতু মিয়া, মিছবাহ উদ্দীন, স্থানীয় মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন সহ গ্রামবাসী।

    এ সময় গ্রামবাসী হবিগঞ্জ নিউজ কে জানান, তারা আরো কয়েক বার মাদক ধ্বংস করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু শুধু স্থানীয় ভাবে মাদক কে ধ্বংস করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন। তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন আর প্রশাসন যেন তা আমলে নিয়ে মাদকের ব্যপারে শক্ত পদক্ষেপ নেন।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা হবিগঞ্জ নিউজ কে জানান, “এই বিষয়ে আমরা জানতাম না; আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম আর অতিশয় এখানে অভিযান চালানো হবে।”

  • শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মোঃ সারোয়ার আলম শাকিলের মনোনয়নপত্র  জমা

    শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মোঃ সারোয়ার আলম শাকিলের মনোনয়নপত্র জমা

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক দানবীর মোঃ সারোয়ার আলম শাকিল মনোনয়নপত্র জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম এর হাতে তুলে জমা দেন।

    আজ মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ১১ টায় মোঃ সারোয়ার আলম শাকিলের সমর্থককারীদের সাথে নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে যায় এবং তাদের মধ্যে দেখা দেয় আনন্দের বন্যা।

    এই সময় শাকিল সমর্থক কারীদের উদ্যেশ্যে বলেন, তিনি কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী নন। নেই কোন পদ পদবী কিন্তু তিনি বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ সমর্থন করেন। তার ভাল লাগে বঙ্গবন্ধুর নীতি আদর্শ। তাই তিনি দূর্নীতি, মাদক, টেন্ডারবাজিমুক্ত, পৌরসভা বিনির্মাণে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

    এ পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন ২৮ ডিসেম্বর ইভিএম মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। তাঁর পিতা ছিলেন এম এ মোক্তাদির মুকুল প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং শায়েস্তাগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে অত্যন্ত সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে গেছেন।

    ১৯৭৯ সালে শায়েস্তাগঞ্জ প্রেসক্লাব স্থাপনে তার পিতা প্রথম অনুদান হিসেবে প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন মামুন ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোঃ হুমায়ুন কবীর এর সময় টিন প্রদান করেন। সে হিসেবে তাকে একজন সাংবাদিক বান্ধব ব্যক্তি ও বলা যায়।

    জীবদ্দশায় তিনি বিভিন্ন সমাজিক কর্মকান্ডে বিশেষ অবদান রাখেন। ২০০৮ সালে ২৩ ডিসেম্বর শাকিলের পিতা মৃত্যু বরণ করেন। পিতার পথ অনুসরণ করে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ সারোয়ার আলম শাকিল হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল এলাকার একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক দানবীর হিসেবে সুনামের সাথে পরিচালনা করেন।

    শাকিল এই প্রথমবারের মতো পৌরসভা মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নেন। তিনি চান পৌরসভার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার যে এলাকায় ভোটার কম সে এলাকায় উন্নয়ন হয়েছে কম। এটি তিনির অত্যন্ত বেদনাদায়ক। পৌরবাসীর সমর্থনে তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে পৌর এলাকার অন্ত্যত ১ হাজার ৫শ পরিবারকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করবেন। যাতে ওই পরিবার গুলোকে পেছনে ফিরে তাকাতে না হয় এবং কাহারো কাছে হাত পাততে না হয়। ‘‘জয় পরাজয় বড় কথানয়, পৌরবাসীর সেবা করা বড় কথা’’।

    ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যার সন্তানের জনক। তার মাতা রওশন আরা ছিলেন একজন ধার্মিক ও সহজ সরল সাদা মনের নারী। তার স্ত্রী শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ইংরেজী প্রভাষক। তিনি পিতার আদর্শে যার পথ চলা শুরু মানুষের দুর্দিনে বসে থাকতে পারেন না। এদিকে কোভিড-১৯ মহামারির সময় অসহায়দেয় সহযোগীতায় তিনি সাহায্যের হাত প্রসারিত করেছেন।

    তিনি আরো বলেন, ন্যায্য মূল্য নিত্য প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ, লবণ বিক্রি করেছেন অসহায়দের মাঝে। করোনাকালীন সময়ে অন্তত ১৫ দিন পৌরসভায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে অসহায়দের ঘরে ঘরে উপহার সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন।

    ঈদের সময় ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রত্যেক পূজা মন্ডপে অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেন। পৌর এলাকায় সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেন সহযোগীতা করার। তিনি একটি আধুনিক পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে তুলতে ঘোষণা করেছেন নির্বাচনী ইশতেহার।

    ১) শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মধ্যে আধুনিক সুবিধা সম্প্রসারণ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হবে।

    ২) তরুণ যুব সমাজের পাশে দাঁড়ানো ও দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

