Category: হবিগঞ্জ

  • সুরক্ষিত থাকতে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন – এমপি আবু জাহির

    সুরক্ষিত থাকতে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন – এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবিলায় নানা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরিবারসহ নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারি সকল নির্দেশনা প্রতিপালন করুন।

    মঙ্গলবার করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় ওষুধ ছিটানো কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং সদর উপজেলার লোকড়া ইউনিয়নে ভিজিডির আওতাড উপকারভোগী নারীদের মাঝে কার্ড ও খাদ্যশষ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেছেন।

    Mp Abu Zahir

    এমপি আবু জাহির আরও বলেন, আবার করোনা ফিরেছে জোরালোভাবে। কোভিড ১৯ এর বিস্তার ঠেকাতে এই সময়ে একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে সরকার। যে প্রজ্ঞাপনের নিয়ম মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য। নিয়ম না মানলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে নিজে ও নিজের পরিবার সতর্ক থাকবে।

    Mp Abu Zahir

    পৃথক অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মেয়র এমএফ আহমেদ অলি, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গাজিউর রহমান ইমরান, জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল্লাহ সরদার, লোকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস ও দুইটি পৌরসভার কাউন্সিলর এবং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • লকডাউনের ২য় দিনে হবিগঞ্জ শহর

    লকডাউনের ২য় দিনে হবিগঞ্জ শহর

    লকডাউনের ১ম দিনের চাইতে ২য় দিনে হবিগঞ্জ শহর সেই চিরচেনা রূপে ফিরে এসেছে।

    শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় যানজটসহ মানুষের ব্যাপক আনাগুনা। শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ছবি ধারণ করেছেন সৈয়দ সালিক আহমেদ ও শাহ কামাল সাগর।

    লকডাউনের ২য় দিনে হবিগঞ্জ শহর
    ছবি ধারণ করেছেন সৈয়দ সালিক আহমেদ ও শাহ কামাল সাগর।
    লকডাউনের ২য় দিনে হবিগঞ্জ শহর
    ছবি ধারণ করেছেন সৈয়দ সালিক আহমেদ ও শাহ কামাল সাগর।
    লকডাউনের ২য় দিনে হবিগঞ্জ শহর
    ছবি ধারণ করেছেন সৈয়দ সালিক আহমেদ ও শাহ কামাল সাগর।
  • বানিয়াচংয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত

    বানিয়াচংয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত

    বানিয়াচংয়ের উত্তর সাঙ্গরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। গুরুতর আহত অবস্থায় জজ মিয়ার পুত্র মোশাহিদ (৩০) কে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    গতকাল সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ওই গ্রামের হুরুন আলীর পুত্র সালেহ মিয়ার সাথে মোশাহিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে ওই সময় একদল লোক তাকে হবিগঞ্জ থেকে যাবার পথে উল্লেখিতদের বাড়ির নিকট রাস্তায় একা পেয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে সর্বস্ব নিয়ে যায়।

    স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তার অবস্থা আশংকাজনক।

  • ধর্ষণের মামলা করায় হবিগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ধর্ষিতাকে অপহরণের চেষ্টা

    ধর্ষণের মামলা করায় হবিগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ধর্ষিতাকে অপহরণের চেষ্টা

    লাখাইয়ে এক মেম্বারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়েছে। এরই আক্রোশে ধর্ষিতাকে অপহরণের চেষ্টা করেছে ধর্ষক ও তার দলবল। শুধু তাই নয়, তাকে পিটিয়ে আহত করে সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে গেছে। হবিগঞ্জ শহরের জজকোর্ট এলাকার পুরাতন পৌরসভা সড়কের মোড়ে প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।

    এদিকে এরকম ঘটনা ঘটায় আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত রবিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা নারী প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    জানা যায়, উপজেলার সিংহগ্রামের রমজান আলীর কন্যাকে একই উপজেলার নোয়াগাও গ্রামের মৃত আব্দুর রউফের পুত্র মেম্বার মোঃ ইকবাল মিয়া (৪৫) গত বছরের ৪ আগষ্ট রাত অনুমান ১০টার দিকে ওই নারীকে ধর্ষণ করে।

