Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচং নবীগঞ্জ রোডে গণডাকাতি

    বানিয়াচং নবীগঞ্জ রোডে গণডাকাতি

    হবিগঞ্জের বানিয়াচং-নবীগঞ্জ রোডে গণ-ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। যাত্রীদেরকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ কয়েক লক্ষ টাকা ও মোবাইল সহ স্বর্ণলঙ্ক্ষার ডাকাতি করে নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ ডাকাতের দল।

    ২৪ফেব্রুয়ারী বুধবার রাত সাড়ে নয়‘টার সময় বানিয়াচং-নবীগঞ্জ রোডের বানিয়াচংয়ের নাগেরটেকের রাস্তার নিকট ডাকাতির ঘটনাটি ঘটেছে।

    ডাকাতির শিকার লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,সিলেট থেকে যাত্রী ওবয়ে আসা একটি মাইক্রোবাসকে পথরোধ করে চালক ও যাত্রীদেরকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেধে মারপিট করে মোবাইল, নগদ টাকা ও স্মর্ণালঙ্ক্ষার হাতিয়ে নেয় ডাকাতের দল।

    এ সময় একে একে প্রাইভেট কার, পিকআপ, টমটম ও মোটর সাইকেল সহ ৭টি গাড়ি আটক করে প্রত্যেক যাত্রীকে হাত-পা বেধে বেধড়ক মারপিট করে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়।

    কাগাপাশা গ্রামের মনোয়ার হোসেন রিপন ও তার ভা্ই তোফাজ্জল হোসেন জানান, ব্যাবসায়ীক কাজ শেষে বানিয়াচং থেকে ফেরার পথে ঘটনাস্থলে এসে দেখি আহত লোকজন চিৎকার চেচামেচি করছেন।

    এ ব্যাপারে আহত মাইক্রোবাস চালক জানান, কামাল নামের এক ডাকাত ওই দলে ছিল। আরেক ডাকাত ওই নামে ডেকেছে।

    এ ব্যাপারে আরেক প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি সদস্য দেওয়ান নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, ১৫ থেকে ২০ জন লোককে কাপড় খুলে ও বেধে মারপিট করে সব কিছু নিয়ে গেছে। ইউপি সদস্য আরও জানান,লোকজনের কাছ থেকে যা বুঝলাম অন্তত ২০লক্ষ টাকা মূল্যের টাকা ও মালামাল ডাকাতি করে নিয়ে গেছে ডাকাতের দল ।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানা ইনচার্য মোঃ এমরান হোসেন বলেন, খবর পেয়ে থানা পুলিশের টহল দলকে দ্রুত ঘটনাস্’লে পাঠানো হয়েছে। আমি নিজেও যাচ্ছি ঘটনাস্হলে৷ এ ব্যাপারে পুলিশি অভিযান চলবে।

  • নৌকার পক্ষে ৮ম দিনের মত ভোট প্রার্থনা আইনজীবীদের

    নৌকার পক্ষে ৮ম দিনের মত ভোট প্রার্থনা আইনজীবীদের

    হবিগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনী প্রচারনায় ৮ম দিনের মত নোকার প্রচারনায় মাঠে নেমেছেন আইনজীবীরা। গতকাল দুপুরে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ব্যানারে অর্ধশত আইনজীবী নৌকা নৌকা শ্লোগানে রাজপথ মুখলিত করেন।

    গতকাল দুপুর ২টায় হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সামন থেকে আইনজীবীরা সমবেত হয়ে প্রধান রাস্তায় মিছিল নিয়ে বের হন। পরে শহরের প্রধান সড়ক নৌকা নৌকা শ্লোগানে মুখরিত করেন। পরে চৌধুরী বাজার এলাকায় পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সেখানে এডভোকেট সুলতান মাহমুদ এর সঞ্চালনায় পথ সভায় বক্তৃতা করেন নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম, জেলা বারের সভাপতি এডভোকেট আবুল মনসুর,সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মনোয়ার আলী, সাবেক সভাপতি এডভোকেট আফিল উদ্দিন, সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট সালেহ আহমেদ,এডভোকেট লুৎফুর রহমান তালুকদার, জিপি ভিপি এডভোকেট আব্দুল মোছাব্বির বকুলসহ বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

