Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে চলছে হেফাজতের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন

    হবিগঞ্জে চলছে হেফাজতের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন

    হেফাজতে ইসলামের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে হবিগঞ্জ জেলাজুড়ে সারাদেশের মতো চলছে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল। আজ রবিবার (২৮ মার্চ) হবিগঞ্জ শহর সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় হেফাজতের নেতা কর্মীরা এই হরতাল পালন করছেন৷ তবে সড়কে ও দোকানপাটে এর তেমন প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

    হবিগঞ্জ শহরের ধুলিয়াখাল, উমেদনগর সহ বিভিন্ন পয়েন্টে হেফাজতের কর্মীরা অবস্থান নিয়ে হরতাল পালন করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে চলছে পুলিশের শক্তিশালী টহল। দোকানপাট ও গাড়ী চলাচল মোটামোটি স্বাভাবিক থাকলেও বেশ জোরেসরোই বিভিন্ন উপজেলায় হরতাল পালন হচ্ছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

    হবিগঞ্জে চলছে হেফাজতের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন

    উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ হেফাজত আমিরের পক্ষে ঢাকা মহানগর হেফাজতের সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হক হরতালে কর্মসূচি ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররম, হাটহাজারীসহ সারাদেশে আন্দোলনরতদের ওপর হামলা ও পাঁচ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচিও ঘোষণা করে হেফাজত।

    পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনে শনিবার (২৭ মার্চ) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে বিক্ষোভ করে হেফাজতে ইসলাম। তবে তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বাধা দেয়নি পুলিশ। সেখানে হেফাজতের মহাসচিব নূরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, বায়তুল মোকাররমে বর্বর হামলা করে রক্ত ছড়িয়েছে। আমরা বাধ্য হয়েছি হরতাল দিতে।

    সমাবেশে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বলেন, জনতা মাঠে নামলে হেলমেট বাহিনী পালানোর পথ পাবে না। আমরা স্বাধীনতা দিবসে কোনও কর্মসূচি দেইনি। কিন্তু হরতাল দিতে বাধ্য হয়েছি। হরতালে বাধা দিলে গোটা বাংলাদেশে আবার যুদ্ধ হবে।

    এদিকে হরতালের সমর্থনে শনিবার দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্ষোভ করেছে হেফাজত কর্মীরা। শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে অন্তত পাঁচ জন হেফাজতকর্মী নিহত হন। বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর এবং সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় পৃথক সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়।

    হেফাজতে ইসলামের ডাকা রবিবারের (২৮ মার্চ) হরতালে ঢাকা শহর ও শহরতলী এবং আন্তঃজেলা রুটে বাস, মিনিবাস চলাচল অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ। শনিবার (২৭ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ তথ্য জানান।

  • বাহুবলে কাপনের কাপড় পড়ে হরতাল পালন করছে হেফাজত

    বাহুবলে কাপনের কাপড় পড়ে হরতাল পালন করছে হেফাজত

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরবিরোধী বিক্ষোভে হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জের বাহুবলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতা–কর্মীরা হরতাল পালন করছে। রোববার (২৮ মার্চ) সকাল ৬টা থেকে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের মৌচাক নামক স্থান অবরোধ করে তারা এ হরতাল পালন করছে। এ সময় কিছু নেতা কর্মীদের কাপনের কাপড় পড়ে মহাসড়ক অবরোধ করতে দেখা যায়।

    এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাওলানা আব্দুল খালিক ও মাওলানা আজিজুর রহমান মানিক। এ সময় হরতাল পালনে কোনো ধরনের বাধা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

    গত ২৬ মার্চ হেফাজত আমিরের পক্ষে ঢাকা মহানগর হেফাজতের সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হক হরতালে কর্মসূচি ঘোষণা করেন। বাংলাদেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররম, হাটহাজারীসহ সারাদেশে আন্দোলনরতদের ওপর হামলা ও পাঁচ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচিও ঘোষণা করে হেফাজত।

    পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনে শনিবার (২৭ মার্চ) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে বিক্ষোভ করে হেফাজতে ইসলাম। তবে তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বাধা দেয়নি পুলিশ। সেখানে হেফাজতের মহাসচিব নূরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, বায়তুল মোকাররমে বর্বর হামলা করে রক্ত ছড়িয়েছে। আমরা বাধ্য হয়েছি হরতাল দিতে।

    সমাবেশে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বলেন, জনতা মাঠে নামলে হেলমেট বাহিনী পালানোর পথ পাবে না। আমরা স্বাধীনতা দিবসে কোনও কর্মসূচি দেইনি। কিন্তু হরতাল দিতে বাধ্য হয়েছি। হরতালে বাধা দিলে গোটা বাংলাদেশে আবার যুদ্ধ হবে।

