Category: হবিগঞ্জ

  • বাহুবলে বৌভাত অনুষ্ঠানে হামলা

    বাহুবলে বৌভাত অনুষ্ঠানে হামলা

    হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার লামাতাসী ইউনিয়নের হাফিজপুর গ্রামে বৌভাত অনুষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত স্বামী-স্ত্রীকে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    গত শুক্রবার বিবাহ অনুষ্ঠান ছিল ওই গ্রামের আঃ শহিদের পুত্র মালদ্বীপ প্রবাসী মোঃ শাহিন মিয়ার। প্রথা অনুযায়ী শনিবার ছিল বৌভাত। পুর্ব শত্রুতার জের ধরে বৌভাত অনুষ্ঠানের রাতে প্রবাসী বর শাহিন মিয়ার বাড়ীতে হামলা চালায় প্রতিবেশী মৃত আকল মিয়ার পুত্র তাজুল ইসলাম সহ তার লোকজন।

    এ সময় হামলাকারীদের বাধা দিলে প্রবাসী শাহিন মিয়ার পিতা আঃ শহিদ ও মাতা আনোয়ারা খাতুন আহত হন । পরে প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানার এস. আই জহির মিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

    আহত আঃ শহিদ অভিযোগ করে জানান, হামলাকারীরা ঘরে প্রবেশ করে ড্রয়ারে রক্ষিত নববধুর সাড়ে ৩ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার ও বৌভাত অনুষ্ঠানে উপহার বাবদ প্রাপ্ত নগদ প্রায় ৪৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

  • শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চুনারুঘাট পৌরসভার নির্বাচন

    শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চুনারুঘাট পৌরসভার নির্বাচন

    চুনারুঘাট পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

    সকাল থেকে উৎসবমূখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোন ধরণের অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি। এমনকি কোন প্রার্থীর পক্ষ থেকেও কোনধরণের অভিযোগও আসেনি।

    তবে সকাল থেকেই পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটারের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেলা বাড়ান সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতিও বাড়বে। নির্বাচনের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন বিপুল সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম রুবেল, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান মেয়র নাজিম উদ্দিন শামছু এবং ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল বাছির।

    এছাড়া কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলর পদে ৫২ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন। এর মধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪১ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১১ জন।

    মোট ভোটার ১৪ হাজার ৪০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ১১১ জন এবং নারী ভোটার ৭ হাজার ৩৯১ জন। ৯টি ওয়ার্ডের ১১টি কেন্দ্রে ৪৬টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    চুনারুঘাট উপজেলায় বিপুল সংখ্যক চা শ্রমিক ভোটার হওয়ায় প্রতিটি নির্বাচনেই নৌকার বাক্সে একচেটিয়া ভোট পড়ে। তবে পৌরসভার হিসেবেটা আলাদা৷ এখানে বিএনপির দাপট বেশি৷
    যে কারণে ২০১৫ সালের নির্বাচনে লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত বিএনপি প্রার্থীর কাছে হারতে হয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে।

    গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সাইফুল আলম রুবেল এবং বিএনপি থেকে নাজিম উদ্দিন সামছু। এবারও দুইদল থেকে মনোনয়ন পেয়েছে তারাই।

    গত নির্বাচনে মাত্র ১৪ ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী রুবেলকে হারিয়ে জয় পেয়েছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী নাজিম উদ্দিন সামছু।

  • মাধবপুরে অষ্টকালীন হরিনাম লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত

    মাধবপুরে অষ্টকালীন হরিনাম লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত

    পরম পুরুষ শ্রী শ্রী ব্রক্ষচারীর ২০ তম বার্ষিকী মহোৎসব উপলক্ষে অষ্টপ্রহর ব্যাপী শ্রীশ্রী হরিনাম সংকীর্তন দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় তিন দিনব্যাপী হরিনাম সংকীর্তন ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন রবিবার সূর্য উদয়ের সাথে সাথে মহোৎসবের মধ্যে দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি হয়।