  • সৈয়দ আবুল মকসুদ এর মৃত্যুতে বাপা’র শোক বার্তা

    সৈয়দ আবুল মকসুদ এর মৃত্যুতে বাপা’র শোক বার্তা

    আমরা গভীর দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র অন্যতম সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট লেখক-সাংবাদিক ও কলামিষ্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ সন্ধ্যা ৭.০০ টায় বার্ধক্যজনিত কারণে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না-নিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলার্হি রাজিউন)।

    তার এই মৃত্যুতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র নির্বাহী পরিষদ, জাতীয় পরিষদ, সাধারণ পরিষদ ও বাপা’র ২৫টি বিষয় ভিত্তিক কর্মসূচী কমিটি এবং বাপা জেলা শাখা’র পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।

    সৈয়দ আবুল মকসুদ পরিবেশের পরম বন্ধু ছিলেন, পরিবেশ নিয়ে তিনি দীর্ঘ সংগ্রাম করেছেন। তিনি একজন সৎ, আদর্শ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি হিসেবে দেশবাসীর কাছে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি তার লিখনী এবং আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের পরিবেশ ও সামাজিক অন্ধকার দুর করার প্রথমসারির একজন যোদ্ধা ছিলেন। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডে তিনি বিশেষ অবদান রেখে গেছেন।

    পরিবেশ ও সমাজসেবায় তার এই অসামান্য অবদান আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি।

    বাপা’র প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি বাপা’র বিভিন্ন আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, এবং নিরলস ভাবে প্রায় দীর্ঘ বিশ বছর দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তাঁর যোগ্যতা, কাজের কৌশল, পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বাপা’র অবস্থান ও বক্তব্য সকল বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা বাপা’র জন্য মূল্যবান সহায়ক বিষয় ছিল।

    বাপা হবিগঞ্জ আয়োজিত পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে একাধিকবার তিনি অতিথি হিসেবে যোগদান করেছেন। আমরা তার অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

    আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করছি ও তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

  • জমে উঠেছে হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচন

    জমে উঠেছে হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচন

    রাহিম আহমেদ :: আর মাত্র ৭ দিন পর ২৮ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরসভায় নির্বাচন। মানুষের মাঝে নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকার প্রতিটি অলিগলি, দোকানের সামনে, ফাকা জায়গায়, বাড়ির সম্মুখে ছেয়ে গেছে সাদা কালো পোস্টারে।

    সেই সাথে চলছে প্রতিটি প্রার্থীদের ভোট প্রার্থনা ও নিয়মিত উঠান বৈঠক। মনে হয় হবিগঞ্জ পৌরসভা নতুন করে পাঁচ বছর পর আবার ফিরেছে আপন রুপে। নির্বাচনের কারণে পৌরসভার সৌন্দর্য অনেকটাই যেন বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, হবিগঞ্জ পৌরসভার বাড়ি, রাস্তা, দোকানের সামনে যেমন প্রার্থীদের হাজারো পোষ্টার সাটানো আছে তেমনি পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ড এলাকায় শুধু পোস্টার আর পোস্টার।

    এছাড়াও পোস্টারগুলো এক ভবন থেকে অন্য ভবনে, বৈদ্যুতিক খুঁটি, গাছ ও বিভিন্ন মার্কেটে রশি দিয়ে সাটানো হয়েছে। আবার ছোট ছোট হ্যান্ড বিলি করে রাস্তায় রাস্তায়, দোকানে মানুষের হাতে দিয়ে প্রার্থী নিজ বা তাদের সমর্থক লোকজন ভোট প্রার্থনা করছে।

    প্রতীক পাওয়ার পরই প্রার্থীরা পোস্টার লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কার আগে কে জায়গায় দখল করে পোস্টারে লাগাতে পারে প্রতিযোগিতা চলছে।

    পৌরসভার এলাকায় দেখা যায়, মেয়র, কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিল প্রার্থীরা ভোটার ও সাধারণ মানুষের নজর কাড়তে বিভিন্ন অলি-গলিতে পোস্টার লাগিয়েছেন। চালিয়ে যাচ্ছে উঠান বৈঠক ও ভোট প্রার্থনা। সেই সাথে দিচ্ছে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।

    সাবেক, বর্তমান ও নতুন প্রার্থীরা সকলেই উন্নয়নের অঙ্গীকার করে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, অনেকেই আবার বয়স্কদের পায়ে ধরে সালাম করছেন আর বুকের সাথে বুক মিলাচ্ছেন।

