Category: হবিগঞ্জ

  • নবীগঞ্জের শাখাবরাক নদীর পানি প্রবাহ বন্ধ করে কালভার্ট নির্মাণ

    নবীগঞ্জের শাখাবরাক নদীর পানি প্রবাহ বন্ধ করে কালভার্ট নির্মাণ

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের নাদামপুর নামকস্থানে শাখাবরাক নদীতে পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ব্যাহত হবে নৌকা চলাচল। এনিয়ে এলাকার লোকজনের মধ্যে পক্ষে বিপক্ষে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ সরকার দেশের নদ নদী দখলমুক্ত করে খননের উদ্যোগ নিলেও শাখাবরাক নদী দখল করে প্রশাসনের চোখে আঙ্গুল দিয়ে কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে করে হুমকির মুখে পড়বে নদীটি। তবে কে বা কারা নদী ভরাট করে কালভার্ট নির্মাণ করছেন তা জানা যায়নি।

    নাদামপুর গ্রামের সুন্দর আলী বলেন, “রাজনৈতিক একটি অপশক্তি নদী উপর ব্রীজ নির্মান না করে কালভার্ট নির্মাণ করছেন। এই কালভার্ট নির্মাণ হলে বর্ষামৌসুমে জমি থেকে বোরো ধান নৌকাযোগে বাড়ীতে নিয়ে আসা সম্ভব হবে না। কারন এই কালভার্টের ভেতর দিয়ে ছোট ডিঙি নৌকা চলাচলে অসুবিধা হবে।”

    সেলিম নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, “নদী ভরাট করে পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে এখানে কালভার্ট নির্মাণ করার মানে হয় না। এভাবে আমাদের নদী বিলীন হতে দেওয়া যায় না। এই নদী দিয়ে এক সময় চলতো স্টীমার, জাহাজসহ বিশাল আকারের নৌকা। নদীর পাড়ের অধিকাংশ জায়গা চলে গেছে ভূমিখেকুদের দখলে”

    স্থানীয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সিদ্দিক জানান, “কে বা কারা শাখাবরাক নদীতে কালভাট নির্মান করাচ্ছে তা জানিনা। এটা আমার পরিষদের কাজ নয়, তবে অপরিকল্পিত কালর্ভাট নির্মান কাজ বন্ধ রাখার দাবি জানাচ্ছি।

  • সাতছড়ি থেকে ১৮টি রকেট লঞ্চারের গোলা উদ্ধার

    সাতছড়ি থেকে ১৮টি রকেট লঞ্চারের গোলা উদ্ধার

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ৭ম দফায় আবারও অভিযান চালিয়ে ১৮টি রকেট লঞ্চারের গোলা উদ্ধার করেছে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    বুধবার সকাল ১১টায় বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল সামিউন্নবী চৌধুরী প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

    লেঃ কর্ণেল সামিউন্নবী চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা উদ্যানের ভেতরে নজর রাখছিলাম। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করি। সেই ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গহীণ অরণ্য থেকে লঞ্চারগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব করা হয়নি। এছাড়া কয়েকজনের গতিবিধি লক্ষ করে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করলেও কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলেও জানান তিনি।

    এর আগে মঙ্গলবার দুপুর থেকে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গহীন অরণ্যে অভিযান চালায় বিজিবি’র সদস্যরা। রাতভর অভিযানের ফলে এগুলো উদ্ধার হয়।

    প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় সেক্টর কমান্ডার তুহিন মাসুদসহ বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, একটি বেটাগান, ছয়টি এসএলআর, একটি অটোরাইফেল, পাঁচটি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‌্যাব।

    এরপর আবারো ওই বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে চতুর্থ দফার প্রথম পর্যায়ে উদ্যানের গহিন অরণ্যে মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগাজিন, ২৫০ গুলির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, ত্রি নট ত্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্ত লের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।

    ৫ম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়। সবশেষ ৬ষ্ট দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশকিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

  • হবিগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন ২০২১ অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন ২০২১ অনুষ্ঠিত

    আজ সকাল ৮ ঘটিকায় নিমতলা কালেক্টরেট প্রাঙ্গনে জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আয়োজনে হবিগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন ২০২১ অনুষ্ঠিত হয়।

    হবিগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন ২০২১ অনুষ্ঠিত

    উক্ত ম্যারাথনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এই ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, বিজিবির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ, ক্রীড়াবিদসহ জেলার সর্বস্তরের মানুষ।

    হবিগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন ২০২১ অনুষ্ঠিত

    ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীগণ নিমতলা কালেক্টরেট প্রাঙ্গন হতে দৌড় শুরু করেন এবং হবিগঞ্জ শহর প্রদক্ষিণ করে ৫ কিমি ব্যাপী ম্যারাথন সম্পন্ন করেন।

  • মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের সাথে আওয়ামী পরিবারের শুভেচ্ছা বিনিময়

    মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের সাথে আওয়ামী পরিবারের শুভেচ্ছা বিনিময়

    হবিগঞ্জ পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিমকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

    গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি’র বাসভবনে এ শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।

