Category: হবিগঞ্জ

  • সৈয়দ আবুল মকসুদ এর মৃত্যুতে মানব সেবা সামাজিক সংগঠনের শোক বিবৃতি

    সৈয়দ আবুল মকসুদ এর মৃত্যুতে মানব সেবা সামাজিক সংগঠনের শোক বিবৃতি

    প্রখ্যাত কলামিস্ট, গবেষক, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও লেখক, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি সৈয়দ আবুল মকসুদ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

    মানবসেবা সামাজিক সংগঠন, হবিগঞ্জ এর সভাপতি ফরহাদ আহমেদ চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক শরীফ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মৃদুল কান্তি রায় এক যৌথ শোক বিবৃতিতে সৈয়দ আবুল মকসুদ মৃত্যুতে তাঁর কর্মময় জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছেন।

    সৈয়দ আবুল মকসুদ দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে কাজ করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

    পরবর্তিতে তিনি বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছেন। যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো উল্লেখ করেন- অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল চিন্তাবিদ সৈয়দ আবুল মকসুদ এঁর আকস্মিক মৃত্যুতে দেশ ও জাতির জন্য অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, পরিজন ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছি।

  • মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী কমরেড নলিনী ব্যানার্জীর অবদান অবিস্মরণীয়

    মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী কমরেড নলিনী ব্যানার্জীর অবদান অবিস্মরণীয়

    আমাদের কাছ থেকে একে একে চিরবিদায় নিচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী সহ মুক্তিযোদ্ধারা। তাই আগামীতে মুক্তিযুদ্ধের, স্বাধীনতার ও মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাস ও তাদের নাম অক্ষুণ্ন রাখতে এবং ঘরে ঘরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করতে অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা সহ মুক্তিযুদ্ধের সহযোগীদের অবদান মূল্যায়ন করে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া একান্ত প্রয়োজন।

    এরই ধারাবাহিকতায়, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ পৌরসভাধীন সরাপনগর (গঞ্জেরহাটি) গ্রামের বাসিন্দা তৎকালীন ন্যাপ ( মোজাফ্ফর) নেতা ও কুলিন ব্রাহ্মণ কমরেড নলিনী কান্ত ব্যানার্জী’, দীর্ঘ ৯ মাস ব্যাপী স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সারা দিয়ে নিজের জীবন বাজি রেখে যে অবদান রেখেছিলেন, নিম্নে তা-ই ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত হইল।

    ১৯৭১ ইং সনে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক ও হোমিওপ্যাথ চিকিৎসক কমরেড কৃপেন্দ্র কিশোর বর্মন এর নেতৃত্বে ৫১ জন সদস্য, এরমধ্যে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও আওয়ামীলীগ নেতা ডাঃ যামিনী কুমার দাস এর নেতৃত্বে কমান্ডার ইলিয়াছ চৌধুরী, কমান্ডার ফজলুর রহমান চৌধুরী, কমান্ডার গিয়াস উদ্দিন ও ন্যাপ (মোজাফ্ফর) নেতা কমরেড নলিনী কান্ত ব্যানার্জী এর নেতৃত্বে আজমিরীগঞ্জ গরুর বাজার মাঠে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

    পর্যায়ক্রমে ট্রেনিং প্রাপ্ত মোট ৮০ থেকে ৯০ জনের মধ্যে কমান্ডার গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধা কমরেড কৃপেন্দ্র কিশোর বর্মনের নেতৃত্বে ওলিউর নবী বর্ধন, রফিক আহমেদ, ডাঃ যামিনী কুমার দাস ও কমরেড নলিনী কান্ত ব্যানার্জী, মোট- ১৮ টি রাইফেল, ২ টি রিভলভার ও ২ বাক্স গুলি আজমিরীগঞ্জ থানা থেকে উদ্ধার করেন।

    পর কমান্ডার গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে আওয়ামীলীগ নেতা ডাঃ যামিনী কুমার দাস এর বাসভবনের সামনে থেকে উপরোল্লিখিত নেতৃবৃন্দের উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও শুকনো খাবার ট্রেনিং প্রাপ্ত প্রত্যেকের হাতে তুলে দেন। পর সবার পক্ষ থেকে আওয়ামীলীগ নেতা ডাঃ যামিনী কুমার দাসের জ্যেষ্ঠ পুত্র জয়ন্ত কুমার দাস তাদের প্রত্যেকের গলায় ফুলের মালা পড়িয়ে দেয় ও উপস্হিত নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্তক্রমে তাদের সবাইকে হবিগঞ্জে কমান্ডেন্ট মানিক চৌধুরীর নিকট প্রেরণ করা হয়।