    এদিকে হরতালের সমর্থনে শনিবার দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্ষোভ করেছে হেফাজত কর্মীরা। শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে অন্তত পাঁচ জন হেফাজতকর্মী নিহত হন। বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর এবং সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় পৃথক সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়।

    হেফাজতে ইসলামের ডাকা রবিবারের (২৮ মার্চ) হরতালে ঢাকা শহর ও শহরতলী এবং আন্তঃজেলা রুটে বাস, মিনিবাস চলাচল অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ। শনিবার (২৭ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ তথ্য জানান।

  • হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদে ক্লাবের নিন্দা ও ক্ষোভ

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদে ক্লাবের নিন্দা ও ক্ষোভ

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ২ জন সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানীকর সংবাদ প্রকাশ করায় প্রেসক্লাবের সভায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

    গত ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ক্লাব সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদের সভাপতিত্বে এক জরুরী বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় হবিগঞ্জ থেকে নতুন প্রকাশিত দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকাতে গত ২৪ মার্চ বুধবার প্রথম পাতায় প্রেসক্লা্ের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ফজলে রাব্বি রাসেল এর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়া, কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে। যা একজন সাংবাদিকের জন্য ক্ষতির সম্মুখিন ও সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতার অবক্ষয় বটে।

    এ ধরনের সংবাদ সমাজ ও দেশের জন্য লজ্জা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য মারাত্মক হুমকির স্বরূপ বলে সাংবাদিকরা মনে করেন।

    এছাড়া প্রেসক্লাব সদস্য আনিসুজ্জামান চৌধুরী রতনকে জরিড়য়ে গত ১৬ মার্চ প্রথম পাতায় ঐ প্রত্রিকাটি উদ্দেশ্যমুলক মিথ্যা ও মানহানীকর সংবাদ প্রকাশ করে। যা সাংবাদিকদের কাজে বাধাঁর সৃষ্টি বলে মনে করেন উপস্থিত সকল সদস্যগণ। এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানীকর সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোব প্রকাশ করেন তারা।

    সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, মোঃ ফজলুর রহমান, রুহুল হাসান শরীফ, হারুনুর রশিদ চেধুরী, মোহাম্মদ নাহিজ, গোলাম মোস্তফা রফিক, শফিকুল আলম চৌধুরী, এখলাছুর রহমান খোকন, শাহ্ ফখরুজ্জামান, সায়েদুজ্জামান জাহির, চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, রাশেদ আহমেদ খান, শরীফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, শাকিল চৌধুরী, প্রদীপ দাশ সাগর, এস এম সুরুজ আলী, মঈন উদ্দিন আহমেদ, জাকারিয়া চৌধুরী, মোঃ ছানু মিয়া,আশরাফুল ইসলাম কহিনুর, আব্দুল হালীম, মুজিবুর রহমান, আনিসুজ্জামান চৌধুরী রতন, এস.এম ফজলে রাব্বী রাসেল, সুকান্ত গোপ, মোঃ কাউছার আহমেদ, এস.এম. আজিজ সেলিম, মোঃ সাইফুর রহমান তারেক, মোঃ আজহারুল ইসলাম মুরাদ, মোহাম্মদ নায়েব হোসাইন।

  • মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা – আবু জাহির

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা – আবু জাহির

    বাঙালি জাতিকে পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্ত করার জন্য স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি দেশকে স্বাধীন করে উন্নতির দিকে নেয়ার জন্য পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীরা তাঁকে সপরিবারে হত্যা করলো। তবে ভাগ্যক্রমে হত্যাকান্ড থেকে বেঁচে যাওয়া বঙ্গবন্ধু কন্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

    তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। বাঙালিকে ভিক্ষুক জাতির অপবাদ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। তলাবিহীন ঝুঁড়ি হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশকে এনে দিয়েছেন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা।

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গত ২৬ ও ২৭ মার্চ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    এমপি আবু জাহির বলেন, মহান স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে বিশ্বের বড় বড় দেশের প্রধানমন্ত্রীগণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনেকে এসে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এবারের স্বাধীনতা দিবস বাঙালি জাতির জন্য অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। তাই আসুন এ দিবসকে সামনে রেখে সকলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সরকারের বৈপ্লবিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সামিল হই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে নিয়ে যাই উন্নতির অনন্য উচ্চতায়।

    তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বলেছিলেন বঙালি জাতিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর পিতার কথাকে ধারণ করেই দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ষযড়ন্ত্র অতীতে হয়েছে, বর্তমানেও হচ্ছে। শেখ হাসিনা সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করেছেন। এমপি আবু জাহির দেশের মানুষের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনায় সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন।