    এ সময় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মোতালিব ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুল মুকিত, লোকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস, লস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস, গোপায়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেনসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও সদর মাইক্রোবাস কমিটি, ট্রাক মালিক সমিতি, জেলা শ্রমিক লীগের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন ইউনিটের পক্ষ থেকে নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিমকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র একজন কর্মী হিসেবে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে এসেছি। পরিচ্ছিন্ন শহর গড়ার ওয়াদা ছিল নির্বাচনী ইশতেহারেও। এর ধারাবাহিকতায় আমি আমার নিজের পোস্টার নিজেই অপসারণে নেমেছি। পৌরবাসীকে পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেয়ার স্বার্থে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যদেরকেও তাঁদের পোস্টার অপসারণ করে নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
    – আতাউর রহমান সেলিম

  • বহুলা বাগান বাড়ি থেকে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

    বহুলা বাগান বাড়ি থেকে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলা বাগান বাড়ি থেকে সৈয়দ আলী (৫০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৯।

    এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।

    গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল র‌্যাব-৯ এর একটি দল স্থানীয় সোর্সদের সহযোগিতায় বাগান বাড়ি থেকে তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

    এ ঘটনায় র‌্যাব বাদি হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছে। সৈয়দ আলী বহুলা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের পুত্র।

  • সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজারকে অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার

    সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজারকে অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার

    জুয়েল চৌধুরীঃ চুনারুঘাটে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ভারতীয় চোরাই পণ্য পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার ঘটনায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজারকে অপহরণ করেছে একদল দুর্বৃত্ত। ৭ ঘণ্টা পর অবশেষে অভিযান চালিয়ে চা বাগান থেকে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টায় চুনারুঘাট সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার পানু মোদক (২৮) কে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    তার সাথে থাকা ভাই চুনারুঘাটের পশ্চিম পাকুরিয়া গ্রামের শ্রী মোহন মোদকের পুত্র উকিল মোদক জানান, “দীর্ঘদিন ধরে তার ভাই সততার সাথে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি আশরাফুল ইসলাম জুয়েল নামে এক ব্যবসায়ী একটি প্যাকেট এনে কুরিয়ার করেন।”

    “প্যাকেটের প্রেরকের নাম হচ্ছে গ্রীণ এন্টার প্রাইজ চুনারুঘাট এবং প্রাপকের ঠিকানা দেয়া হয় ঢাকার একটি এন্টার প্রাইজকে। ওইদিন বিকালে চুনারুঘাট থেকে নতুন ব্রীজ সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে প্যাকেটটি আসার পর তাদের সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে প্যাকেটটি খুলে দেখেন ভারতীয় চা পাতা ও বোম তৈরির পাউডার।”

    “এ সময় তারা জুয়েলকে খবর দিলে সে এসে তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে চুনারুঘাট থানা পুলিশ এসে প্যাকেটটি জব্দ করে নিয়ে যায়। এতে জুয়েল আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার সময় তার ভাই পানু মোদককে জুয়েলসহ অজ্ঞাত দুই জন লোক চুনারুঘাট সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের অফিস থেকে ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে জানাজানি হলে ক্ষোভ দেখা দেয়।”

    সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের চুনারুঘাট শাখার মালিক ফজলু মিয়া চুনারুঘাট থানায় খবর দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আমতলি কাপাইছড়া চা বাগান থেকে সন্ধ্যা ৬ টায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পানু মোদককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

    এদিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশরাফুল ইসলাম জুয়েল ও সিএনজি চালককে আটক করে।

    চুনারুঘাট থানার ওসি আলী আশরাফ জানান, আটক দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ছাড়া ভিকটিমের জ্ঞান ফিরলে জবানবন্দি নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বিয়ে করার দেড় মাসের মাথায় নববধূকে মুখ বিষ ঢেলে হত্যার চেষ্টা

    বিয়ে করার দেড় মাসের মাথায় নববধূকে মুখ বিষ ঢেলে হত্যার চেষ্টা

    হবিগঞ্জ শহরে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার দেড় মাসের মাথায় নববধূকে মুখ বিষ ঢেলে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন। অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে তাকে রেখে পালিয়ে গেছে তারা। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় আলোচনার ঝড় বইছে।

    জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা বর্তমানে কোর্ট স্টেশন চাষি বাজারের পাহারাদার রফিক মিয়ার কন্যা সাকিবা খানম (২০) এর সাথে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় ছোট বহুলা গ্রামের নুরুল আমিনের পুত্র রফিকুল হাসান দিপুর। এক পর্যায়ে দুজনের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ১২ জানুয়ারি সাকিবা ও দিপু পালিয়ে গিয়ে হবিগঞ্জ কোর্টে এফিডেভিট করে বিয়ে করে।

    এদিকে সাকিবাকে তার পিতা শ্বশুর বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন ঘর সংসার করার পর দিপু ও তার পিতা নির্যাতন শুরু করে। এক পর্যায়ে গত সোমবার রাতে সাকিবার মুখে বিষ ঢেলে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়।

    এতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে স্বামী ও শ্বশুর এবং চাঁন মিয়ার পুত্র সহিদ মিয়াকে সাকিবাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করে ওষুধ আনার কথা বলে পালিয়ে যায়।

    সদর থানার ওসি বলেন, কোনো অভিযোগ পাইনি। ফেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।