    এদিকে দেশের বিভিন্ন স্হানে পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমনে দিশেহারা হয়ে পরে আপামর বাঙ্গালী জনতা । নানা এলাকা থেকে আজমিরীগঞ্জে আসতে শ্ররু করে নারী- পুরুষ, শিশু, আবাল, বৃদ্ধ ও বনিতা। উল্লেখিত নেতৃবৃন্দগণ অর্থ তহবিল সংগ্রহ করা সহ স্হানীয় পাতিল বাজারে একটি লঙ্গরখানার আয়োজন করেন। এক সময় পাকহানাদার বাহিনী আসার খবরে সকলেই এদিক ওদিক ছুঁটতে থাকে।

    পুরো আজমিরীগঞ্জ এক সময় জনশূন্য হয়ে পড়ে। আজমিরীগঞ্জ সদরের বাজার সংলগ্ন কালীপ্রসন্ন চৌধুরী ( কালীবাবু)’র বাড়িতে আশ্রয় নেয় কয়েকশত পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনীর সদস্যরা। পাকসেনারা ওই বাড়ির বড় দালনটিতে ক্যাম্প স্হাপন করে ও সামনের সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন স্হানে মাটি খনন করে ব্যাংকার তৈরি করে। দূরে শত্রুপক্ষের উপর দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে সীমানা দেয়ালের নানাস্থানে ফুটো করে রাখে।

    এদিকে কমরেড নলিনী কান্ত ব্যানার্জী কুুুলিন ব্রাহ্মণ হিসেবে সব সময় সাদা ধূতি পরিধান করতেন। সুনামগঞ্জের শাল্লার ছোটআব্দা নামক গ্রামে নিজ স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ৩ মেয়েকে নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে আসার পথে একদল সাহসী ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সহিত সাক্ষাৎ হয়, তারা উনাকে ধূতি পরনের পরিবর্তে আকাশী রংয়ের একটি লুঙ্গি দেন। কমরেড নলিনী কান্ত ব্যানার্জী অনর্গল উর্দূতে কথা বলতে সক্ষম বিধায় পাক বাহিনীর অবস্হান, পরিকল্পনা ও বিভিন্ন খবরাখবর এনে দেয়ার অনুরোধ করেন ওই মুক্তিযোদ্ধা দলটি।

    কালীবাবুর বাড়ি থেকে পাকসেনারা চলে গেছে, এ খবর পেয়ে ক্যাম্প সংলগ্ন নিজ বাড়িতে আসেন উনি। হাড়িতে রান্না করার এক পর্যায়ে হঠাৎ খবর এলো, পাকসেনারা আসছে। রান্না ফেলে রেখে বাড়ির আঙ্গিনায় আসতেই তাদের অর্থাৎ পাকসেনাদের সহিত সামনাসামনি। অনর্গল উর্দূ ভাষায় কথা বলতেে পারার কারণে পাকসেনারা কমরেডকে তাদের সঙ্গে করে নিয়ে যান, সরাপনগর (গঞ্জেরহাটি) গ্রামের কালীবাবুর মালিকাধীন রাইস মিল চত্বরে।

    পাকবাহিনীর সদস্যরা সংলগ্ন এলাকার পুকুরপাড়, সমীপুর, জগৎপুর ও কুমারহাটি গ্রামের ঘরবাড়িতে অগ্নি সংযোগের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ল, ” ক্যায়া ইয়ে গাওয় ও কা সবিলোগ হিন্দু হ্যায়? ” উনি উত্তরে বললেন, নেহি ইয়ে সব গাওয় কা সবি লোগ মুসলিম হ্যায়। আরও অনেক কথা আলোচনার পর বিশ্বাস হলে, এ সব গ্রামের ঘরবাড়িতে আর অগ্নিসংযোগ করেনি পাকবাহিনী।

    কমরেড নলিনী কান্ত ব্যানার্জী, পাক হানাদার বাহিনীর অবস্হান ও পরিকল্পনার সংবাদ একটি মক্তিযোদ্ধা দলকে দিতে বদলপুরের পাহাড়পুর বাজারে যান। যথারীতি খবরও পৌঁছান। এর পরদিন একটি গানবোট ও ৪ টি স্প্রীডবোট নিয়ে ওই বাজার ও সংলগ্ন কয়েকটি গ্রামে অগ্নিসংযোগ করতে যায় পাকহানাদার বাহিনীর সদস্যরা।

