Category: হবিগঞ্জ

  • লগডাউনের ৩য় দিনে হবিগঞ্জে জেলা প্রশাসন ও র‍্যাবের যৌথ অভিযান

    লগডাউনের ৩য় দিনে হবিগঞ্জে জেলা প্রশাসন ও র‍্যাবের যৌথ অভিযান

    হবিগঞ্জ জেলায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে লগডাউনের ৩য় দিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মামলা ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এসময় সরকারের পরিপত্র অনুযায়ী হোটেল, বিপনী বিতান এবং জনসাধারণের চলাচল সীমিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    বুধবার (৭ এপ্রিল) হবিগঞ্জ জেলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকল্পে জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় ১৬টি মামলার মাধ্যমে ৫হাজার ৭শত ৫০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তাছাড়া জনসাধারণের মাঝে স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করা হয়।

    এদিকে বুধবার বিকালে জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে র‌্যাবের একটি দল শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় তারা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধা ৬টার পর দোকানপাট বন্ধ এবং জনসাধারণের চলাফেরা সীমিত করার জন্য বলেন।

  • করোনা সংক্রমণ রোধের লক্ষ্যে ৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন

    করোনা সংক্রমণ রোধের লক্ষ্যে ৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন

    গতকাল ৬ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকল্পে জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।

    মোট ৮ টি মামলার মাধ্যমে ৮ জন ব্যক্তিকে ৩১০০/- টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। জেলার সকল উপজেলায় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং বাজারে অভিযান চলমান রয়েছে।

    মোবাইল কোর্ট চলাকালীন জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আহবান জানানো হয়।

    সূত্র – জেলা প্রশাসন, হবিগঞ্জ।

  • বানিয়াচংয়ে ব্যাক্তিগত মালিকানা জমিতে জোরপূর্বক  বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ

    বানিয়াচংয়ে ব্যাক্তিগত মালিকানা জমিতে জোরপূর্বক বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ

    বানিয়াচংয়ে ব্যাক্তিগত মালিকানা জমিতে জোরপূর্বক বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ, শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশংকা

    বানিয়াচংয়ে ব্যাক্তিগত মালিকানা জমি জোরপূর্বক দখল করে বিদ্যালয়ের বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ করা হয়েছে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

    এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী অলফুজুর রহমান খান গং।

    আদালত শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বানিয়াচং থানাকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

    বানিয়াচং থানা থেকে অভিযুক্ত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষককে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য বলা হলেও তারা তা না শুনে দ্রুত গতিতে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    অভিযোগে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার ২ নং উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের তোপখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিদাতা ছিলেন পাঠানটুলা গ্রামের মরহুম সাজিদুর রহমান খান।

    বিদ্যালয়ের জমিদাতার পুত্র মৃত সহিদুর রহমানের ছেলে মামলার বাদী অলফুজুর রহমান গং। অলফুজুরের ছোট ভাই মোঃ মৌসুফুর রহমান খান বিদ্যালয়ের পাশের জমি তার অন্য এক আত্মীয়‘র নিকট থেকে ২৩/০৯/২০১৮ইং এর ৩০৭৩/১৮ নং রেজিষ্ট্রিকৃত দলিলে ক্রয় করেন।

    বর্তমানে বিদ্যালয়ের নতুন বিল্ডিং নির্মাণ করার জন্য কমিটির লোকজন ও প্রধান শিক্ষক জোরপূর্ব্বক নির্মাণ সামগ্রী জড়ো করলে অলফুজুর রহমান খান বাঁধা প্রদান করেন।

    আদালত ও থানার নির্দেশ অমান্য করে বিদ্যালয় কমিটির লোকজন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারনে অভিযোগ দায়েরকারী পক্ষ‘র সাথে যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসীরা আসঙ্গা করছেন বলে জানা গেছে।

  • স্বাস্থ্য বিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবি

    স্বাস্থ্য বিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবি

    লকডাউন পরিস্থিতে হবিগঞ্জের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
    স্বাস্থ্য বিধি মেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবি।