    এ ঘটনায় ওই নারী বাদি হয়ে লাখাই থানায় ধর্ষণের মামলা করলে সাথে সাথে মামলাটি রুজু করা হয় এবং স্বাক্ষি ও মেডিকেল প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয় ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে। গত রবিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।

    এ খবর শুনার পর ইকবাল হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে তার দলবল নিয়ে পুরাতন পৌরসভা মোড়ে উৎপেতে থাকে। ওই নারী আদালত থেকে বেরিয়ে আসামাত্র তাকে জোরপূর্বক সিএনজিতে করে উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অপহরণকারীরা তাকে পিটিয়ে আহত করে সর্বস্ব নিয়ে পালিয়ে যায়।

    বিষয়টি ওই নারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে জানালে পুলিশ সুপার কোর্ট ইন্সপেক্টরকে জানান। কোর্ট পুলিশের সহায়তায় ওই নারী সদর হাসপাতালে গিয়ে ওইদিনই চিকিৎসা নেন। অবশেষে ধর্ষক ইকবাল হোসেন ও তার এক সহযোগী যুবকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনা নিয়ে শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

  • মাধবপুরের নোয়াপাড়ায় বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট

    মাধবপুরের নোয়াপাড়ায় বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট

    পূর্বে কোন বিরোধ বা কোন শত্রুতাও ছিলোনা৷ শুধুমাত্র বালু ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে একটু কথা কাটাকাটি নিয়ে বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট চালানো হয় প্রতিপক্ষের ঘরবাড়িতে। বসতঘরের সকল মালামাল শুধু ভাংচুর ও মারপিট করে ক্ষান্ত হয়নি, ঘরের মধ্যে থেকে পোশাক, আসবাবপত্র, রান্না করা ভাত পুকুরে ফেলে দেয় পাশ্ববর্তী গ্রামের প্রতিপক্ষরা। বাড়িতে থাকা মহিলাদের শ্লীলতাহানীরও চেষ্টা করে হামলাকারীরা।

    সোমবার সকালে মাধবপুর উপজেলার ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত পিতা সামছু মিয়ার ছেলে আবু কালামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

    খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মহসিন আল মুরাদ, মাধবপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক ও নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ জাবেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    পরে হামলা-ভাঙচুর, মারপিট, শ্লীলতাহানী ও লুঠপাটের ঘটনায় মাধবপুর থানায় আবুল কালামের মা রহিমা বেগম (৫৫) বাদী হয়ে ২৩জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৫০জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

    জানাযায়, আবুল কালাম (২৮) নিজ ঘরের কাজ করানোর জন্য বালুর প্রয়োজন হলে ঐদিন রাতে পার্শ্ববর্তী উত্তর নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান ছেলে খেলু মিয়া (৫০)’র কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকার বালু ক্রয় করেন। নগদ ৩০ হাজার টাকাও অগ্রিম দিয়ে আসেন খেলু মিয়ার কাছে। পরদিন সকালে আবুল কালাম বালু আন্তে গেলে খেলু মিয়া বালু দিতে অস্বীকার করেন। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথাকাটাটি হয়। এক পর্যায় আবুল কালাম বাড়িতে চলে আসার কিছুক্ষণ পরই একদল লোক আবুল কালামের বাড়িতে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্রমন করে ঘরের টিন, দরজা-জানালা, বাথরুম, আলমিরা, খাট, টিভি, ফ্রিজ, সিলিং ফ্যান, মোবাইল, রান্নাঘর, সবকিছু ভাঙচুর করে। এতে প্রায় দেড় কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান আবুল কালামের পরিবার।