    মহোৎসবটি হবিগঞ্জের মাধবপুর জেলা ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর উত্তর শীল বাড়ি লোকনাথ যুব সংঘঠনের উদ্যোগে শাহপুর একটি অস্থায়ী মন্দিরে অনুষ্টিত হয়। এতে উপজেলার হাজারো হিন্দুভক্ত যোগ দেন।

    হরিনাম সংকীর্তন ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন পরিবেশন করে নারায়ণগঞ্জ, যশোর, হবিগঞ্জ, সিলেটসহ দেশের খ্যাতনামা ৯টি কীর্তনীয়া দল এতে অংশ গ্রহন করেন।

    উৎসব উপলক্ষে মাধবপুর প্রশাসনের পক্ষ থেকে শাহপুর মন্দিরে কঠোর নিরাপত্তাও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

    নোয়াপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ জাবেদ, ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ মোহাম্মদ বাহার, মোঃ পারবেজ, হৃদয়সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা কীর্তনে এসে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

  • আতাউর রহমান সেলিমকে অনন্তপুরের সমর্থন

    আতাউর রহমান সেলিমকে অনন্তপুরের সমর্থন

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে অনন্তপুর ও দক্ষিণ অনন্তপুরে উঠান বৈঠক এবং শ্যামলী এলাকায় নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। এছাড়াও দিনভর পৌরসভার প্রতিটি এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী সভা করেন মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম এবং আওয়ামী লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সমর্থকবৃন্দ।

    গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নয় নম্বর ওয়ার্ডের অনন্তপুর এলাকায় উঠান বৈঠক হয়েছে। উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট মুরুব্বী সিরাজ মিয়া ও পরিচালনায় ছিলেন জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নেতা মাহফুজুর রহমান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হেলাল মিয়া, মোঃ সালাম মিয়া, আরিফ, জামাল, রাজু, আলমগীর, মাসুক মিয়া, শাহেব আলী, ফিরোজা আক্তার, সাংবাদিক আজিজ, মধু মিয়া, ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, টেনু মিয়া প্রমুখ।

    উঠান বৈঠকে এলাকার চার শতাধিক মুরুব্বীয়ান ও যুব সমাজসহ আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আগামী নির্বাচনে তারা মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন।

    উঠান বৈঠকে উপস্থিত হয়ে মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার স্বার্থে একটিবারের জন্য সকলের ভোট, দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজন হাত তুলে তাকে ভোট দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    আতাউর রহমান সেলিমকে অনন্তপুরের সমর্থন

    অপরদিকে গতকাল সকালে দক্ষিণ অনন্তপুর সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে আতাউর রহমান সেলিমের নৌকার সমর্থনে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজী মোঃ টেনু মিয়ার সভাপতিত্বে ও মিজানুর রহমান আরিফের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন আজমল খান, মাওলানা বিলাল উদ্দিন, মোঃ নূর উদ্দিন, শওকত আলী খান, ব্যাংকার মোতাহার হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ মাসুকুর রহমান, পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দা শরিফা আক্তার কুমকুম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী, শেখ তাজ উদ্দিন দুলাল, অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট ফারুক হোসেন, আলমগীর দেওয়ান, মাহফুজুর রহমান, শেখ উম্মেদ আলী শামীম, শফিকুল ইসলাম, আব্দুস শহিদ প্রমুখ।

    একইদিন রাতে শ্যামলী এলাকায় আতাউর রহমান সেলিমের নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আতাউর রহমান সেলিমসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

    অ্যাডভোকেট আবুল মনসুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর সৈকতের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা আবিদুর রহমান, ব্যাংক কর্মকর্তা ফারুক আনসারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন, মকসুদুল হাসান ফয়সল, সারোয়ার আলম, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, এনাম, ইকবাল, হাফেজ, আব্দুস সাবুর, শাকীল খান, রাজু প্রমুখ।