    কমরেড নলিনী কান্ত ব্যানার্জী স্প্রীডবোটে থাকা পাক সেনা অফিসারকে নানাভাবে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে পাহাড়পুর থেকে বিদায় করে দেন। এর ঘন্টা খানেক পরই ওই এলাকার মাকালকান্দি গ্রামের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ সহ নারকীয় হত্যাকান্ড ঘটান বর্বর হানাদার বাহিনী। যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে পাকসেনাদের ক্যাম্প সংলগ্ন সরাপনগর (গঞ্জেরহাটি) গ্রামের বাসিন্দা কটু দাসের স্ত্রী মেঘার মাকে কালীবাবুর বাড়ির সেনাক্যাম্পে আটক করে পাকহানাদার বাহিনী।

    তার উপর বর্বর নির্যাতন চালায় তারা। খবর পেয়ে সেনাক্যাম্প থেকে উদ্ধার করে কাকাইলছেওয়ে চিকিৎসা সহ নিরাপদ স্হানে নিয়ে যান ওই কমরেড। এর একমাস পর একই গ্রামের বাসিন্দা লক্ষীকান্ত কুরির স্ত্রী সোমালতি কুরি’কে পাকসেনারা আটকের চেষ্টা করে।

    একই সময় তাকেও উদ্ধার করে নিরাপদ স্হানে নিয়ে যান ওই কমরেড। এ ছাড়াও মহান মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৯ মাস বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা দলের নিকট পাকহানাদার বাহিনীর অবস্হান পর

  • মাধবপুরে উৎসব দেখানোর কথা বলে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ

    মাধবপুরে উৎসব দেখানোর কথা বলে গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণ

    জুয়েল চৌধুরীঃ মাধবপুরে উৎসব দেখানোর কথা বলে এক নারী গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার রাত ১০টার দিকে নোয়াপাড়া চা বাগানে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    ধর্ষণের শিকার ওই গার্মেন্টসকর্মীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নারী গার্মেন্টস কর্মীর পিতা গতকাল মঙ্গলবার সকালে মাধবপুর থানায় একটি মামলা করেছেন।

    অভিযুক্ত যুবক নোয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিক বলে জানা গেছে৷

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সনত কুমার বলেন, ‘ওই গার্মেন্টসকর্মী সোমবার নোয়াপাড়া একটি কারখানা থেকে ছুটি শেষে বাড়ি যাচ্ছিলেন। যাবার পথে একই কারখানার নোয়াপাড়া চা বাগানের এক শ্রমিক তার বাড়িতে উৎসব দেখানোর কথা বলে তাকে (নারী গার্মেন্টস কর্মীকে) তার (যুবকের) বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে রাত ১১ টার দিকে অপর দুজনের সহযোগীতায় ঘরে আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করে। তার (গার্মেন্টসকর্মী) চিৎকারে স্থানীয় দুলাল চৌকিদারের সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।’

    মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এ ঘটনায় মাধবপুর থানায় মামলা হয়েছে। ভিকটিমের ২২ ধারা জবানবন্দি গ্রহণের জন্য হবিগঞ্জ বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়। এছাড়া ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

  • শহরের সিনেমা হল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে যুবককে পিটিয়ে আহত

    শহরের সিনেমা হল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে যুবককে পিটিয়ে আহত

    শহরের সিনেমা হল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে শান্ত মিয়া (২৪) নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে শহরের ইনাতাবাদ এলাকার আলী হোসেনের পুত্র। জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সিনেমা হল এলাকার এক যুবকের সাথে শান্ত মিয়ার তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কয়েকজন যুবক তাকে ধরে নিয়ে দোকানে বেধে সাটার লাগিয়ে পিটিয়ে আহত করে।

    স্থানীয় লোকজন আহত যুবকের চিৎকারে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

  • ফৌজদারি আদালত প্রাঙ্গণে পঁচাবাসি খাবার বিক্রি

    ফৌজদারি আদালত প্রাঙ্গণে পঁচাবাসি খাবার বিক্রি

    হবিগঞ্জ শহরের পুরাতন ফৌজদারি আদালত এলাকায় বিভিন্ন রেস্তোরায় পঁচাবাসি খাবার বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এসব খাবার খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

    আদালত এলাকা হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। কিন্তু এখানে খোলা আকাশের নিচে পচঁাবাসি খাবার বিক্রির ফলে মানুষের ক্ষোভের শেষ নেই।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন আইনজীবি ও তাদের সহকারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মহরার লাইব্রেরী সংলগ্ন ছাপটা ঘর তৈরি করে এসব পচঁাবাসি খাবার বিক্রি করা হচ্ছে।