    আজ  ০৬/০৪/২১ইং, সকাল ১১:০০ ঘটিকায় লকডাউন পরিস্থিতিতে হবিগঞ্জের ব্যবসায়ী সংগঠন সমূহ যথা-হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, হবিগঞ্জ মার্চেন্ট এসোসিয়েশন, হবিগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি (ব্যকস্), হবিগঞ্জ স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতি, হবিগঞ্জ বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতি, হবিগঞ্জ টাইলস্ ব্যবসায়ী সমিতি, কালী বাড়ী ব্যবসায়ী সমিতি সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র কার্যালয়ে চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ মিজানুর রহমান শামীম এর সভাপতিত্বে ও চেম্বার পরিচালক জনাব আবু হেনা মোস্তফা কামাল এর পরিচালনায় বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জগদীশ চন্দ্র মোদক, বাবু শংকর পাল, মার্চেন্ট এসোসিয়েশন সভাপতি মোঃ শামছু মিয়া, ব্যকস্ এর সভাপতি মোঃ শামছুল হুদা, ব্যকস্ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর, হাজী মকসুদ মিয়া, আহমেদ কবীর আজাদ, সমীর চন্দ্র বণিক, কবীর আহমেদ, লিটন আহমেদ, মোঃ মুজিবুর রহমান, আজিজুর রহমান মাসুদ, আব্দুল কাইয়ুম, বদরুল আলম, আহমেদ খান শুভ, হাজী নজরুল ইসলাম প্রমূখ। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চেম্বার পরিচালক-মোঃ এনামুল হক, মোঃ জাহিরুল আলম, মফিজুর রহমান বাচ্চু, আমিনুল ইসলাম বাবুল, মোঃ কাউছার আহমেদ জনি, মোঃ জয়নাল আবেদীন, সিদ্ধার্থ শংকর রায় পিনাক, অতীন কুমার দত্ত চৌধুরী পাপন।

    সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নিম্ন  লিখিত দাবী সমূহ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী মহোদয়ের বরাবর প্রেরণের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

    দাবী সমূহঃ ১. আগামী ০৭/০৪/২১ইং হইতে হবিগঞ্জের সর্বস্তরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সকাল ১০:০০ ঘটিকা হইতে বিকাল ৬:০০ ঘটিকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা।

    ২. ব্যবসায়ীদের স্বার্থে ব্যাংক লেনদেনের সময়সীমা বৃদ্ধি করা। ৩. বাহির থেকে আগত ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় মালামাল আনলোডের সময় বৃদ্ধি করা। ৪. ট্রাফিক পুলিশের অযাচিত হয়রানী বন্ধ করা এবং পুলিশের হয়রানী থেকে বাঁচতে আনলোড কারী শ্রমিকদেরকে কার্ড প্রদান। ৫. ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা না করা।

  • ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করেছেন মেয়র আতাউর রহমান সেলিম

    ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করেছেন মেয়র আতাউর রহমান সেলিম

    করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাজার পরিচালনার জন্য ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করেছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম।

    তিনি আজ মঙ্গলবার ৬ এপ্রিল শহরের চাষী বাজার, শায়েস্তানগর বাজার ও চৌধুরীবাজারে তিনি পৃথকভাবে এই মতবিনিময় সভা করেন।

    হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম হবিগঞ্জ পৌর এলাকার শায়েস্তানগর বাজার, চৌধুরীবাজার ও চাষীবাজারে করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে সরকারী স্বাস্থ্য বিধি মেনে বাজার পরিচালনার জন্য ব্যবসায়ী দোকানদারদের সাথে বৈঠক করেন।

    এসময় বাজারসমূহে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য লিফলেট বিতরন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালান এবং বাজার এলাকার মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরন করেন। এসময় তিনি সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে বাজার বাজার পরিচালনার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি উদার্থ আহবান জানান।

    চাষীবাজারে মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলাউদ্দিন কুদ্দুস, মহিলা কাউন্সিলর শেখ সুমা জাহান, চাষী বাজারের পাইকারী আরতের সভাপতি শেখ মোঃ মামুন, চাষী বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ।

    শায়েস্তানগর বাজারে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় কালে উপস্থিত ছিলেন ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ শফিকুর রহমান সিতু, বাজার ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুস সালাম, মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আহাদ, কাঁচাবাজার ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শিপন মিয়া।

    চৌধুরী বাজারে ব্যবসায়ীদের সাথে মত বিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ জুনায়েদ মিয়া, চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী কবির মিয়া, খোরশেদ মিয়া, হান্নান মিয়া প্রমুখ।

  • লাখাইয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনে ২টি এক্সভেটর জব্দ ও বাজার মনিটরিং এ জরিমানা

    লাখাইয়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনে ২টি এক্সভেটর জব্দ ও বাজার মনিটরিং এ জরিমানা

