Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জ নিউজ এজেন্সির ২০২১ সালের কমিটি গঠন

    হবিগঞ্জ নিউজ এজেন্সির ২০২১ সালের কমিটি গঠন

    হবিগঞ্জ নিউজ এজেন্সির ২০২১ সালের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    আজ ২৬ই ডিসেম্বর শনিবার হবিগঞ্জ নিউজের অফিস (শায়েস্তানগর ছুগেরা ম্যানশনে)  সকাল ১১ ঘটিকায় এক আলোচনা সভায় কমিটি গঠন করা হয়।

    কমিটিতে সকলের পরোক্ষ ভোটে হবিগঞ্জ নিউজ এজেন্সির চেয়ারম্যান মনোনীত হয়েছেন জনাব শামসুর রহমান এবং সেক্রেটারি মনোনীত হয়েছেন আব্দুল হাফিজ ভূঁইয়া।

    অন্যরা হলেন, অফিস সম্পাদক এম সিজিল, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক কে এম আবু বকর এবং জনশক্তি সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।

    এই সময় হবিগঞ্জ নিউজ এজেন্সির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব শামসুর রহমান বলেন, নিরপেক্ষ সত্য সংবাদ প্রকাশ করা এবং সকলকে দায়িত্বশীল হয়ে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

     

  • হবিগঞ্জে শীত বাড়ার সাথে শীতবস্ত্রের বিক্রি বেড়েছে

    হবিগঞ্জে শীত বাড়ার সাথে শীতবস্ত্রের বিক্রি বেড়েছে

    প্রকৃতিতে শীত বাড়ার সাথে সাথে হবিগঞ্জের সর্বত্র জেঁকে বসতে শুরু করেছে প্রচন্ড শীত। ঘণ হীমেল কুয়াশার আড়ালে ঢাকা পড়েছে জনজীবন।

    গত কয়দিন থেকে সকাল এগারোটার আগে সূর্যের দেখা মেলেনা। ভোরবেলা হীমেল প্রকৃতির মাঝে ছন্দায়িত মৃদু বাতাসের অনুরণনে বহুগুণে বৃদ্ধি পায় শীতের তীব্রতা। পৌষ মাসের শুরুতেই শীত জেঁকে বসতে শুরু হয়েছে।

    অগ্রহায়ন মাসের শেষের দিকে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে শুরু করলেও এখন তা তীব্র রূপ ধারণ করছে। পৌষের প্রারম্ভেই ভোরে ঘণ কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পরিবেশ।

    গাছের ডালে মাকড়সার বোনা জালে জমে থাকা শিশির বিন্দু এক অপরূপ সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটায়। সীম গাছের লতায় আর দুর্বাঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বিন্দু কবি মনে কাব্যিক ছন্দের জন্ম দেয়।

    জেলার শহর ও গ্রামে এরই মধ্যে নতুন পুরাতন শীতবস্ত্র বিক্রির ধুম পড়েছে। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুতাং বাজার, আলীগঞ্জ বাজার, শায়েস্তাগঞ্জ পৌর এলাকার মার্কেট ফুটপাথ, পুরাণবাজার ও শায়েস্তাগঞ্জ নতুনব্রীজ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা নেমে এলেই শীতবস্ত্রের দোকানে ও ফুটপাথের দোকানে ক্রেতাদের ভীড় বাড়তে থাকে।

    যে যার মতো করে কিনে নিচ্ছেন শীত নিবারণ বস্ত্র। ইদানিং ফুটপাথের দোকানগুলোতে নিম্ন আয়ের ক্রেতার পাশাপাশি মধ্যবিত্তদেরও দেখা যাচ্ছে।

    শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন এলাকার রেল লাইনে স্থাপিত অস্থায়ী দোকানে শীতবস্ত্র ক্রয় করতে আসা ফল ব্যবসায়ী ছায়েদ মিয়া জানান, “অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার পুরাতন শীতের কাপড়ের দাম একটু কম। তাই কয়েকটি কিনতে পেরেছি।”

    শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভাধীন দাউদনগর বাজারের পৌর মার্কেটে গিফট দেয়ার জন্য পোশাক ক্রয় করতে আসা দাউদনগর বাজার রেলগেইট এলাকার মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব আলীর কন্যা রোকেয়া খাতুন বলেন, “মার্কেট ঘুরে দেখতে পাচ্ছি শীতকালে ব্যবহারের পোশাকই বেশি বিক্রি হচ্ছে। রকমারী ডিজাইনের দৃষ্টি নন্দন শীতের কাপড় সাজানো রয়েছে দোকান গুলো। এগুলোর মূল্যও নাগালের মধ্যে, তাই শীতের কাপড়ই ক্রয় করেছি।”

    শায়েস্তাগঞ্জ পুরানবাজার নতুনব্রীজ এলাকার গোলচত্বরে প্রতিদিন সান্ধ্যকালীন বাজার বসে। সেখানে রকমারী খাবারের দোকানের পাশাপাশি নতুন পুরাতন পোশাক বিক্রির দোকানও বসানো হয়।

