Category: হবিগঞ্জ

  • নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে নতুন সভাপতি  উত্তম কুমার ও সম্পাদক সেলিম তালুকদার

    নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে নতুন সভাপতি উত্তম কুমার ও সম্পাদক সেলিম তালুকদার

    নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে নতুন সভাপতি উত্তম কুমার ও সম্পাদক সেলিম তালুকদার নির্বাচিত হয়েছেন

    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে সস্প্রতি। উক্ত নির্বাচনে সভাপতি পদে ২১ টি ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক উত্তরপূর্ব পত্রিকার প্রতিনিধি উত্তম কুমার পাল হিমেল, তার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধি এম, এ, বাছিত পেয়েছেন ১৩ টি ভোট, এছাড়াও দৈনিক আলোকিত সকালের প্রতিনিধি আশাহীদ আলী পেয়েছেন ৭ টি ভোট, দৈনিক বিবিয়ানার সম্পাদক ফখরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ টি ভোট।

    দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকার প্রতিনিধি শাহ সুলতান আহমেদ ২৬ টি ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বািচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সহ-সভাপতি প্রার্থী মুরাদ আহমেদ পেয়েছেন ১৭ টি ভোট।

    দৈনিক হবিগঞ্জ সময় পত্রিকার সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম তালুকদার নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ-সম্পাদক পদে ২৬ টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী সাধারণ-সম্পাদক প্রার্থী জাতীয় টিভি চ্যানেল এন.টিভির প্রতিনিধি মহিবুর রহমান চৌধুরী পেয়েছেন ১১ টি ভোট, এছাড়াও দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি কিবরিয়া চৌধুরী পেয়েছেন ৩ টি ভোট ও দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি এটি. এম. জাকিরুল ইসলাম পেয়েছেন ২ টি ভোট।

    দৈনিক খবর বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান চৌধুরী শামীম যুগ্ম সাধারণ-সম্পাদক পদে ১৭ টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী দৈনিক লোকালয় বার্তার প্রতিনিধি তৌহিদ চৌধুরী পেয়েছেন ১৩ টি ভোট, তাছাড়াও দৈনিক আজকের হবিগঞ্জের প্রতিনিধি নাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৮ টি ভোট, দৈনিক বাংলাদেশ সময়ের প্রতিনিধি জাকির হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ৫ টি ভোট।

    দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার প্রতিনিধি মোহাম্মদ শওকত আলী ৩৬ টি ভোট পেয়ে অর্থ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী দৈনিক স্বদেশ বার্তার প্রতিনিধি আলী হাছান লিটন পেয়েছেন ৭ টি ভোট।

    এছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন, ফখরুল আহসান চৌধুরী, তোফাজ্জল হোসেন, আকিকুর রহমান সেলিম, এম মুজিবুর রহমান ও এম এ মুহিত।

  • শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ধান নির্বাচিত

    শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ধান নির্বাচিত

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় এবারই প্রথম ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে পৌরসভা নির্বাচন উৎসব মুখর পরিবেশে ভোটগ্রহন করা হয়েছে। নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে ৪০৪১ ভোট পেয়ে বিএনপি প্রার্থী সাবেক মেয়র ফরিদ আহমদ অলি বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

    তার প্রতিদ্বন্ধী আ’লীগ প্রার্থী নৌকা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৩১৪৫ ভোট। সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহন শুরু হয়ে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে।

    সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়। পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। নির্বাচনের বিভিন্ন কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।

    এই নির্বাচনে দেশের বৃহৎ দুইটি রাজনৈতিক দলের দুই মেয়র প্রার্থীসহ ছয় জন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। নারী কাউন্সিলর হিসেবে ১৪ জন এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন ৩৬ জন। সব মিলিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছিলেন ৫৬ জন প্রার্থী। পৌরসভার ১৭ হাজার ৯৬১ ভোটার তাদের নগরপিতা বিএনপি প্রার্থী ফরিদ আহমদ অলিকে নির্ধারণ করলেন ইভিএম এর বাটন ছেপে।

    এবারের নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়য়েছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। তাই পৌরসভার সচেতন ভোটারদের মাঝে একটু ভিন্ন আমেজ দেখা গেলেও সাধারণ ভোটাররা রয়েছেন কিছুটা শঙ্কায়। মেশিনে ভোট প্রদান করলে তার আমানত ভোটটি সঠিক প্রতীকে থাকবে কি না এনিয়েও তাদের মনে দীদ্বাদ্বন্ধ।

  • মাধবপুরে খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    মাধবপুরে খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলায় পর্যায়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে “খাদ্যের নিরাপদতা শীর্ষক সেমিনার ” অনুষ্টিত হয়েছে।

    আজ সোমবার (২৮ই ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে আয়োজন করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ  আর সহযোগিতায়  মাধবপুর উপজেলা প্রশাসন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনূভা নাশতারানের সভাপতিত্বে ও জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সুকোমল রায়, মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল নাজিম, প্রেসক্লাব সেক্রেটারী সাব্বির হাসান, সাংবাদিক আইয়ুব খান।

    সেমিনারে জনপ্রতিনিধি, উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তা, কর্মচারি ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিআরটিসি বাস ও কাউন্টারে হামলা

    বিআরটিসি বাস ও কাউন্টারে হামলা

    সিলেট বিভাগে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন পরিবহন শ্রমিকরা। কথায় কথায় ধর্মঘট, যাত্রীদের সাথে দুর্ব্যবহার তাদের কাছে এখন নিত্যদিনের বিষয়।

    পাথর শ্রমিকদের সাথে পরিবহন শ্রমিকদের নূন্যতম কোন সম্পর্ক না থাকলেও তারা পাথর ইস্যুতের ধর্মঘট দিতে দ্বিধাবোধ করেনা।

    সিলেটে পরিবহন শ্রমিকদের চলা ধর্মঘটের মধ্যেই গত মঙ্গলবার সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের উপস্থিততে সিলেট-শ্রীমঙ্গল-হবিগঞ্জ রোডে বিআরটিসির বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কিন্তু উদ্বোধনের ৫ দিনের মাথায় পরিবহন মালিকদের ইন্ধনে বিআরটিসির সিলেট ডিপোর অপারেশন ম্যানেজার জুলফিকার আলীকে মারধর, চালক ও হেলপারদের মারধর করে বিআরটিসির বাস বন্ধ করে দিয়েছে পরিবহন শ্রমিকরা।

    রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অর্ধ শতাধিক শ্রমিক এসে বিআরটিসি কাউন্টারে তালা লাগিয়ে ওই কর্মকর্তার সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করেন। তারা একটি গাড়িতে ভাঙচুর চালানো এবং চালক-হেলপারকে মারধর করে গাড়ি বন্ধ করে দেয়। এসময় তারা কাউন্টার থেকে নগদ প্রায় সাড়ে ১২ হাজার টাকা এবং একটি ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

    বিআরটিসি বাসে হামলা
    বিআরটিসি বাসের গ্লাস ভাঙার ছবি।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকাল ৯টায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে একটি বাস ছেড়ে আসার কথা থাকলেও শ্রমিকদের হুমকির মুখে বন্ধ রাখা হয়। এরপর হবিগঞ্জ থেকে আরেকটি বাস ছাড়ার চেষ্টা করলে শ্রমিকরা চালক-হেলপারকে মারধর ও গাড়ির পেছনের গ্লাস ভাঙচুর করে। পরে যাত্রী ছাড়াই দুই বাস ফেরত আনা হয়।

    বিআরটিসি বাস সার্ভিস সিলেট ডিপো ব্যবস্থাপক জুলফিকার আলী বলেন, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ থেকে দু’টি বাস চলতে গেলে শ্রমিকরা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এরপরও খালি বাসগুলো নিয়ে আসার পথে চালক-হেলপারকে মারধর করা হয় এবং গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, যেখানে সেতুমন্ত্রী ওই দু’টি সড়কে বিআরটিসি বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ছিল বাস সার্ভিস চালুতে। সারা বাংলাদেশে ২২টি ডিপোতে ৫৭০টি বাসের মধ্যে সিলেট ডিপোতে সর্বনিম্ন ৩০ নতুন বাস নামানোর কথা ছিল। সেখানে এ দু’টি সড়কে পর্যায়ক্রমে ১২টি বাস নামানোর কথা। কিন্তু ২টি বাস চালু করেই মালিক-শ্রমিকদের তোপের মুখে বন্ধ করতে হচ্ছে। অথচ মন্ত্রী মহোদয় বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেছেন।

    পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, এই দুই রুটেই পর্যাপ্ত বাস রয়েছে। বিআরটিসি ইচ্ছে করলেই যে কোনো সড়কে বাস সার্ভিস শুরু করতে পারে না। এটা তাদের আইনের পরিপন্থী। এছাড়া বাস চালুর ব্যাপারে এই দুই রুটের মালিক-শ্রমিকদের সাথে কোনো আলোচনাও করেনি বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ। তাই এসব রুটে বিআরটিসির বাস চলতে দেবেন না তারা।

    আর বিআরটিসির কর্মকর্তারা বলছেন, এই দুই রুটে এতোদিন যাত্রীদের জিম্মি ব্যবসা করে আসছিলো পরিবহন মালিকরা। বিআরটিসি বাস চালু হওয়ায় তাদের ব্যবসা কমে যেতে পারে এই ভয়ে বাস চালুতে বাধা দিচ্ছে।

    বিআরটিসি কাউন্টারের ম্যানেজার অভিযোগ করেন, সকালে ৯ টায় শেরপুর মৌলভীবাজারগামী একটি বাস শেরপুরে অবরোধ করে পরিবহন শ্রমিকরা। এরপর সকাল সাড়ে নয়টায় হুমায়ুন রশীদ চত্বরে বিআরটিসি কাউন্টারে পরিবহন শ্রমিকরা এসে অতর্কিতে হামলা চালায়। এসময় তারা কাউন্টারে লুটপাট ও ডিপো ইনচার্জ জুলফিকার আলীকে লাঞ্ছিত করে। ভেঙে ফেলে তার সরকারি গাড়ির গ্লাস। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    আর সিলেট বিভাগীয় বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল কবীর পলাশ বলেন, আমরা দেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে পরিবহন সেবা দিয়ে আসছি। কিন্তু বিআরটিসি বাস চালুর আগে কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে বসেনি।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন কি না, তা আমাদের জানা নেই। আমরা মনে করি, এটা তারা চালাকি করছে। তবে গাড়ি ভাঙচুরের কথা অস্বীকার করেন তিনি।

    সিলেট বাস, মিনিবাস, কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন কমিশনার ও কার্যকরী ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. গোলাম হাফিজ লোহিত বলেন, সিলেট থেকে আন্তঃজেলা বিআরটিসি বাস চলাচলে শ্রমিকরা বাধা দিচ্ছে না। মূলত বিভাগীয় সড়ক ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এরমধ্যে সিএনজি অটোরিকশায় লোকাল বাস সার্ভিসের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। তার উপর আবার বিআরটিসি বাস চলবে, তাতে বাস মালিক শ্রমিকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন। তাছাড়া নানাভাবে সৃষ্ট জটিলতার মধ্যেও আলোচনা না করেই বিআরটিসি বাস নামানোর নেপথ্যেও ঠিকাদাররা জড়িত আছেন বলে মনে করেন তিনি।

    দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আখতার হোসেন বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ বাস চালাতে চাইলে পুলিশ তাদের সহায়তা করবে।

    প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ভিডিও কনফারেন্সে সিলেট-শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জ রুটে বিআরটিসি বাস সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ দুই সড়কে বাস সার্ভিস চালু হওয়ার পেছনে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনেরও। উদ্বোধনের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাতে ভুলেননি। কিন্তু উদ্বোধনের ৫ দিনের মাথায় বন্ধ হলো বাস সার্ভিস।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিআরটিসি সিলেট ডিপোতে ৩০টি নতুন বাস রয়েছে। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ রুটে ৪টি, সিলেট ভোলাগঞ্জ সড়কে একটি এবং সম্প্রতি নতুন করে সিলেট-শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জ সড়কে প্রথম অবস্থায় দু’টি বাস নামানো হয়। পর্যায়ক্রমে ১২টি বাস নামানোর কথা ছিল। বাসগুলো সিলেটের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল কদমতলী থেকে দুইরুটে প্রতিদিন চলাচল কথা ছিল।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বাসগুলোতে সিলেট-মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল রুটের ভাড়া যথাক্রমে ২৩৫ টাকা (শ্রীমঙ্গল) ও ১৮০ টাকা (মৌলভীবাজার) এবং সিলেট-হবিগঞ্জ রুটের এসি গাড়ির ভাড়া ২৭৭ টাকা। তবে শীতকালীন সিলেট-হবিগঞ্জ রুটের এসি বাসের ভাড়া নেয়া হবে ১৮০ টাকা ও মৌলভীবাজারে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা ও শ্রীমঙ্গল পর্যন্ত ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত নেয়ার পরিকল্পনা ছিল বিআরটিসি কর্তৃপক্ষের।

  • স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথমবারের মত প্রার্থী হলেন বাংলাদেশী কমিউনিটির ফয়ছল চৌধুরী এম বি ই

    স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথমবারের মত প্রার্থী হলেন বাংলাদেশী কমিউনিটির ফয়ছল চৌধুরী এম বি ই

    ২০২১ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিতব্য স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে লোদিয়ান রিজিওনে লিষ্টের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পেয়েছেন ফয়ছল চৌধুরী এমবিই। প্রথমবারের মত স্কটীশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত কেউ প্রার্থী হিসাবে যুক্ত হলেন।

    জানুয়ারী মাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে লেবার পার্টির অভ্যন্তরীন দলীয় নির্বাচন। এতে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে দলের সাধারন সদস্যরা লোদিয়ান রিজিওনের নমিনেশনপ্রাপ্ত সর্বমোট ১০ জন প্রার্থীকে ক্রমানুসারে ভোট দিবেন। উক্ত নির্বাচনে পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থান নির্ধারণ করতে ক্যাম্পেইন শুরুু করেছেন ফয়ছল চৌধুরী। স্কটিশ পার্লামেন্টের রিজিওন্যাল লিস্টে সাধারণত ১ম থেকে ৪র্থ স্থানে অবস্থানকারীরা এমএসপি হিসাবে চুড়ান্ত মনোনয়ন পেয়ে থাকেন।

    ২০১৭ সালে বৃটেনের জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হয়ে এডিনবরা সাউথ ইষ্ট আসনে লড়াই করেন ফয়ছল চৌধুরী। ২০১৪ সালে স্কটিশ রেফারেন্ডাম চলাকালীন ‘বাংলাদেশীজ ফর বেটার টোগেদার ক্যাম্পেইন‘ এর সমন্বয়কারী ছিলেন তিনি। ঐতিহাসিক গনভোটে ’নো’ ক্যাম্পেইনে স্থানীয় বাংলাদেশীদের অংশগ্রহন ছিল উল্লেখযোগ্য।

    স্কটীশ রাজধানী শহর এডিনবরার বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা ও ব্যাবসায়ী ফয়ছল হোসেন চৌধুরী এমবিই বেড়ে ওঠেন এডিনবরা শহরের নিউ টাউন এলাকায়। হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার বদরদি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহন করেন। মা বাবার সাথে অতি আল্প বয়সে বয়সে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। পরিবারের সাথে প্রথমেই ম্যানঞ্চেষ্টার এবং পরে এডিনবরায় বসবাস শুরু করেন। বাবা শারিরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে বড় ছেলে হিসাবে তরুন বয়সেই পরিবারের হাল ধরেন ফয়ছল চৌধুরী। তখন থেকেই পারিবারিক ব্যাবসা প্রতিষ্টান বারান্দা রেষ্টুরেন্ট পরিচালনার সাথে জড়িত হয়ে পড়েন তিনি।

    মামা ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই -র সাহচর্যে ও বাবা আলহাজ্ব গোলাম রব্বানী চৌধুরীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যাবসার পরিচালনার পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী হিসাবে যুক্ত হয়ে পড়েন সামাজিক কর্মকান্ডে। বাংলাদেশী কমিউনিটি ছাড়াও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উন্নয়নে নানাবিধ কার্যক্রমের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছেন ফয়ছল চৌধুরী।

    করোনা মহামারী চলাকালে এডিনবরায় বসবাসরত অভাবগ্রস্থ এথনিক মাইনরিটি পরিবারগুলির মধ্যে খাদ্যদ্রব্য বিতরনের এক ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। ফয়ছল চৌধুরীর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহনে এলরেক এর উদ্যোগে ‘ফুড সাপোর্ট‘ প্রকল্পের আওতায় প্রতি সপ্তাহে ৩০টি অসহায় পরিবারকে জরুরী খাবার পৌছে দেয়া হচ্ছে।

    ফয়ছল চৌধুরী বর্তমানে স্কটিশ মুলধারার নানাবিধ কর্মকান্ডে সক্রিয় ভাবে যুক্ত রয়েছেন যেমন – ক্লাইমেট ইমার্জেন্সী স্কটল্যান্ড এর চেয়ার, এডিনবরা স্লেভারী এন্ড কলোনিয়াল লেগাসী রিভিউ গ্রুপ এর সদস্য, মিউজিয়াম এন্ড গ্যালারীস স্কটল্যান্ড – এর বোর্ড মেম্বার, ইএসএমএস এর ইকুয়ালিটি এন্ড ডাইভার্সিটি টাস্ক ফোর্সের এডাভাইসার এবং ড্রামন্ড হাই স্কুল প্যারেন্ট কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

    এডিনবরা এন্ড লোদিয়ান রিজিওন্যাল ইকুয়্যালিটি কাউন্সিল (এলরেক) এর চেয়ারম্যান হিসাবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। বিভিন্ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখার জন্য ২০০৪ সালে ব্রিটেনের রানী কতৃক ‘এমবিই‘ খেতাবে ভুষিত হন। এছাড়া ২০০৬ সালে ব্রিটিশ বাংলাদেশী টেলিভিশন ’চ্যানেল এস‘ কতৃক ‘কমিউনিটি এওয়ার্ড’ পান ।
    স্কটল্যান্ডের বৃহত্তম মাল্টিকালচারাল আয়োজন ’এডিনবরা মেলা’-র প্রতিষ্টাকালীন ও বর্তমান ডাইরেক্টর ফয়ছল চৌধুরী – গিল্ড অব বাংলাদেশী রেষ্টুরেণ্টার ইন স্কটল্যান্ড-র প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ সমিতি এডিনবরার চেয়ারম্যান, কাউন্সিল অব বাংলাদেশীজ ইন স্কটল্যান্ড (সিবিএস) এর সাধারন সম্পাদক এবং যুক্তরাজ্য নবীগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট -র ট্রাস্টি মেম্বার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সাইক্লোন আপিল এবং ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সাইক্লোন সিডর আপিলে তিনি অসামান্য ভুমিকা রাখেন।

    স্কটিশ মুলধারায় বাংলাদেশী কমিউনিটির ভাবমুর্তি তুলে ধরতে ফয়ছল চৌধুরী রয়েছেন সদা তৎপর। তারই নেতৃত্বে ২০০৯ সালে প্রথমবারের মত স্কটল্যান্ডে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়, যার পুৃষ্টপোষকতায় ছিল সিটি অব এডিনবরা কাউন্সিল। এ উপলক্ষ্যে সেদিন স্কটিশ পার্লামেন্টে একটি পার্লামেন্টারী মোশন ও উত্থাপন করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ সমিতির উদ্যোগে ২০১২ সালে স্কটিশ পার্লামেন্টে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়।

    স্থানীয় হার্টস অব মিডলোদিয়ান ফুটবল ক্লাবের তুখোড় সমর্থক ও ম্যান-ইউ ফ্যান – ক্রীড়ামোদী ফয়ছল চৌধুরী ব্যাডমিন্টন, ফুটবল, স্নোকার টুর্ণামেন্টে অসংখ্যবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। দুই সন্তানের জনক মি: চৌধুরী এডিনবরায় বাংলাদেশী কমিউনিটির ভাবমুর্তি উজ্জল করতে স্কটিশ মুলধারার যেকোন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

    বিগত ২ যুগের ও বেশী সময় ধরে কমিউনিটি এবং ইকুয়ালিটি সংক্রান্ত কাজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, এডিনবরা ও লোদিয়ান এলাকায় অঞ্চলভেদে কমিউনিটির মধ্যে রয়েছে নানারকমের অসমতা। কোন কোন এলাকার মানুষ চরমভাবে দাদ্রিদ্রের শিকার আবার কিছু কিছু এলাকার মানুষ স্বাস্থ্যগত ভাবে পিছিয়ে আছে। তাই সাধারন মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এবং সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠিত করতে লেবার পার্টির পলিসির কোন বিকল্প নেই।

    উল্লেখ্য, লোদিয়ান রিজিওনে লিস্ট প্রার্থী হিসাবে ফয়সল চৌধুরী ছাড়া আরও যেসব প্রার্থী রয়েছেন তারা হলেন- সারাহ বয়েক, স্টিফেন কুরান, ফ্রেডরিক হেসলার, ডানিয়েল জনসন, মেডী কার্কম্যান, হেদার পিউ, ক্যাথেরিন স্যাংস্টের, কার্স্টেন সুলিভান এবং নিক ওয়ার্ড ।

    স্কটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচন পদ্ধতি:

    স্কটিশ পার্লামেন্টের ভোটিং পদ্ধতিতে কে বলা হয় এডিশনাল মেম্বার সিস্টেম বা এ.এম.এস। এই পদ্ধতিতে একজন ভোটার দুইটি ব্যালটে ভোট দেন। প্রথম ভোটটির মাধ্যমে যার যার সংসদীয় আসন থেকে একজন পছন্দের প্রার্থীকে মনোনীত করা। দ্বিতীয় ব্যালটে যে ভোটটি দেয়া হবে সেটি হচ্ছে সবগুলো রাজনৈতিক দলকে ক্রম অনুসারে সাজানো যেমন:– ১ম স্থান, ২য় স্থান, ৩য় স্থান ইত্যাদি।

    পুরো স্কটল্যান্ডে ৭৩ টি পৃথক পৃথক সংসদীয় আসন রয়েছে, এসব আসন থেকে ৭৩ জন এমএসপি নির্বাচিত হবেন।

    অন্যদিকে, পুরো স্কটল্যন্ডকে ৮টি রিজিওনে বিভক্ত করা হয়েছে যা লিস্ট নামে পরিচিত। প্রতি রিজিওনে ৭ জন করে মোট ৫৬ জন এমএসসি নির্বাচিত হবেন দ্বিতীয় ব্যালটের (লিস্ট) ভোটের ফলাফল অনুযায়ী। ২য় ব্যালট মানে হচ্ছে যে দল বেশী ভোট পাবে সেই ভিত্তিতে দলীয় প্রার্থী নির্বাচিত হবেন।

    এর ফলে, স্কটল্যান্ডে একজন ভোটারকে প্রতিনিধিত্ব করেন মোট ৮ জন এমএসপি। ১ জন হলেন নিজ আসনের এমএসপি এবং অপর ৭ জন হলেন রিজিওন্যাল এমএসপি।

    একটি জটিল গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন দল থেকে কতজন লিস্ট এমএসপি নির্বাচিত হবেন তা নির্ধারন করা হয়ে থাকে। সাধারণত একটি পার্টির অভ্যন্তরীন তালিকার ক্রম অনুসারে লিস্ট থেকে এমএসপি হিসাবে নির্বাচিত হন। সাধারণত প্রতিটি শীর্ষ রাজনৈতিক দলের লিডার গণ লিস্টের প্রথম স্থানে অবস্থান করেন । প্রথম স্থানে থাকার অর্থ হচ্ছে নিশ্চিত ভাবে এমএসপি হিসাবে নির্বাচিত হওয়া।

  • মাধবপুরে সুইসাইড নোট লিখে নারীর আত্মহত্যা

    মাধবপুরে সুইসাইড নোট লিখে নারীর আত্মহত্যা

    লিটন বিন ইসলামঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে সুইসাইড নোট লিখে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মন্দিরা সাঁওতাল (২২) নামে এক নারী আত্মহত্যা করেছে।

    সে উপজেলার সুরমা চা বাগানের বলরাম হাজদার বড় স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী বলে জানা যায়।

    শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে আখাউড়া সিলেট রেলওয়ে সেকশনের তেলিয়াপাড়া রেলস্টেশনের ৫০ গজ উত্তরে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই মহিলা দীর্ঘ সময় যাবত রেললাইনের পাশে বসে ছিল।

    চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি কাছাকাছি আসলে তিনি দৌঁড়ে গিয়ে রেললাইনে শুয়ে পড়েন। এতে তার শরীর থেকে মাথা ও পা বিচ্ছিন্ন হয়ে চার টুকরো হয়ে যায়।

    খবর পেয়ে তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর গোলাম মোস্তফা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন এবং রেলওয়ে পুলিশের শ্রীমঙ্গল থানাকে অবগত করেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বলরাম হাজদা তার স্ত্রী মন্দিরা সাঁওতালকে রেখে আরেকটি মেয়েকে পালিয়ে বিয়ে করে। এতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, আমি প্রেগন্যান্ট, বলরাম আমাকে অস্বীকার করায় আমি আত্মহত্যা করেছি।

    মাধবপুরে সুইসাইড নোট লিখে নারীর আত্মহত্যা
    মন্দিরা সাঁওতালের নোট।

    শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই হুমায়ুন কবির জানান, ঘটনার খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মৃতদেহ ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল।

    শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার ওসি আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • খোয়াই প্রবাসী সংগঠন, চুনারুঘাট – এর শীতবস্ত্র বিতরণ

    খোয়াই প্রবাসী সংগঠন, চুনারুঘাট – এর শীতবস্ত্র বিতরণ

    হোসাইন মির্জা || চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)ঃ

    ” সাহায্যের হাত বাড়ান, মানবতা হোক দীপ্তমান ” – এই স্লোগান কে সামনে রেখে চুনারুঘাট পৌরসভাধীন অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করেছে খোয়াই প্রবাসী সংগঠন, চুনারুঘাট । সংগঠনটির উদ্যেগে প্রায় তিনশত (৩০০) হত-দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়।

    আজ ২৬ ডিসেম্বর (শনিবার) সকাল ১১ টায় চুনারুঘাট পৌরসভা দক্ষিণ বাসট্যান্ডে, দরিদ্র্য চ্যারিটি ফাউন্ডেশন টিম হবিগঞ্জের সিইও জনাব নাসির হোসাইন তানভীরের উপস্থাপনায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান। প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত থেকে অত্র অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন, আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান মহালদার, ভাইস চেয়ারম্যান, চুনারুঘাট উপজেলা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, খোয়াই প্রবাসী সংগঠনের আহ্বায়ক জনাব মোঃ আব্দুুল হাই আল মামুন।

    এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন মীর রাজিব- অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা চুনারুঘাট প্রবাসী উন্নয়ন পরিষদ, সাংবাদিক হোসাইন মির্জা- অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা চুনারুঘাট প্রবাসী উন্নয়ন পরিষদ।

    অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন মাওঃ ইমদাদুল হক চৌধুরী, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, শাহ আব্দুর রব – ইনচার্জ ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স হবিগঞ্জ ব্রাঞ্চ। মাওঃ কামরুল ইসলাম – আরবী প্রভাষক, চাটপাড়া ফাজিল মাদরাসা, মাওঃ ইদ্রিস আলী – অধ্যক্ষ, হাজী মাহমুদ হোসাইন জামেয়া মাদ্রাসা, মোঃ আঃ জলিল – সহ-সভাপতি ব্যকস, নাজমুল ইসলাম বকুল – সাধারন সম্পাদক, ব্যকস, মীর সাহেব আলী – যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক, ব্যকস, চৌধুরী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ – বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চুনারুঘাট, জনাব নাজিমুদ্দিন সামছু – মেয়র, চুনারুঘাট পৌরসভা, জনাব সাইফুল ইসলাম রুবেল – সাবেক সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চুনারুঘাট উপজেলা।