    হবিগঞ্জের লাখাইয়ে বাজার মনিটরিং অভিযান ও সরকারি খাল কেটে মাটি উত্তোলন এবং জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (০৬ এপ্রিল) লাখাই উপজেলার বুল্লাবাজার ও কালাউক বাজারে মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াছিন আরাফাত রানার নেতৃত্বে অভিযানে সকল দোকান পাট যথাসময়ে বন্ধ নিশ্চিত করা হয়। এসময় আইন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অপরাধে ২ জন দোকানদারকে ২টি মামলায় ৫শত টাকা জরিমানা করা হয়।

    বাজার মনিটরিং অভিযান শেষে উপজেলার মনতৈল গ্রামে রাস্তার পাশে খালের উপর ঘর তৈরী করে অন্যান্য প্রতিবেশীদের বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন পরিদর্শন করে বের হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত চলাচলের রাস্তা নিশ্চিত করা হয় এবং স্থাপনা তৈরীর কাজ পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সাময়িক ভাবে বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়।

    এছাড়া বুল্লা ইউনিয়নের ভূমাপুর গ্রামে সরকারি খালের পাড় কেটে মাটি কাটা হচ্ছে এই অভিযোগে উক্ত স্থান পরিদর্শন করা হয়। ঘটনাস্থলে পৌছে মালিক ও চালকবিহীন ২ টি এক্সাভেটর পাওয়া যায়। এক্সাভেটর দুটি এলাকাবাসীর জিম্মায় রাখা হয় এবং পরবর্তীতে মাটি কাটা হলে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়।


    অভিযানকালে লাখাই থানা পুলিশের একদল পুলিশ সদস্য সহযোগিতা করেন।

  • লগডাউনের ২য় দিনে চিরচেনা রূপে পৌর শহর

    লগডাউনের ২য় দিনে চিরচেনা রূপে পৌর শহর

    লকডাউনের ১ম দিনের চাইতে ২য় দিনে হবিগঞ্জ শহর সেই চিরচেনা রূপে ফিরে এসেছে। অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কৌশলে মানুষকে করোনা বিষয়ক স্বাস্থ্য সচেতন করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

    আজ মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যানজটসহ মানুষের ব্যাপক আনাগুনা।

    দুর পাল্লার কোন গাড়ী হবিগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে না গেলেও সিএনজি অটোরিকশা এবং টমটম দিব্যি যাত্রী পরিবহন করেছে।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার সাবধানতাসহ বিভিন্ন প্রচারণা চালানো হচ্ছে । তবে সন্ধা গড়ানোর সাথে সাথে মানুষের আনাগুনা কমে আসে। আবার ব্যাবসায়ীরা দাবি করছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে তাদেরকে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।

    তবে শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যাত্রী পরিবহনের দায়ে টমটম অটোরিকশাকে ট্রাফিক পুলিশ ৩৩টি মামলা দিয়েছে।

    সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি না মানার অপরাধে ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক মামলার দৃশ্য।

    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সারা জেলায় ১২ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৮২টি মামলা এবং ১৩হাজার ৬০০টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও মাস্ক পরিধানে উদ্ধোদ্ধ করা হয়।

     

    এদিকে করোনার মহামারীর ১ম ঢেউ চলাকালীন সময়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং বিপনী বিতানের সামনে সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মত, কিন্তু এবারের তা প্রায় অদৃশ্যমান, কোথাও চোখে পড়ছেনা তেমন কোন সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। তবে সাধারণ মানুষের দাবি, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে গুলোতে সাবান পানির ব্যবস্থা রাখলে ভাল হত।

    খোজ নিয়ে জানা যায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ইতিপূর্বে শহরের যেসকল জায়গায় জনসাধারণের জন্য হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছিল সেগুলো প্রায়ই বিকল হয়ে আছে, সাবানতো কোথাও নাই, কোন কোন জায়গায় পানির ট্যাপ আছেতো পানি নাই, আবার কোন কোন জায়গায় পানি আছেতো ট্যাপ নাই।

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক স্থাপিত হাত ধোয়র বেসিনের বর্তমান অবস্থা।
    ছবিঃ সৈয়দ সালিক আহমেদ।

    এবিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল কবীর ভুইয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শহরের ৮টি স্থানে হাত ধোয়ার বেসিন বসানো হয়েছে এবং জেলায় ২৬টি, প্রতিটি বেসিন নির্মানে খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা করে এবং এগুলো রক্ষনাবেক্ষণ করবে সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উন্মুক্ত স্থানে হাত ধোয়ার বেসিন বসানোর পরিকল্পনা আমরা ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছি, অচিরেই সেগুলো বাস্থবায়ন করা হবে।