    স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২৬ মার্চ হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার এবং মুক্তিযুদ্ধ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ২৭ মার্চ বাংলাদেশের এক অনন্য অর্জন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

    উভয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান। স্বাগত বক্তব্য রেখেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিজেন ব্যানার্জী। পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও পবিত্র গীতা থেকে পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নূরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, সিভিল সার্জন ডা. একেএম মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন। সভা সঞ্চালনা করেন বিয়াম ল্যাবরেটারী স্কুলের অধ্যক্ষ সৈয়দ রওশন সুলতানা।

    এর আগে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এমপি আবু জাহির উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন ও র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি মেলায় অংশ নেয়া স্টলগুলো ঘুরে দেখেন।

  • বাংলাদেশ স্বাল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হওয়ায় হবিগঞ্জে বর্ণাঢ্য শুভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ স্বাল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হওয়ায় হবিগঞ্জে বর্ণাঢ্য শুভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

    সৈয়দ সালিক আহমেদ, হবিগঞ্জ

    সম্প্রতি বাংলাদেশ স্বাল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হওয়ায় সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জ জেলায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শুভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসনের কার্যালয় (নীমতলা) প্রাঙ্গন থেকে পুলিশের একদল সুসজ্জিত ব্যান্ডদলের সুরের মোহনায় শুভাযাত্রাটি শুরু হয়ে হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী শেষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

    শুভাযাত্রার অগ্রভাগে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির, জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লা, সিভিল সার্জন ডাঃ এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম, পৌর মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মর্জিনা আক্তার, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, বিআরটিএ সহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমান, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আইরিন পারভীন ডালিয়া,ডাঃ নাসিমা খানম ইভা, উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা, জেলা আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরীসহ সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

    শুভাযাত্রা শেষে নীমতলা প্রাঙ্গনে বেলুন এবং পায়রা উড়িয়ে ২দিন ব্যাপি উন্নয়ন মেলার শুভ উদ্ভোধন করা হয়। মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে বিভিন্ন দপ্তরের সুসজ্জিত স্টল পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য অথিতিবৃন্দ।

  • হবিগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান এর সাথে সুজন নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    হবিগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান এর সাথে সুজন নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    মীর দুলাল, হবিগঞ্জঃ

    হবিগঞ্জ জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক ইশারাত জাহানের সাথে সুজন, হবিগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ (সুশাসনের জন্য নাগরিক) ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাংসদ ও প্রবীণ আইনজীবী চৌধুরী আব্দুল হাই। সুজন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি এ এস এম মহসিন চৌধুরী, জেলা সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মিজবাহুল বারী লিটন (সাবেক চেয়ারম্যান), সহ সভাপতি আঃ রকিব, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মীর দুলাল, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, আলহাজ্ব হারুন রহিম রুপজ, যুগ্ম সম্পাদক আঃ জলিল, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোতালিব তালুকদার দুলাল সহ সুজন হবিগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

  • বানিয়াচংয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আওয়ামীলীগের র‌্যালী ও জনসভা অনুষ্টিত হয়েছে

    বানিয়াচংয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আওয়ামীলীগের র‌্যালী ও জনসভা অনুষ্টিত হয়েছে

    বানিয়াচং প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বানিয়াচং উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে র‌্যালী ও জনসভা অনুষ্টিত হয়েছে।

    ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে নয়টায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধ থেকে র‌্যালীটি শুরু করে উপজেলার প্রধান কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে নেতাকর্মীরা র‌্যলী শেষ করেন।

    একই দিন বিকলি ৪টায় স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে বানিয়াচং উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জনসভা অনুষ্টিত হয়।সভায় সভাপত্বি করেন উপজেলা আওয়ামীলেিগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর হোসেন মাষ্টার। অনুষ্টান সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া।

    প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডঃ মোঃ আব্দুল মজিদ খান।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন খান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী,উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারন সম্পাদক তজাম্মুল হক চৌধুরী, আংগুর মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির তুফানী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া লিলু, ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন, হাসিনা আক্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা শেখ শাহনেওয়াজ ফুল, আসাদুর রহমান খান, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান রেখাছ মিয়া, যুবলীগ সাধারন সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, যুবলীগ সহ-সভাপতি ছাহেব আলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আশরাফ উদ্দিন সোহেল, সাধারন সম্পাদক আশরাফ চৌধুরী বাবু, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম সোহেল প্রমূখ।
    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা হাজী আবুল হোসেন, নজরুল ইসলাম, ইমান উদ্দিন, কৃষ্ণদেব, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এজেডএম উজ্জ্বল, সাধারন সম্পাদক সাইম হাসান পুলক প্রমুখ।