    এছাড়াও প্রতিটি মার্কেটে এসে নির্বাচনী প্রার্থী ও সর্মথকরা পোস্টার দিয়ে যাচ্ছেন। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও বিরাজ করছে ভোটের আমেজ। শুধু ব্যবসায়ীই নয়, প্রতিটি সাধারণ জনগণের মাঝে এবার ভোটের জোয়ার এসেছে। তিনি আরো বলেন, চায়ের দোকানে বসলেই এখন একটি আলাপ, তা শুধু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। এতে করে মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে খুশির আমেজ।

  • কাল থেকে কেশবপুর দরবার শরীফের ২ দিন ব্যাপী উরস

    কাল থেকে কেশবপুর দরবার শরীফের ২ দিন ব্যাপী উরস

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কেশবপুর ব্রহ্মণডুরা ইউনিয়নের কেশবপুর সাব বাড়ির পীর, মুর্শিদে বরহক শাহসূফী ডাঃ মাওলানা শেখ মুখলিছুর রহমান জেহাদী (রঃ) প্রতিষ্ঠিত ২ দিন ব্যাপী উরস মোবারক ও সূফী সম্মেলন কোরআন খতমের মধ্যদিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ও ২৬ ফেব্রæয়ারী) দারুস সালাম মুখলিছিয়া দরবার শরীফ কেশবপুর সাব বাড়িতে অনুষ্টিত হতে হবে। শুক্রবার রাতে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ওরস মোবারকের সমাপ্তি ঘটবে।

    উক্ত উরস মোবারক ও সুফী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করিবেন জনাব মোঃ সামছুল আলম কেশবপুর, সহ সভাপতি হিসেবে থাকবেন বিশিষ্ট সিনিয়র সাংবাদিক জনাব মোঃ আব্দুল মালেক চৌধুরী কেশবপুর ও মোঃ ফখরুদ্দীন আহমেদ সাজিব, উলুহর। সভরিতœ হিসেবে থাকবেন অত্র দরবার শরীফের খলিফা হযরত মাওলানা এম এ নাসির শাহ সুন্নী হানাফী সাহেব।

    উরস মোবারক ও সুফী সম্মেলনে দরবার শরীফের বর্তমান খলিফাগণ সহ দেশ বরণ্য পীর মশায়েখ ও প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম শরীয়ত, মারিফত, হাকিকত ও তরিকত সম্পর্কে জ্ঞানগর্ভ ওয়াজ নসিহত করবেন। তন্মধ্যে আলোচনা করবেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, লেখক ও গবেষক আল্লামা মুফতি তানভীরুল ইসলাম আল কাদেরী সাহেব, বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম, দারুস সালাম মুখলিছিয়া দরবার শরীফের খলিফা হযরত মাওলানা আহাম্মদ উল্লাহ খান বিপ্লবী সাহেব, কেশবপুর, সুমিষ্টভাষি বক্তা হযরত মাওলানা কামাল উদ্দীন জিহাদী সাহেব বি-বাড়িয়া, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, হযরত মাওলানা আল্লামা মুফতি হায়দার আলী সাহেব, বাশখালী, চট্টগ্রাম, হযরত মাওলানা রেদুয়ান আহমেদ সাহেব, কিশোরগঞ্জ, হযরত মাওলানা হাফেজ আব্দুল মোছাব্বির সাহেব, ইমাম কেশবপুর বাজার জামে মসজিদ, হযরত মাওলানা আবু বকর ছালেহী সাহেব, সহ সুপার দাখিল মাদ্রাসা, ব্রাহ্মণডুরা, হাফেজ মাওলানা আল আমিন সাহেব, উজ্জলপুর।

    এছাড়া উক্ত উরস মোবারক ও সুফী সম্মেলনে বিশেষ অথিতি হিসেব উপস্থিত থাকবেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, ১১ নং ব্রাহ্মণডুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ আদিল জজ মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুল্লাহ সরদার, মাধপুর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মজিব উদ্দিন তালুকদার ওয়াসিম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান গাজীউর রহমান ইমরান, ৭নং নুরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মুখলিছ মিয়া, ৯নং নিজামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন তাজসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সমাজ সেবক, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেক্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

    মাজারের খাদেম আবেদুল হক খোকন জানান, ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্ত ও আশেকানরা এসেছেন মাজার প্রাঙ্গনে। ভক্ত ও আশেকানরা দল বেঁধে কোরআন খতম, জিকির আজকার ও মিলাদ মাহফিল মধ্যে দিয়ে উরসের আনুষ্ঠানিকতায় শুরু হবে।