    খাবারের মধ্যে রয়েছে ভাত, তরকারি, সিঙ্গারা, পরোটা, পুরি, সুজি ইত্যাদি। আরও অভিযোগ রয়েছে এসব খাবার তৈরির উপকরণ পাশের পুকুরের ময়লা পানিতে ধুয়া হয়। অনেক সময় দেখা যায় এসব ঢাকনাবিহীন থাকে। আর এগুলোর উপর মশা, মাছি বসে।

    আইনজীবি সমিতির পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করার পরও আদেশ অমান্য করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব খাবার দেদারছে বিক্রি করছে আনোয়ার ও হাসান মিয়া। প্রতিদিন গ্রামগঞ্জ থেকে সহজ-সরল বিচারপ্রার্থীরা এসে ক্ষুদা নিবারণে এসব খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

    গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অনেক লোকই এসব অস্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন। এ বিষয়ে এনডিসি শাহ জহুর হোসেন জানান, মহামারী করোনার মাঝে এমনিতেই রোগ বালাই দেখা দিচ্ছে। আবার পঁচাবাসি খাবার বিক্রির ফলে রোগ বালাই দেখা দিবে।

    তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন জরুরি ভিত্তিতে। অপরদিকে ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবুও আপনার মাধ্যমে জেনেছি। অচিরেই সরেজমিনে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • দলের সিদ্ধান্ত না মেনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা বেয়াদব- হবিগঞ্জে জাহাঙ্গীর কবির নানক

    দলের সিদ্ধান্ত না মেনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা বেয়াদব- হবিগঞ্জে জাহাঙ্গীর কবির নানক

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন-দলের সিদ্ধান্ত না মেনে যারা পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা চরম বেয়াদব। যিনি আমাদের মা সমতুল্য। যিনি তার পিতা মাকে হারিয়ে ভোট ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে গেছেন। সেই শেখ হাসিনাকে যারা বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখায় সেই বেয়াদবদেরকে কি ভোট দেবেন এমন প্রশ্ন উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে রাখেন তিনি।

    তিনি বলেন- বেয়াদব সন্তানদের যেমন কেউ পচন্দ করেন না। তেমনি আওয়ামীলীগ বেয়াদবদের পচন্দ করে না। আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্ত যারা বর খেলাপ করেছেন তারা আর কখনও নৌকার মনোনয়ন পাবেন না। তারা আওয়ামীলীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিস্কার হবেন।

    আজ বিকেলে তিনি হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে ৫টি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন-হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম আওয়ামীলীগের পরিক্ষিত সৈনিক। জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন নৌকায় ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করলে হবিগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নের দায়িত্ব তিনি নেবেন। তিনি আতাউর রহমান সেলিমকে নৌকায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

    পথসভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন সফিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় আওয়ামীগ সদস্য হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হুসেন চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহিদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজনাহুর রহমান,মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমূখ৷

    সভাগুলো পরিচলনা করেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।

  • “কব” হবিগঞ্জ টিমের পিঠা উৎসব সম্পন্ন

    “কব” হবিগঞ্জ টিমের পিঠা উৎসব সম্পন্ন

    ২৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাধীন বাগুনীপাড়া গ্রামে ‘কব’ এর পিঠা উৎসব সম্পন্ন হয়।

    কন্ট্রিবিউশন ফর বাংলাদেশ টিম হবিগঞ্জের সকল মেম্বারদের উপস্থিতে, জাঁকজমকপূর্ণ এক মাহিন্দ্রক্ষণ অনুষ্টানের মধ্য দিয়ে “কেক ইন্ডলেস” এর সহযোগিতায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বাগুনীপাড়া গ্রামে মাদরাসাতুল মদিনার শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দ ভাগাভাগির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে কন্ট্রিবিউশান ফর বাংলাদেশ (কব)’র পিঠা উৎসব।

    এদিকে কোয়াশায় ঘেরা সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন “কব” হবিগঞ্জের টিম লিডার নাসির হোসাইন তানভীর।

    এরপরে মাদরাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে পিঠা উৎসব শুরু হয়। এতে সহযোগিতা করে কেক ইন্ডলেস নামে একটি অনলাইন কেক প্রতিষ্ঠান। এবং পুরো অনুষ্টান জুরে সহযোগিতা করেন লায়ন ক্লাব নামে একটি স্থানীয় সামাজিক সংগঠন।

    সমাজকর্মী তাসলিমা আক্তার বলেন,এরকম মহৎ কাজে নিজেকে জড়িত পরতে পেরে আমি আনন্দিত।