Category: হবিগঞ্জ

  • শহরের এলাকায় ইয়াসমিন হত্যা মামলায় স্বামীর বিরুদ্ধে রিমাণ্ডের আবেদন

    শহরের এলাকায় ইয়াসমিন হত্যা মামলায় স্বামীর বিরুদ্ধে রিমাণ্ডের আবেদন

    হবিগঞ্জ শহরের পোদ্দার বাড়ি এলাকায় ইয়াসমিন হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা ঘাতক স্বামী জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে রিমাণ্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই খুর্শেদ আলী তার বিরুদ্ধে আদালতে ৫ দিনের রিমাণ্ড আবেদন করেন।

    পুলিশ জানায়, রিমাণ্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার কারণ উন্মোচন হবে।

    জানা যায়, নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ গ্রামের এখলাছ মিয়ার মেয়ে ইয়াসমিনকে ৫ বছর আগে বিয়ে দেয়া হয় হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে জুয়েল মিয়ার সাথে। বিয়ের পর তাদের কোলজুড়ে দুইটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। নাম জিহাদ ও জিসান। সম্প্রতি জুয়েল মিয়া ওই এলাকার এক তরুণীর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি আঁচ করতে পারে ইয়াসমিন। এক পর্যায়ে শুরু হয় পারিবারিক কলহ।

    এ ঘটনার তিনমাস আগে ইয়াসমিনকে নিয়ে জুয়েল শহরের পশ্চিম ভাদৈ এলাকার রিভারভিউ খান ম্যানসনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নেয়। গত ১১ ডিসেম্বর গভীররাতে পরকিয়া প্রেমের বিষয় নিয়ে জুয়েলসহ উল্লেখিতরা ইয়াসমিনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ রান্নাঘরের জানালার গ্রিলে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়।

    সদর থানার এসআই খুর্শেদ আলমসহ একদল পুলিশ রক্তমাখা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের জিম্মায় দেয়। ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইয়াসমিনের গ্রামের বাড়িতে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

  • বানিয়াচংয়ে একটি হত্যা মামলায় প্রবাসীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১৫ জনকে খালাস

    বানিয়াচংয়ে একটি হত্যা মামলায় প্রবাসীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১৫ জনকে খালাস

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে একটি হত্যা মামলার রায়ে এক প্রবাসীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে এ মামলায় আরও ১৫ আসামিকে খালাস প্রদান করা হয়। এতে মামলার বাদি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ৪ এপ্রিল রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জের বিজ্ঞ অতিরিক্ত দায়রা জজ এসএম নাসিম রেজা এ রায় দেন। রায়ে ওই আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি সালেহ উদ্দিন আহমেদ, আসামি পক্ষে ছিলেন রুখসানা পারভীন চৌধুরী। তবে রায়ের সময় দণ্ড প্রাপ্ত আসামি তোফাজ্জল হোসেন পলাতক ছিল। এ ছাড়া অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিল।

    ওই কোর্টের পেশকার সৈয়দ গোলাম হাদি জুয়েল জানান, বানিয়াচং সদরের শেখের মহল্লা গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের সাথে একই এলাকার আব্দুল হান্নান গংদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে আসামিরা তার উপর মারাত্মকভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ২০০৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বর সকালে আসামিগণের বাড়িঘরে ইসলাম উদ্দিনকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে।

    স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন রাতেই ইসলাম উদ্দিন মারা যায়। এ ঘটনায় ইসলাম উদ্দিনের পুত্র মাঈন উদ্দিন বাদি হয়ে পরের দিন ২৩ সেপ্টেম্বর বানিয়াচং থানায় হান্নানসহ ১৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    মামলা দায়েরের পরই এ মামলার আসামি তোফাজ্জল হোসেন দুবাই চলে যায়। অপর আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে কারাভোগ করে জামিন লাভ করে। ২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি বানিয়াচং থানার তখনকার এসআই জিএম আসলামুজ্জামান চার্জশীট দাখিল করেন। ১৭ জন স্বাক্ষির স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেয়া হয়।

    এ মামলায় হান্নান মিয়া, ইসরাইল, কিলান মিয়া, আহেদ আলী, হাসেন মিয়া, হাসিম মিয়া, আজিদ, আক্তার মিয়া, লেদু মিয়া, সেতু মিয়া, হাদিস মিয়া, সামসু মিয়া, সেবুল মিয়া ও জমসেদ আলীকে খালাস দেয়া হয়। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবি ছিলেন না।