    দরবার শরীফ ও মাহফিল উদযাপন কমিটির আহবায়ক শাহজাদা সাংবাদিক শেখ শাহাউর রহমান বেলাল জানান, ঐতিত্যবাহী উরস ও সূফী সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে মুর্শিদ ক্বিবলার রূহানি ফায়েজ হাসিল করতঃ ইহকাল ও পরকালের মুক্তির পথ সুগম করার জন্য আহবান জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, গত পহেলা জানুয়ারী রাত ১১টার সময় নফল নামাজের পর জিকিররত অবস্থায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ডাকে চিরদিনের জন্য সাড়া দেন পীরে কামেল, মুর্শিদে বরহক শাহসূফী ডাঃ মাওলানা শেখ মুখলিছুর রহমান জেহাদী (রঃ)।

  • হবিগঞ্জে স্কাই এডুকেশনের UK Education Fair অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জে স্কাই এডুকেশনের UK Education Fair অনুষ্ঠিত

    স্টুডেন্ট ভিসায় ইউ.কে তে উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের উদ্দেশ্যে গমনিচ্ছুক শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে দিনব্যাপী UK Education Fair কর্মশালা করা হয়েছে।

    গত শনিবার হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে স্কাই এডুকেশন সিলেট অফিসের উদ্দেগ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত এডুকেশন ফেয়ারে ইউ.কে গমনিচ্ছুক শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহনের যাবতীয় পরামর্শ দেয়া হয়।

    পাশাপাশি স্কাই এডুকেশনের ওয়েবসাইট ও মোবাইল এ্যাপ ব্যবহার করে ইউ.কে সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের ইউনিভার্সিটিগুলোতে ছাত্র-ছাত্রীরা কিভাবে নিজেরাই ভর্তির যাবতীয় কর্যক্রম দ্রুততার সাথে করতে পারবে সেসব বিষয় প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে দেখানো হয়।

    বিশেষ করে আধুনিক প্রদ্ধতিতে মোবাইল এ্যাপস্ এর মাধ্যমে দেশ বিদেশের অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা IELTS এর ক্লাশ সম্প্রচার, সিকিউরড্ টিউশন ফ্রিট্রান্সপারসহ যাবতীয় বিষয়াদী প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, হবিগঞ্জ শাহজালাল দারুস্ সুন্নাহ মডেল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মোস্তাফিজুর রহমান আল আজহারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্কাই এডুকেশন সিলেট অফিসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ঢাকা অফিসের পরিচালক মোঃ আলতাফ শরীফ, সিলেট অফিসের পরিচালক মীর মোহাম্মদ এমদাদুল হক, এডমিন মোঃ ইকবাল হোসেন প্রমূখ।

  • প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জকে দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ মনে করেন – জাহাঙ্গীর কবির নানক

    প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জকে দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ মনে করেন – জাহাঙ্গীর কবির নানক

    ফেরদৌস আহমদঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হবিগঞ্জকে দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ মনে করেন। এজন্যই অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে এখানে। তবে জেলা সদরের পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র না থাকায় উন্নয়ন বঞ্চিত হয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। এই অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য প্রধানমন্ত্রী আতাউর রহমান সেলিমকে নৌকা দিয়ে আপনাকের কাছে পাঠিয়েছেন। নৌকাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করুন। উন্নয়নের দায়িত্ব নেবেন শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেন, বর্তমান মেয়র মিজান বিদ্রোহী নয়; বেয়াদব এবং বিশ্বাসঘাতক। যে লোক জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে বেয়াদবী এবং বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে, সে আপনাদের সাথে যে কোন মুহুর্তেই বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। এই বেয়াদবকে শিক্ষা দিতে আগামী ২৮ তারিখ নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।

    গতকাল মঙ্গলবার হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে পাঁচটি পৃথক নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    নানক বলেন, হবিগঞ্জ পৌরসভায় নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন আটজন। মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলে উঠলেন ‘আতাউর রহমান সেলিম ত্যাগী নেতা, হবিগঞ্জে তাকেই নৌকা দিতে হবে’। সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে হবিগঞ্জে আতাউর রহমান সেলিম নৌকার কান্ডারী। তাকে নির্বাচিত করলে হবিগঞ্জ পৌরবাসীকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। উন্নয়ন করবেন শেখ হাসিনা নিজে।

    তিনি আরও বলেছেন, ভোট মানুষের পবিত্র আমানত। খেয়াল রাখবেন এ আমানতের যেন খেয়ানত না হয়। আপনাদের ভোটই আগামী পাঁচটি বছরের জন্য হবিগঞ্জ পৌরসভার ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এ সময় তিনি তাঁর কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আতাউর রহমান সেলিমের হয়ে হবিগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়ন করবেন বলেও কথা দেন। একই সঙ্গে সেলিম নির্বাচিত হওয়ার পরপরই তিনি হবিগঞ্জবাসীকে নিয়ে জনসভার মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা করা হবে বলেও জানিয়েছেন।

    জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র হাত ধরে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। সেই উন্নয়ন থেকে বাদ যায়নি হবিগঞ্জ জেলা। হবিগঞ্জে শিক্ষা, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ, যোগাযোগসহ অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে অভাবনীয় পরিমাণ। উন্নয়নের আওতায় এসেছে মসজিদ, মন্দিরসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আওয়ামী লীগের মেয়র না থাকায় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে হবিগঞ্জ পৌরসভা। খবর পেয়েছি জলাবদ্ধতা হবিগঞ্জ পৌরবাসীর অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে প্রতি মুহুর্তে। শহরে হাঠতে হচ্ছে নাকে রুমাল দিয়ে। সেই অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য শেখ হাসিনার প্রতিনিধি দরকার। আতাউর রহমান সেলিমের বিজয় মানে শেখ হাসিনার হাতে উন্নয়নের দায়িত্ব তুলে দেয়া। সেলিমকে ভোট দিলে তাঁর হাত ধরেই হবিগঞ্জ পৌরসভায় উন্নয়নের নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।

    আতাউর রহমান সেলিম হাজার হাজার মানুষের এই সভাগুলোতে নিজে কাঁদলেন এবং মানুষকে কাঁদালেন। হবিগঞ্জ পৌরবাসী দেখল এক বিনয়ী সেলিমকে। অতীতের ত্যাগ-তীতিক্ষা তুলে ধরে এবং অজান্তে কোন ভূল হয়ে থাকলে সেই ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন সকলের কাছে। সেলিম বলেন, একটি বারের জন্য ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুণ। প্রয়োজনে শরীরের সব রক্ত দেব আপনাদের জন্য। পৌরবাসীর জন্য কাজ করব জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত।

    পাঁচটি পৃথক সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক মন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের ছেলে আজিজুস সামাদ আজাদ ডন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন, মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহিদ উদ্দিন চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু ও সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।

    জাহাঙ্গীর কবির নানক

    এক নম্বর ওয়ার্ডের উমেদনগরবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন নিম্বর মিয়া। উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবীর রেজা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহী, কবির মিয়া, ইউনুছ মিয়া, আব্দুল হান্নান, সজলু খান, কদ্দুস মিয়া, হাজী সজিব আলী, কমরু খান, আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

    দুই ও তিন নম্বর ওয়ার্ডবাসীর উদ্যোগে চৌধুরী বাজারের নারিকেল হাটার সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু। পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম, বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, আব্দুর রকিব রনি, ফয়জুর রহমান রবিন।

    সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল এবং ফরহাদ হোসেন কলির যৌথ পরিচালনায় চার নম্বর ওয়ার্ডবাসীর উদ্যোগে নাতিরাবাদ খেলার মাঠে বক্তব্য রাখেন জর্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক কামিশনার সামছু মিয়া, আব্দুল খালেক টেনু, শেখ হান্নান, মুগল মিয়া, নিতেন্দ্র সূত্রধর প্রমুখ।

    আট ও নয় নম্বর ওয়ার্ডবাসীর উদ্যোগে শায়েস্তানগর তেমুনিয়া বাজারে সভায় সভাপতিত্ব করেন শায়েস্তানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শহিদুর রহমান লাল। বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আবুল ফজল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান, চুনারুঘাট পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র সাইফুল আলম রুবেল, কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতা এসএম মিছির আলী, সৈয়দা সানজিদা মহসিন, অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান প্রমুখ।

    হবিগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে পৌর বাস টার্মিনালে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মটর মালিক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুর রহমান চৌধুরী। জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সজিব আলীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শঙ্খ শুভ্র রায়, হাজী জিতু মিয়া, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন খান, ট্রাক ও ট্যাংক লড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আওলাদ মিয়া, আজিজুর রহমান, দিয়ারিছ মিয়া, সাইদুর রহমান প্রমুখ।