    ৩) দূর্নীতির ব্যাপারে কঠোর নীতি প্রণয়ন করা হবে এবং তিনি কখনোই দূর্নীতি প্রশ্রয় দিবে না।

    ৪) বাজারের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।

    ৫) বাজারের ব্যবসায়ীদের ও ক্রেতাদের সুবিধার্থে টয়লেটসহ গোসলখানার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

    ৬) সব ধরনের উন্নয়ন প্রজেক্ট মান সম্মদ বাস্তবায়ন ও পৌরসভার প্রত্যের ওয়ার্ডের পাড়া মহল্লায় জনগণের চলাচলের সুবিধার জন্য অলিগলির পাকা রাস্তা ও পানি নিষ্কাশানের জন্য পাকা ড্রেন ও কালবার্ট এর ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

    ৭) পৌরসভার সর্বস্তরের শিক্ষার মান বৃদ্ধিকল্পে পৌরসভার সকল শিক্ষাঙ্গনের মান উন্নয়ন করা হবে।

    ৮। পৌরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক ওয়ার্ডের পয়েন্টে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপন এবং গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করা হবে। যাহা কোন চুরি ডাকাতি থেকে বিরত থাকবে।

    ৯) আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা ও কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে।

    ১০) সরকারি ভাতা যোগ্য সকলের ভাতা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে।

    ১১) পৌরসভা মেয়রের ভাতা ও গাড়ির তেল খরচের বরাদ্দের টাকা পৌরসভার দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

    ১২) পৌরকর সকারী বিধি মোতাবেক সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। কারও উপর ভৌতিক কর প্রয়োগ করা হবে না। যেহেতু কর আদায়ের সাথে নগরের উন্নয়ন জড়িত। তাই ব্যবসায়ী ও প্রত্যেক ওয়ার্ডের মুরুব্বীয়ানদের সাথে আলোচনা করে কর ধার্য্য করা হবে।

    ১৩) পৌরসভার প্রত্যেক রাস্তায় স্টিক লাইটের ব্যবস্থা এবং জনগনের বাসা বাড়ির সাথে ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করা হবে।

    ১৪) অনেক স্থানে বাড়ি থেকে রাস্তায় বের হওয়ার পথ না থাকায় খালের উপর দিয়ে বাশে সাকু দিয়ে পার হচ্ছে, সেই রাস্তা গুলোর উপর কালবার্ট দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

    ১৫) পৌরসভা ১৯৯৮ সালে গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোন নিজস্ব ভবন নেই, একটি নিজস্ব ভবনের ব্যবস্থা করা হবে।

    ১৬) পৌরসভায় শিশু কিশোরদের জন্য একটি আধুনিক পরিবেশ পার্ক করা হবে।

    ১৭) একটি পৌর ঈদগাহ ও একটি শ্বশানঘাট প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    ১৮) যে ওয়ার্ডের মহল্লায় শিশুদের শিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রাইমারী স্কুল নেই, সেখানে প্রাইমারী স্কুল করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ১৯) একটি পৌর অডিটোরিয়াম নির্মাণ করা হবে।

    ২০) গাড়ির যানজট নিরসন সহ গাড়ির নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড করা হবে। উপজেলায় সরকারি হাসপাতাল নির্মাণ না করা হলে তিনি নিজে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি হাসপাতাল নির্মাণ করবেন এবং সকল রোগের জন্য ডাক্তার এর ব্যবস্থা করবেন। তিনি একটি স্বপ্নের পৌরসভা বিনির্মানে প্রত্যয়ী, সুন্দর, সচেতন জবাবদিহিতা মূলক আধুনিক সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনের পৌরবাসীর মূল্যবান ভোট, দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন।

    তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময়  উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ সদর ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, মোঃ সাদাত চকদার মোঃ কিতাব আলী, বাহাদুর আলম, হাবিবুর রহমান হারুন, প্রমুখ।

  • পূর্ব বিরোধের জেরে নবীগঞ্জে ৫ জনকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত

    পূর্ব বিরোধের জেরে নবীগঞ্জে ৫ জনকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত

    পূর্ব বিরোধের জের ধরে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিন্দ্র কুমার পাল রবিসহ ৫ জন কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।

    এঘটনায় আহতদের মধ্যে ৩ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    রবিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের নলসুজা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতরা হলেন, রবিন্দ্র কুমার পাল রবি (৫০) সুজুগ পাল (৬০),শ্রীভাষ পাল (৩৩), সুশান্ত পাল (৬৫),অঞ্জনা পাল (৪০)।

    জানা যায়, উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের নলসুজা গ্রামের মৃত সুশীল পালের পুত্র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিন্দ্র কুমার পাল রবির সাথে প্রতিবেশী হরিশ চন্দ্র পালের পুত্র নিরব পাল সঞ্জয়ের রাস্তা নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলে আসছে। রবিবার সকালে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে রবি ও নিরবের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়।

    এরই জের ধরে নিরব পালের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ রবিন্দ্র কুমার পাল এর উপর হামলা চালায়। এসময় রবিকে বাচাতে সুজুগ পাল,শ্রীভাষ পাল,সুশান্ত পাল ও অঞ্জনা পাল এগিয়ে আসলে তাদের উপরও এলোপাতাড়ি হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। রবিন্দ্র কুমার পালসহ ৫ জনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন।

    পরে আহতদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকাজনক অবস্থায় আহতদের মধ্যে ৩জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় ও অপর দুজনকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

    এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • হবিগঞ্জে সম্মিলিত নাগরিক আন্দোলনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জে সম্মিলিত নাগরিক আন্দোলনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের যন্ত্রপাতি কেনা বাবদ কোটি কোটি টাকা লুটপাটকারীদের গ্রেফতার করে বিচার করা, শিল্পবর্জ্যে দুষিত সুতাং নদী রক্ষা, দখলদারিত্ব ও যানজটসহ নাগরিক জীবনের দুর্ভোগ দুর করাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সম্মিলিত নাগরিক আন্দোলনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টায় খোয়াই থিয়েটার হলরুমে সম্মিলিত নাগরিক আন্দোলন, হবিগঞ্জ জেলার আয়োজনে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

    সম্মিলিত নাগরিক আন্দোলনের সমন্বয়কারী পীযুষ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এবং আন্দোলনের সংগঠক আবু হেনা মোস্তফা কামালের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- সাবেক কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান, সিনিয়র আইনজীবী এড. মুখলেছুর রহমান, এড, জুনায়েদ আহমেদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শোয়েব চৌধুরী, মহিবুন্নুর ইমরান, মোশারফ হোসেন খান শান্ত, একে নাছিম, সাংবাদিক হাফিজুর রহমান নিয়ন।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত নাগরিক আন্দোলনের সংগঠক হুমায়ুন খান, ইয়াছিন খান, শফিকুল ইসলাম, বাপার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল, উদীচী সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান কাউছার, আশিকুর রহমান, শোহরাব খান, গোলাম সারোয়ার জাহান লিটন, আব্দুল হামিদ, সৈয়দ আজহারুল হক, শেখ আব্দুল মোতালিব, স্বপন দেব উজ্জল, কামরুজ্জামান খান, রনি চৌধুরী, কায়সার আহমেদ জনি, ফোরকান মজুমদার, সৈয়দ রুজেন প্রমুখ।

    মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- উল্লেখিত সমস্যা সংকটগুলোর ব্যাপারে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে হবিগঞ্জের ২৪ লক্ষ মানুষের আকাঙ্খার পরিপূরক বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

  • হবিগঞ্জে “ইয়ুথ ওয়েব পাঠক ফোরাম” এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীন বরণ সম্পন্ন

    হবিগঞ্জে “ইয়ুথ ওয়েব পাঠক ফোরাম” এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও নবীন বরণ সম্পন্ন

    মোহাম্মাদ আফজালঃ বাংলাদেশের পাঠকপ্রিয় ম্যাগাজিন “ইয়ুথ ওয়েব পাঠক ফোরাম” হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ শাখার উদ্যোগে একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীন বরণ অনুষ্ঠান এবং এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন কারী কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

    আজ (২৯ নভেম্বর) সকাল এগারো ঘটিকার সময় সংগঠন এর বৃন্দাবন সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি হুসাইন আহমদের সভাপতিত্বে এবং জেলা শাখার উপদেষ্টা নুরুল হুদা আফজাল এর সঞ্চালনায়,  হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন “ইয়ুথ ওয়েব পাঠক ফোরাম” এর কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মোঃ আমিন উদ্দিন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির শাবিপ্রবির প্রধান উপদেষ্টা মোঃ নজরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা তারেকুল ইসলাম, শাবিপ্রবির মেধাবী শিক্ষার্থী আবুল হুসাইন, বৃন্দাবন কলেজের শিক্ষার্থী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আশরাফুল ইসলাম সুজন।

    অনুষ্ঠানে বৃন্দাবন সরকারি কলেজ এর একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অন্তত দেড় শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠন এর হবিগঞ্জ জেলা শাখার উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুল হাফিজ ভূঁইয়া, সাদ্দাম হোসেন শুভ, আবুল হাসান প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ এর সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজে এ বছরে ভর্তি হওয়া ছাত্র-ছাত্রীদের নবীন হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে বরণ করার পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

    ইয়ুথ ওয়েব পাঠক ফোরাম

    অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সফলতা অর্জনের লক্ষে দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

    প্রধান অতিথি মোঃ আমিন উদ্দিন বলেন, “নিজেদেরকে সমাজে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, পরিবারে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে নিজেদেরকে সার্বিকভাবে মেধাবী হিসেবে গড়ে উঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।”