    মামলা রায়ের পর বাদি আক্ষেপ করে বলেন, এ রায়ে তিনি সন্তোষ্ট নন। শুরু থেকে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক। এ ছাড়া সকল আসামিগণ তার পিতাকে অমানসিকভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান।

    আসামি পক্ষের আইনজীবি জানান, হত্যার ঘটনা প্রমাণিত না হওয়ায় তার ১৫ জন আসামিকে বিজ্ঞ আদালত খালাস দিয়েছেন। এতে তিনি সন্তোষ্ট।

  • লাখাইয়ে ছেলের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় সাক্ষী মা

    লাখাইয়ে ছেলের বিরুদ্ধে মাদক মামলায় সাক্ষী মা

    সৈয়দ সালিক আহমেদ।। হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামে ইয়াবা সেবনের প্রস্তুতিকালে জাকির হোসেন(২৭) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। সে মোঃ সাঈদ মিয়ার ছেলে।
    পুলিশ জানায়, আটক জাকির হোসেন মাদক সেবন করে তার বাবা মাকে অত্যাচার করত। বিভিন্ন সময় মাদকের টাকার জন্য ঘরের মালামাল বিক্রি করে দিত, ভাংচুর করত।
    অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াসিন আরাফাত রানা লাখাই থানার সাব ইন্সপেক্টর মিজানুল হকের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করেন।
    মোবাইল কোর্ট ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টির সত্যতা পায় এবং ইয়াবা সেবনের প্রস্তুতিকালে জাকির হোসেনকে পুলিশ হাতেনাতে আটক করে।
    উপস্থিত লোকজন জানান, ইতিপূর্বে ইয়াবা সেবন করে তার মা বাবা এবং পরিবারের অন্যান্যদের উপর অত্যাচার করত জাকির। আটকের পর তার মা নিজেই ঘটনার স্বাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
    বিষয়টি আমলে নিয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইয়াসিন আরাফাত রানা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর আওতায় ১শত টাকা জরিমানাসহ ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
    এবিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
  • শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ঝটলা বেধে মোবাইল সিম বিক্রি, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

    শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ঝটলা বেধে মোবাইল সিম বিক্রি, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

    হবিগঞ্জ শহরের পয়েন্টে পয়েন্টে ঝটলা বেধে মোবাইল কোম্পানির  সিম বিক্রি হচ্ছে। সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্বেও  মানা হচ্ছেনা সরকারী নীতিমালা সামাজিক দুরত্ব  কিংবা স্বাস্থ্যবিধি।
    রবিবার  (৪ মার্চ) দেখা যায়, শহরের  শায়েস্তানগর, আরডী হল, পৌর মার্কেটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ছাতা টানিয়ে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা আর্কষনীয় অফার দিয়ে ঝটলা বেধে মোবাইল সিম বিক্রি করছেন।  উঠতি বয়সী ছেলে মেয়েরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছে এসব অফারে,  এতে করে যেমন সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছেনা অন্যদিকে করোনা মহামারীর প্রার্দূভাব দ্রুত ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
    সচেতন নাগরীক মনে করে এসব ক্ষেত্রে প্রশাসনকে আরো কঠোর হওয়া উচিত।
    এসব বিষয়ে বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাথে কথা বললে তারা বিষয়টি এড়িয়ে চলে যায়।
  • আজ থেকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দীদের সাথে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ

    আজ থেকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দীদের সাথে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ

    জুয়েল চৌধুরী

    আজ রবিবার সারাদেশের মতো হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের দেখা-সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে হবিগঞ্জের জেলার জয়নাল আবেদীন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের মতো হবিগঞ্জ কারাগারেও বন্দিদের সাথে সকল ধরনের সাক্ষাত বন্ধ করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এর আগে গত বছর করোনা পরিস্থিতির কারণে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎকার বন্ধ করা হয়েছিল। পরে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলে চলতি বছরের মার্চে আবার দেখা সাক্ষাৎ শুরু হয়। এবছরও পরিস্থিতি ভালো হলে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবে বন্দিরা। তবে আগের মতোই নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ বন্দিরা তাদের স্বজনদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে পারবেন। কথা বলার সময় স ৮ মিনিট থেকে বাড়িয়ে ১০ মিনিট করা হয়েছে।

  • আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস

    আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস

    আজ ৪ এপ্রিল ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

    ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উর্ধ্বতন ২৭ সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এ বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ এবং যুদ্ধের রণকৌশল গ্রহণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণকে ভাগ করা হয় ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে। নিজের পিস্তল থেকে গুলি ছুড়ে যুদ্ধের সূচনা করেন জেনারেল এমএজি ওসমানী।

    কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও ঐতিহাসিক এ স্থানটি সংরক্ষণ করা হয়নি। এমনকি চা বাগান কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতায় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও নির্মাণ হয়নি মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স।

    ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় জেনারেল এমএজি ওসমানীর নেতৃত্বে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের উর্ধ্বতন ২৭ সেনা কর্মকর্তা মিলিত হন। এখান থেকে নেয়া হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতি। রণাঙ্গণকে ভাগ করা হয় ১১টি সেক্টরে। জেনারেল ওসমানী নিজের পিস্তল থেকে গুলি ছুড়ে এখান থেকেই যুদ্ধের সুচনা ঘোষণা করেন।

    স্বাধীনতার পর সেখানে বুলেট আকৃতির দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধও নির্মাণ করা হয়। এমন ঐতিহাসিক স্থানটি স্বাধীনতার ৫০ বছরেও রয়ে গেছে চরম অবহেলিত। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকার সাধারণ মানুষদের দাবি, দ্রুত এখানে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হোক।

    কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য ক্যাপ্টেন (অবঃ) কাজী কবির উদ্দিন জানান, “২০১১ সালের ৭ মে মুক্তিযোদ্ধাদের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হেলাল মুর্শেদ খান বীরবিক্রম এখানে কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা দেন। তা নির্মাণে ১০ কোটি টাকা আনুমানিক ব্যয়ও ধরা হয়েছিল। এজন্য প্রকল্পও গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু এখানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ করলে বাগানের পরিবেশ নষ্ট হবে এনটিসির এমন দাবির অযুহাতে তা বাস্তবায়ন হচ্ছেনা। এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা।”

    তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক হক জানান, “বাগান এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স তৈরিতে বাগান কর্তৃপক্ষের আপত্তি নেই।”

  • হবিগঞ্জ শহরের পরিচিত মুখ পশু প্রেমিক হারুন মিয়া

    হবিগঞ্জ শহরের পরিচিত মুখ পশু প্রেমিক হারুন মিয়া

    জুয়েল চৌধুরীঃ হবিগঞ্জ শহরের পরিচিত মুখ পশু প্রেমিক হারুন মিয়া। ১২ বছর বয়স থেকে রিকশা চালিয়ে তার জীবন চলে। যদিও অভাব অনটনের কারণে লেখা পড়া করতে পারেনি তবুও পশু পাখি নিয়ে তার জীবন কাটে।

    কোনো স্থানেই অসুস্থ পশু পাখি দেখলেই তার রিকশা চালিয়ে সুস্থ করে তাদের লালন পালন করে। রিকশা চালিয়ে যে টাকা আয় করে তা দিয়ে পশু পাখির খাবার কিনে খাওয়ায়।

    গত ৩০ মার্চ হবিগঞ্জের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে তার শেষ আশ্রয়স্থল মোহনপুর এলাকার চাপটা ঘর তছনছ করে দেয়। সে মোহনপুর এলাকার বশুর উদ্দিনের পুত্র। সে পশুপাখি নিয়ে ত্রিপাল টানিয়ে বসবাস করছে।

    গতকাল শুক্রবার রাতে এ প্রতিনিধির সাথে একান্ত আলাপকালে সে আক্ষেপ করে বলে আমার একটি প্যাডেলের রিকশা ছাড়া আর কিছুই নেই। রিকশা চালিয়ে যে টাকা আয় করি তা দিয়ে আমার সংসার ও পশুপাখির খাবার চলে।

    তার বেশি কিছু চাওয়ার নেই। তার দুটি শিশু ও স্ত্রী রয়েছে। বর্তমানে সে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। বর্তমানে তার একমাত্র চাওয়া হচ্ছে মাথাগোজার জন্য একটি ঘর।

    যদি কেউ তার ঘর নির্মাণে সহায়তা করেন তবে স্ত্রী-সন্তানের পাশাপাশি পশুপাখি নিয়ে বাকী জীবন কাটাতে পারবে। এ জন্য সে সকল বিত্তবানদের কাছে সহায়তা চাচ্ছে।