  • চুনারুঘাটে গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যা

    চুনারুঘাটে গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যা

    চুনারুঘাট উপজেলার বাঘমারা গ্রামে স্বামীর বাড়িতে পারুল বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূ বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। সে ওই গ্রামের জসিম উদ্দিনের স্ত্রী।

    গত শুক্রবার রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে সে বিষপান করে। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। গতকাল শনিবার ভোরে সে হাসপাতালে মারা যায়।

    সদর থানার এসআই সোহেল রানা লাশের সুরতহাল তৈরি করে মর্গে প্রেরণ করে। তবে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মাধবপুর উপজেলার মৃত খুর্শেদ আলীর কন্যা পারুলকে জসিমের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকতো।

  • মায়ের চিকিৎসার খরচের জন্য লেখাপড়া ছেড়ে ভ্রাম্যমান কফি বিক্রি

    মায়ের চিকিৎসার খরচের জন্য লেখাপড়া ছেড়ে ভ্রাম্যমান কফি বিক্রি

    হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল এলাকায় আল আমিন নামের এক যুবক লেখাপড়া ছেড়ে ভ্রাম্যমান কফি বিক্রি করে। তার আয় দিয়ে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার খরচসহ সংসারের ভরণ পোষণ করে।

    বাড়িঘর, জমিজমা না থাকলেও রয়েছে তার প্রতিভা। তার গ্রামের বাড়ি নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাঁও। সে ওই গ্রামের মৃত আসলাম উল্লার পুত্র।

    শনিবার রাতে সদর হাসপাতালের সামনে কফি বিক্রি কালে এ প্রতিনিধির সাথে তার কথা হয়। সে আক্ষেপ করে বলে, ১০ বছর আগে তার বাবা মারা গেছে। জমিজমা কিছু না থাকায় তার অসুস্থ মা ও ভাই বোনকে নিয়ে হবিগঞ্জ শহরের কলেজ কোয়ার্টার এলাকায় ৩ হাজার টাকা বাসা ভাড়া দিয়ে বাস করে আসছে।

    একটি ফ্লাক্সে গরম পানির মাধ্যমে হেটে হেটে সে কফি বিক্রি করছে। সারাদিন কফি বিক্রি করে ২ থেকে ৩শ টাকা আয় হয়। লাভ থাকে সামান্য। আর এ টাকা দিয়েই কোনো রকমেই টানাটানি করে চলতে হচ্ছে তাকে।

    তার উপর তার অসুস্থ মায়ের ওষুধের জন্য টাকার দরকার হয়। বিভিন্নস্থানে গিয়েও তার মায়ের চিকিৎসার সুযোগ পায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তাকে লেখাপড়া ছেড়ে কপি বিক্রি করতে হচ্ছে।

  • বানিয়াচংয়ের কাঠখালে কৃষককে পিটিয়ে আহত

    বানিয়াচংয়ের কাঠখালে কৃষককে পিটিয়ে আহত

    বানিয়াচং উপজেলার কাঠখাল গ্রামে পূর্ব বিরোধের জের ধরে বশির মিয়া নামের এক কৃষককে পিটিয়ে আহত করেছে একদল ভূমিদস্যু।

    আহত অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে ওই গ্রামের আব্দুর রউফের পুত্র। গতকাল শনিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের বেশ কয়েকজন লোক গ্রামের ফসলি জমিতে পানি দিতে বাধা দেয়। এ ঘটনায় আহত বশিরের চাচা খালেক মিয়া বাদি হয়ে উল্লেখিতদের বিরুদ্ধে এডিএম কোর্টে মামলা করেন।

    মামলাটি বিচারক আমলে নিয়ে পানি নিষ্কাষনের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সরাতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এরপর উল্লেখিতরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। গতকাল ওই সময় বশিরকে লেবু মিয়ার বাড়ির নিকট পেয়ে তাকে মারধোর করে সর্বস্ব নিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।