    সেখানে থাকা মঞ্জুরুল হক, ফারুক নামক ক্রেতারা জানালেন, “এখন করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে লোক সমাগম কিছুটা কম, তাই পছন্দ মতো সাশ্রয়ী মূল্যে শীতবস্ত্র ক্রয় করতে পারছেন।”

    সান্ধ্যকালীন বাজারের পোশাক বিক্রেতা রফিক মিয়া বলেন, “করোনাকালীন ব্যবসা খুব ভালোনা, তবে কিছুদিন থেকে এলাকায় শীত বাড়ার সাথে সাথে আমাদের বিক্রিও কিছুটা বেড়েছে।”

  • হবিগঞ্জে নির্মাণ হচ্ছে হাত ধোয়ার স্টেশন

    হবিগঞ্জে নির্মাণ হচ্ছে হাত ধোয়ার স্টেশন

    হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর, চুনারুঘাট ও বানিয়াচং উপজেলায় হাত ধোয়ার স্টেশন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। করোনা মহামারির সংক্রমণ রোধে স্কুল-কলেজসহ গণজমায়েত হয় এমন স্থানের আশেপাশে হাত ধোয়ার এসব স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

    স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর এই স্টেশন নির্মাণ করবে। এজন্য ‘মানবসম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    এছাড়াও সিলেট বিভাগের সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ, জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলা। সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, ধর্মপাশা, তাহিরপুর ও জগন্নাথপুর উপজেলা। মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলায় হাত ধোয়ার স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

    পাশাপাশি দেশের ৩০টি জেলার ৯৮টি উপজেলায় হাত ধোয়ার স্টেশন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একই প্রকল্পের আওতায় শুধু হাত ধোয়ার স্টেশন নির্মাণই নয়, এর পাশাপাশি আর্সেনিক ও আয়রনের সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের নির্বাচিত গ্রামগুলোতে কমিউনিটি ও স্থানীয় সরকারের সহযোগিতায় পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহের স্কিম বাস্তবায়ন করা হবে।

    প্রকল্প এলাকায় হতদরিদ্র জনগণের মাঝে স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন, স্কুল এবং কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওয়াশ পরিষেবার ব্যবস্থা ও ব্যবহার বাড়ানো হবে। নির্বাচিত জনগোষ্ঠীর হাইজিন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম ও হাইজিন কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং টেকসই বিকেন্দ্রীকরণকৃত ওয়াশ পরিষেবা পরিচালনা ও পরিবীক্ষণের জন্য এর সঙ্গে সম্পর্কিত সরকারি সংস্থাগুলো এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

    এদিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘মানবসম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় হবে এক হাজার ৮৮২ কোটি ৫৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেবে ৫০ কোটি ৮২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।

    এছাড়া চীনের নেতৃত্বাধীন এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক বা এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) ও বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) নিজস্ব তহবিল থেকে ঋণ বাবদ পাওয়া যাবে এক হাজার ৮৩১ কোটি ৭৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা।

    সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ প্রকল্পটি সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে।

    পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির সুবিধার্থে বরাদ্দবিহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    প্রকল্প প্রস্তাবনায় জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় লার্জ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম ৭৮টি, কমিউনিটি পর্যায়ে পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম ৩ হাজার ৩৬৪টি, পাবলিক স্যানিটেশন ও হাইজিন সুবিধা ৩৫টি, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে স্যানিটেশন ও হাইজিন সুবিধা ৫০০টি, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর টয়লেটে রানিং ওয়াটার সুবিধাদি প্রদান ৭৮০টি, অতি দরিদ্রদের জন্য টয়লেট ৩ লাখ ৫১ হাজার ২৭০টি এবং কোভিড-১৯ রোধে পানির সুবিধাদিসহ ৮৮২টি হাত ধোয়া স্টেশন নির্মাণ করা হবে।

    পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধ্যায়-২ এ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনের বিষয়ে সবার জন্য নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ, স্যানিটারি ল্যাট্রিন সুবিধাভোগী নগরবাসীর অনুপাত শতভাগ বাড়ানো ও স্যানিটারি ল্যাট্রিন সুবিধাভোগী গ্রামীণ জনগণের অনুপাত ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রকল্পটি সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

    পরিকল্পমন্ত্রী এম এ মান্নান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ৩০টি জেলার ৯৮টি উপজেলার গ্রামীণ এলাকায় নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও কোভিড-১৯ রোধে রানিং ওয়াটারসহ হাইজিন সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়বে।’

    তিনি জানান, বিভিন্ন কারণে প্রকল্পটি কোভিড পরবর্তী সময়ের জন্য উপযোগী। শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক মনিটরিং করবে।