    মাধবপুরের নোয়াপাড়ায় বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট

    আবুল কালামের মা রহিমা বেগম বলেন, সকালে রান্না করে খাবারের জন্য বসি। এমন সময় হঠাৎ অনেক লোক আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। বাড়িতে ঢুকেই ঘরে হামলা শুরু করে। আমাদেরকে কথা বলার কোন সুগোগ দেয়নি। রামদা, দা, সাপল দিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে সকল আসবাবপত্র ভাংচুরসহ বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রায় ৫লাখ টাকা, ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুঠ করে নিয়ে যায়। আমরা চিৎকার শুরু করলে গলায় ছুরি ধরে রাখে। প্রায় দুই ঘণ্টা তান্ডব চালানোর পর সবকিছু পুকুরে ফেলে চলে যায়।

    বাড়িতে থাকা নিকট আত্মীয় মর্জিনা বেগম ও রাসেল বলেন, এমনভাবে হামলা করা হয়েছে যা বর্ণনাতীত। এই বাড়িতে এখন রান্না করে খাওয়ারও ব্যবস্থা নেই। থাকার খাটও ভাঙ্গা।
    পরিদর্শনে আসা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মহসিন আল মুরাদ বলেন, যে পরিবারটির ঘরবাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে তাদের সাথে পূবের্র কোন শত্রুতা নেই। তবে ভাঙচুরের বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। তারা ভাংচুর করে আবার সবকিছু পুকুরে ফেলে যায়।

    মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনার খবর শুনেই আমি সেখানে ছুটে যাই। বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়েছে। এব্যাপারে একটি মামলা করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • মাধবপুরে গণপরিবহনে স্বাস্থবিধি ও নির্দেশনা না মানায় জরিমানা

    মাধবপুরে গণপরিবহনে স্বাস্থবিধি ও নির্দেশনা না মানায় জরিমানা

    সোমবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় আনুমানিক বেলা ১১:৩০ ঘটিকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে গণপরিবহণ চলাচল করায়, লকডাউনে গণপরিবহণ যাতায়াত করায় এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার কারণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে মোট ১৬ টি মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ফাতেমা-তুজ-জোহরা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মো: মহিউদ্দিন।

    সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ অনুযায়ী এই ১৬টি মামলায় মোট ৩২০০০/- জরিমানা করা হয়েছে।

  • আজমিরীগঞ্জের সৌলরীবাজারে স্বাস্হবিধি না মানায় ৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    আজমিরীগঞ্জের সৌলরীবাজারে স্বাস্হবিধি না মানায় ৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেওয়ের সৌলরীবাজারে স্বাস্হ্যবিধি না মানায় ৪ টি ব্যবসা প্রতিষ্টানকে ১ হাজার ৯ শত টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ করোনা সংক্রমণের প্রাদূর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আজ সোমবার থেকে আগামী এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষনা করেছে। সেই সাথে লকডাউন চলাকালীন সময়ে স্বাস্হবিধি ও সামাজিক নিরাপদ দূরত্ব সহ ১১ টি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুর অনুমানিক ১২ টায় আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেওয়ের সৌলরীবাজারে অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান খাঁন।

    এসময় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার দায়ে ৪ টি প্রতিষ্ঠানকে ১ হাজার ৯ শত টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয় এবং মাস্ক পরিধান, নির্দেশনা মেনে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়।

    এসময় আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার সহযোগিতায় বিনামূল্যে কিছু মাস্ক বিতরণ করা হয়।

    স্বাস্থ্যবিধি না মানায় সংক্রামক রোগ (প্র.নি.নি) আইন, ২০১৮ অনুসারে কাকাইলছেওয়ের বাসিন্দা মোঃ সুরুজ মিয়ার পুত্র জহিরুল ইসলাম কে ৩০০; রসুলপুরের বাসিন্দা মোঃ আমিন মিয়ার পুত্র শফিকুল কে ৫০০, বদলপুরের বাসিন্দা রাকেশ সূত্রধরের পুত্র রায়মন সূত্রধর কে ১০০, ও নজরাকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আব্দুল খালেকের পুত্র আব্দুল মালেক কে ১ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

    করোনা প্রতিরোধে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান খান জানান।