  • বানিয়াচংয়ে কৃষক পর্যায়ে মাঠ দিবস পালিত

    বানিয়াচংয়ে কৃষক পর্যায়ে মাঠ দিবস পালিত

    “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী‘র নির্দেশ, প্রতি ইঞ্চি মাটির ব্যাবহার” এই শ্লোগানকে ধারন করে, হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় কৃষক পর্যায়ে মাঠ দিবস পালন করা হয়েছে।
    ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা গবেষনা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করন প্রকল্পের আওতায় মাঠ দিবস পালিত হয়েছে।
    উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে নন্দীপাড়া আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার পুকুরে ভাসমান বেডে সবজি চাষ করা হয়েছে।
    আজ ২৩ ডিসেম্বর বুধবার ৫টায় এ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়।
    হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ তমিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ দিলীপ কুমার অধিকারী।
    বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এনামূল হক, সুপারভাইজার আবুল হাসেম, কৃষক আব্দুল করিম প্রমূখ।
    কৃষিবিদ দিলীপ কুমার অধিকারী তার বক্তব্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ এক ইঞ্চি মাটিও খালি রাখা যাবেনা।
    প্রয়োজনে ভাসমান সবজি বেড বাড়াতে হবে। কৃষিতে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে পারলে এ দেশ সত্যিকারের সোনার বাংলায় পরিনত হবে।
  • হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

    হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

    হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ছবি তুলতে গেলে এক সাংবাদিকের উপর হামলা চালানো হয়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে সদর মডেল থানার সামনে এ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে জেলার শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় সাবেক নারী সংসদ সদস্য (এমপি) আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়াকে লাঞ্চিতের চেষ্টা চালায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ। এ সময় কেয়া চৌধুরী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরীর গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

    হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

    এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল কর্মসুচির ডাক দেয় দুই গ্রুপ। জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ মিলে একটি গ্রুপ এবং জেলা ও পৌর সেচ্ছাসেবকলীগ অন্য গ্রুপ। এক পর্যায়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে দুই গ্রুপ মুখোমুখি হলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৭ জন আহত হন।

    এদিকে, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ছবি তুলতে গেলে জাতীয় ‘দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ’ ও ‘ডেইলি বাংলাদেশ’র জেলা প্রতিনিধি জাকারিয়া চৌধুরীর উপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ কর্মীরা। গুরুত্বর আহত অবস্থা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। চিকিৎসক জানিয়েছে তার মাথায় প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।

    হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ বলেন, ‘উভয় গ্রুপ বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করছিল। এ সময় তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করে।’

  • ডিজিটাল হলো হবিগঞ্জের ভূমি রেকর্ড রুম

    ডিজিটাল হলো হবিগঞ্জের ভূমি রেকর্ড রুম

    নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে হবিগঞ্জসহ ২১টি জেলায় ভূমি রেকর্ড রুমকে ডিজিটাল করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ থেকে ডিজিটাল রেকর্ড রুমের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

    হবিগঞ্জ, ঢাকা, ফরিদপুর, নরসিংদী, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, শরীয়তপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ি, মানিকগঞ্জ, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও সিরাজগঞ্জ এই ২১টি জেলায় ডিজিটাল রেকর্ড রুম চালু হয়েছে।

    ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “আগামী ছয় থেকে সাত মাসের মধ্যে সারা দেশকে ডিজিটাল রেকর্ড রুমের আওতায় আনা হবে।”

    তবে এ উদ্যোগে বাদ পড়বে তিন পার্বত্য জেলা। ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় সেখানে ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ায় আরও সময় লাগবে বলে জানান মন্ত্রী।

    ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “এটা এখন আর পাইলটিং পর্যায়ে নেই। আমরা রোল আউট। তিন পার্বত্য জেলা বাদে আগামী বছরের মধ্যে সারা দেশে ডিজিটাল রেকর্ড রুমের কাজ শেষ করা হবে।”

    মন্ত্রী বলেন, “সাইবার সিকিউরিটি বড় ইস্যু। এর বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করছি। এথিক্যাল হ্যাকার দিয়ে আনএথিক্যাল হ্যাকারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে দুর্বলতা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।” নিরাপদে মানুষ যেন সার্টিফায়েড কপি পায়, এ নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী।

  • চাঁদাবাজি মামলায় চেয়ারম্যান সহ ৫ জন কারাগারে

    চাঁদাবাজি মামলায় চেয়ারম্যান সহ ৫ জন কারাগারে

    হবিগঞ্জের সদর উপজেলায় চাঁদাবাজি মামলায়
    সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন সহ ৫ জন কারাগারে।

    অন্যরা হলো বাবুল মিয়া, মানিক মিয়া, তাহির মিয়া এবং বাচ্চু মিয়াকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত।

    আজ ২৩ই  ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক সুলতান উল্ল্যা আহমেদ প্রধান তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

    জানা যায়, গত ৬ আগষ্ট দরিয়াপুর গ্রামের ঠিকাদার আক্কাছ আলী বাদি হয়ে চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিনসহ আসামী করে ২ লাখ টাকা ছিনতাই ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবীর অভিযোগ এনে হবিগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন।